
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَا مِنْ بَنِي آدَمَ مَوْلُودٌ إِلاَّ يَمَسُّهُ الشَّيْطَانُ، حِينَ يُولَدُ، فَيَسْتَهِلُّ صَارِخًا مِنْ مَسِّ الشَّيْطَانِ، غَيْرَ مَرْيَمَ، وَابْنِهَا ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ (وَإِنِّي أُعِيذُهَا بِكَ وَذُرِّيَّتَها مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমি মারিয়ামের পুত্র ‘ঈসার অধিক ঘনিষ্ঠ। আর নবীগণ পরস্পর আল্লাতী ভাই। আমার ও তার মাঝখানে কোন নবী নেই। (বুখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৪৮ হাদীস নং ৩৪৪২; মুসলিম ৪৩/৪০ হাঃ ২৩৬৫) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: رَأَى عِيسى ابْنُ مَرْيَمَ رَجُلاً يسْرِقُ فَقَالَ لَهُ: أَسَرَقْتَ قَالَ: كَلاَّ، وَاللهِ الَّذِي لاَ إِلهَ إِلاَّ هُوَ فَقَالَ عِيسى: آمَنْتُ بِاللهِ وَكَذَّبْتُ عَيْنِي
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এমন কোন আদাম সন্তান নেই, যাকে জন্মের সময় শয়তান স্পর্শ করে না। জন্মের সময় শয়তানের স্পর্শের কারণেই সে চিৎকার করে কাঁদে। তবে মারইয়াম এবং তাঁর ছেলে (ঈসা) (‘আ.) এর ব্যতিক্রম। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ্ বলেন, [“হে আল্লাহ্! নিশ্চয় আমি আপনার নিকট তাঁর এবং তাঁর বংশধরদের জন্য বিতাড়িত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।] (বুখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৪৪ হাদীস নং ৩৪৩১; মুসলিম ৪৩/৪০ হাঃ ২৩৬৬) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ: رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: اخْتَتَنَ إِبْرَاهِيمُ عَلَيْهِ السَّلاَمُ، وَهُوَ ابْنُ ثَمَانِينَ سَنَةً، بِالْقَدُّومِ
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘ঈসা (‘আ.) এক লোককে চুরি করতে দেখলেন, তখন তিনি বললেন, তুমি কি চুরি করেছ? সে বলল, কক্ষণও নয়। সেই সত্তার কসম! যিনি ছাড়া আর কোন প্রকৃত ইলাহ নেই। তখন ‘ঈসা (‘আ.) বললেন, আমি আল্লাহ্র উপর ঈমান এনেছি আর আমি আমার দু’চোখ অবিশ্বাস করলাম। (বুখারী পর্ব ৬০ অধ্যায় ৪৮ হাদীস নং ৩৪৪৪; মুসলিম ৪৩/৪০ হাঃ ২৩৬৮) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস