(৪৯৮) সলাত [হাদিসের সীমা (১৫১-৫৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪০০টি]

পরিচ্ছেদ ৩২. [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৫০টি]


যখন কোন লোক আযান আর অপরজন ইকামত দিবে তার বিধান




38429 OK

(১৯৯)

যঈফ হাদিস

وَلَهُ عَنْ زِيَادِ بْنِ الْحَارِثِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -: «وَمَنْ أَذَّنَ فَهُوَ يُقِيمُ» وَضَعَّفَهُ أَيْضًا


যিয়াদ বিন হারিস থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আযান দেবে সে ইকামাত দেবে। এটাকেও তিরমিয়ী য'ঈফ (দুর্বল) বলেছেন।” [২৩২] [বুলুগুল মারাম : ১৯৯]


[[২৩২] যইফ। তিরমিযী ১৯৯ তিরমিযী বলেন, যিয়া়দের এ হাদীসটি ইফরীকী ব্যতীত অন্য কোন সূত্রে পাইনি। আর ইফরীকী হাদীসবেত্তদের নিকট যঈফ-দুর্বল। মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুলুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেন: দুর্বল কথিাটিই সঠিক, যদিও কেউ কেউ এ বিষয়ে মতবিরোধ করেছেন। তাদের মধ্যে আছেন আল্লামাহ আহমাদ শাকির তিনি তাকে শক্তিশালী রাবী বলেছেন এবং তার বর্ণিত হাদীসকে সহীহ মন্তব্য করেছেন। অনুরূপভাবে হযিমী (রহঃ) তার হাদীসকে হাসান বলেছেন। ইমাম ইবনু কাসীর তার আল-আহকামুল কাবীর (১/৯৭) ও ইমাম শওকানী তার নাইলুল আওত্বার (২/৪১) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আবদুর রহমান বিন যিয়াদ বিন আনআম আল ইফরিক্বী রয়েছে, ইমাম তিরমিযী বলেন, মুহাদ্দিসগণের নিকট তিনি দুর্বল হিসেবে পরিচিত। ইয়াহইয়া আল কাত্তান সহ অনেকেই তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। (তিরমিযী বলেন) আমি ইমাম বুখারীকে দেখেছি, তিনি এ রাবীকে হাদীস বর্ণনার যোগ্য বলে মনে করতেন। মুহাদ্দিস আযীমাবাদী তাঁর আওনুল মা’বুদ (২/১২৬) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে দুর্বলতা রয়েছে। আবদুর রহমান মুবারকপুরী তার তুহফাতুল আহওয়ায়ী (১/৪৪৩) গ্রন্থে, শাইখ আলবানী যঈফ ইবনু মাজাহ (১৩৬), যঈফ আবু দাউদ (৫১৪), যদফুল জামে’ (১৩৭৭), ইরওয়াউল গালীল (১/২৫৫) গ্রন্থে ইমাম নববী তার আল খুলাসা (১/২৯৭) হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



38430 OK

(২০০)

যঈফ হাদিস

وَلِأَبِي دَاوُدَ: فِي حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ أَنَّهُ قَالَ: أَنَا رَأَيْتُهُ -يَعْنِي: الْأَذَانَ- وَأَنَا كُنْتُ أُرِيدُهُ، قَالَ: «فَأَقِمْ أَنْتَ» وَفِيهِ ضَعْفٌ أَيْضًا


আবদুল্লাহ বিন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আযান (স্বপ্নে) দেখেছি। আর আমি তা দিতেও চাই। নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমিই ইকামাত দেবে। এর সানাদেও দুর্বলতা আছে।” [২৩৩] [বুলুগুল মারাম : ২০০]


[[২৩৩] যঈফ। আবু দাউদ ৫১২ ইমাম বুখারী তাঁর আত-তারীখুল কাবীর (৫/১৮৩) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসটির সমালোচনা হচ্ছে, একজন আরেকজন থেকে শোনার কথাটি উল্লেখ নেই। মুহাদ্দিস আয়ী তার আওনুল মা’বুদ (২/১২৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে মুহাম্মদ বিন আমর আল ওয়াকিফী আল আনসারী আল বাসারী রয়েছে। তাকে ইয়াহইয়া আল কাত্তান, ইবনু নুমাইর, ইয়াহইয়া বিন মুঈন সকলেই দুর্বল বলেছেন। এ হাদীসের সনদে এ রাবীর থাকার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। শাইখ আলবানী যঈফ আবু দাউদ (৫১২) এছে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। তবে ইবনুল মুলকীন খুলাস আল বাদরুল মুনীর (১/১০৬) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি হাসান, আর এর সনদ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ইবনু হাজার বলেন, এ হাদীসের রাবীদের মধ্যে একজন হচ্ছে মুহাম্মাদ বিন আমর আল-ওয়াকিয়ী আল আনসারী আল বাসরী সে দুর্বল। (আত-তালখীসুল হাবীর ১/৩৪৪, আওনুল মা’বুদ ২/১২৫, কাত্তান ইবনু নুসাইর, ইয়াহয়া বিন মুঈন সকলেই তাকে দুর্বল বলেছেন। (আওনুল মা’বুদ ২/১২৫)]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস