
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: أَنْبَأَنَا بَكْرٌ وَهُوَ ابْنُ مُضَرَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ، قَالَ: ` لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ {وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ} [البقرة: 184] كَانَ مَنْ أَرَادَ مِنَّا أَنْ يُفْطِرَ وَيَفْتَدِيَ، حَتَّى نَزَلَتِ الْآيَةُ الَّتِي بَعْدَهَا، فَنَسَخَتْهَا `
সালামা ইব্ন আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, যখন (আরবী আছে) আয়াত অবর্তীর্ন হল তখন আমাদের মধ্যে যারা ইচ্ছা করত সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেলত এবং ফিদয়া দিত। যখন তার পরবর্তী আয়াত: (আরবী আছে) অবর্তীর্ন হল উক্ত আয়াতের হুকুমকে রহিত করে দিল। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ، قَالَ: أَنْبَأَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ: {وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ} [البقرة: 184] ` يُطِيقُونَهُ: يُكَلَّفُونَهُ، فِدْيَةٌ: طَعَامُ مِسْكِينٍ وَاحِدٍ، فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا طَعَامُ مِسْكِينٍ آخَرَ لَيْسَتْ بِمَنْسُوخَةٍ فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ، وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ، لَا يُرَخَّصُ فِي هَذَا إِلَّا لِلَّذِي لَا يُطِيقُ الصِّيَامَ أَوْ مَرِيضٍ لَا يُشْفَى `
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ (আরবী আছে) (অর্থঃ আর যাদের সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য আছে তারা ইচ্ছা করলে সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে একজন মিসকীনকে তার বিনিময়ে খাদ্য দান করতে পারবে)-এর ব্যাখ্যায় বর্ণিত আছেঃ যাদের সাওম (রোযা) করতে খুব বেশী কষ্ট হয় তারা প্রত্যেকটি সাওমের পরিবরর্তে ফিদয়া স্বরূপ একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করবে। আর যে ব্যক্তি আরো অধিক দান করবে তা তার জন্য উত্তম হবে-এই আয়াতের হুকুম রহিত হয়নি আর যদি তোমরা সাওম (রোযা) পালন কর তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম। অত্র আয়াতে সাওম (রোযা) পালনে সামর্থ্যবানদের অব্যাহতি দেওয়া হয়নি বরং অক্ষম এবং এমন অসুস্হ ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে যাদের রোগ মুক্তির আশা নেই। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস