
(۷۷۸۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَالِکٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ : أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُرَغِّبُ فِی قِیَامِ رَمَضَانَ مِنْ غَیْرِ أَنْ یَأْمُرَ فِیہِ بِعَزِیمَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৮৬ ) হজরত আবু সালামা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) রমজানে তারাবীহ পাঠ করতেন কিন্তু তা ফরজ মনে করতেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَلِیٍّ ، عَنْ نَضْرِ بْنِ شَیْبَانَ قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا سَلَمَۃَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، فَذَکَر عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّ اللَّہَ افْتَرَضَ عَلَیْکُمْ صِیَامَہُ وَسَنَنْتُ لَکُمْ قِیَامَہُ فَمَنْ صَامَہُ إیمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَہُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِہِ۔ (احمد ۱/۱۹۴۔ طیالسی ۲۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৮৭) হজরত আবু সালামা ইবনে আবদুর রহমান তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আল্লাহ আপনার ওপর রমজানের রোজা ফরজ করুন এবং তার কিয়াম ঘোষণা করুন সুন্নত , যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং আল্লাহর কাছে সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে , তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ : أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَمَرَ أُبَیًّا أَنْ یُصَلِّیَ بِالنَّاسِ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৮৮) হজরত উরওয়া বলেন , হজরত উমর ( রা . ) হজরত আবিকে রমজানে লোকদেরকে তারাবীহ পড়াতে নির্দেশ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۸۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ یَقُولُ : دَعَانِی عُمَرُ لأَتَغَدَّی عِنْدَہُ ، قَالَ أَبُو بَکْرٍ : یَعْنِی السَّحُورَ فِی رَمَضَانَ فَسَمِعَ ہَیْعَۃَ النَّاسِ حِینَ خَرَجُوا مِنَ الْمَسْجِدِ ، قَالَ : مَا ہِیَ ؟ قَالَ : ہَیْعَۃُ النَّاسِ حَیْثُ خَرَجُوا مِنَ الْمَسْجِدِ ، قَالَ : مَا بَقِیَ مِنَ اللَّیْلِ خَیْرٌ مِمَّا ذَہَبَ مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৮৯) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , একবার হজরত ওমর ( রা . ) আমাকে সুহরির দাওয়াত দিলেন , এমন সময় তিনি মসজিদ থেকে লোকজনের আওয়াজ শুনে বললেন , এটা কী ? আপনাকে বলা হয়েছিল যে লোকেরা মসজিদ ছেড়ে যাচ্ছে । আপনি বলেছেন যে, রাতের অবশিষ্ট অংশ অতীতের চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ الْقَارِیّ قَالَ : قَالَ عُمَرُ : فِی السَّاعَۃِ الَّتِی یَنَامُونَ فِیہَا أَعْجَبُ إلَیَّ مِنَ السَّاعَۃِ الَّتِی یَقُومُونَ فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৯০ ) হজরত আবদুল রহমান ইবনে আবদুল ক্বারি বলেন , মানুষ যে সময় ঘুমায় সে সময় সম্পর্কে হজরত উমর ( রা . ) বলেছেন : যে সময়টা আমি নামাজ পড়ি , তার চেয়ে বেশি ভালো লাগে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی یَزِیدَ الْمَدِینِیِّ ، قَالَ : قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فِی قِیَامِ رَمَضَانَ : مَا یَتْرُکُونَ مِنْہُ أَفْضَلُ مِمَّا یَقُومُونَ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৯১ ) হজরত ইবনে আব্বাস রমজানের রাতে কিয়াম সম্পর্কে বলেন যে , তারা ঘুমাতে যাওয়ার সময়টি ঘুম থেকে ওঠার সময় থেকে উত্তম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ أَبِی الْمُعْتَمِرِ، قَالَ: سَأَلْتُ الْحَسَنَ أَیَّ سَاعَۃٍ أَقُومُ بِہِمْ؟ قَالَ: اُنْظُرْ أَرْفَقَ ذَلِکَ بِالْقَوْمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৯২ ) হজরত আবু আল মুতামার বলেন , আমি হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করলাম , আমার জন্য তারাবীহ পড়ার উত্তম সময় কখন ? তিনি বলেন , যখনই মানুষের সুবিধা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنِ الْحَکَمِ قَالَ : کَانُوا یَنَامُونَ نَوْمَۃً قَبْلَ الْقِیَامِ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৯৩ ) হযরত বলেন , বাপ - দাদারা রমজানের তারাবীহের একটু আগে ঘুমাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا أُسَامَۃُ بْنُ زَیْدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ یُوسُفَ الأَعْرَجِ ، عَنِ السَّائِبِ قَالَ : قَالَ عُمَرُ: إنَّکُمْ تَدَعُونَ أَفْضَلَ اللَّیْلِ آخِرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৯৪) হযরত উমর (রাঃ) বলেন , আপনি রাতের সর্বোত্তম অংশ অর্থাৎ শেষ অংশ ত্যাগ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ حَبِیبٍ قَالَ : قَالَ رَجُلٌ : ذَہَبَ اللَّیْلُ ، فَقَالَ : عُمَرُ مَا بَقِیَ مِنَ اللَّیْلِ خَیْرٌ مِمَّا ذَہَبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৯৫) জনৈক ব্যক্তি হজরত ওমর (রা.)- কে বললেন , রাতের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অতিবাহিত হয়েছে । তিনি বলেন , যা রয়ে গেছে তার চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۶) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَقُومُ مَعَ النَّاسِ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ ، قَالَ : وَکَانَ سَالِمٌ وَالْقَاسِمُ لاَ یَقُومَانَ مَعَ النَّاسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৯৬) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) মানুষের সঙ্গে তারাবীহ পড়তেন না । হযরত সেলিম ও হযরত কাসিমও মানুষের সাথে তারাবীহ পড়তেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ أَقُومُ خَلْفَ الإِمَام فِی شَہْرِ رَمَضَانَ ، فَقَالَ : تُنْصِتُ کَأَنَّک حِمَارٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৯৭ ) হজরত মুজাহিদ বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ইবনে উমর (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলেন যে, আমি রমজানে ইমামের পেছনে তারাবীহ পড়ি , এটা কি সঠিক ? তিনি বললেন , তুমি গাধার মতো মুখ তুলে দাঁড়িয়ে আছো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لَوْ لَمْ یَکُنْ مَعِی إِلاَّ سُورَۃٌ أَوْ سُورَتَانِ لأَنْ أُرَدِّدَہُمَا أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَقُومَ خَلْفَ الإِمَام فِی شَہْرِ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৯৮ ) হজরত ইবরাহীম (আ.) বলেন , যদি আমি দুটি সূরা আসে এবং আমি সেগুলি পুনরাবৃত্তি করি , আমি ইমামের পিছনে তারাবীহ পাঠ করার চেয়ে বেশি পছন্দ করি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۹۹) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : کَانَ إبْرَاہِیمُ یَؤُمُّہُمْ فِی الْمَکْتُوبَۃِ ، وَلاَ یَؤُمُّہُمْ فِی صَلاَۃِ رَمَضَانَ وَعَلْقَمَۃُ وَالأَسْوَدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৯৯) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইব্রাহিম , হজরত আল -কামাহ ও হাজরে আসওয়াদ ( রা. ) লোকদের ফরজ নামাজ পড়াতেন , কিন্তু তারাবীহর ইমামতি করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : کَانَ إبْرَاہِیمُ وَعَلْقَمَۃُ لاَ یَقُومُانَ مَعَ النَّاسِ فِی رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮০০ ) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইবরাহীম ও হজরত আলকামাহ তারাবির ইমামতি করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۱) حَدَّثَنَا قَطَنُ بْنُ عَبْدِ اللہِ أَبُو مُرَیٍّ ، عَنْ نَصْرٍ الْمُعَلِّمِ ، قَالَ : حدَّثَنِی عُمَرُ بْنُ عُثْمَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَسَنَ فَقُلْت : یَا أَبَا سَعِیدٍ یَجِیئُ رَمَضَانُ ، أَوْ یَحْضُرُ رَمَضَانُ ، فَیَقُومُ النَّاسُ فِی الْمَسَاجِدِ ، فَمَا تَرَی أَقُومُ مَعَ النَّاسِ أَوْ أُصَلِّی أَنَا لِنَفْسِی ؟ قَالَ : تَکُونُ أَنْتَ تَفُوہُ الْقُرْآنَ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ یُفَاہَ عَلَیْک بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮০১) হজরত উমর ইবনে উসমান বলেন , আমি হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করলাম , হে আবু সাঈদ ! রমজান মাসে লোকেরা তারাবীহ পড়ে , আপনি কি মনে করেন , আমি কি মানুষের সাথে পড়ব নাকি একা পড়ব ? তিনি বললেন , তুমি নিজে কোরআন পড় , তোমার চেয়ে আমার বেশি ভালো লাগে । অন্যকে কুরআন পড়তে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ السَّائِبِ ، قَالَ : کُنْتُ أُصَلِّی بِالنَّاسِ فِی رَمَضَانَ فَبَیْنَا أَنَا أُصَلِّی إذْ سَمِعْت تَکْبِیرَ عُمَرَ عَلَی بَابِ الْمَسْجِدِ قَدِمَ مُعْتَمِرًا فَدَخَلَ فَصَلَّی خَلْفِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮০২) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব বলেন , আমি লোকদের কাছে তারাবীহ পাঠ করতাম , এমন সময় হজরত উমর ( রা . ) মসজিদের দরজায় মিরি তাকবীরের আওয়াজ শুনতে পান তারা মসজিদে এসে আমার পিছনে নামাজ পড়ল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ : أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی مَعَہُمْ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ یُصَلِّی لِنَفْسِہِ وَیَرْکَعُ وَیَسْجُدُ مَعَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮০৩ ) হযরত লায়স বলেন , হযরত তাওয়াস তারাবীহ লোকদের সাথে সালাত আদায় করতেন এবং তাদের সাথে রুকু ও সিজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ: أَنَّہُ کَانَ یَخْتَارُ الْقِیَامَ مَعَ النَّاسِ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮০৪ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ তারাবী হামীম মানুষের সঙ্গে দাঁড়াতে পছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۵) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ الْمُتَہَجِّدُونَ یُصَلُّونَ فِی جَانِبِ الْمَسْجِدِ وَالإِمَام یُصَلِّی بِالنَّاسِ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮০৫ ) হজরত ইব্রাহীম বলেন , দরবেশরা মসজিদের এক কোণে নামাজ পড়তেন , ইমাম লোকদেরকে তারাবীহ পড়াচ্ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، قَالَ : رَأَیْتُُ عَبْدَ اللہِ بْنَ أَبِی مُلَیْکَۃَ یُصَلِّی بِالنَّاسِ فِی رَمَضَانَ خَلْفَ الْمَقَامِ بِمَنْ صَلَّی خَلْفَہُ وَالنَّاسُ بَعْدُ فِی سَائِرِ الْمَسْجِدِ مِنْ بَیْنِ طَائِفٍ بِالْبَیْتِ وَمُصَلٍّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7806) হজরত আইয়ুব বলেন , আমি হজরত ইবনে আবিয়ামকে দেখেছি যে, তিনি ইব্রাহীম ( আ . ) - এর পেছনে লোকদেরকে তারাবিহ নামায পড়াচ্ছিলেন , যখন লোকেরা কেউ তাওয়াফ করছিল , কেউ পুরো মসজিদে নামাজ পড়ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۷) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، قَالَ: شَہِدْتُ مَکَّۃَ فِی زَمَانِ ابْنِ الزُّبَیْرِ فِی رَمَضَانَ وَالإِمَام یُصَلِّی بِقَومٍ عَلَی حِدَۃٍ ، وَالنَّاسُ یُصَلُّونَ فِی نَوَاحِی الْمَسْجِدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮০৭) হজরত আবু আল-শাআ বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের (রা.) - এর সময় দেখেছি যে , ইমাম লোকদেরকে তারাবীহ পড়াতেন এবং লোকেরা মসজিদের কোণায় বসে সালাত আদায় করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۸) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، قَالَ : رَأَیْتُُ شَبَثَ بْنَ رِبْعِیٍّ وَنَاسٌ مَعَہُ یُصَلُّونَ وُحْدَانًا فِی رَمَضَانَ وَالنَّاسُ فِی الصَّلاَۃ ، وَرَأَیْت شَبَثًا یُصَلِّی فِی سُتْرَۃٍ وَحْدَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮০৮) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমায়র (রাঃ) বলেন , আমি শাবস বিন রুবাই ও তার সাথে কয়েকজনকে সালাত আদায় করতে দেখেছি , বাকি লোকেরা আলাদাভাবে সালাত আদায় করছিল । আমি হযরত শবেবরাতকে দেখেছি যে তিনি সূর্যের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۰۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ الإِمَام یُصَلِّی بِالنَّاسِ فِی الْمَسْجِدِ وَالْمُتَہَجِّدُونَ یُصَلُّونَ فِی نَوَاحِی الْمَسْجِدِ لأَنْفُسِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮০৯ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ইমাম লোকদেরকে তারাবীহ পড়াতেন এবং দরবেশরা মসজিদের কোণায় নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۰) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ ابنِ جُبَیْر وَالْحَسَنِ ؛ فِی الرَّجُلِ یَقُومُ بَیْنَ التَّرْوِیحَتَیْنِ یَقْرَأُ حَتَّی یَنْہَضَ الإِمَام فَیَدْخُلُ مَعَہُ ، قَالَ شُعْبَۃُ : کَرِہَہُ أَحَدُہُمَا وَلَمْ یَکْرَہْہُ الأَخَرُ۔ وَقَالَ ہِشَامٌ : ہُوَ یُونُسُ بْنُ جُبَیْرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮১০) হজরত ইউনুস ইবনে জাবির ও হজরত হাসান এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন , যে ব্যক্তি দুই তারাবিহের পর নামাযের জন্য দাঁড়ায় যে , ইমাম দাঁড়াতে না পারলে সে পাঠ করতে পারবে । হযরত শুবা বলেন , এই দুই হযরতের মধ্যে একজন তাকে পছন্দ করতেন এবং অন্যজন তাকে অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۱) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ أَبِی مَرْیَمَ ، عَنِ ابْنِ الأَسْوَدِ : أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی بِہِمْ أَرْبَعِینَ رَکْعَۃً وَیُوتِرُ بِہِمْ وَیُصَلِّی بَیْنَ التَّرْوِیحَتَیْنِ اثْنَتَیْ عَشْرَۃَ رَکْعَۃً ، وَیَقُولُ بَیْنَ التَّرْوِیحَتَیْنِ : الصلاۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7811) হজরত আবু মরিয়ম বলেন , হজরত ইবনে আসওয়াদ লোকদের সামনে চল্লিশ রাকাত ও বিতরসহ তারাবীহ পড়তেন । তিনি প্রতি দুই তরবিহাতের মধ্যে এই বারো রাকাত নামায পড়তেন এবং বলতেন যে, প্রতি দুই তারবীহাতের মাঝে এই সালাত আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ، قَالَ: حدَّثَنَا ہَمَّامٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی کَثِیرٍ، أَنَّ رَجُلاً مِنْ أَہْلِ الشَّامِ حَدَّثَہُ یُقَالُ لَہُ أَبُو سُفْیَانَ، أَنَّ بَحِیرَ بْنَ رَیْسَانَ حَدَّثَہُ، أَنَّہُ کَانَ عِنْدَ عُبَادَۃَ بْنِ الصَّامِتِ شَہِدَ ذَلِکَ، زَجَرَہُمْ أَنْ یُصَلُّوا إذَا تَرَوَّحَ الإِمَام فِی رَمَضَانَ فَجَعَلَ یَزْجُرُہُمْ وَہُمْ لاَ یُبَالُونَ ، وَلاَ یَنْتَہُونَ فَضَرَبَہُمْ فَرَأَیْتُہُ یَضْرِبُہُمْ عَلَی ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7812) হজরত বাহির ইবনে রিসান বলেন যে তিনি হযরত উবাদা ইবনে সামিতকে দেখেছেন যে তিনি ইমামের তারবিহার সময় নামাজ পড়ার জন্য লোকদের তিরস্কার করেছেন । তারা তাদের তিরস্কারের পরোয়া করেনি এবং এ কাজ থেকে বিরত থাকেনি , তখন হজরত উবাদা সেই লোকদের হত্যা করেন। আর আমি নিজেও দেখেছি তাদের এই কাজের জন্য মানুষ হত্যা করতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ وَاضِحٍ أَبُو تُمَیْلَۃَ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ ، عَنْ حَبِیبِ بن أَبِی عَمْرَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَقُولَ بَیْنَ التَّرْوِیحَتَیْنِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮১৩) হজরত সাঈদ বিন জাবির ( রা .) মনে করতেন , এভাবে বলা জঘন্য কাজ : প্রতি দুই তারবিহাতের পর সালাত আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۴) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَوَّامٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ والحسن : أَنَّہُمَا کَانَا یَکْرَہَانِ التَّعْقِیبَ فِی رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৮১৪ ) হযরত কাতাদাহ ও হযরত হাসান মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার সাথে সাথে মসজিদে ফিরে যাওয়াকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۸۱۵) حَدَّثَنَا عَبَّادٌ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ إنَّمَا یَرْجِعُونَ إلَی خَیْرٍ یَرْجُونَہُ وَیَبْرَؤُونَ مِنْ شَرٍّ یَخَافُونَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৮১৫) হজরত আনাস ( রা . ) বলেন , মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই মসজিদে ফিরে আসায় কোনো দোষ নেই । কারণ তারা সেই ভালোর দিকে ফিরে আসে যা তারা আশা করে এবং মন্দকে এড়িয়ে চলে যাকে তারা ভয় করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৮১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস