(৪৪৭) সালাত [হাদিসের সীমা (২১৩ - ৪৪৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৮৫টি]

৪/১১. [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭৬টি]


প্রত্যেক রাক‘আতে সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব এবং যে ব্যক্তি সূরাহ ফাতিহা সুন্দর করে পড়তে পারে না ও সেটা শেখাও সম্ভব না হলে অন্য যা সহজ তা পড়া।




40100 OK

(২২২)

হাসান হাদিস

حديث عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لاَ صَلاَة لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ [ص: 81] أخرجه البخاري في: كتاب الأذان: 95 باب وجوب القراءة للإمام والمأموم في الصلوات كلها


‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সলাতে সূরাহ আল-ফাতিহা পড়ল না তার সলাত হলো না।*
(বুখারী : পর্ব ১০ : /৯৫ হাঃ ৭৫৬, মুসলিম ৪/১১, হাঃ ৩৯৪) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ২২২]


হাদিসের মান : হাসান হাদিস



40101 OK

(২২৩)

সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: فِي كُلِّ صَلاَةٍ يُقْرَأُ، فَمَا أَسْمَعَنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْمَعْنَاكُمْ، وَمَا أَخْفَى عَنَّا أَخْفَيْنَا عَنْكُمْ، وَإِنْ لَمْ تَزدْ عَلى أُمِّ الْقُرْآن أَجْزَأَتْ، وَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ


আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রত্যেক সালাতেই কিরা‘আত পড়া হয়। তবে যে সব সলাত আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের শুনিয়ে পড়েছেন, আমরাও তোমাদের শুনিয়ে পড়ব। আর যে সব সলাতে আমাদের না শুনিয়ে পড়েছেন, আমরাও তোমাদের না শুনিয়ে পড়ব। যদি তোমরা উম্মুল কুরআন (সূরাহ আল-ফাতিহা) -এর চেয়ে অধিক না পড়, সলাত আদায় হয়ে যাবে। আর যদি অধিক পড় তা উত্তম।
(বুখারী : পর্ব ১০ : /১০৪ হাঃ ৭৭২, মুসলিম ৪/১১, হাঃ ৩৯৬) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ২২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



40102 OK

(২২৪)

সহিহ হাদিস

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ؛ فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى، ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى النَبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَرَدَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْهِ السَّلاَمَ؛ فَقَالَ: ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ فَصَلَّى، ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؛ فَقَالَ: ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ ثَلاَثًا فَقَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أُحْسِنُ غَيْرَهُ، فَعَلِّمْنِي قَالَ: إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلاَةِ فكَبِّرْ ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ، ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئنَّ سَاجِدًا، ثُمَّ افْعَلْ ذَلِكَ فِي صَلاَتِكَ كُلِّهَا


আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন একজন সাহাবী এসে সলাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলেন। তিনি সালামের জবাব দিয়ে বললেন, আবার গিয়ে সলাত আদায় কর। কেননা, তুমিতো সলাত আদায় করনি। তিনি ফিরে গিয়ে পূর্বের মত সলাত আদায় করলেন। অতঃপর এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলেন। তিনি বললেনঃ ফিরে গিয়ে আবার সলাত আদায় কর। কেননা, তুমি সলাত আদায় করনি। এভাবে তিনবার বললেন। সাহাবী বললেন, সেই মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমিতো এর চেয়ে সুন্দর করে সলাত আদায় করতে জানি না। কাজেই আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ যখন তুমি সলাতের জন্য দাঁড়াবে, তখন তাক্‌বীর বলবে। অতঃপর কুরআন হতে যা তোমার পক্ষে সহজ তা পড়বে। অতঃপর রুকু‘তে যাবে এবং ধীরস্থিরভাবে রুকূ‘ আদায় করবে। অতঃপর সাজদাহ্ হতে উঠে স্থির হয়ে বসবে। আর এভাবেই পুরো সলাত আদায় করবে।
(বুখারী : পর্ব ১০ : /১২২ হাঃ ৭৫৭, মুসলিম ৪/১১, হাঃ ৩৯৭) [আল লু'লু ওয়াল মারজান : ২২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস