
(۷۸۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ : حدَّثَنَا الرَّبِیعُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَرِہَ التَّعْقِیبَ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ ، وَقَالَ الْحَسَنُ لاَ تُمِلُّوا النَّاسَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮১৬ ) হযরত হাসান রমজানে তাকীব করাকে জঘন্য মনে করেছেন । তিনি বলতেন মানুষকে কষ্ট দিও না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی عَمْرٍو ، أَنَّہُ صَلَّی خَلْفَ أَبِی ہُرَیْرَۃَ فِی رَمَضَانَ ، وَکَانَ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ ثُمَّ یُسَلِّمُ ، ثُمَّ یَقُومُ فَیُوتِرُ بِرَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮১৭) হজরত আবু আমর বলেন , আমি হজরত আবু হুরায়রা (রা. ) - এর সাথে তারাবীহ পড়লাম , তিনি দুই রাকাত পড়তেন এবং সালাম দিতেন , তারপর উঠে এক রাকাত বিতর পড়তেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ وَثَّابٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَؤُمُّہُمْ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ فِی الْقِیَامِ وَکَانَ لاَ یُسَلِّمُ إِلاَّ فِی أَرْبَعِ رَکَعَاتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7818) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইয়াহইয়া বিন ওয়াতাব তারাবীহ ( রা . ) লোকদের ইমামতি করতেন এবং চার রাকাতের পর সালাম দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ یَقُومُ بِنَا لَیْلَۃَ الْفِطْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮১৯) হজরত উবায়দ আল্লাহ বলেন , হজরত আবদুল রহমান ইবনে আসওয়াদ ঈদের রাতে নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ الْوَلِیدِ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَبُو إیَاسٍ مُعَاوِیَۃُ بْنُ قُرَّۃَ ، قَالَ : کُنْتُ نَازِلاً عَلَی عَمْرِو بْنِ النُّعْمَانِ بْنِ مُقَرِّنٍ ، فَلَمَّا حَضَرَ رَمَضَانُ جَائَہُ رَجُلٌ بِأَلْفَیْ دِرْہَمٍ مِنْ قِبَلِ مُصْعَبِ بْنِ الزُّبَیْرِ ، فَقَالَ : إنَّ الأَمِیرَ یُقْرِئُکَ السَّلاَمَ وَیَقُولُ : إنَّا لَمْ نَدَعْ قَارِئًا شَرِیفًا إِلاَّ قَدْ وَصَلَ إلَیْہِ مِنَّا مَعْرُوفٌ فَاسْتَعِنْ بِہَذَیْنِ عَلَی نَفَقَۃِ شَہْرِکَ ہَذَا ، فَقَالَ عَمْرٌو : اقْرَأْ عَلَی الأَمِیرِ السَّلاَمَ وَقُلْ وَاللَّہِ مَا قَرَأْنَا الْقُرْآنَ نُرِیدُ بِہِ الدُّنْیَا وَرَدَّہُ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮২০) হজরত আবু আয়িস মুআবিয়া ইবনে কারা বলেন , আমি আমর ইবনে নুমান ইবনে মুকরীনের মেহমান ছিলাম , যখন রমজান মাস আসেনি , তখন তিনি মুসআব ইবনে জুবাইরকির কাছ থেকে দুই হাজার দিরহাম নিয়ে আসেন তিনি বলেন , আমীর আপনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন যে , এই উপহার থেকে আপনি আপনার চাহিদা পূরণ করুন । হজরত আমর তাকে বললেন, সে যেন তার শাহজাদাকে আমাদের পক্ষ থেকে অভিবাদন জানায় এবং তাকেও বলে যে, আল্লাহর কসম ! আমরা দুনিয়া লাভের জন্য কোরআন পড়িনি । এ কথা বলার পর তিনি তাকে টাকা ফেরত দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ : حدَّثَنِی أَبِی ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَعْقِلٍ : أَنَّہُ صَلَّی بِالنَّاسِ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ ، فَلَمَّا کَانَ یَوْمُ الْفِطْرِ بَعَثَ إلَیْہِ عُبَیدُ اللہِ بْنُ زِیَادٍ بِحُلَّۃٍ وَبِخَمْسِمِئَۃِ دِرْہَمٍ فَرَدَّہَا وَقَالَ : إِّنَا لاَ نَأْخُذُ عَلَی الْقُرْآنِ أَجْرًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮২১) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুয়াকাল রমজানে লোকদের তারাবীহ পড়াতেন এবং ঈদুল ফিতরের দিন উবাইদ আল্লাহ ইবনে যায়েদ তাকে এক জোড়া এবং পাঁচশত দিরহাম দিয়ে সম্বোধন করেন । তিনি এসব ফেরত দিয়ে বললেন , আমরা কুরআনের মজুরি নিই না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: لاَ یُؤْخَذُ عَلَی الْقُرْآنِ أَجْرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮২২) হজরত কাসিম বিন আবদুল রহমান বলেন , কোরআন তেলাওয়াতের জন্য কোনো পারিশ্রমিক নেওয়া হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ رَجُلٍ : أَنَّ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ قَامَ بِالنَّاسِ فِی رَمَضَانَ فَأَرْسَلَ إلَیْہِ الْحَجَّاجُ بِبُرْنُسٍ فَقَبِلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7823 ) হজরত জিরি রায়েক আদমী (রা) থেকে বর্ণিত যে , হজরত সাঈদ ইবনে জুবের ( রা. ) লোকদেরকে তারাবীহ পড়ালেন , তারপর হাজ্জাজ ইবনে ওয়াসিফ তাদের একটি টুপি দিলেন । তিনি বস্ত্র পাঠান যা তিনি গ্রহণ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ وَاقِدٍ ، عَنْ زَاذَانَ ، قَالَ سَمِعْتُہُ یَقُولُ : مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ یَأْکُلُ بِہِ جَائَ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ وَوَجْہُہُ عَظْمٌ لَیْسَ عَلَیْہِ لَحْمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮২৪) হজরত জাজান বলেন , যে ব্যক্তি কোরান পড়ে খাবে, কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় আসবে যে , তার মুখমণ্ডল শুধু হাড় থাকবে , মাংস থাকবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامٌ الدَّسْتَوَائِیُّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ أَبِی رَاشِدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شِبْلٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اقرَؤُوا الْقُرْآنَ ، وَلاَ تَأْکُلُوا بِہِ ، وَلاَ تَسْتَکْثِرُوا بِہِ ، وَلاَ تَجْفُوا عَنْہُ ، وَلاَ تَغْلُوا فِیہِ۔ (احمد ۳/۴۴۴۔ ابویعلی ۱۵۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮২৫) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শিবাল ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , কোরআনকে রোজার উৎস বানাবেন না , কখনো মহিমান্বিত কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ককেও ভাববেন না অনেক, পবিত্র কুরআনের আক্ষরিক ও আধ্যাত্মিক সীমা অতিক্রম করবেন না এবং পবিত্র কুরআন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ الْحَطِیم ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ عُمَرُ : اقْرَؤُوا الْقُرْآنَ وَسَلُوا اللَّہَ بِہِ قَبْلَ أَنْ یَقْرَأَہُ قَوْمٌ یَسْأَلُونَ النَّاسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7826) হজরত ওমর (রা.) বলেন , কোরআন পড় এবং কোরআনের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে চাও , কারণ এমন একটি জাতি আসবে যারা কোরআনের মাধ্যমে মানুষকে প্রশ্ন করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۷) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ : أَنَّہُ کَانَ یَنْہَی عَنِ الصَّلاَۃ عَلَی الطَّرِیقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮২৭) হযরত সুওয়ায়েদ বিন গাফলা পথে নামাজ পড়তে নিষেধ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۸) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ سَیَّارِ بْنِ مَعْرُورٍ قَالَ : رَأَی عُمَرُ قَوْمًا یُصَلُّونَ عَلَی الطَّرِیقِ ، فَقَالَ : صَلُّوا فِی الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮২৮ ) হজরত সাইর ইবনে মারুর বলেন , হজরত উমর (রা . ) কিছু লোককে পথিমধ্যে নামাজ পড়তে দেখে বললেন , মসজিদে নামাজ পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۲۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ہِشَامٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تُصَلُّوا عَلَی جَوَادِ الطَّرِیقِ ، وَلاَ تَنْزِلُوا عَلَیْہَا فَإِنَّہَا مَأْوَی الْحَیَّاتِ وَالسِّبَاعِ۔ (احمد ۳/۳۸۲۔ عبدالرزاق ۹۲۴۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(7829) হজরত জাবির ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , খোলা রাস্তায় নামায পড়ো না বা শিবির করো না , কারণ এগুলো সাপ ও জন্তুর আবাসস্থল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِیِّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ، قَالَ: کَانَ أَصْحَابُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلُّونَ فِی سِکَکِ الأَہْوَازِ ، وَکَانَ أَنَسُ بْنُ مَالِکٍ یُصَلِّی فِی مَمَرِّ خَدَمِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৩০ ) হজরত আনাস বিন মালিক বলেন , সাহাবায়ে কেরাম আহওয়াজের রাস্তায় নামাজ পড়তেন । হজরত আনাস (রা.) তাঁর খাদেমদের পথের মধ্যে সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ الأَشْجَعِیِّ ، عَنْ رِبْعِیِّ بْنِ حِرَاشٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : جُعِلَتْ لَنَا الأَرْضُ کُلُّہَا مَسْجِدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7831 ) হজরত হুযিফা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , সমগ্র পৃথিবীকে আমাদের জন্য মসজিদ করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا سَیَّارٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا یَزِیدُ الْفَقِیرُ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : جُعِلَتْ لِی الأَرْضُ طَہُورًا وَمَسْجِدًا فَأَیُّمَا رَجُلٍ مِنْ أُمَّتِی أَدْرَکَتْہُ الصَّلاَۃ فَلْیُصَلِّ حَیْثُ أَدْرَکَتْہُ۔ (بخاری ۳۳۵۔ مسلم ۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৩২ ) হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : সমগ্র পৃথিবী পবিত্র হোক এবং নামাজের স্থান তৈরি করা হয়েছে । আমার উম্মতের একজন সদস্যের উচিত যেখানে নামাযের সময় হয় সেখানেই সালাত আদায় করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ وَمِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : جُعِلَتْ لِی الأَرْضُ طَہُورًا وَمَسْجِدًا۔ (بخاری ۲۱۵۲۔ احمد ۱/۳۰۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৩৩ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , গোটা পৃথিবী পবিত্রতার উৎস এবং মৃতদের জন্য নামাজ পড়ার জায়গা তৈরি করা হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۴) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : جُعِلَتْ لِی الأَرْضُ طَہُورًا وَمَسْجِدًا۔ (احمد ۴/۴۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৩৪ ) হজরত আবু বুরদা ( রা ) এর পিতা থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , মৃত্যু দ্বারা সমগ্র পৃথিবী পবিত্র হয়ে যাবে এবং একটি নামাজের স্থান নির্মাণ করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أَیْنَمَا أَدْرَکَتْکَ الصَّلاَۃ فَصَلِّ فَہُوَ مَسْجِدٌ۔ (بخاری ۳۳۶۶۔ مسلم ۳۷۰۔ احمد ۵/۱۶۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৩৫) হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখনই নামাযের সময় হবে, সেখানেই সালাত আদায় কর , এটাই তোমার স্থান । সেখানে একটি মসজিদ রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُمَر بْن ذَرٍّ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : جُعِلَتْ لِی الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَہُورًا۔ (طیالسی ۴۷۲۔ احمد ۵/۱۶۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৩৬) হজরত আবু যার ( রা ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : সমগ্র পৃথিবী পবিত্র হোক এবং দোয়া করার জন্য একটি পাঠের স্থান সৃষ্টি করা হয়েছে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ أَبِیہِ قَالَ : کُنَّا مَعَ أَبِی مُوسَی فِی دَارِ الْبَرِیدِ فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃ فَصَلَّی بِنَا عَلَی رَوْثٍ وَتِبْنٍ ، فَقُلْنَا تُصَلِّی بِنَا ہُنَا وَالْبَرِّیَّۃُ إلَی جَنْبِکَ ؟ فَقَالَ : الْبَرِّیَّۃُ وَہَا ہُنَا سَوَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৩৭) হজরত হারিছ বলেন , আমরা হজরত আবু মুসা ( রা .) - এর সাথে দার আল বুরিদে ছিলাম , যখন নামাযের সময় হলো , তখন তিনি আমাদেরকে সিসা ও খড়ের ওপর নিয়ে সালাত আদায় করলেন আমরা বললাম যে আপনি হ্যাঁ , গ্রাম আপনার কাছে থাকলেও আপনি কি নামাজ পড়েন ? সে বললো গ্রাম ও হ্যা দোয়া করা এমনই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عِکْرِمَۃُ بْنُ عَمَّارٍ ، قَالَ : رَأَیْتُُ سَالِمًا کَنَسَ مَکَانًا ، ثُمَّ صَلَّی فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৩৮) হজরত ইকরামা ইবনে আম্মার (রা.) বলেন , হজরত সালেম একটি স্থানে ঝাড়ু ঝাড়লেন এবং সেখানে নামাজ আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۳۹) حَدَّثَنَا مَالِکُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِنْدَلٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : جُعِلَتْ لِی الأَرْضُ طَہُورًا وَمَسْجِدًا۔ (ابوداؤد ۴۹۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(7839) হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , সমগ্র পৃথিবী আমার মৃত্যুর জন্য পবিত্রতা ও প্রার্থনার উৎস হয়ে উঠুক । পাঠের স্থান তৈরি করা হয়েছে । .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۴۰) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، قَالَ : کَانَ النَّاسُ یَقْرَؤُونَ مُتَوَاتِرِینَ فِی رَمَضَانَ کُلُّ قَارِیٍٔ فِی أَثَرِ صَاحِبِہِ حَتَّی وَلِیَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِیزِ فَقَالَ : لِیَقْرَأْ کُلُّ قَارِیٍٔ مِنْ حَیْثُ أَحَبَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৪০ ) হজরত উযায়ী বলেন , তারাবীহ পাঠকারীর রীতি ছিল যে , তারা একটানা কোরআন তেলাওয়াত করতেন , পরবর্তী তিলাওয়াতকারী প্রথমে পাঠকারীর অবস্থান থেকে পড়তেন । অতঃপর হযরত উমর বিন আব্দুল আযীয ( রাঃ ) এলে তিনি বলেন , প্রত্যেক পাঠক যেখান থেকে ইচ্ছা পড়তে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۴۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِکِ بْنُ عُمَیْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا جَابِرُ بْنُ سَمُرَۃَ : أَنَّ أُنَاسًا شَکَوْا سَعْدًا إلَی عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، قَالَ وَشَکَوْہُ فِی الصَّلاَۃ ، قَالَ : فَکَتَبَ إلَیْہِ عُمَرُ فَقَدِمَ عَلَیْہِ ، قَالَ : فَذَکَرَ الَّذِی شَکَوْہُ فِیہِ وَذَکَرَ أَنَّہُمْ شَکَوْہُ فِی الصَّلاَۃ ، فَقَالَ سَعْدٌ : إنِّی لأُصَلِّی بِہِمْ صَلاَۃَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، إنِّی لأَرْکُدُ بِہِمْ فِی الأُولَیَیْنِ وَأَحْذِفُ بِہِم فِی الأُخْرَیَیْنِ ، قَالَ : ذَلِکَ الظَّنُّ بِکَ یَا أَبَا إِسْحَاقَ۔ (بخاری ۷۷۰۔ مسلم ۱۵۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৪১ ) হজরত জাবির ইবনে সামরা বলেন , কিছু লোক হজরত ওমর (রা.)-এর কাছে হজরত সাদ ( রা .)- এর ব্যাপারে অভিযোগ করেছিল এবং তাঁর নামাযের পদ্ধতিতে আপত্তি জানায় । হজরত উমর (রা.) তাদের একটি চিঠি পাঠান এবং তারা এলে হজরত ওমর (রা . ) তাদের নামাযের পদ্ধতি নিয়ে তাদের অভিযোগ ও আপত্তির কথা জানান । হযরত সাদ (রাঃ) বলেন , আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর রীতি অনুযায়ী নামায পড়ি , প্রথম দুই রাকাত লম্বা করি এবং দ্বিতীয় রাকাত ছোট করি । একথা শুনে হযরত উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আবু ইসহাক! আমার হৃদয় তোমাকে নিয়ে এটাই ছিল অনুমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۴۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ الْہُجَیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی الصِّدِّیقِ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ : کُنَّا نَحْزِرُ قِیَامَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی الظُّہْرِ وَالْعَصْرِ ، فَحَزَرْنَا قِیَامَہ فِی الظُّہْرِ فِی الرَّکْعَتَیْنِ الأُولَیَیْنِ قَدْرَ ثَلاَثِینَ آیَۃً ، وَحَزَرْنَا قِیَامَہُ فِی الرَّکْعَتَیْنِ الأُخْرَیَیْنِ عَلَی النِّصْفِ مِنْ ذَلِکَ ، وَحَزَرْنَا قِیَامَہُ فِی الرَّکْعَتَیْنِ الأُولَیَیْنِ مِنَ الْعَصْرِ عَلَی قَدْرِ الأُخْرَیَیْنِ مِنَ الظُّہْرِ ، وَحَزَرْنَا قِیَامَہُ فِی الرَّکْعَتَیْنِ الأُخْرَیَیْنِ مِنَ الْعَصْرِ عَلَی النِّصْفِ مِنْ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৪২) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা . ) বলেন , আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর কেয়ামতের সময় অনুমান করতাম । যোহরের প্রথম দুই রাকাতে প্রায় ত্রিশ আয়াত পড়তেন এবং দ্বিতীয় দুই রাকাতে এর অর্ধেক পড়তেন । অনুরূপভাবে আসরের প্রথম দুই রাকাআতে যোহরের শেষ দুই রাকাতের সমান দাঁড়াতেন এবং আসরের দ্বিতীয় দুই রাকাতে প্রথম দুই রাকাতের অর্ধেক আদায় করতেন । ats
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقْرَأُ بِنَا فِی الرَّکْعَتَیْنِ الأُولَیَیْنِ مِنَ الظُّہْرِ وَیُسْمِعُنَا الآیَۃَ أَحْیَانًا وَیُطِیلُ الأُولَی ، وَیَقْصِرُ فِی الثَّانِیَۃِ ، وَکَانَ یَفْعَلُ ذَلِکَ فِی صَلاَۃِ الصُّبْحِ یُطِیلُ فِی الأُولَی وَیَقْصِرُ فِی الثَّانِیَۃِ ، وَکَانَ یَقْرَأُ بِنَا فِی الرَّکْعَتَیْنِ الأُولَیَیْنِ مِنَ الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮৪৩ ) হজরত আবু কাতাদা ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) যোহরের প্রথম দুই রাকাত এমনভাবে পড়তেন যে , প্রথম রাকাতের চেয়ে বেশি পড়তেন । তিনি ফজরের সালাত এমনভাবে পড়াতেন যে , প্রথম রাকাতের চেয়ে বেশি এবং দ্বিতীয় রাকাতে কম পড়তেন । আর আসরের প্রথম দুই রাকাত একইভাবে পড়া হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۴۴) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ : أَنَّ عُمَرَ کَانَ یُصَلِّی الظُّہْرَ عِنْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ وَیُطِیلُ أَوَّلَ رَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৪৪) হজরত আবু উসমান বলেন , হজরত উমর (রা.) সূর্যাস্তের সময় নামাজ পড়তেন এবং প্রথম রাকাত লম্বা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۴۵) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ، قَالَ: صَلَّیْتُ خَلْفَ الْقَاسِمِ، فَکَانَ یُطِیلُ الأُولَیَیْنِ أَطْوَلَ مِنَ الأُخْرَیَیْنِ الأُولَیَیْنِ مِنَ الظُّہْرِ وَالأُولَیَیْنِ مِنَ الْعَصْرِ وَالأُولَیَیْنِ مِنَ الْمَغْرِبِ وَالأُولَیَیْنِ مِنَ الْعِشَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮৪৫) হজরত খালিদ বিন আবি বকর বলেন , আমি হযরত কাসিম (রা.) - এর পরে যোহর , আছর , মাগরিব ও এশার প্রথম দুই রাকাত দ্বিতীয় রাকাতের চেয়ে দীর্ঘ করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস