(৪৪৮) মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা [হাদিসের সীমা (২৯৮ - ৩৯৭), সর্বমোট হাদিসঃ ১০০টি]

৫/৩৭. [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩১টি]


ফাজ্‌র ও ‘আসরের সলাতের মর্যাদা এবং এ দু’ সলাতের প্রতি যত্নবান হওয়া।




40245 OK

(৩৬৭)

সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: يَتَعَاقَبُونَ فِيكُمْ، مَلاَئِكَةٌ بِاللَّيْلِ وَمَلاَئِكَةٌ بِالنَّهَارِ، وَيَجْتَمِعُونَ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ وَصَلاَةِ الْعَصْرِ، ثُمَّ يَعْرُجُ الَّذِينَ بَاتُوا فِيكُمْ فَيَسْأَلُهُمْ رَبُّهُمْ، وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ، كَيْفَ تَرَكْتُمْ عِبَادِي فَيَقُولُونَ تَرَكْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ، وَأَتَيْناهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ


আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ফেরেশ্‌তামণ্ডলী পালা বদল করে তোমাদের মাঝে আগমন করেন; একদল দিনে, একদল রাতে। ‘আসর ও ফাজরের সলাতে উভয় দল একত্র হন। অতঃপর তোমাদের মাঝে রাত যাপনকারী দলটি উঠে যান। তখন তাদের প্রতিপালক তাদের জিজ্ঞেস করেন, আমার বান্দাদের কোন্ অবস্থায় রেখে আসলে? অবশ্য তিনি নিজেই তাদের ব্যাপারে সর্বাধিক পরিজ্ঞাত। উত্তরে তাঁরা বলেন ; আমরা তাদের সলাতে রেখে এসেছি, আর আমরা যখন তাদের নিকট গিয়েছিলাম তখনও তারা সলাত আদায়রত অবস্থায় ছিলেন। (বুখারী পর্ব ৯ : /১৬ হাঃ ৫৫৫, মুসলিম ৫/৩৬, হাঃ ৬৩২) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



40246 OK

(৩৬৮)

সহিহ হাদিস

حديث جَرِيرٍ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَظَرَ إِلَى الْقَمَر لَيْلَةً، يَعْنِي الْبَدْرَ، فَقَالَ: إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هذَا الْقَمَرَ، لاَ تُضَامُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ثُمَّ قَرَأَ: (وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ)


জরীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি রাতে (পূর্ণিমার) চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ ঐ চাঁদকে তোমরা যেমন দেখছ, ঠিক তেমনি অচিরেই তোমাদের প্রতিপালককে তোমরা দেখতে পাবে। তাঁকে দেখতে তোমরা কোনো ভীড়ের সম্মুখীন হবে না। কাজেই সূর্য উদয়ের এবং অস্ত যাওয়ার পূর্বের সলাত (শয়তানের প্রভাবমুক্ত হয়ে) আদায় করতে পারলে তোমরা তাই করবে। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পাঠ করলেন, “কাজেই তোমার প্রতিপালকের প্রশংসার তাসবীহ্ পাঠ কর সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে।” (ক্বাফঃ ৩৯) ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, এর অর্থ হল : এমনভাবে আদায় করার চেষ্টা করবে যেন কখনো ছুটে না যায়। (বুখারী পর্ব ৯ : /১৬ হাঃ ৫৫৪, মুসলিম ৫/৩৬, হাঃ ৬৩৩) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



40247 OK

(৩৬৯)

সহিহ হাদিস

حديث أبِي مُوسى، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَنْ صَلَّى الْبَرْدَيْنِ دَخَلَ الْجَنَّةَ


আবূ বকর ইব্‌নু আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুই শীতের (ফাজর ও ‘আসরের) সলাত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বুখারী পর্ব ৯ : /২৬ হাঃ ৫৭৪, মুসলিম ৫/৩৭, হাঃ ৬৩৫) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস