(৪৯৮) সলাত [হাদিসের সীমা (১৫১-৫৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪০০টি]

পরিচ্ছেদ ৩১. [মোট হাদিসঃ ১টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৫১টি]


আযানের জন্য অযু করা শরীয়তসম্মত




38428 OK

(১৯৮)

যঈফ হাদিস

وَلَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يُؤَذِّنُ إِلَا مُتَوَضِّئٌ» وَضَعَّفَهُ أَيْضًا


আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তাতে আছে- নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন- উযু আছে এরূপ ব্যক্তি ব্যতীত যেন আযান না দেয়।` [২৩০] এটাকেও তিনি য’ঈফ (দুর্বল) বলেছেন। [২৩১] [বুলুগুল মারাম : ১৯৮]


[[২৩০] যঈফ। তিরমিয়ী ২০০। যুহরী ও আবু হুরাইরা মধ্যে বিচ্ছিন্নতা থাকার কারণে তিরমিয়ী হাদীসটিকে যঈফ মন্তব্য করেছেন। মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুগুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেন: তিরমিয়ী (২০১) নং এ আবু হুরাইরা হতে মওকুফ সূত্রে আরেকটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এটিও সহীহ নয়। হাদীসের শব্দ হচ্ছে (আরবী) অযুকারী ব্যক্তিই কেবল আযান দিবে। [২৩১] এর সনদে রয়েছে যুহরী যিনি আবু হুরায়রা থেকে শুনেননি। এর মধ্যে রয়েছে মুআবিয়া বিন ইয়াযিদ আস সাকাফী দুর্বল রাবী। (বাইহাকী কুবরা ১/৩৯৭), ইবনু কাসীরও অনুরূপ বলেছেন। (আল-আহকামুল কাবীর ১/১২৯), ইবনু সুয়ূতী তার জামেউস সগীরে এ হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম বাইহাকী তার সুনান আল কুবরা (১/৩৯৭) গ্রন্থে, ইমাম ইবনু কাসীর তার আল আহকামুল কাবীর (১/১২৯) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে মুআবিয়া বিন ইয়াহইয়া আস সিদকী নামক দুর্বল রাবী বিদ্যমান। ইমাম সনআনী তার সুবুলুস সালাম (১/২০৫) গ্রন্থে বলেন, যুহরী আবু হুরাইরাহ থেকে হাদীসটি শুনেনি। আর যুহরী থেকে যে বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন তিনি দুর্বল। আবদুর রহমান মুবারকপুরী তার তুহফাতুল আহওয়ায়ী (১/৪৪৫) গ্রন্থে, আহমাদ শাকের তাঁর শরহে সুনান আত তিরমিয়ী (১৪/৩৮৯) গ্রন্থে, বিন বায তাঁর মাজমু’ ফাতাওয়া (৬/৩৪৫, ১০/৩৩৯) -গ্রন্থে, শাইখ আলবানী তাঁর যঈফুল জামে (৬৩১৭), যঈফ তিরমিয়ী (২০০), ইরওয়াউল গালীল (২২২) গ্রন্থে, ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (১/৪৮২) গ্রন্থে সকলেই হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস