(৪০৭) সাওম (রোযা) [হাদিসের সীমা (২০৯০ – ২৪৩৪), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৪৫টি]

পরিচ্ছেদ [মোট হাদিসঃ ৩টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৫৯টি]


এ প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইব্রাহীম (রহঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনায় পার্থক্য




17272 OK

(২১৭৬)

সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا النَّضْرُ، قَالَ: أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ تَوْبَةَ الْعَنْبَرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصِلُ شَعْبَانَ بِرَمَضَانَ»


উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান মাসকে রমযান মাসের সাথে মিলাতেন সাওম (রোযা) পালনসহ। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



17273 OK

(২১৭৭)

হাসান সহিহ

أَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ، عَنْ صِيَامِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُ حَتَّى نَقُولَ لَا يُفْطِرُ، وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُولَ لَا يَصُومُ، وَكَانَ يَصُومُ شَعْبَانَ أَوْ عَامَّةَ شَعْبَانَ» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) পালন করবেন না। তিনি শা’বান মাসের পূরা বা অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৭৭]


হাদিসের মান : হাসান সহিহ



17274 OK

(২১৭৮)

সহিহ হাদিস

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعْدِ بْنِ الْحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمِّي، قَالَ: حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ، أَنَّ ابْنَ الْهَادِ، حَدَّثَهُ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَقَدْ كَانَتْ إِحْدَانَا تُفْطِرُ فِي رَمَضَانَ فَمَا تَقْدِرُ عَلَى أَنْ تَقْضِيَ حَتَّى يَدْخُلَ شَعْبَانُ، «وَمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُومُ فِي شَهْرٍ مَا يَصُومُ فِي شَعْبَانَ، كَانَ يَصُومُهُ كُلَّهُ إِلَّا قَلِيلًا بَلْ كَانَ يَصُومُهُ كُلَّهُ»


আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আমাদের কেউ (ঋতূ ইত্যাদির কারণে) রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করতে পারত না এবং তার কাযা আদায় করার সূযোগ পাওয়ার পূর্বে, শা’বান মাস এসে যেত। আর রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান মাসের মত অন্য কোন মাসে এত অধিক সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি অল্প কয়েক দিন ব্যতীত পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন; বরং (বলতে গেলে) পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন। [সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস