
(۷۸۷۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : کَانَ سَعِیدُ بْنُ الْمُسَیَّبِ یُصَلِّی الضُّحَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৭৬) হযরত সাঈদ বিন মুসাইব চাশতের নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۷۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یُصَلُّونَ الضُّحَی وَیَدَعُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৭৭) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , বাপ -দাদারা নামাজ পড়তেন এবং দোয়া চাইতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ أوَغَیْرِہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ أَنْ یُدِیمُوا صَلاَۃَ الضُّحَی مِثْلَ الْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৭৮) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পূর্বসূরিরা চাশতের নামাজ ফরজ নামাজের মতো কঠোরভাবে পড়াকে অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّہَا کَانَتْ تُغْلِقُ عَلَیْہَا بَابَہَا ، ثُمَّ تُصَلِّی الضُّحَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৭৯) হযরত কাসিম বিন মুহাম্মদ বলেন, হযরত আয়েশা দরজা বন্ধ করে চাশতের নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شَرِیکٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ صَلاَۃِ الضُّحَی ، فَقَالَ : إِنَّہَا لَفِی کِتَابِ اللہِ ، وَلاَ یَغُوصُ عَلیہَا إلا غَوَّاصٌ ، ثُمَّ قَرَأَ : (فِی بُیُوتٍ أَذِنَ اللَّہُ أَنْ تُرْفَعَ وَیُذْکَرَ فِیہَا اسْمُہُ یُسَبِّحُ لَہُ فِیہَا بِالْغُدُوِّ وَالأَصَالِ) ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৮০ ) হজরত ইবনে আব্বাসকে চাশতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , পবিত্র কুরআনে এর উল্লেখ রয়েছে । কিন্তু চিন্তাশীল একজনই এটিতে পৌঁছাতে পারে । আল্লাহ তায়ালা বলেন ( অনুবাদ ) আল্লাহ যে ঘরগুলোকে সম্মানিত করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেসব ঘরে সকাল ও সন্ধ্যায় তাসবিহ পাঠ করার সময় তাঁর নাম স্মরণ করতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ سَالِمٍ الأَفْطَسِ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ: أَنَّہُ صَلَّی الضُّحَی فِی الْکَعْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৮১ ) হজরত সেলিম ইফতাস বলেন , হজরত সাঈদ বিন জুবের কাবা শরীফে নামাজ পড়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۲) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ مُطَہَّرِ بْنِ جُوَیْرِیَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُُ الضَّحَّاکَ یُصَلِّی الضُّحَی ، وَرَأَیْتُ أَبَا مِجْلَزٍ یُصَلِّی فِی مَنْزِلِہِ الضُّحَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৮২ ) হযরত মুতাহার বিন জু - রিয়াহ বলেন , আমি হযরত জাহহাককে চাশতকী নামাজ পড়তে দেখেছি । আর আমি হজরত আবু মাজালজকে তাঁর ঘরে নামাজ পড়িয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ مُسْلِمٍ الْہَمْدَانِیُّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ عَمْرٍو الْقُرَشِیِّ ، قَالَ : أَتْبَعَنِی أبی عَبْدَ اللہِ بْنَ عُمَرَ لأَتَعَلَّمَ مِنْہُ فَمَا رَأَیْتُہُ یُصَلِّی السُّبْحَۃَ ، وَکَانَ إذَا رَآہُمْ یُصَلُّونَہَا قَالَ : مِنْ أَحْسَنِ مَا أَحْدَثُوا سُبْحَتُہُمْ ہَذِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7883) হজরত সাঈদ বিন আমর কোরেশী বলেন , আমার পিতা আমাকে হযরত ইবনে উমরের কাছে রেখে গেছেন যাতে আমি তাঁর কাছ থেকে জ্ঞান লাভ করতে পারি । আমি তাদের কখনো প্রার্থনা করতে দেখিনি লোকেরা যদি চাশতের নামাজ পড়ে তবে তারা বলে যে এই নফল নামাজটি খুব ভাল এবং নতুন মনে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنِ الْعَوَّامِ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : أَوْصَانِی خَلِیلِی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ أُصَلِّیَ الضُّحَی فَإِنَّہَا صَلاَۃُ الأَوَّابِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৮৪ ) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , মীরে খলিল আমাকে ওসিয়ত করলেন যে , আমি যেন চাশতের সালাত আদায় করি । এটি আওয়াবীনদের ( আল্লাহর দিকে ফিরে আসা ভালো বান্দাদের ) প্রার্থনা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ عَمِّہِ سَلَمَۃَ بْنِ سِمَاکٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ یَقُولُ : أَضْحُوا عِبَادَ اللہِ بِصَلاَۃِ الضُّحَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৮৫) হজরত উমর বিন খাত্তাব বলেন , হে আল্লাহর বান্দাগণ! চাশতের নামায চাশতের সময় আদায় করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یُوسُفُ بْنُ صُہَیْبٍ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ أَبِی رَمْلَۃَ الأَزْدِیِّ ، عَنْ عَلِیٍّ: أَنَّہُ رَآہُمْ یُصَلُّونَ الضُّحَی عِنْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ ، فَقَالَ : ہَلاَّ تَرَکُوہَا حَتَّی إذَا کَانَتِ الشَّمْسُ قِیدْ رُمْحٍ أَوْ رُمْحَیْنِ ، صَلَّوْہَا فَذَلکَ صَلاَۃُ الأَوَّابِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৮৬) হযরত আলী সূর্যোদয়ের সময় কিছু লোককে চাশতের সালাত আদায় করতে দেখলেন । তিনি বললেন , সূর্য উদিত হওয়ার সময় তারা কেন এই সালাত ছেড়ে দেয়নি ? এটি দ্বিগুণ উচ্চ হতে দিন । কারণ এটি আওয়াবীনদের ( আল্লাহর দিকে ফিরে আসা ভালো বান্দাদের ) প্রার্থনা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی زَیْدٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ مَوْلَی ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ یَقُولُ لِی : سَقَطَ الْفَیْئُ ؟ فَإِذَا قُلْتُ نَعَمْ قَامَ فَسَبَّحَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৮৭ ) হজরত শুবা মাওলি ইবনে আব্বাস বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস আমাকে জিজ্ঞেস করতেন তিনি পড়ে গেলেন কি না । আমি যদি হ্যাঁ বলতাম , তাহলে তারা উঠে চাশতের নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : کَانَ أَبُو سَلَمَۃَ لاَ یُصَلِّی الضُّحَی حَتَّی تَمِیلَ الشَّمْسُ ، قَالَ : وَکَانَ عُرْوَۃُ یَجِیئُ فَیُصَلِّی ، ثُمَّ یَجْلِسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৮৮) হজরত মুহাম্মাদ বিন আমর বলেন, হজরত আবু সালামা সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত নামাজ পড়তেন না এবং হজরত উরওয়া নামাজের পর এসে দাঁড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ دِثَارٍ الْقَطَّانِ ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ نَافِذٍ : أَنَّ عَلِیًّا خَرَجَ فَرَأَی قوْمًا یُصَلُّونَ الضُّحَی عِنْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ ، فَقَالَ : مَا لَہُمْ نَحَرُوہَا نَحَرَہُمُ اللَّہُ فَہَلاَّ تَرَکُوہَا حَتَّی إذَا کَانَتْ بِالْجَبِینِ صَلَّوْا فَتِلْکَ صَلاَۃُ الأَوَّابِینَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৮৯) হজরত নুমান বিন নাফিজ বলেন, হজরত আলী কিছু লোককে সূর্যোদয়ের সময় চাশতের সালাত আদায় করতে দেখেছিলেন । তিনি বলেছিলেন যে তিনি এই প্রার্থনাটি দ্রুত করেছিলেন , আল্লাহ তাকে দ্রুত ভাল জিনিস দান করুন । এবং এই সময়ের প্রার্থনাটি আল্লাহর দিকে ফিরে আসা নেক বান্দাদের প্রার্থনা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ مَوْلَی أُمِّ ہَانِیئٍ ، عَنْ أُمِّ ہَانِیئٍ ، قَالَتْ : دَخَلَ عَلَیَّ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْتِی یَوْمَ فَتْحِ مَکَّۃَ فَوَضَعْتُ لَہُ مَائً فَاغْتَسَلَ ، ثُمَّ صَلَّی ثَمَانَ رَکَعَاتٍ صَلاَۃَ الضُّحَی لَمْ یُصَلِّہِنَّ قَبْلَ یَوْمِہِ ، وَلاَ بَعْدَہُ۔ (طبرانی ۱۰۰۳۔ احمد ۶/۳۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯০) হজরত উম্মে হানি ( রা . ) বলেন , মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) আমার বাড়িতে এসেছিলেন , আমি তাঁর জন্য পানি রেখেছিলাম , আপনি গোসল করলেন এবং তারপর আট রাকাত চাশতা করলেন । সেদিনের আগে ও পরে , আমি তোমাকে কখনো এই নামাজ পড়তে দেখিনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : لَمْ یُخْبِرْنَا أَحَدٌ مِنَ النَّاسِ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلَّی الضُّحَی إِلاَّ أُمَّ ہَانِیئٍ فَإِنَّہَا قَالَتْ : دَخَلَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْتِی یَوْمَ فَتْحِ مَکَّۃَ فَاغْتَسَلَ ، ثُمَّ صَلَّی ثَمَانِ رَکَعَاتٍ یُخَفِّفُ فِیہِنَّ الرُّکُوعَ وَالسُّجُودَ ، لَمْ أَرَہُ صَلاَّہُنَّ قَبْلَ یَوْمَئِذٍ وَلاَ بَعْدَہُ۔ (بخاری ۱۱۰۳۔ ابوداؤد ۱۲۸۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯১ ) হজরত ইবনে আবি লায়লা বলেন , হজরত উম্মে হানি ছাড়া আর কেউ আমাদেরকে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সালাতের কথা জিজ্ঞেস করেনি , তারা বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) এবং আল্লাহর রহমত মক্কা বিজয়ের দিন আমার ঘরে এসেছিলেন , এই রাকাতে আপনি রুকু ও সিজদা সংক্ষিপ্ত করেছেন । সেদিনের আগে ও পরে , আমি তোমাকে কখনো এই নামাজ পড়তে দেখিনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : أَدْرَکْتُ النَّاسَ وَہُمْ مُتَوَافِرُونَ ، أَوْ مُتَوَافُونَ فَلَمْ یُخْبِرْنِی أَحَدٌ أَنَّہُ صَلَّی الضُّحَی إِلاَّ أُمُّ ہَانِیئٍ ، فَإِنَّہَا أَخْبَرَتْنِی أَنَّہُ صَلاَّہَا ثَمَانَ رَکَعَاتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯২ ) হজরত ইবনে আবি লায়লা বলেন , আমি এমন কিছু লোকের সঙ্গে দেখা করলাম যারা দ্বীনের ব্যাপারে সম্পূর্ণ জ্ঞান রাখে । হযরত উম্মে হানী ব্যতীত কেউ আমাকে চাশতার নামাযের কথা বলেনি , তারা আমাকে বলে যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চাশতার নামায পড়েছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۳) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی مُرَّۃَ مَوْلَی أُمِّ ہَانِیئٍ ابْنَۃِ أَبِی طَالِبٍ ، عَنْ أُمِّ ہَانِیئٍ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلَّی الضُّحَی ثَمَانَ رَکَعَاتٍ۔ (ترمذی ۱۵۷۹۔ احمد ۶/۳۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৯৩) হজরত উম্মে হানি ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) চাশতের আট রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ الْمُنْکَدِرِ ، عَنِ ابن رُمَیْثَۃَ ، عَنْ جَدَّتِہِ ، قَالَتْ : دَخَلْتُ عَلَی عَائِشَۃَ وَہِیَ تُصَلِّی مِنَ الضُّحَی فَصَلَّتْ ثَمَانِ رَکَعَاتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯৪) হজরত ইবনে রুমি ইয়াসাহ ( রা . )-এর দাদী বলেন , আমি হযরত আয়েশা (রা. ) - এর খেদমতে হাজির হয়েছিলাম এবং তিনি চাশতের নামায পড়ছিলেন এবং তিনি আট রাকাত আদায় করেছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ مَرْجَانَۃَ ، قَالَ : جَلَسْتُ وَرَائَ سَعْدِ بْنِ مَالِکٍ وَہُوَ یُسَبِّحُ الضُّحَی فَرَکَعَ ثَمَانَ رَکَعَاتٍ أَعُدُّہُنَّ لاَ یَقْعُدُ فِیہِنَّ حَتَّی قَعَدَ فِی آخِرِہِنَّ ، فَتَشَہَّدَ ثُمَّ سَلَّمَ وَانْطَلَقَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯৫) হজরত সাঈদ বিন মারজানা বলেন , আমি হযরত সাদ বিন মালিক (রা.)- এর পিছনে বসে ছিলাম , যখন তিনি চাশতের নামাজ পড়ছিলেন । তিনি দুইবার আট রাকাত আদায় করলেন তিনি কেবল শেষ রাকাতে বসেন এবং তাতে তাশাহহুদ পাঠ করলেন , সালাম করলেন এবং সালাত শেষ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ تَمِیمَۃَ ابنَۃ دُہَیْمٍ: أَنَّہَا رَأَتْ عَائِشَۃَ صَلَّتْ مِنَ الضُّحَی سِتَّ رَکَعَاتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯৬) হজরত তামি মাহ বিনতে দাহিম বলেন , তিনি হজরত আয়েশা (রা.) -কে ছয় রাকাত নামাজ পড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ جَدَّتِہِ رُمَیْثَۃَ ، قَالَتْ : دَخَلْتُ عَلی عَائِشَۃَ بَیْتًا کَانَتْ تَخْلُو فِیہِ ، فَرَأَیْتُہَا صَلَّتْ مِنَ الضُّحَی ثَمَانَ رَکَعَاتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯৭ ) হজরত রমিশা বলেন , আমি হযরত আয়েশা (রা. ) - এর একটি ঘরে উপস্থিত ছিলাম যেখানে তিনি একা ছিলেন । আমি দেখলাম , তিনি চাশতার আট রাকাত আদায় করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ : أَنَّہَا کَانَتْ تُصَلِّی الضُّحَی ، ثَمَانَ رَکَعَاتٍ وَہِیَ قَاعِدَۃٌ ، فَقِیلَ لَہَا : إنَّ عَائِشَۃَ تُصَلِّی أَرْبَعًا ، فَقَالَتْ : إنَّ عَائِشَۃَ امْرَأَۃٌ شَابَّۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৯৮ ) হযরত উম্মে সালামা বসে বসে আট রাকাত চাশতা পড়তেন । কেউ তাদের বলল যে, হযরত আয়েশা চার রাকাত পড়েন । তিনি বলেন , আয়েশা একজন তরুণী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۹۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ : أَنَّہُ کَانَ إذَا حَضَرَ الْمِصْرَ صَلَّی الضُّحَی أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৯৯) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আল কামা যখন শহরে আসতেন, তখন চার রাকাত চাশত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۰۰) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عنْ حُذَیْفَۃَ ، قَالَ : خَرَجْتُ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَی حَرَّۃِ بَنِی مُعَاوِیَۃَ فَصَلَّی الضُّحَی ثَمَانَ رَکَعَاتٍ طَوَّلَ فِیہِنَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৯০০ ) হজরত হুজাইফা বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে বনু মুয়াবিয়ার অঞ্চলে আসি । তিনি সেখানে চাশতার আট রাকাত আদায় করেন এবং দীর্ঘ তিলাওয়াত করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۰۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : أَوْصَانِی خَلِیلِی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِرَکْعَتَیِ الضُّحَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৯০১) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , আমাকে মীর খলিল হুজুর ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) দুই রাকাত চাশত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۰۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَوْہَبٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کَعْبٍ الْقُرَظِیِّ ، قَالَ : مَنْ قَرَأَ فِی سُبْحَۃِ الضُّحَی بِـ {قُلْ ہُوَ اللَّہُ أَحَدٌ} عَشْرَ مَرَّاتٍ بُنِیَ لَہُ بَیْتٌ فِی الْجَنَّۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7902) হযরত মুহাম্মদ বিন কাব কারযী বলেন , যে ব্যক্তি সালাতের সময় সূরা আল- ইখলাস তিনবার পাঠ করবে , তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۰۳) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَص ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، قِیلَ لِسُفْیَانَ : عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، قَالَ : إذَا قَامَ أَحَدُکُمْ إلَی الصَّلاَۃ فَلاَ یَمْسَحِ الْحَصَی۔ (ابوداؤد ۹۴۲۔ احمد ۵/۱۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(7903) হজরত আবু যার ( রা ) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , তোমরা যখন নামাযে দাঁড়াবে , তখন নুড়ি স্পর্শ করো না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۰۴) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ : أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ مَسْحَ الْحَصَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৯০৪) হজরত আবু জুবায়ের বলেন , হজরত জাবির নুড়ি স্পর্শ করা মাকরুহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۹۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الحَکَمِ ، عَنْ شُرَحْبِیلَ أَبِی سَعدٍ ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ، قَالَ : مَا أُحِبُّ أَنَّ لِی حُمْرَ النَّعَمِ وَأَنِّی مَسَحْتُ مَکَانَ جَبِینِی مِنَ الْحَصَی ، إِلاَّ أَنْ یَغْلِبَنِی فَأَمْسَحَ مَسْحَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৯০৫ ) হজরত আবু আল -দারদা বলেন , নামাযের সময় আমার কপালের স্থান থেকে নুড়ি সরানোর বিনিময়ে আমি লাল উট পছন্দ করি না , তবে যদি কোনো সমস্যা হয় তবে একবার দূর করে দিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৯০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস