
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -: «الْمُؤَذِّنُ أَمْلَكُ بِالْأَذَانِ، وَالْإِمَامُ أَمْلَكُ بِالْإِقَامَةِ» رَوَاهُ ابْنُ عَدِيٍّ وَضَعَّفَهُ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আযানের অধিক কর্তৃত্ব মুআযযিনের উপর ন্যস্ত আর ইকামাত ইমাম সাহেবের কর্তৃত্বাধীন। ইবনু আদী, তিনি হাদীসটিকে য'ঈফ (দুর্বল)ও বলেছেন। [২৩৪] [বুলুগুল মারাম : ২০১]
[[২৩৪] যঈফ। ইবনু আদী তাঁর কামিল গ্রন্থে (৪/১৩২৭) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তার সনদে শারীক বিন আব্দুল্লাহ আল ক্বাযী রয়েছে যার স্মৃতিশক্তি খুব দুর্বল। ইবনু আলীও (রহঃ) তার ক্রটি বর্ণনা করেছেন। ইবনু হাজার বলেন, হাদীসটি শারীক বিন আব্দুল্লাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এতে রয়েছে, মুআরিক বিন ইযাদ, সে দুর্বল। (আত-তালখীসুল হাবীর ১/৩৪৭, যঈফ নং ৪৬৬৯, ইমাম সওকানীও শারীকের দিকে দুর্বলতার ইঙ্গিত করেছেন। (নাইলুল আওত্বার ২/৩১), ইমাম বায়হাকীও সুরক্ষিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন। (সুনানুল কুবরা ২/১৯)]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

وَلِلْبَيْهَقِيِّ نَحْوُهُ: عَنْ عَلِيٍّ مِنْ قَوْلِهِ
বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ
বাইহাকীতে অনুরূপ একটি হাদীস ‘আলী (রাঃ) -এর বচন বলে বর্ণিত। [২৩৫] [বুলুগুল মারাম : ২০২]
[[২৩৫] মাওকূফ হিসেবে সহীহ। বায়হাকী ২/১৯; তার হাদীসের শব্দ হচ্ছে (আরবী)। মুয়াজ্জিনের হক আযান দেয়া আর ইমামের হক হলো ইকামত দেয়া।` ইমাম বাইহাকী তাঁর সুনান আল কুবরা (২/১৯) গ্রছে বলেন, হাদীসটি মারফূ সূত্রে বর্ণিত, আর এটি মাহফূয নয়।]
হাদিসের মান : অন্যান্য