
وَلَهُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ: ثَلَاثُ سَاعَاتٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَنْهَانَا أَنْ نُصَلِّي فِيهِنَّ, وَأَنْ نَقْبُرَ فِيهِنَّ مَوْتَانَا: حِينَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ بَازِغَةً حَتَّى تَرْتَفِعَ, وَحِينَ يَقُومُ قَائِمُ الظَّهِيرَةِ حَتَّى تَزُولَ الشَّمْسُ, وَحِينَ تَتَضَيَّفُ الشَّمْسُ لِلْغُرُوبِ (1)، وَالْحُكْمُ الثَّانِي عِنْدَ الشَّافِعِيِّ مِنْ:
উক্বাহ বিন ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
এমন তিনটি সময় রয়েছে যে সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতে, মৃতকে কবর দিতে নিষেধ করেছেনঃ (১) সূর্য উজ্জ্বল হয়ে উঠা হতে কিছুটা উপরে উঠা পর্যন্ত, (২) এবং ঠিক দুপুর হলে যে পর্যন্ত না সূর্য (পশ্চিম আকাসে) ঝুঁকে পড়ে। (৩) আর যখন সূর্য ঝুঁকে পড়ে অস্ত যাবার উপক্রম হয়। [১৯০] [বুলুগুল মারাম : ১৬৪]
[[১৯০] সহীহ্ মুসলিম ৮৩১. (আরবী) দ্বারা উদ্ধেশ্য হলো সূর্য ঢলে যাবার পূর্বে স্থীর হওয়া। এ সময় ঠিক আকাশের মাঝ বরাবর অবস্থান করে এবং সূর্যের গতি কিছুক্ষনের জন্য স্থির থাকে।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ. وَزَادَ: «إِلَّا يَوْمَ الْجُمْعَةِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
‘ঈফ সানাদে বর্ণনা করে তাতে বৃদ্ধি করেছেনঃ “জুমু‘আহর দিন ব্যতিত”। [১৯১] [বুলুগুল মারাম : ১৬৫]
[[১৯১] অত্যন্ত যঈফ। শাফিয়ী তাঁর মুসনাদে (১৩৯, ৪০৮) আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঠিক দুপুরে সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন যতক্ষন না তা ঢলে যায়। তবে শুক্রবার ব্যতীত। মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুলুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেনঃ এ হাদীসে দু’জন মাতরূক রাবী আছে ।]
হাদিসের মান : খুবই দুর্বল

وَكَذَا لِأَبِي دَاوُدَ: عَنْ أَبِي قَتَادَةَ نَحْوُهُ
আবূ কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
অনুরূপ হাদীস রয়েছে। [১৯২] [বুলুগুল মারাম : ১৬৬]
[[১৯২] যঈফ। আবূ দাঊদ ১০৮৩ আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঠিক দুপুরে সলাত আদায় করা অপছন্দ করেছেন। আল্লামা ইবনুল কায়্যেম তাঁর যাদুল মায়াদে (১/৩৮০) বলেন, ঠিক দুপুরে সলাত আদায় অপছন্দনীয় হওয়ার ব্যাপারে মানুষেরা তিনটি অভিমত পোষণ করেছেন। ১. সেটা কোন অপছন্দনীয় সময় নয়। এটা ইমাম মালিকের অভিমত ২. জুমুআহ এবং অন্যান্য সব সালাতের ক্ষেত্রেই সে সময়টায় সলাত আদায় অপছন্দনয় । এটা ইমাম আবূ হানীফার অভিমত এবং ইমাম আহমাদ (রহঃ) এর প্রসিদ্ধ অভিমত। ৩. সে সময়টা জুমুআহ ব্যতীত অন্যান্য দিনের জন্য সলাত আদায় অপছন্দনীয় সময়। জুমুআর দিনে কোন অপছন্দনীয় সময় নেই। এটা ইমাম শাফিয়ীর (রহঃ) এর অভিমত। মুহাক্কিক সুমাইর আয-যুহাইরি বুলুগুল মারামের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেনঃ ইমাম শাফিয়ীর অভিমতই ন্যায়ভিত্তিক অভিমত। এ অভিমতের পক্ষে সহীহ হাদীসসমূহ প্রমাণিত রয়েছে। ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, হাদীসটি মুরসাল। কেননা; বর্ণনাকারী আব্দুল খালীল আবূ কাতাদাহ থেকে শুনেননি। এছাড়া এ হাদীসে লাইস বিন আবূ সুলাইম রয়েছেন। তিনি দুর্বল রাবী (আত্-তালখীসুল হাবীর ১/৩১১), ঈমাম শাওকানী বলেন, হাদিসটি মুনকাতি। এর মধ্যে লাইস বিন আবূ সুলাইম দুর্বল। (নাইলুল আওতার ৩/১১২), ইমাম যাহাবীও লাইসকে দুর্বল বলেছেন । (তানকীহুত তাহকীক ১/২০২) । ইবনু হাজার বলেন, মুহাম্মদ বিন ইয়াযিদ হচ্ছে একক বর্ণনাকারী আর তিনি সত্যবাদী। (আত-তালখীসুল হাবীর ১/২৮৬), ইমাম শাওকানীও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন। (নাইলুল আওতার ১/১৪১), দারাকুতনী বলেন, হাদীসটি গরীব, এর সকল রাবী বিস্বস্ত (আল-বাদরুল মুনীর ৩/১৮৮)]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস