(৪৪৮) মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা [হাদিসের সীমা (২৯৮ - ৩৯৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১০০টি]

৫/৪২. [মোট হাদিসঃ ৪টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৮টি]


জামা’আতে সলাতের ফাযীলাত এবং তা থেকে পিছিয়ে থাকার ভয়াবহতার বর্ণনা।




40258 OK

(৩৮০)

সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: تَفْضُلُ صَلاَةُ الْجَمِيعِ صَلاَةَ أَحَدِكُمْ وَحْدَهُ بِخَمْسٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا، وتَجْتَمِعُ مَلاَئِكَةُ اللَّيْلِ وَمَلاَئِكَةُ النَّهَارِ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَاقْرَءُوا إِنْ شِئْتُمْ (إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا)


আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আল্লাহর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছেন যে, জামা’আতের সলাত তোমাদের কারো একাকী সলাত হতে পঁচিশ গুণ অধিক সওয়াব রাখে। আর ফাজরের সলাতে রাতের ও দিনের মালাকগণ একত্রিত হয়। অতঃপর আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) বলতেন, তোমরা চাইলে (এর প্রমান স্বরূপ) ‘........................’ অর্থাৎ “ফাজরের সলাতে (মালাকগণ) উপস্থিত হয়” পাঠ কর। শু’আইব (রহঃ) বলেন, আমাকে নাফি’ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণনা করে শুনিয়েছেন যে, জামা’আতের সলাতে একাকী সলাত হতে সাতাশ গুণ বেশী সওয়াব হয়। (বুখারী পর্ব ১০ : /৩১ হাঃ ৬৪৯, মুসলিম ৫/৪২, হাঃ ৬৫০) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



40259 OK

(৩৮১)

সহিহ হাদিস

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: صَلاَةُ الْجَمَاعَةِ تَفْضُلُ صَلاَةَ الْفَذِّ بِسَبْعٍ وَعِشْرِينَ دَرَجَةً


‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা’আতে সলাতের ফাযীলত একাকী আদায়কৃত সলাত অপেক্ষা সাতাশ’ গুণ বেশী। (বুখারী পর্ব ১০ : /৩০ হাঃ ৬৪৫, মুসলিম ৫/৪২, হাঃ ৬৫০) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



40260 OK

(৩৮২)

সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ بِحَطَبٍ فَيُحْطَبَ، ثُمَّ آمُرَ بِالصَّلاَةِ فَيُؤَذَّنَ لَهَا، ثُمَّ آمُرَ ُرَجُلاً فَيَؤُم النَّاسَ، ثُمَّ أُخَالِفَ إِلَى رِجَالٍ فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتَهُمْ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ يَعْلَمُ أَحَدُهُمْ أَنَّهُ يَجِدُ عَرْقًا سَمِينًا، أَوْ مِرْمَاتَيْنِ حَسَنَتَيْنِ لَشَهِدَ الْعِشَاءَ


আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! আমার ইচ্ছে হয়, জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করতে আদেশ দেই, অতঃপর সলাত কায়েমের নির্দেশ দেই, অতঃপর সলাতের আযান দেয়া হোক, অতঃপর এক ব্যক্তিকে লোকদের ইমামত করার নির্দেশ দেই। অতঃপর আমি লোকদের নিকট যাই এবং (যারা সলাতে শামিল হয় নাই) তাদের ঘর জ্বালিয়ে দেই। যে মহান সত্তার হাতে আমার প্রাণ, তাঁর কসম! যদি তাদের কেউ জানত যে, একটি গোশ্‌তহীন মোটা হাড় বা ছাগলের ভালো দু’টি পা পাবে তাহলে অবশ্যই সে ‘ইশা সলাতের জামা’আতেও উপস্থিত হতো। (বুখারী পর্ব ১০ : /২৯ হাঃ ৬৪৪, মুসলিম ৫/৪২, হাঃ ৬৫১) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



40261 OK

(৩৮৩)

সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَيْسَ صَلاَةٌ أَثْقَلَ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنَ الْفَجْرِ وَالْعِشَاءِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا، لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ الْمُؤَذِّنَ فَيُقِيمَ ثُمَّ آمُرَ رَجُلاً يَؤُمُّ النَّاسَ، ثُمَّ آخُذُ شُعَلاً مِنْ نَارٍ فَأُحَرِّقَ عَلَى مَنْ لاَ يَخْرُجُ إِلَى الصَّلاَةِ بَعْدُ


আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুনাফিকদের জন্য ফাজর ও ‘ইশার সলাত অপেক্ষা অধিক ভারী সলাত আর নেই। এ দু’ সলাতের কী ফাযীলত, তা যদি তারা জানতো, তবে হামাগুঁড়ি দিয়ে হলেও তারা হাযির হতো। (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন) আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে, মুয়ায্‌যিনকে ইকামাত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামত করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে অতঃপর যারা সলাতে আসেনি, তাদের উপর আগুন ধরিয়ে দেই। (বুখারী পর্ব ১০ : /৩৪ হাঃ ৬৫৭, মুসলিম ৫/৪২, হাঃ ৬৫১) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস