
حديث عَائِشَةَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمنِ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ، كيْفَ كَانَتْ صَلاَةُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي رَمَضَانَ فَقَالَتْ: مَا كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَزِيدُ [ص: 143] فِي رَمَضَانَ وَلاَ فِي غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلاَ تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلاَ تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي ثَلاَثًا قَالَتْ عَائِشَةُ: فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ أَتَنَامُ قَبْلَ أَنْ تُوتِرَ فَقَالَ: يَا عَائِشَةُ إِنَّ عَيْنَيَّ تَنَامَانِ وَلاَ يَنَامُ قَلْبِي
আবূ সালামাহ ইব্নু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, রমাযান মাসে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাত কেমন ছিল? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাসে এবং অন্যান্য সময় (রাতের বেলা) এগার রাক’আতের অধিক সলাত আদায় করতেন না। তিনি চার রাক’আত সলাত আদায় করতেন। তুমি সেই সলাতের সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করো না। তারপর চার রাক’আত সলাত আদায় করতেন, এর সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে আমাকে প্রশ্ন করো না। অতঃপর তিনি তিন রাক’আত (বিত্র) সলাত আদায় করতেন। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, (একদিন) আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি কি বিত্রের পূর্বে ঘুমিয়ে থাকেন? তিনি ইরশাদ করলেনঃ আমার চোখ দু’টি ঘুমায়, কিন্তু আমার হৃদয় ঘুমায় না। (বুখারী পর্ব ১৯ : /১৬ হাঃ ১১৪৭, মুসলিম ৬/১৭, হাঃ ৭৩৮) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৪২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً؛ مِنْهَا الْوِتْرُ، وَرَكْعَتَا الْفَجْرِ
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের বেলা তের রাক’আত সলাত আদায় করতেন, বিত্র এবং ফাজরের দু রাক’আত (সুন্নাত)ও এর অন্তর্ভুক্ত। (বুখারী পর্ব ১৯ : /১০ হাঃ ১১৪০, মুসলিম ৬/১৭, হাঃ ৭৩৮) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৪২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حديث عَائِشَةَ عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ، كَيْفَ كَانَ صَلاَةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ قَالَتْ: كَانَ يَنَامُ أَوَّلَهُ، وَيَقُومُ آخِرَهُ، فَيُصَلِّي ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى فِرَاشِهِ، فَإِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ وَثَبَ فَإِنْ كَانَ بِهِ حَاجَةٌ اغْتَسَلَ، وَإِلاَّ تَوَضَّأَ وَخَرَجَ
আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাত কেমন ছিল? তিনি বলেন, তিনি প্রথমাংশে ঘুমাতেন, শেষাংশে জেগে সলাত আদায় করতেন। অতঃপর তাঁর শয্যায় ফিরে যেতেন, মুআয্যিন আযান দিলে দ্রুত উঠে পড়তেন, তখন তাঁর প্রয়োজন থাকলে গোসল করতেন, অন্যথায় উযূ করে (মসজিদের দিকে) বেরিয়ে যেতেন। (বুখারী পর্ব ১৯ : /১৫ হাঃ ১১৪৬, মুসলিম ৬/১৭, হাঃ ৭৩৯) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৪২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حديث عَائِشَةَ عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ، أَيُّ الْعَمَلِ كَانَ أَحَبَّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتِ: الدَّائمُ، قُلْتُ: مَتَى كَانَ يَقُومُ قَالَتْ: كَانَ يَقُومُ إِذَا سَمِعَ الصَّارِخَ
মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন্ আমলটি সর্বাধিক পছন্দনীয় ছিল? তিনি বললেন, নিয়মিত ‘আমল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কখন তাহাজ্জুদের জন্য উঠতেন? তিনি বললেন, যখন মোরগের ডাক শুনতে পেতেন। (বুখারী পর্ব ১৯ : /৭ হাঃ ১১৩২, মুসলিম ৬/১৭, হাঃ ৭৪১) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৪২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حديث عَائِشَةَ قَالَتْ: مَا أَلْفَاهُ عِنْدِي إِلاَّ نَائمًا تَعْنِي النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, তিনি আমার নিকট ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়ই সাহ্রীর সময় হতো। তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে এ কথা বলেছেন। (বুখারী পর্ব ১৯ : /৭ হাঃ ১১৩৩, মুসলিম ৬/১৭, হাঃ ৭৪২) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৪৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حديث عَائِشَةَ قَالَتْ: كُلَّ اللَّيْلِ أَوْتَرَ رسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وانْتَهى وِتْرُهُ إِلَى السَّحَرِ
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের সকল অংশে (অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন রাতে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে) বিত্র আদায় করতেন আর (জীবনের) শেষ দিকে সাহ্রীর সময় তিনি বিত্র আদায় করতেন। (বুখারী পর্ব ১৪ : /২ হাঃ ৯৯৬, মুসলিম ৬/১৭, হাঃ ৭৪৫) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৪৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস