
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَا نُرَى إِلَّا الْحَجَّ، فَلَمَّا قَدِمْنَا مَكَّةَ طُفْنَا بِالْبَيْتِ، «أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ لَمْ يَكُنْ سَاقَ الْهَدْيَ، أَنْ يَحِلَّ» فَحَلَّ مَنْ لَمْ يَكُنْ سَاقَ الْهَدْيَ وَنِسَاؤُهُ لَمْ يَسُقْنَ فَأَحْلَلْنَ، قَالَتْ عَائِشَةُ: فَحِضْتُ فَلَمْ أَطُفْ بِالْبَيْتِ، فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ الْحَصْبَةِ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، يَرْجِعُ النَّاسُ بِعُمْرَةٍ وَحَجَّةٍ، وَأَرْجِعُ أَنَا بِحَجَّةٍ، قَالَ: «أَوَ مَا كُنْتِ طُفْتِ لَيَالِيَ قَدِمْنَا مَكَّةَ» قُلْتُ: لَا، قَالَ: «فَاذْهَبِي مَعَ أَخِيكِ إِلَى التَّنْعِيمِ، فَأَهِلِّي بِعُمْرَةٍ، ثُمَّ مَوْعِدُكِ مَكَانُ كَذَا، وَكَذَا»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বের হলাম। আর হজ্জ ব্যতীত আমাদের অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না। পরে আমরা যখন মক্কায় পৌঁছলাম তখন বায়তুল্লাহ তওয়াফ করলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলেনঃ যে 'হাদী' (কুরবানীর জন্তু) সাথে নিয়ে আসেনি, সে যেন হালাল হয়ে যায়। ফলে, যে 'হাদী' (কুরবানীর জন্তু) সাথে নিয়ে আসেনি সে হালাল হয়ে গেল। আর তাঁর স্ত্রী 'হাদী' (কুরবানীর জন্তু) সাথে আনেন নি; তাঁরাও হালাল হয়ে গেলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি ঋতুমতী হয়েছিলাম। তাই আমি বায়তুল্লাহর তওয়াফ করলাম না। এরপর যখন (হজ্জ শেষে) মুহাসসাব (নামক স্থানে) রাত হল, তখন আমি বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! অন্য লোক তো এক হজ্জ ও এক উমরাহ নিয়েই প্রত্যাবর্তন করবে, আর আমি শুধু এক হজ্জ নিয়েই প্রত্যাবর্তন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি কি আমাদের মক্কা আগমনের রাতে বায়তুল্লাহর তওয়াফ করনি? আমি বললামঃ না। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি তোমার ভাইয়ের সাথে তান'ঈম চলে যাও এবং উমরার ইহরাম করে আস। এরপর তোমার ওয়াদা পূর্ণ হওয়ার (আমার সাথে একত্রিত হওয়ার) স্থান হবে অমুক অমুক জায়গা। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لَا نُرَى إِلَّا أَنَّهُ الْحَجُّ، فَلَمَّا دَنَوْنَا مِنْ مَكَّةَ، «أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مَنْ كَانَ مَعَهُ هَدْيٌ أَنْ يُقِيمَ عَلَى إِحْرَامِهِ، وَمَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْيٌ أَنْ يَحِلَّ»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বের হলাম। হজ্জ ব্যতীত আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা যখন মক্কার নিকটবর্তী হলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলেনঃ যার সাথে হাদী (কুরবানীর জন্তু) রয়েছে, সে যেন তার ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যার সাথে হাদী (কুরবানীর জন্তু) নেই, সে যেন হালাল হয়ে যায়। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: أَهْلَلْنَا أَصْحَابَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْحَجِّ خَالِصًا لَيْسَ مَعَهُ غَيْرُهُ خَالِصًا وَحْدَهُ، فَقَدِمْنَا مَكَّةَ صَبِيحَةَ رَابِعَةٍ، مَضَتْ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ، فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «أَحِلُّوا، وَاجْعَلُوهَا عُمْرَةً» فَبَلَغَهُ عَنَّا أَنَّا نَقُولُ: لَمَّا لَمْ يَكُنْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ عَرَفَةَ إِلَّا خَمْسٌ، أَمَرَنَا أَنْ نَحِلَّ فَنَرُوحَ إِلَى مِنًى، وَمَذَاكِيرُنَا تَقْطُرُ مِنَ الْمَنِيِّ، فَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَطَبَنَا، فَقَالَ: «فَقَدْ بَلَغَنِي الَّذِي قُلْتُمْ، وَإِنِّي لَأَبَرُّكُمْ وَأَتْقَاكُمْ، وَلَوْلَا الْهَدْيُ لَحَلَلْتُ، وَلَوِ اسْتَقْبَلْتُ مِنْ أَمْرِي، مَا اسْتَدْبَرْتُ مَا أَهْدَيْتُ» قَالَ: وَقَدِمَ عَلِيٌّ مِنَ الْيَمَنِ فَقَالَ: «بِمَا أَهْلَلْتَ؟» قَالَ بِمَا أَهَلَّ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «فَأَهْدِ، وَامْكُثْ حَرَامًا كَمَا أَنْتَ قَالَ» وَقَالَ سُرَاقَةُ بْنُ مَالِكِ بْنِ جُعْشُمٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ عُمْرَتَنَا هَذِهِ لِعَامِنَا هَذَا أَوْ لِلْأَبَدِ؟ قَالَ: «هِيَ لِلْأَبَدِ»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবিগণ শুধু হজ্জের ইহরাম করেছিলাম, তার সাথে আর কোন কিছুর নিয়্যত ছিল না। যিলহাজ্জ মাসের চতুর্থ তারিখ ভোরে আমরা মক্কায় উপনীত হলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে আদেশ করলেনঃ তোমরা হালাল হয়ে যাও, আর একে উমরা করে ফেল। (অর্থাৎ হজ্জের নিয়্যতের ইহরামকে উমরার নিয়্যতে পরিবর্তিত করে ফেল।) আমাদের পক্ষ থেকে তাঁর নিকট এখবর পৌঁছালো যে, আমরা বলছি, আমাদের ও আরাফার (উকুফের) মধ্যে মাত্র পাঁচ দিন বাকী থাকতে আমাদেরকে তিনি হালাল হতে আদেশ করলেন? তাহলে কি আমরা এমন অবস্থায় মিনায় উপস্থিত হবো, যখন আমাদের পুরুষাংগুলো বীর্য নির্গত করব? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে আমাদেরকে ভাষণ দিতে গিয়ে বললেনঃ তোমরা যা বলেছ তা আমার নিকট পৌঁছেছে। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মধ্যে অধিক নেককার এবং মুত্তাকী (আল্লাহ ভীরু)। যদি (আমার সংগে) হাদী (কুরবানীর জন্তু) না থাকত, তাহলে আমি অবশ্যই হালাল হয়ে যেতাম আর পরে যা বুঝতে পেরেছি, তা যদি পূর্বে বুঝতাম, তাহলে হাদী (কুরবানীর জন্তু) সাথে আনতাম না। বর্ণনাকারী বলেনঃ ইত্যবসরে আলী (রাঃ) ইয়ামান থেকে আগমন করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কিসের ইহিরাম বেঁধেছ? তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার ইহরাম বেঁধেছেন তার। তিনি বললেনঃ তাহলে হাদী (কুরবানীর জন্তু) সহ ইহরাম অবস্থায় থাক। বর্ণনাকারী বলেনঃ সুরাকা ইবন মালিক ইবন জুশুম (রাঃ) বলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি কি বলেন, আমাদের এ উমরা কি এ বছরের জন্যই, না চিরদিনের জন্য? তিনি বললেনঃ চিরদিনের জন্য। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ سُرَاقَةَ بْنِ مَالِكِ بْنِ جُعْشُمٍ، أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ عُمْرَتَنَا هَذِهِ لِعَامِنَا أَمْ لِأَبَدٍ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «هِيَ لِأَبَدٍ»
সুরাকা ইবন মালিক ইবন জুশুম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার কি অভিমত, আমাদের এ উমরা কি এ-বছরের জন্যই, না চিরদিনের জন্য? রাসুলুল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তা চিরদিনের জন্য। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ عَبْدَةَ، عَنْ ابْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: قَالَ سُرَاقَةُ: تَمَتَّعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَتَمَتَّعْنَا مَعَهُ، فَقُلْنَا: أَلَنَا خَاصَّةً أَمْ لِأَبَدٍ؟ قَالَ: «بَلْ لِأَبَدٍ»
আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন যে, সুরাকা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তামা'ত্তু হজ্জ (এক ইহরামে উমরা ও হজ্জ) করলেন, তাঁর সঙ্গে আমরাও তামা'ত্তু করলাম। পরে আমরা বললামঃ এটা কি বিশেষভাবে আমাদের জন্য, না চিরদিনের জন্য? তিনি বললেনঃ চিরদিনের জন্য। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ وَهُوَ الدَّرَاوَرْدِيُّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ الْحَارِثِ بْنِ بِلَالٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَسْخُ الْحَجِّ لَنَا خَاصَّةً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّةً؟ قَالَ: «بَلْ لَنَا خَاصَّةً»
বিলাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! হজ্জ পরিত্যাগ (করে উমরা) করার বিধান কি বিশেষভাবে আমাদের জন্য, না সকল লোকের জন্য? তিনি বললেনঃ বরং বিশেষভাবে আমাদের জন্য। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮০৮]
হাদিসের মান : যঈফ হাদিস

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ الْأَعْمَشِ، وَعَيَّاشٌ الْعَامِرِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، فِي مُتْعَةِ الْحَجِّ قَالَ: «كَانَتْ لَنَا رُخْصَةً» --- [حكم الألباني] صحيح موقوف مخالف للأحاديث المتقدمة
আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি তামা'ত্তু হজ্জ সম্বন্ধে বলেনঃ এর অনুমতি শুধু আমাদের জন্যই দান করা হয়েছে। (অর্থাৎ হজ্জ পরিত্যাগ করে উমরা করার অনুমতি শুধু আমাদের জন্য ছিল।) [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮০৯]
হাদিসের মান : অন্যান্য

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْوَارِثِ بْنَ أَبِي حَنِيفَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: «فِي مُتْعَةِ الْحَجِّ لَيْسَتْ لَكُمْ، وَلَسْتُمْ مِنْهَا فِي شَيْءٍ، إِنَّمَا كَانَتْ رُخْصَةً لَنَا، أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ» --- [حكم الألباني] صحيح موقوف
আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি তামা'ত্তু হজ্জ সম্বন্ধে বলেনঃ এটা তোমাদের জন্য নয় এবং এতে তোমাদের কোন হিসসা নেই। এটা (পরিত্যাগ করার অনুমতি) শুধু আমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের (অনুমোদিত) জন্য। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮১০]
হাদিসের মান : সহিহ মাওকুফ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: «كَانَتْ الْمُتْعَةُ رُخْصَةً لَنَا» --- [حكم الألباني] صحيح موقوف
আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ তামাত্তু হজ্জ আমাদের জন্য (বিশেষ) সুযোগের অনুমোদন ছিলো। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮১১]
হাদিসের মান : সহিহ মাওকুফ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُفَضَّلُ بْنُ مُهَلْهَلٍ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، وَإِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ فَقُلْتُ: لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَجْمَعَ الْعَامَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ، فَقَالَ إِبْرَاهِيمُ: لَوْ كَانَ أَبُوكَ لَمْ يَهُمَّ بِذَلِكَ، قَالَ: وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ: «إِنَّمَا كَانَتِ الْمُتْعَةُ لَنَا خَاصَّةً» --- [حكم الألباني] صحيح موقوف
আবদুর রহমান ইবন আবূ শা'ছা (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ এক সময় আমি ইবরাহীম নখ'ঈ এবং ইবরাহীম তায়মীর সাথে ছিলাম। আমি বললামঃ আমি ইচ্ছা করেছি এ বছর হজ্জ ও উমরা একত্রে করবো। তখন ইবরাহীম বললেনঃ তোমার পিতা হলে এর ইচ্ছা করতেন না। তিন বলেনঃ ইবরাহীম তায়মী তাঁর পিতার সূত্রে আবূ যর (রাঃ) থেকে বলেন, তিনি বলেছেনঃ তামা'ত্তু হজ্জ তো মাদের জন্য খাস ছিল। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮১২]
হাদিসের মান : সহিহ মাওকুফ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ وَاصِلِ بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ وُهَيْبِ بْنِ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كَانُوا يُرَوْنَ أَنَّ الْعُمْرَةَ، فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ مِنْ أَفْجَرِ الْفُجُورِ فِي الْأَرْضِ، وَيَجْعَلُونَ الْمُحَرَّمَ صَفَرَ، وَيَقُولُونَ: إِذَا بَرَأَ الدَّبَرْ، وَعَفَا الْوَبَرْ، وَانْسَلَخَ صَفَرْ - أَوْ قَالَ: دَخَلَ صَفَرْ - فَقَدْ حَلَّتِ الْعُمْرَةُ لِمَنِ اعْتَمَرْ، فَقَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ صَبِيحَةَ رَابِعَةٍ مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ «فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً» فَتَعَاظَمَ ذَلِكَ عِنْدَهُمْ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْحِلِّ؟ قَالَ: «الْحِلُّ كُلُّهُ»
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ জাহিলী যুগে লোক মনে করতো হজ্জের মাসে উমরা করা পৃথিবীতে শুরুতর পাপ। তারা মুহাররম মাসকে সফর মাস সাব্যস্ত করতো। এবং তারা বলতো (আরবী) 'যখন উটের পিঠে ক্ষত শুকিয়ে যায়, উটের পশম বৃদ্ধি পায় এবং সফর অর্থাৎ (তাসের বিশ্বাসানুযায়ী) অতিবাহিত হয়।' অথবা বলতোঃ সফর মাস এসে যায়, তখন উমরা হালাল হয়ে যায়, যে উমরা করতে চায় তার জন্য। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবিগন যিলহাজ্জ মাসের চতুর্থ তারিখের ভোরে হজ্জের ইহরাম বাঁধা অবস্থায় মক্কায় উপস্থিত হন। তিনি তাদেরকে আদেশ করেন, তারা যেন হজ্জকে উমরায় (পরিবর্তিত) করে ফেলে। এটি তাদের নিকট কষ্টকর মনে হলো। তাঁরা বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! কোন ধরনের হালাল? তিনি বললেনঃ পরিপূর্ণ হালাল। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُسْلِمٍ وَهُوَ الْقُرِّيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: «أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْعُمْرَةِ»، وَأَهَلَّ أَصْحَابُهُ بِالْحَجِّ، وَأَمَرَ مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ الْهَدْيُ، أَنْ يَحِلَّ، وَكَانَ فِيمَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ الْهَدْيُ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَرَجُلٌ آخَرُ فَأَحَلَّا
মুসলিম (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমরার ইহরাম বাঁধলেন, আর তার সাহাবিগন হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। যাদের সাথে হাদী (কুরবানীর জন্তু) ছিল না, তিনি তাদেরকে আদেশ করলেন যেন তারা হালাল হয়ে যায়। আর যাদের সাথে হাদী (কুরবানীর জন্তু) ছিল না, তাদের মধ্যে ছিলেন তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ এবং অন্য এক ব্যক্তি। অতএব, তাঁরা দু'জন হালাল হয়ে গেলেন। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ الْحَكَمِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «هَذِهِ عُمْرَةٌ اسْتَمْتَعْنَاهَا، فَمَنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ هَدْيٌ، فَلْيَحِلَّ الْحِلَّ كُلَّهُ، فَقَدْ دَخَلَتِ الْعُمْرَةُ فِي الْحَجِّ»
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এই উমরা আমরা (হজ্জের সফরে পালন করার) সহজ সুযোগ লাভ করলাম। অতএব যার সাথে হাদী (কুরবানীর জন্তু) নেই, সে যেন সর্বোতভাবে হালাল হয়ে যায়। কেননা, উমরা হজ্জের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে গেল। (অর্থাৎ এখন থেকে হজ্জ ও উমরা একত্রে করা বৈধ হল।) [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৮১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস