(৪৯৮) সলাত [হাদিসের সীমা (১৫১-৫৩৩), সর্বমোট হাদিসঃ ৪০০টি]

পরিচ্ছেদ ১৪. [মোট হাদিসঃ ২টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩৭৮টি]


সময়ের স্তর অনুযায়ী ফযীলত কম-বেশি হয়




38401 OK

(১৭২)

যঈফ হাদিস

وَعَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَوَّلُ الْوَقْتِ رِضْوَانُ اللَّهِ, وَأَوْسَطُهُ رَحْمَةُ اللَّهِ، وَآخِرُهُ عَفْوُ اللَّهِ» أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ جِدًّا


আৰূ মাহযুরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: সলাতের সময়ের প্রথমাংশ সালাত কায়িম করা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ, মধ্যমাংশে ক্বায়িম করা তাঁর অনুগ্রহ এবং শেষাংশে আল্লাহর ক্ষমা লাভের কারণ। (ইমাম দারাকুতনী অত্যন্ত দুর্বল সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।) [১৯৮] [বুলুগুল মারাম : ১৭২]


[[১৯৮] হাদীসটি মাওজু’ বা জাল। দারাকুতনী ১৫৯-২৫০২। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (১/১৮৫) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে ইয়াকুব ইবনুল ওয়ালীদ আল-মাদানী রয়েছে। তার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেন, সে বড় মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত, ইবনু মুঈনও তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন। ইমাম নাসাঈ তাকে পরিত্যাগ করেছেন, আর ইবনু হিব্বান তাকে হাদীস জালকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ইবনুল মুলকিন তার বদরুল মুনীর গ্রন্থে (৩/২০৯), ইবনু উসাইমীন তার শরহে বুলুগুল মারাম (১/৪৪৭) গ্রন্থে, শাইখ আলবানী যঈফুল জামে (২১৩১) গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন, তবে যঈফ তারগীব (২১৮) গ্রন্থে একে জাল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইবনুল কীসরানী তার দাখীরাতুল হুফফায (১৪৪) ও মারিফাতুত তাযকিরাহ (১৩০) গ্রন্থে বলেন, সে বিশ্বস্ত রাবীদের নামে হাদীস জাল করত। ইবনু আদী বলেন, আল কামিল ফিয যুআফা (২/২৭০) গ্রন্থে বলেন, এর সনদে দুজন অপরিচিত বর্ণনাকারী রয়েছে। শুধুমাত্র ইমাম সুয়ূত্বী (ভুলক্রমে) আল জামেউস সগীর (২৮০৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলে ফেলেছেন।]


হাদিসের মান : যঈফ হাদিস



38402 OK

(১৭৩)

জাল হাদিস

وَلِلتِّرْمِذِيِّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ نَحْوُهُ, دُونَ الْأَوْسَطِ, وَهُوَ ضَعِيفٌ أَيْضًا


বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিতঃ

তিরমিযীতে ইবনু উমার হতে এরূপ একটি হাদীস রয়েছে। তাতে মধ্যমাংশ শব্দ নেই। এটির সনদও দুর্বল। [১৯৯] [বুলুগুল মারাম : ১৭৩]


[[১৯৯] মাওজু। তিরমিয়ী ১৭২। হাফিজ ইবনু হাজারের মতে যঈফ। যঈফ বলে শিথিলতা প্রদর্শন করা হয়েছে। কেননা, এ হাদীসের সনদে ইয়াকুব বিন ওয়ালীদ নাম একজন রাবী আছেন যার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেছেন সে বড় মিথ্যুকদের একজন।]


হাদিসের মান : জাল হাদিস