(৪৮৭) সাহাবাগণের মর্যাদা [হাদিসের সীমা (১৫৪০-১৬৫১), সর্বমোট হাদিসঃ ১১২টি]

৪৪/২২. [মোট হাদিসঃ ৪টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৫৫টি]


‘আবদুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ (রাঃ) ও তাঁর মায়ের মর্যাদা।




41475 OK

(১৫৯৭)

সহিহ হাদিস

حديث أَبي مُوسى الأَشْعَرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: قَدِمْتُ، أَنَا وَأَخِي مِنَ الْيَمَنِ، فَمَكثْنَا حِينًا مَا نُرَى إِلاَّ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ مَسْعُودٍ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ بَيْتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لِمَا نَرَى مِنْ دُخُولِهِ وَدُخُولِ أُمِّهِ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ-কে বলতে শুনেছি যে, আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান হতে মাদীনাহ্তে আসি এবং বেশ কিছুদিন মাদীনাহ্তে অবস্থান করি। তখন আমরা মনে করতাম যে, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু মাস‘ঊদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারেরই একজন লোক। কারণ আমরা তাঁকে এবং তাঁর মাকে হরহামেশা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে প্রবেশ করতে দেখতাম। (বুখারী পর্ব ৬২ অধ্যায় ২৭ হাদীস নং ৩৭৬৩; মুসলিম ৪৪/২২ হাঃ ২৪৬০) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



41476 OK

(১৫৯৮)

সহিহ হাদিস

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ خَطَبَ، فَقَالَ: وَاللهِ لَقَدْ أَخَذْتُ مِنْ فِي رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِضْعًا وَسَبْعِينَ سُورَةً، وَاللهِ لَقَدْ عَلِمَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنِّي مِنْ أَعْلَمِهِمْ بِكِتَابِ اللهِ، وَمَا أَنَا بِخَيْرِهِم قَالَ شَقِيقٌ (رَاوِي الْحَدِيثِ) : فَجَلَسْتُ فِي الْحِلَقِ أَسْمعُ مَا يَقُولُونَ، فَمَا سَمِعْتُ رَدًّا يَقُولُ غَيْرَ ذَلِكَ


শাকীক ইব্‌ন সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাসঊদ (রাঃ) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন এবং বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! সত্তরেরও কিছু অধিক সূরাহ আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখ থেকে হাসিল করেছি। আল্লাহ্‌র কসম! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীরা জানেন, আমি তাঁদের চেয়ে আল্লাহ্‌র কিতাব সম্বন্ধে অধিক জ্ঞাত; অথচ আমি তাঁদের মধ্যে সর্বোত্তম নই।
শাকীক (রহঃ) বলেন, সহাবীগণ তাঁর কথা শুনে কী বলেন তা শোনার জন্য আমি মজলিসে বসে থাকলাম, কিন্তু আমি কাউকে অন্যরকম কথা বলে আপত্তি করতে শুনিনি। (বুখারী পর্ব ৬৬ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ৫০০০; মুসলিম ৪৪/২২, হাঃ ২৪৬২) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



41477 OK

(১৫৯৯)

সহিহ হাদিস

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ: وَاللهِ الَّذِي لاَ إِلهَ غَيْرُهُ مَا أُنْزِلَتْ سُورَةٌ مِنْ كِتَابِ اللهِ إِلاَّ وَأَنَا أَعْلَمُ أَيْنَ أُنْزِلَتْ وَلاَ أُنْزِلَتْ آيَةٌ مِنْ كِتَابِ اللهِ إِلاَّ وَأَنَا أَعْلَمُ فِيمَ أُنْزِلَتْ وَلَوْ أَعْلَمُ أَحَدًا أَعْلَمَ مِنِّي بِكِتَابِ اللهِ تُبَلِّغُهُ الإِبِلُ لَرَكِبْتُ إِلَيْهِ


‘আব্দুল্লাহ ইব্‌নু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র কসম! যিনি ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই, আল্লাহ্‌র কিতাবে অবতীর্ণ প্রতিটি সূরাহ সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোথায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিটি আয়াত সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কোন্ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি যদি জানতাম যে, কোন ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কিতাব সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত এবং সেখানে ঊট পৌঁছতে পারে, তাহলে সওয়ার হয়ে সেখানে পৌঁছে যেতাম। (বুখারী পর্ব ৬৬ অধ্যায় ৮ হাদীস নং ৫০০২; মুসলিম ৪৪/২২, হাঃ ২৪৬৩) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



41478 OK

(১৬০০)

সহিহ হাদিস

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ: ذُكِرَ عَبْدُ اللهِ عِنْدَ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو، فَقَالَ: ذَاكَ رَجُلٌ لاَ أَزَالُ أُحِبُّهُ بَعْدَ مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقولُ: اسْتَقْرِئوا الْقُرْآنَ مِنْ أَرْبَعَةٍ: مِنْ عَبْدِ اللهِ مَسْعُودٍ (فَبَدَأَ بِهِ) ، وَسَالِم مَوْلَى أَبِي حُذَيْفَةَ، وَأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، وَمُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ


মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘আম্‌র (রাঃ)-এর মজলিসে ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর আলোচনা হলে তিনি বললেন, আমি এই লোককে ঐদিন হতে অত্যন্ত ভালবাসি যেদিন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা চার ব্যক্তি হতে কুরআন শিক্ষা কর, ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাস‘ঊদ- সর্বপ্রথম তাঁর নাম বললেন আবূ হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম সালিম, উবাই ইব্‌নু কা‘ব (রাঃ) ও মু‘আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) থেকে। উবাই (রাঃ) ও মু‘আয (রাঃ) এ দু’জনের কার নাম আগে বলেছিলেন সেটুকু আমার স্মরণ নেই। (বুখারী পর্ব ৬২ অধ্যায় ২৬ হাদীস নং ৩৭৫৮; মুসলিম ৪৪/২২ হাঃ ২৪৬৪) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস