
حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: جَاءَتِ امْرَأَةُ رِفَاعَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: إِنَّ زَوْجِي طَلَّقَنِي، فَأَبَتَّ طَلَاقِي، وَإِنِّي تَزَوَّجْتُ بَعْدَهُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الزَّبِيرِ وَمَا مَعَهُ إِلَّا مِثْلُ هُدْبَةِ الثَّوْبِ، فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَالَ: «لَعَلَّكِ تُرِيدِينَ أَنْ تَرْجِعِي إِلَى رِفَاعَةَ، لَا، حَتَّى يَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ وَتَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন : রিফাআ (রাঃ)-এর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর খিদমতে এসে বললো, আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয় এবং আমাকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দেয়। এরপর আমি আবদুর রহমান ইব্ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করি। কিন্তু তাঁর নিকট কাপড়ের আঁচলের মত ব্যতীত কিছু (শক্তি) নেই। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হেসে বললেন : মনে হয় তুমি রিফাআ (রাঃ)-এর নিকট ফিরে যেতে চাও। না, (তা হয় না ;) যতক্ষণ না সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহন করে আর তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন কর। [সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৪১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ، عَنْ عَائِشَةَ: أَنَّ رَجُلًا طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلَاثًا فَتَزَوَّجَتْ زَوْجًا فَطَلَّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا، فَسُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَتَحِلُّ لِلْأَوَّلِ؟ فَقَالَ: «لَا، حَتَّى يَذُوقَ عُسَيْلَتَهَا كَمَا ذَاقَ الْأَوَّلُ»
আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী কে তিন তালাক দিল। এরপর সে অন্য স্বামী গ্রহন করলো, কিন্তু সে তাঁকে স্পর্শ করার (সহবাস করার) পূর্বেই তালাক দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করা হল : সে কি প্রথম শামির জন্য হালাল হবে? তিনি বললেন, না। (হালাল হবে না,) সে (দ্বিতীয় স্বামী) যতক্ষণ না তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন করে যেমন প্রথম স্বামী গ্রহন করেছিল। [সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৪১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَنْبَأَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَقَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ الْغُمَيْصَاءَ، أَوِ الرُّمَيْصَاءَ أَتَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَشْتَكِي زَوْجَهَا أَنَّهُ لَا يَصِلُ إِلَيْهَا، فَلَمْ يَلْبَثْ أَنْ جَاءَ زَوْجُهَا، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هِيَ كَاذِبَةٌ وَهُوَ يَصِلُ إِلَيْهَا، وَلَكِنَّهَا تُرِيدُ أَنْ تَرْجِعَ إِلَى زَوْجِهَا الْأَوَّلِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ ذَلِكَ حَتَّى تَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ»
আবদুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
গুমায়সা অথবা রুমায়সা (নাম্নী এক মহিলা) তার স্বামী সম্বন্ধে অভিযোগ নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর নিকট আসলো যে, সে তার নিকট পৌঁছতে (সহবাস করতে) পারে না। অল্পক্ষণ পরেই তার স্বামী আসলো এবং বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! সে মিথ্যুক এবং সে তার নিকট যেয়ে থাকে (সহবাস করার ক্ষমতা রাখে)। কিন্তু সে তার প্রথম স্বামীর নিকট ফিরে যেতে চায়। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহন কর। [সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৪১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَالِمَ بْنَ رَزِينٍ، يُحَدِّثُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فِي الرَّجُلِ تَكُونُ لَهُ الْمَرْأَةُ يُطَلِّقُهَا ثُمَّ يَتَزَوَّجُهَا رَجُلٌ آخَرُ فَيُطَلِّقُهَا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا، فَتَرْجِعَ إِلَى زَوْجِهَا الْأَوَّلِ؟ قَالَ: «لَا، حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ»
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, সে তার স্ত্রীকে তালাক দিল। এরপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করলো এবং সে তার সাথে সহবাস করার পূর্বে তাকে তালাক দিল। সে কি তার প্রথম স্বামীর নিকট ফিরে যেতে পারবে ? তিনি বললেন : না, যতক্ষণ না সে (স্ত্রী নতুন স্বামী) মধুর স্বাদ গ্রহন করে। [সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৪১৪]
হাদিসের মান : সহিহ লিগাইরিহি

أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ رَزِينِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْأَحْمَرِيِّ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: سُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ ثَلَاثًا فَيَتَزَوَّجُهَا الرَّجُلُ، فَيُغْلِقُ الْبَابَ وَيُرْخِي السِّتْرَ، ثُمَّ يُطَلِّقُهَا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا؟ قَالَ: «لَا تَحِلُّ لِلْأَوَّلِ حَتَّى يُجَامِعَهَا الْآخَرُ» قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: «هَذَا أَوْلَى بِالصَّوَابِ»
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যে তার স্ত্রী কে তিন তালাক দিল। পরে অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করলো। সে দরজা বন্ধ করে পর্দা ঝুলিয়ে দিল। এরপর তার সাথে সহবাস করার পূর্বে তাকে তালাক দিল। তিনি (নবী) বললেন : সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। যতক্ষণ না দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস করে। ইমাম আবু আবদুর রহমান নাসাঈ (রহঃ) বলেন : হাদীসটি (সনদের মানদণ্ডে) অধিক সঠিক। [সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৪১৫]
হাদিসের মান : সহিহ লিগাইরিহি