
(۳۹۰۰۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا فِطْرٌ ، عَنْ أَبِی الْقَعْقَاعِ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَلِیًّا عَلَی بَغْلَۃِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الشَّہْبَائِ یَطُوفُ بَیْنَ الْقَتْلَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০০২) হজরত আবু কাকা বলেন , আমি হযরত আলী ( রা . ) - কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহিলা খচ্চর শাহবাতে চড়ে মৃতদের মধ্যে প্রদক্ষিণ করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۰۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا صَلْہَبٌ الْفَقْعَسِیُّ أَبُو أَسَدٍ ، عَنْ عَمِّہِ ، قَالَ : مَا کَانَتْ أَوْتَادُ فَسَاطِیطِنَا یَوْمَ صِفِّینَ إِلاَّ الْقَتْلَی ، وَمَا کُنَّا نَسْتَطِیعُ أَنْ نَأْکُلَ الطَّعَامَ مِنَ النَّتِنِ ، قَالَ : وَقَالَ رَجُلٌ : مَنْ دَعَا إِلَی الْبَغْلَۃِ یَوْمَ کُفْرِ أَہْلِ الشَّامِ ، قَالَ : فَقَالَ : مِنَ الْکُفْرِ فَرُّوا۔ (بخاری ۳۰۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০০৩ ) হযরত সালাহব ফাকাসী বলেন , সাফিনের যুদ্ধে আমাদের তাঁবুর বাইরে লাশ পড়ে ছিল এবং দুর্গন্ধের কারণে আমরা খেতে পারতাম না । এক ব্যক্তি বলল, যেদিন সিরিয়ার লোকেরা কাফের হয়েছিল , সেদিন কেউ একজন খচ্চরকে আদেশ করেছিল । হযরত আলী (রা.) বলেন , তিনি কুফর থেকে পালিয়ে গেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۰۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ ظَبْیَانَ ، عَنْ حکمِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : لَقَدْ أَشَرَعُوا رِمَاحَہُمْ بِصِفِّینَ وَأَشْرَعْنَا رِمَاحَنَا ، وَلَوْ أَنَّ بَیْنَنَا إنْسَانًا یَمْشِی عَلَیْہَا لَفَعَلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০০৪) হজরত হাকিম ইবনে সাদ ( রা) বলেন , সাফিনের যুদ্ধে আমাদের বর্শা ও তাদের বর্শা এত বেশি ছিল যে , কেউ বর্শা নিয়ে হাঁটতে চাইলে হাঁটতে পারত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۰۵) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ عَمَّنْ حَدَّثَہُ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : لَمَّا قَاتَلَ مُعَاوِیَۃَ سَبَقَہُ إِلَی الْمَائِ ، فَقَالَ : دَعُوہُمْ ، فَإِنَّ الْمَائَ لاَ یُمْنَعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০০৫ ) হজরত ইবনে আবি যায়ব বর্ণনা করেন যে, হজরত আলী যখন হজরত মুয়াবিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেন , তখন হজরত আলীর সঙ্গীরা পানি দখল করেন । হযরত আলী ( রাঃ ) তাদেরকে বললেন , তাদেরকেও পানি দিতে হবে , পানি বন্ধ করা যাবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۰۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أُمِّہِ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : یَقْتُلُ عَمَّارًا الْفِئَۃُ الْبَاغِیَۃُ۔ (مسلم ۲۲۳۶۔ احمد ۳۱۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০০৬) হজরত উম্মে সালামা ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , হজরত আম্মার (রা. ) একটি বিদ্রোহী দলের হাতে শহীদ হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۰۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الأَسَدِیُّ ، قَالَ : حدَّثَنِی یَحْیَی بْنُ مُہَلَّبٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ مِہْرَانَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی مَنْ سَمِعَ عَلِیًّا یقول یَوْمَ صِفِّینَ وَہُوَ عَاضٌّ عَلَی شَفَتِہِ : لَوْ عَلِمْت أَنَّ الأَمْرَ یَکُونُ ہَکَذَا مَا خَرَجْت ، اذْہَبْ یَا أَبَا مُوسَی فَاحْکُمْ وَلَوْ حزَّ عُنُقِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০০৭) হজরত সুলাইমান বিন মেহরান বলেন , সাফিনের যুদ্ধের সময় হযরত আলী (রা) ঠোঁট কামড়ে বলছিলেন যে , আমি যদি জানতাম যে, ব্যাপারটা এখানে আসবে , তাহলে আমি কখনই তা বের হতো না । হে আবু মুসা , যাও এবং আমাদের মধ্যে শান্তি স্থাপন কর , যদিও তোমাকে আমার মাথা দিতে না হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۰۸) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، أَنَّ عَلِیًّا ، قَالَ لأَبِی مُوسَی : احْکُمْ وَلَوْ تحزُّ عُنُقِی۔ (ابن عساکر ۹۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০০৮) হজরত আবু সালেহ বলেন , হজরত আলী সাফিনের যুদ্ধে হজরত আবু মুসাকে বলেছিলেন , যাও এবং আমাদের মধ্যে সন্ধি করে দাও , যদিও তারা আমাকে হত্যা নাও করে । করতে হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۰۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ مُجَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : لَمَّا رَجَعَ عَلِیٌّ مِنْ صِفِّینَ عَلِمَ أَنَّہُ لاَ یَمْلِکُ أَبَدًا ، فَتَکَلَّمَ بِأَشْیَائَ کَانَ لاَ یَتَکَلَّمُ بِہَا ، وَحَدَّثَ بِأَحَادِیثَ کَانَ لاَ یَتَحَدَّثُ بِہَا ، فَقَالَ فِیمَا یَقُولُ : أَیُّہَا النَّاسُ، لاَ تَکْرَہُوا إمَارَۃَ مُعَاوِیَۃَ، وَاللہِ لَوْ قَدْ فَقَدْتُمُوہُ لَقَدْ رَأَیْتُمُ الرُّؤُوسَ تَنْزُو مِنْ کَوَاہِلِہَا کَالْحَنْظَلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০০৯ ) হজরত হারিছ বলেন , হজরত আলী যখন সাফিন থেকে ফিরে আসেন , তখন তিনি বুঝতে পারেন যে , তিনি কখনো বিজয়ী হবেন না , তাই তিনি এমন কিছু করলেন যা তারা আগে কখনো করেননি এবং বললেন , হে লোকসকল ! মুয়াবিয়ার কর্তৃত্বকে অস্বীকার করবেন না , কারণ আপনি যদি তাদের খনন করেন তবে হানজাল পড়ার মতো আপনার মাথা ঘাড় থেকে পড়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۰) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُوسَی بْنُ قَیْسٍ ، قَالَ سَمِعْت حُجْرٌ بْنَ عَنْبَسٍ ، قَالَ : قِیلَ لِعَلِیٍّ یَوْمَ صِفِّینَ : قَدْ حِیلَ بَیْنَنَا وَبَیْنَ الْمَائِ ، قَالَ : فَقَالَ : أَرْسِلُوا إِلَی الأَشْعَثِ ، قَالَ : فَجَائَ ، فَقَالَ : ائْتُونِی بِدِرْعِ ابْنِ سَہَرٍ رَجُلٌ مِنْ بَنِی بِرَائٍ فَصَبَّہَا عَلَیْہِ ، ثُمَّ أَتَاہُمْ فَقَاتَلَہُمْ حَتَّی أَزَالَہُمْ عَنِ الْمَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০১০) হজরত হাজার ইবনে আনবুস বলেন, সাফিনের যুদ্ধের সময় হজরত আলী ( রা . ) -কে বলা হয়েছিল যে , ওই লোকেরা আমাদের ও পানির মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে । হযরত আলী ( রাঃ ) বললেন , আশআতকে ডাক , তিনি বললেন, ইবনে সুহরের কণা আমার কাছে নিয়ে এসো । আপনি এই কণা পরে যুদ্ধ করে এবং এটি জল থেকে সরান .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۱) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : سَمِعْتُہُ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ لِلْحَکَمَیْنِ : عَلَی أَنْ تَحْکُمَا بِمَا فِی کِتَابِ اللہِ ، وَکِتَابُ اللہِ کُلُّہُ لِی ، فَإِنْ لَمْ تَحْکُمَا بِمَا فِی کِتَابِ اللہِ فَلاَ حُکُومَۃَ لَکُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০১১ ) হজরত আলী সাফীনের যুদ্ধের দুই হুকুমকে বললেন , তুমি কিতাবের আলোকে বিচার না করলে তোমার সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۲) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ قَالَ : حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ جَعْفَرًا ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : إِنْ تَحْکُمَا بِمَا فِی کِتَابِ اللہِ فَتُحْیِیَا مَا أَحْیَا الْقُرْآنُ وَتُمِیتَا مَا أَمَاتَ الْقُرْآنُ وَلاَ تَزِیغَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০১২ ) হজরত জাফর বলেন , হজরত আলী সাফীনের যুদ্ধে শান্তি স্থাপনকারীদেরকে আল্লাহর কিতাবের আলোকে শান্তি স্থাপন করতে বলেছিলেন , যাকে কুরআন তাকে জীবিত করে কুরআন যাকে মৃত বলেছে তাকে মৃত বল এবং সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۳) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ اللہِ بْنَ الْحَسَنِ یَذْکُرُ عَنْ أُمِّہِ ، أَنَّ الْمُسْلِمِینَ قَتَلُوا عُبَیْدَ اللہِ بْنَ عُمَرَ یَوْمَ صِفِّینَ ، وَأَخَذَ الْمُسْلِمُونَ سَلَبَہُ وَکَانَ مَالاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০১৩ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হাসান তার মা থেকে বর্ণনা করেন যে , মুসলমানরা সাফিনের যুদ্ধে উবায়দ আল্লাহ ইবনে উমরকে শহীদ করে এবং তার সম্পদ সম্পদ হিসেবে পায়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : کَانَ عَلِیٌّ إِذَا أُتِیَ بِأَسِیرِ یوم صِفِّینَ أَخَذَ دَابَّتَہُ وَسِلاَحَہُ ، وَأَخَذَ عَلَیْہِ أَنْ لاَ یَعُودَ ، وَخَلَّی سَبِیلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০১৪ ) হজরত আবু জাফর বলেন, সাফিনের যুদ্ধের সময় হযরত আলীর কাছে একজন বন্দী আনা হলে তিনি তার ঘোড়া ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যেতেন এবং তার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি সেনাবাহিনীতে ফিরে যাবেন না এবং তাকে মুক্ত করবেন । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَیْدٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : بَلَغَ الْقَتْلَی یَوْمَ صِفِّینَ سَبْعِینَ أَلْفًا ، فَمَا قَدَرُوا عَلَی عَدِّہِمْ إِلاَّ بِالْقَصَبِ ، وَضَعُوا عَلَی کُلِّ إنْسَانٍ قَصَبَۃً ، ثُمَّ عَدُّوا الْقَصَبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০১৫ ) হজরত মুহাম্মাদ বিন সিরীন বলেন , সাফিনের যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা সত্তর হাজারে পৌঁছেছিল , লোকে তাদের সমর্থন গণনার জন্য বাঁশের লাঠি ব্যবহার করেছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللہِ الأَسَدِیُّ ، قَالَ : حدَّثَنَا کَیْسَانُ ، قَالَ : حَدَّثَنِی مَوْلاَیَ یَزِیدُ بْنُ بِلاَلٍ ، قَالَ : شَہِدْت مَعَ عَلِیٍّ صِفِّینَ ، فَکَانَ إِذَا أُتِیَ بِالأَسِیرِ ، قَالَ : لَنْ أَقْتُلَک صَبْرًا ، إنِّی أَخَافُ اللَّہَ رَبَّ الْعَالَمِینَ ، وَکَانَ یَأْخُذُ سِلاَحَہُ وَیُحَلِّفُہُ : لاَ یُقَاتِلُہُ ، وَیُعْطِیہِ أَرْبَعَۃَ دَرَاہِمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০১৬ ) হজরত ইয়াজিদ বিন বিলাল বলেন , সাফিনের যুদ্ধে আমি হজরত আলীর পক্ষ থেকে অংশীদার ছিলাম , যখন একজন বন্দীকে তাঁর কাছে আনা হয় । তিনি যখন যেতেন , তখন তিনি বলতেন , আমি তোমাকে কখনো হত্যা করব না , আমি নই । বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় কর । আপনি তার অস্ত্র নেবেন এবং তাকে শপথ করাবেন যে তিনি তাদের সাথে যুদ্ধ করবেন না এবং তাকে চার দিরহাম দেবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ شَقِیقٍ ، قَالَ : قِیلَ لَہُ : أَشْہَدْت صِفِّینَ ، قَالَ : نَعَمْ ، وَبِئْسَت الصفُّونَ کَانَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 39017 ) হযরত শাকীককে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তিনি কি সাফিনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন ? তিনি বলেছিলেন যে তারা আরও খারাপ ছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ فِی قَوْلِہِ : {وَإِنْ طَائِفَتَانِ مِنَ الْمُؤْمِنِینَ اقْتَتَلُوا فَأَصْلِحُوا بَیْنَہُمَا فَإِنْ بَغَتْ إحْدَاہُمَا عَلَی الأُخْرَی فَقَاتِلُوا الَّتِی تَبْغِی حَتَّی تَفِیئَ إِلَی أَمْرِ اللہِ} قَالَ : بِالسَّیْفِ ، قَالَ قُلْتُ : فَمَا قَتلاَہُمْ ، قَالَ : شُہَدَائُ مَرْزُوقُونَ ، قَالَ : قُلْتُ : فَمَا حَالُ الأُخْرَی أَہْلِ الْبَغْیِ مَنْ قُتِلَ مِنْہُمْ ، قَالَ: إِلَی النَّارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 39018) হযরত আল - কুরআন মাজিদ কিয়াত { واین تایفتان من المومینی ن اقتلوا فاصلهوا بی یهما فین ایداهوم علی اہہ ری صرفیلوا الَّتِي تَبْغِي هَتَّ تَفِيّ إلَي امْرِ الله } তাফসীরকার বলেছেন যে শব্দটি দিয়ে সংশোধন করুন । ছাত্র জিজ্ঞেস করল তার মৃতের হুকুম কি ? তিনি বলেন , তারা বেহেশতের রিযিকের জন্য শহীদ । তাকে জিজ্ঞেস করা হলো বিদ্রোহীদের হুকুম কি ? তিনি বললেন , তারা জাহান্নামী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، قَالَ : حدَّثَنِی غَیْرُ وَاحِدٍ ، أَنَّ قَاضِیًا مِنْ قُضَاۃِ الشَّامِ أَتَی عُمَرَ ، فَقَالَ : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ ، رُؤْیَا أَفْظَعَتْنِی ، قَالَ : مَا ہِیَ ، قَالَ : رَأَیْتُ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ یَقْتَتِلاَنِ ، وَالنُّجُومُ مَعَہُمَا نِصْفَیْنِ ، قَالَ : فَمَعَ أَیَّتِہِمَا کُنْت ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ الْقَمَرِ عَلَی الشَّمْسِ ، فَقَالَ عُمَرُ : {وَجَعَلْنَا اللَّیْلَ وَالنَّہَارَ آیَتَیْنِ فَمَحَوْنَا آیَۃَ اللَّیْلِ وَجَعَلْنَا آیَۃَ النَّہَارِ مُبْصِرَۃً} فَانْطَلِقْ فَوَاللہِ لاَ تَعْمَلُ لِی عَمَلاً أَبَدًا ، قَالَ عَطَائٌ : فَبَلَغَنِی ، أَنَّہُ قُتِلَ مَعَ مُعَاوِیَۃَ یَوْمَ صِفِّینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০১৯ ) হজরত আতা বিন সায়েব বলেন , আমাকে বেশ কয়েকজন লোক বলেছেন যে, একবার সিরিয়ার একজন বিচারক হজরত ওমর (রা. ) - এর কাছে এসে বললেন , হে আল্লাহ , আমি একটি স্বপ্ন দেখেছি যা আমাকে ভীত করেছে । আমি দেখলাম যে সূর্য ও চাঁদ একে অপরের সাথে লড়াই করছে এবং তারাগুলি একে অপরের সাথে অর্ধেক । হযরত ওমর (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কার সাথে ছিলে? আমি বললাম যে আমি চাঁদের সাথে ছিলাম এবং সূর্যের সাথে যুদ্ধ করছি। হজরত ওমর কোরআন তেলাওয়াত করেন তিনি তিলাওয়াত করলেন { এবং ঈশ্বর আমাদের দিন দেখালেন , এবং ঈশ্বর আমাদেরকে দিন দেখালেন আমি দেবো কোন কাজ নেই হজরত আতা বলেন , আমি জানতে পেরেছি যে , তিনি হজরত মুয়াবিয়ার সঙ্গে সাফিনের যুদ্ধে নিহত হন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عَبْدُ اللہِ بْنُ عُرْوَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی رَجُلٌ شَہِدَ صِفِّینَ، قَالَ: رَأَیْتُ عَلِیًّا خَرَجَ فِی بَعْضِ تِلْکَ اللَّیَالِی، فَنَظَرَ إِلَی أَہْلِ الشَّامِ، فَقَالَ: اللَّہُمَّ اغْفِرْ لِی وَلَہُمْ، فَأُتِی عَمَّارٌ فَذُکِرَ ذَلِکَ لَہُ ، فَقَالَ : جُرُّوا لَہُ الْخَطِیرَ مَا جَرَّہُ لَکُمْ ، یَعْنِی سَعْدًا رحمہ اللہ۔ (ابن عساکر ۳۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০২০) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আরওয়া বলেন , সাফিনে অংশগ্রহণকারী এক ব্যক্তি আমাকে বললেন যে, হজরত আলী (রা . ) রাতে বের হয়েছিলেন , তিনি সিরিয়াবাসীদের খেতে দেন এবং দোয়া করেন যে , হে আল্লাহ ! তাদের এবং মরিয়মকেও ক্ষমা করুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلِمَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَمَّارًا یَوْمَ صِفِّینَ شَیْخًا آدَمَ طِوَالاً وَیَدَاہُ تَرْتَعِشُ وَبِیَدِہِ الْحَرْبَۃُ ، فَقَالَ : لَوْ ضَرَبُونَا حَتَّی یبْلُغُوا بِنَا سَعَفَاتِ ہَجَرَ لَعَلِمْت أَنَّ مُصْلِحِینَا عَلَی الْحَقِّ وَأَنَّہُمْ عَلَی الْبَاطِلِ۔ (ابن سعد ۲۵۶۔ احمد ۳۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০২১ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালামা বলেন , আমি সাফিনের যুদ্ধে হজরত আম্মারকে দেখেছি যে, তিনি অনেক বৃদ্ধ , তার হাত কাঁপছিল এবং তার হাত ছিল আমার স্ত্রী । তারা বলছিলেন শত্রুরা আমাদের হত্যা করলেও আমি নিশ্চিত যে আমাদের সংস্কারকরাই করবে হকের উপর এবং সেই লোকেরা বাতিলের উপর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۲) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِکِ بْنُ قُدَامَۃَ الْجُمَحِیُّ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عُمَر بْنُ شُعَیْبٍ ، أَخُو عَمْرو بْنُ شُعَیْبٍ، عَنْ أَبِیہِ، عَنْ جَدِّہِ، قَالَ: لَمَّا رَفَعَ النَّاسُ أَیْدِیَہُمْ عَنْ صِفِّینَ ، قَالَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ: شَبَّتِ الْحَرْبُ فَأَعْدَدْت لَہَا مُفْرِعَ الْحَارِکِ مَلْوِیَّ الثَّبَجْ یَصِلُ الشَّدَّ بِشَدٍّ فَإِذَا وَنَتِ الْخَیْلُ مِنَ الثَّجِّ مَعَجْ جُرْشُعٌ أَعْظَمُہُ جُفْرَتُہُ فَإِذَا ابْتَلَّ مِنَ الْمَائِ حدج قالَ : وَقَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ عَمْرٍو شِعرًا: لَوْ شَہِدَتْ جُمْلٌ مَقَامِی بِصِفِّینَ یَوْمًا شَابَ مِنْہَا الذَّوَائِبُ عَشِیَّۃَ جَائَ أَہْلُ الْعِرَاقِ کَأَنَّہُمْ سَحَابُ رَبِیعٍ رَفَّعَتْہُ الْجَنَائِبُ وَجِئْنَاہُمْ نُرْدِی کَأَنَّ صُفُوفَنَا مِنَ الْبَحْرِ مَدٌّ مَوْجُہُ مُتَرَاکِبُ فَدَارَتْ رَحَانَا وَاسْتَدَارَتْ رَحَاہُمْ سَرَاۃَ النَّہَارِ مَا تُوَلَّی الْمَنَاکِبُ إذَا قُلْتَ قَدْ وَلَّوْا سِرَاعًا بَدَتْ لَنَا کَتَائِبُ مِنْہُمْ فَارْجَحَنَّتْ کَتَائِبُ فَقَالُوا لَنَا : إنَّا نَرَی أَنْ تُبَایِعُوا عَلِیًّا فَقُلْنَا بَلْ نَرَی أَنْ تُضَارِبوا
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০২২) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন , সাফিনের লোকেরা যখন আক্রমণের জন্য হাত তুলেছিল , তখন হজরত আমর ইবনে আস ( রা . ) নিম্নোক্ত আয়াতগুলো বলেন : ( অনুবাদ ) যুদ্ধ আরও শক্তিশালী হয়ে উঠল , আমি এ যুদ্ধের জন্য একটি সাহসী ও মহৎ ঘোড়া প্রস্তুত করেছি . তিনি প্রচণ্ড লড়াই করেন এবং যখন ঘোড়সওয়াররা একে অপরের কাছাকাছি আসে , তখন সে শক্তিশালী হয়, সে দ্রুত এবং বড় হয় , যখন সে জলে ভিজে যায় এবং চটপটে হয়ে যায়। এরপর হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা . ) কবিতাটি পাঠ করলেন : ( অনুবাদ ) যুবকরা আমাকে সাফিনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে তাদের চুল সাদা হয়ে যাবে । এই রাতেই ইরাকবাসী মেঘের মতো এসেছিল । তখন সাগরের ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ছিল আমাদের দলগুলো তাদের মাথা ঘুরে গেল এবং আমাদের মাথা ঘুরল এবং আমাদের কাঁধ একসাথে ঘষল । আমি বলতেই ওরা পালিয়েছে , হঠাৎ একদল এসে হামলা চালায় ।তারা আমাদের বলতেন হযরত আলীর আনুগত্য করতে আর আমরা বলতাম তোমরা যুদ্ধ কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۳) حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّ جُنْدُبًا کَانَ مَعَ عَلِیٍّ یَوْمَ صِفِّینَ ، فقَالَ حَمَّادٌ : لَمْ یَکُنْ یُقَاتِلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০২৩ ) হজরত হাসান বলেন , সাফিনের যুদ্ধে হজরত জুন্দাব হযরত আলীর সঙ্গে ছিলেন , কিন্তু তিনি যুদ্ধ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : شَہِدَ عَلْقَمَۃُ صِفِّینَ ، قَالَ : نَعَمْ ، وخَضَّبَ سَیْفَہُ وَقَتَلَ أَخُوہُ أُبَیُّ بْنُ قَیْسٍ۔ (ابن سعد ۸۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৯০২৪ ) হজরত মনসুর বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিমকে জিজ্ঞেস করেছিলাম , হজরত আলকামা সাফিনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন কি না ? তিনি হ্যাঁ বললেন এবং তার তরবারিটিও রঙিন ছিল না এবং তার ভাই আবি বিন কায়সকে হত্যা করা হয়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۵) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، عَنْ أَبِی الْبَخْتَرِیِّ ، قَالَ : رَجَعَ عَلْقَمَۃُ یَوْمَ صِفِّینَ وَقَدْ خَضَّبَ سَیْفَہُ مَعَ عَلِیٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০২৫) হজরত আবু বাখতারি বলেন , হজরত আলকামা যখন সাফিনের যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন , তখন তাঁর তরবারি হলুদ ছিল এবং তিনি হযরত আলীর পাশে ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شَقِیقٍ أَبِی وَائِلٍ ، قَالَ : قَالَ سَہْلُ بْنُ حُنَیْفٍ یَوْمَ صِفِّینَ : أَیُّہَا النَّاسُ ، اتَّہِمُوا رَأْیَکُمْ ، فَإِنَّہُ وَاللہِ مَا وَضَعْنَا سُیُوفَنَا عَلَی عَوَاتِقِنَا مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لأَمْرٍ یُفْظِعُنَا إِلاَّ أَسْہَلْنَ بِنَا إِلَی أَمْرٍ نَعْرِفُہُ غَیْرَ ہَذَا۔ (بخاری ۳۱۸۱۔ مسلم ۱۴۱۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০২৬) হজরত সাহল ইবনে হানিফ (রা.) সাফিনের যুদ্ধে লোকদের উদ্দেশে বলেছিলেন , হে লোকে ! রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর উপস্থিতিতে বিষয়টির সত্যতা উপলব্ধি করা আমাদের পক্ষে সহজ । তবে এ বিষয়ে আমরা কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلِمَۃَ سَمِعَہُ یَقُولُ : رَأَیْت عَمَّارًا یَوْمَ صِفِّینَ شَیْخًا آدَمَ طِوَالاً آخِذٌ حَرْبَۃً بِیَدِہِ وَیَدُہُ تُرْعَدُ ، فَقَالَ : وَالَّذِی نَفْسِی بِیَدِہِ لَوْ ضَرَبُونَا حَتَّی یَبْلُغُوا بِنَا سَعَفَاتِ ہَجَرَ لَعَرَفْت أَنَّ مُصْلِحِینَا عَلَی الْحَقِّ ، وَأَنَّہُمْ عَلَی الْبَاطِلِ۔ (احمد ۳۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালামা বলেন, আমি সাফিনের যুদ্ধে হজরত আম্মার (রা.) - কে দেখেছি যে, তিনি ছিলেন অনেক বৃদ্ধ , তার হাত কাঁপছিল এবং তিনি ছিলেন আমার স্ত্রী । তারা বলছিলেন শত্রুরা আমাদের হত্যা করলেও আমি নিশ্চিত যে আমাদের সংস্কারকরাই করবে হকের উপর এবং সেই লোকেরা বাতিলের উপর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ کُلَیْبٍ الْجَرْمِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : إنِّی لَخَارِجٌ مِنَ الْمَسْجِدِ إذْ رَأَیْت ابْنَ عَبَّاسٍ حِینَ جَائَ مِنْ عِنْدِ مُعَاوِیَۃَ فِی أَمْرِ الْحَکَمَیْنِ فَدَخَلَ دَارَ سُلَیْمَانَ بْنِ رَبِیعَۃَ فَدَخَلْت مَعَہُ ، فَمَا زَالَ یُرْمَی إلَیْہِ بِرَجُلٍ ، ثُمَّ رَجُل بَعْدَ رَجُلٍ یَا ابْنَ عَبَّاسٍ کَفَرْت وَأَشْرَکْت وَنَدَّدْت ، قَالَ اللَّہُ فِی کِتَابِہِ کَذَا ، وَقَالَ اللَّہُ کَذَا ، وَقَالَ اللَّہُ کَذَا حَتَّی دَخَلَنِی مِنْ ذَلِکَ ، قَالَ : وَمَنْ ہُمْ ، ہُمْ وَاللہِ السِّنُّ الأُوَلُ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ ، ہُمْ وَاللہِ أَصْحَابُ الْبَرَانِسِ وَالسَّوَارِی ۔ ۲۔ قَالَ : فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : انْظُرُوا أَخْصَمَکُمْ وَأَجْدَلَکُمْ وَأَعْلَمَکُمْ بِحُجَّتِکُمْ ، فَلْیَتَکَلَّمْ ، فَاخْتَارُوا رَجُلاً أَعْوَرَ یُقَالُ لَہُ : عَتَّابٌ مِنْ بَنِی تَغْلِبَ ، فَقَامَ ، فَقَالَ : قَالَ اللَّہُ کَذَا ، وَقَالَ اللَّہُ کَذَا کَأَنَّمَا یَنْزِعُ بِحَاجَتِہِ مِنَ الْقُرْآنِ فِی سُورَۃٍ وَاحِدَۃٍ ۔ ۳۔ قَالَ : فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : إنِّی أَرَاک قَارِئًا لِلْقُرْآنِ عَالِمًا بِمَا قَدْ فَصَّلْت وَوَصَلْت ، أَنْشُدُکُمْ بِاللہِ الَّذِی لاَ إلَہَ إِلاَّ ہُوَ ، ہَلْ عَلِمْتُمْ أَنَّ أَہْلَ الشَّامِ سَأَلُوا الْقَضِیَّۃَ فَکَرِہْنَاہَا وَأَبَیْنَاہَا ، فَلَمَّا أَصَابَتْکُمَ الْجِرَاحُ وَعَضَّکُمَ الأَلَمُ وَمُنِعْتُمْ مَائَ الْفُرَاتِ أَنْشَأْتُمْ تَطْلُبُونَہَا ، وَلَقَدْ أَخْبَرَنِی مُعَاوِیَۃُ أَنَّہُ أُتِیَ بِفَرَسٍ بَعِیدِ الْبَطْنِ مِنَ الأَرْضِ لِیَہْرُبَ عَلَیْہِ ، حتی أَتَاہُ آتٍ مِنْکُمْ ، فَقَالَ : إنِّی تَرَکْت أَہْلَ الْعِرَاقِ یَمُوجُونَ مِثْلَ النَّاسِ لَیْلَۃَ النَّفْرِ بِمَکَّۃَ ، یَقُولُونَ مُخْتَلِفِینَ فِی کُلِّ وَجْہٍ مِثْلُ لَیْلَۃِ النَّفْرِ بِمَکَّۃَ ۔ ۴۔ قَالَ: ثُمَّ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ، أَنْشُدُکُمْ بِاللہِ الَّذِی لاَ إلَہَ إِلاَّ ہُوَ، أَیَّ رَجُلٍ کَانَ أَبُو بَکْرٍ؟ فَقَالُوا: خَیْرًا وَأَثْنَوْا، فَقَالَ: عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ؟ فَقَالُوا خَیْرًا وَأَثْنَوْا ، فَقَالَ : أَفَرَأَیْتُمْ لَوْ أَنَّ رَجُلاً خَرَجَ حَاجًّا ، أَوْ مُعْتَمِرًا فَأَصَابَ ظَبْیًا ، أَوْ بَعْضَ ہَوَامِّ الأَرْضِ فَحَکَمَ فِیہِ أَحَدُہُمَا وَحْدَہُ ، أَکَانَ لَہُ ، وَاللَّہُ یَقُولُ {یَحْکُمُ بِہِ ذَوَا عَدْلٍ} فَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِیہِ مِنْ أَمْرِ الأُمَّۃِ أَعْظَمُ ، یَقُولُ : فَلاَ تُنْکِرُوا حَکَمَیْنِ فِی دِمَائِ الأُمَّۃِ ، وَقَدْ جَعَلَ اللَّہُ فِی قَتْلِ طَائِرٍ حَکَمَیْنِ، وَقَدْ جَعَلَ بَیْنَ اخْتِلاَفِ رَجُلٍ وَامْرَأَتِہِ حَکَمَیْنِ لإِقَامَۃِ الْعَدْلِ وَالإِنْصَافِ بَیْنَہُمَا فِیمَا اخْتَلَفَا فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০২৮) হযরত কালিব জারমী বলেন , আমি যখন মসজিদের বাইরে ছিলাম তখন হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) কে দেখেন , তিনি হযরত মুয়াবিয়া (রা.) - এর কাছ থেকে শাসকদের আগমনের ব্যাপারে তিনি হজরত সুলাইমান বিন রাবিয়াহ - এর ঘরে প্রবেশ করলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে প্রবেশ করলাম । একজন লোক তাকে ঠাট্টা করল , তারপর আরেকজন তাকে ঠাট্টা করল , তারপর আরেকজন তাকে ঠাট্টা করল এবং বলল : হে ইবনে আব্বাস ! তোমরা কুফরী করেছ , শিরক করেছ এবং আল্লাহর সাথে শরীক করেছ । আল্লাহ তায়ালা তাঁর কিতাবে আছে সে বলে , সে বলে এবং সে বলে । বর্ণনাকারীকে জিজ্ঞাসা করা হল তারা কারা । তিনি বলেন , তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর জলিলুল কদর সাহাবী । (২) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) তার কথা শুনে বললেন , তুমি তোমার মধ্য থেকে সবচেয়ে জ্ঞানী ও শ্রেষ্ঠ দৃশ্য বেছে নাও এবং তাকে আমার সাথে কথা বলতে দাও। তিনি একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বেছে নিয়েছিলেন যার নাম ছিল আতাব এবং সে ছিল বনু তাগলিবের । তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন , আল্লাহ তায়ালা বলেন । যেন তিনি কোরানের একটি সূরা দিয়ে তার প্রয়োজন প্রমাণ করছেন । আপনি আপনার অবস্থান খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন । আমি তোমাকে সেই সত্তার নামে জিজ্ঞাসা করছি , যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই । আপনি কি জানেন যে সিরিয়ার জনগণ একটি সিদ্ধান্ত দাবি করেছিল এবং আমরা তা অপছন্দ করেছি এবং তা অস্বীকার করেছি । অতঃপর আপনি যখন আহত হয়েছিলেন , ব্যথা পেয়েছিলেন এবং আপনি ফোরাতের পানি থেকে বঞ্চিত ছিলেন , তখন আপনি বিচার দাবি করতে শুরু করেছিলেন ? হজরত মুয়াবিয়া ( রা . ) আমাকে বললেন , তার কাছে একটি পাতলা ঘোড়া আনা হয়েছিল যাতে সে তাতে চড়ে পালিয়ে যেতে পারে । হ্যাঁ , যতক্ষণ না তুমি আমার কাছ থেকে আসো । তিনি বলেন, মক্কা ধ্বংসের রাতে যারা ইরাকবাসীকে এদিক - সেদিক দৌড়াচ্ছিল তাদের মতো আমি তাদের ছেড়ে দিয়েছি । (৪) তখন হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন , আমি তোমাকে সেই সত্তার নামে জিজ্ঞেস করছি , যার কোনো ইলাহ নেই , যাঁর থেকে আবু বকর একজন মানুষ ছিলেন । সবাই তাকে ভালো মানুষ বলে প্রশংসা করত । তারপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন , উমর বিন খাত্তাব কার লোক ছিলেন ? সবাই তাকে ভালো মানুষ বলে প্রশংসা করত । অতঃপর ইবনে আব্বাস ( রাঃ ) বললেন , কোন ব্যক্তি যদি হজ্জ ও ওমরাহ করতে যায় এবং সেখানে হরিণ বা পোকামাকড় দিয়ে কাউকে হত্যা করে এবং সালাত আদায় করে তাহলে তার সওয়াব কি ? এটা বৈধ হবে যখন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন যে ( ইয়াহকুম বিহ জাওয়া আদল ) যখন আপনি যে বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করছেন তা তার চেয়ে অনেক বড়। মহান আল্লাহ যখন ন্যায়ের স্বার্থে একটি পাখির ব্যাপারে দুইজন শাসক এবং একজন পুরুষ ও তার স্ত্রীর ক্ষেত্রে দুইজন শাসক করেছেন , তখন তোমাদের মতভেদ তাদের চেয়ে বড় দুইজন শাসক হতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۲۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ رُفَیْعٍ ، قَالَ : لَمَّا سَارَ عَلِیٌّ إِلَی صِفِّینَ اسْتَخْلَفَ أَبَا مَسْعُودٍ عَلَی النَّاسِ فَخَطَبَہُمْ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَرَأَی فِیہِمْ قِلَّۃً ، فَقَالَ : یَا أَیُّہَا النَّاسُ ، اخْرُجُوا فَمَنْ خَرَجَ فَہُوَ آمِنٌ ، إنَّا نَعْلَمُ وَاللہِ ، أَنَّ مِنْکُمَ الْکَارِہَ لِہَذَا الْوَجْہِ وَالْمُتَثَاقِلَ ، عَنْہُ ، اخْرُجُوا فَمَنْ خَرَجَ فَہُوَ آمِنٌ ، وَاللہِ مَا نَعُدُّہَا عَافِیَۃً أَنْ یَلْتَقِیَ ہَذَانِ الْغَارَانِ یَتَّقِی أَحَدُہُمَا الآخَرَ ، وَلَکِنْ نَعُدُّہَا عَافِیَۃً أَنْ یُصْلِحَ اللَّہُ أُمَّۃَ مُحَمَّدٍ وَیَجْمَعَ أُلْفَتَہَا ، أَلاَ أُخْبِرُکُمْ عَنْ عُثْمَانَ ، وَمَا نَقَمَ النَّاسُ عَلَیْہِ إِنَّہُمْ لَمْ یَدَعُوہُ وَذَنْبَہُ حَتَّی یَکُونَ اللَّہُ یُعَذِّبُہُ ، أَوْ یَعْفُو عَنْہُ ، وَلَمْ یُدْرِکوا الذی طلبوا إذْ حَسَدُوہُ مَا آتَاہُ اللَّہُ إیَّاہُ ، فَلَمَّا قَدِمَ عَلِیٌّ ، قَالَ لہ : أَنْتَ الْقَائِلُ مَا بَلَغَنِی عَنْک یَا فَرُّوخُ ، إنَّک شَیْخٌ قَدْ ذَہَبَ عَقْلُک ، قَالَ : لَقَدْ سَمَّتْنِی أُمِّی بِاسْمٍ أَحْسَنَ مِنْ ہَذَا ، أَذَہَبَ عَقْلِی وَقَدْ وَجَبَتْ لِی الْجَنَّۃُ مِنَ اللہِ وَمِنْ رَسُولِہِ ، تَعْلَمُہُ أَنْتَ ، وَمَا بَقِیَ مِنْ عَقْلِی فَإِنَّا کُنَّا نَتَحَدَّثُ أَنَّ الآخَرَ فَالآخَرُ شَرٌّ ، قَالَ : فَلَمَّا کَانَ بِالسِّیلِحِین ، أَوْ بِالْقَادِسِیَّۃِ خَرَجَ عَلَیْہِمْ وَظُفْرَاہُ یَقْطُرَانِ ، یُرَی أَنَّہُ قَدْ تَہَیَّأَ لِلإِحْرَامِ ، فَلَمَّا وَضَعَ رِجْلَہُ فِی الْغَرْزِ وَأَخَذَ بِمُؤَخِّرِ وَاسِطَۃِ الرَّحْلِ قَامَ إلَیْہِ نَاسٌ مِنَ النَّاسِ فَقَالُوا : لَوْ عَہِدْت إلَیْنَا یَا أَبَا مَسْعُودٍ ، فَقَالَ : عَلَیْکُمْ بِتَقْوَی اللہِ وَالْجَمَاعَۃِ ، فَإِنَّ اللَّہَ لاَ یَجْمَعُ أُمَّۃَ مُحَمَّدٍ عَلَی ضَلاَلَۃٍ، قَالَ: فَأَعَادُوا عَلَیْہِ ، فَقَالَ: عَلَیْکُمْ بِتَقْوَی اللہِ وَالْجَمَاعَۃِ فَإِنَّمَا یَسْتَرِیحُ بَرٌّ ، أَوْ یُسْتَرَاحُ مِنْ فَاجِرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০২৯) হজরত আবদুল আজিজ ইবনে রাফি (রা. ) বলেন , হযরত আলী যখন সাফিনে যান , তখন তিনি হজরত আবু মাসউদ ( রা.)-কে জনগণের শাসনকর্তা করেন । তিনি শুক্রবার জনগণের উদ্দেশে খুতবা দিয়ে দেখলেন মানুষ কম । অতএব বল , হে লোক সকল! বেরিয়ে এসো, যে বের হবে সে হবে মামুন। ঈশ্বরের কসম , আমরা জানি যে তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ এই পরিস্থিতিকে অপছন্দ করে এবং এটাকে বোঝা মনে করে । বেরিয়ে আসুন, যে বেরিয়ে আসবে সে শান্তি পাবে। খোদার কসম , এই দুই পক্ষের পরস্পরকে যুদ্ধ করা এবং ভয় করাকে আমরা ভালো মনে করি না । বরং দোয়া হলো , মহান আল্লাহ যেন মুহাম্মাদের উম্মতকে সংস্কার করে তাদের একত্রিত করেন । আমি আপনাকে হজরত উসমান (রা) এবং তার কাছ থেকে প্রতিশোধ নেওয়া লোকদের কথা বলছি । কোনো হক প্রমাণ করার জন্য মানুষ তাদের শহীদ করেনি , বরং তারা হজরত উসমান (রা.) - কে আল্লাহ যে নেয়ামত দিয়েছিলেন তাতে ঈর্ষান্বিত ছিল । হযরত আলী (রাঃ) এলে বললেন , হে ফারুক ! আমি যা শুনেছি তা বলেছিস ? আপনার মনের বাইরে থাকার মতো বয়স হয়েছে . তিনি বললেন, আপনি আমাকে যে নাম দিয়েছেন তার চেয়ে আমার মা আমার নাম রেখেছেন । আমার বুদ্ধি চলে গেছে এবং আমার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে জান্নাত ফরজ হয়ে গেছে । এটা আপনিও জানেন . আমার মন বাকি নেই . আমরা একে অপরের সাথে কথা বলতাম যে শেষটা মন্দ। যখন তিনি মারা যান ওলীগণ যখন সেখানে ছিলেন , তখন তারা লোকদের সামনে আসলেন এবং তাদের চুল থেকে পানি ঝরছিল , তাই মনে হলো তারা ইহরামের প্রস্তুতি নিচ্ছেন । তিনি যখন চড়ার ইচ্ছা করলেন তখন লোকেরা বলল , হে আবূ মাসউদ ! দয়া করে আমাদের কিছু পরামর্শ দিন তিনি বলেন , তোমাদের জন্য তাকওয়া প্রয়োজন এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত থাকুন , কারণ মুসলিম সম্প্রদায় বিপথগামী হতে পারে না । লোকেরা যখন নাসি - হাটের নির্দেশনা চাইল , তখন তিনি বললেন, তোমাদের কাছে তাকওয়া আবশ্যক এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে লেগে থাক। একজন ভাল ব্যক্তি স্বস্তি পায় বা একজন খারাপ ব্যক্তি স্বস্তি পায় । জাত হল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۳۰) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ حَفْصٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَارَۃَ بْنِ خُزَیْمَۃَ بْنِ ثَابِتٍ ، قَالَ : مَا زَالَ جَدِّی کَافًّا سِلاَحَہُ یَوْمَ صِفِّینَ وَیَوْمَ الْجَمَلِ حَتَّی قُتِلَ عَمَّارٌ ، فَلَمَّا قُتِلَ سَلَّ سَیْفَہُ وَقَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : تَقْتُلُ عَمَّارًا الْفِئَۃُ الْبَاغِیَۃُ ، فَقَاتَلَ حَتَّی قُتِلَ۔ (طبرانی ۳۷۲۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০৩০) হযরত মুহাম্মদ বিন আমরা বিন খুজিমা বিন সাবিত বলেন , আমার পিতা সাফিনের যুদ্ধে এবং জামালের যুদ্ধে অস্ত্র থেকে দূরে ছিলেন । কিন্তু হজরত আম্মার যখন শহীদ হলেন , তখন তিনি খাপ থেকে তার তরবারি বের করলেন এবং বললেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সা. ) -কে বলতে শুনেছি যে , আম্মার একটি বিদ্রোহী দলকে হত্যা করবে । এরপর তারা যুদ্ধ করে শহীদ হন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹۰۳۱) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا وَرْقَائُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِینَارٍ ، عَنْ زِیَادٍ مَوْلَی عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : تَقْتُلُ عَمَّارًا الْفِئَۃُ الْبَاغِیَۃُ۔ (احمد ۱۹۷۔ ابویعلی ۷۳۰۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯০৩১) হজরত আমর ইবনে আস থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আম্মারকে একটি বিদ্রোহী দলের হাতে হত্যা করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯০৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস