(৪৮৭) সাহাবাগণের মর্যাদা [হাদিসের সীমা (১৫৪০-১৬৫১), সর্বমোট হাদিসঃ ১১২টি]

৪৪/২৪. [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৪৯টি]


সা‘দ বিন মু‘আয (রাঃ)-এর বর্ণনা।




41481 OK

(১৬০৩)

সহিহ হাদিস

حديث جَابِرٍ رضي الله عنه: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: اهْتَزَّ الْعَرْشُ لِمَوْتِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ


জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি সা‘দ ইব্‌নু মু‘আয (রাঃ)-এর মৃত্যুতে আল্লাহ্ তা‘আলার আরশ কেঁপে উঠেছিল। (বুখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় ১২ হাদীস নং ৩৮০৩; মুসলিম ৪৪/২৪ হাঃ ২৪৬৬) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



41482 OK

(১৬০৪)

সহিহ হাদিস

حديث الْبَرَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: أُهْدِيَتْ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حُلَّةٌ حَرِيرٍ، فَجَعَلَ أَصْحَابُهُ يَمَسُّونَهَا وَيَعْجَبُونَ مِنَ لِينِهَا فَقَالَ: أَتَعْجَبُونَ مِنْ لِينِ هذِهِ لَمَنَادِيلُ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ خَيْرٌ مِنْهَا، أَوْ أَلْيَنُ


বারা’ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এক জোড়া রেশমী কাপড় হাদীয়া দেয়া হল। সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) তা স্পর্শ করে এর কোমলতায় অবাক হয়ে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এর কোমলতায় তোমরা অবাক হচ্ছ? অথচ সা‘দ ইব্‌নু মু‘আয (রাঃ)-এর (জান্নাতের) রুমাল এর চেয়ে অনেক উত্তম, অথবা বলেছেন অনেক মোলায়েম। (বুখারী পর্ব ৬৩ অধ্যায় ১২ হাদীস নং ৩৮০২; মুসলিম ৪৪/২৪, হাঃ নং ২৪৬৮) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



41483 OK

(১৬০৫)

সহিহ হাদিস

حديث أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: أْهْدِيَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جُبَّةُ سُنْدُسٍ، وَكَانَ يَنْهى عَنِ الْحَرِيرِ فَعَجِبَ النَّاسُ مِنْهَا فَقَالَ: وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَمَنَادِيلُ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ فِي الْجَنَّةِ أَحْسَنُ مِنْ هذَا


আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি রেশমী জুব্বা হাদিয়া দেয়া হল। অথচ তিনি রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন। এতে সাহাবীগণ খুশী হলেন। তখন তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, জান্নাতে সা‘দ ইবনু মু‘আযের রুমালগুলো এর চেয়ে উৎকৃষ্ট। (বুখারী পর্ব ৫১ অধ্যায় ২৮ হাদীস নং ২৬১৫; মুসলিম ৪৪/২৪ হাঃ ২৪৬৯) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস