
أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: ابْنُ الزُّبَيْرِ، سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَقُولُ: إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَوْلَا أَنَّ النَّاسَ حَدِيثٌ عَهْدُهُمْ بِكُفْرٍ، وَلَيْسَ عِنْدِي مِنَ النَّفَقَةِ مَا يُقَوِّي عَلَى بِنَائِهِ، لَكُنْتُ أَدْخَلْتُ فِيهِ مِنَ الْحِجْرِ خَمْسَةَ أَذْرُعٍ، وَجَعَلْتُ لَهُ بَابًا يَدْخُلُ النَّاسُ مِنْهُ، وَبَابًا يَخْرُجُونَ مِنْهُ»
ইবন জুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আমি ‘আইশা (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ যদি কুফরের সাথে মানুষের যুগ নিকটবর্তী না হতো, আর আমার কাছে এমন সম্পদও নেই যা আমাকে শক্তি যোগায়, (আর তা যদি থাকতো,) তাহলে আমি হিজরের২ আরও পাঁচ হাত এতে মিলাতাম এবং এর একটি দরজা রাখতাম, যা দিয়ে লোক প্রবেশ করতো। আর একটি দরজা রাখতাম, যা দিয়ে লোক বের হতো। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯১০]
[[২] ‘হিজর’ শব্দের অর্থ ‘পরিত্যক্ত’। কা’বা শরীফের উত্তরাংশে পাঁচ/ ছয় হাত পরিমাণ স্থান যা কুরাইশরা কা’বা নির্মাণের সময়ে তাদের (বৈধ) অর্থাভাবের কারণে নির্মাণ করতে পারেনি বিধায় তা দেয়াল ও ছাদবিহীনরূপে উন্মুক্ত রয়েছে। মূলতঃ এ স্থানটুকুও কা’বা শরীফের অংশ। সুতরাং এ স্থানে প্রবেশ করলে ও সালাত আদায় করলে তা কা’বা শরীফে প্রবেশ করা ও সালাত আদায় করা বিবেচিত হবে।]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الرِّبَاطِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَمَّتِهِ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ قَالَتْ: حَدَّثَتْنَا عَائِشَةُ، قَالَتْ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا أَدْخُلُ الْبَيْتَ؟ قَالَ: «ادْخُلِي الْحِجْرَ فَإِنَّهُ مِنَ الْبَيْتِ»
আব্দুল হামীদ ইবন যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
ফুফু সাফিয়্যা বিনত শাইবা (রাঃ) সূত্রে বলেছেন, আমআদের কাছে আয়েশা (রাঃ) বলেছেন যে, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি কা’বায় প্রবেশ করবো না? তিনি ইরশাদ করলেনঃ তুমি হিজরে প্রবেশ কর। কেননা, তা কা’বারই অংশ। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস