
(۷۷۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ووَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : الصَّلَوَاتُ الْحَقَائِقُ کَفَّارَاتٌ لِمَا بَیْنَہُنَّ مَا اجْتُنِبَتِ الْکَبَائِرُ۔ (طبرانی ۸۷۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7726 ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , ফরজ নামায কৃত গুনাহের কাফফারা হয়ে যায় , শর্ত থাকে যে , একজন ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ رَجُلٍ یَتَوَضَّأُ فَیُحْسِنُ الْوُضُوئَ ، ثُمَّ یُصَلِّی إِلاَّ غُفِرَ لَہُ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ الصَّلاَۃ الأُخْرَی۔ (مسلم ۲۰۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭২৭) হজরত উসমান ইবনে আফফান ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি ভালোভাবে ওযু করে সালাত আদায় করে, তার সালাতের পরের সালাতের সকল গুনাহ মাফ হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۲۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، أَخْبَرَنَا عَوْفٌ وَالْجُرَیرِیُّ ، عَنْ قَسَامَۃَ بْنِ زُہَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مُوسَی ، قَالَ : مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ مَثَلُ نَہْرٍ جَارٍ عَلَی بَابِ أَحَدِکُمْ یَغْتَسِلُ مِنْہُ کُلَّ یَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ ، فَمَاذَا یُبْقِینَ بَعْدُ عَلَیْہِ مِنْ دَرَنِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭২৮) হজরত আবু মূসা ( রা . ) বলেন , পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের উদাহরণ হলো একজনের দরজায় প্রবাহিত একটি নদী এবং সে তাতে দিনে পাঁচবার গোসল করবে কি তার শরীরে কিছু অবশিষ্ট থাকবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۲۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ عَطَائٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ إبْرَاہِیمَ بْنَ یُحَنَّسَ ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ، قَالَ : مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ مَثَلُ رَجُلٍ عَلَی بَابِہِ نَہْرٌ یَغْتَسِلُ مِنْہُ کُلَّ یَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ فَمَاذَا یُبْقِی ذَلِکَ مِنْ دَرَنِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7729 ) হজরত আবু আল-দারদা বলেন , পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের উদাহরণ হল একটি নদী যার দরজায় প্রবাহিত হয় এবং সে দিনে পাঁচবার গোসল করে তার শরীরে কি অবশিষ্ট থাকবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ أَبِی صَخْرَۃَ جَامِعِ بْنِ شَدَّادٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ حُمْرَانَ بْنَ أَبَانَ مَوْلَی عُثْمَانَ یَقُولُ : کُنْتُ أَضَعُ لِعُثْمَانَ طَہُورَہُ فَمَا أَتَی عَلَیْہِ یَوْمٌ إِلاَّ وَہُوَ یُفِیضُ مِنْہُ عَلَیْہِ نُطْفَۃً مِنْ مَائٍ ، فَقَالَ عُثْمَانُ : حدَّثَنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عِنْدَ انْصِرَافِنَا مِنْ صَلاَتِنَا ہَذِہِ ، فَقَالَ مِسْعَرٌ : أُرَاہُ قَالَ : الْعَصْرَ ، فَقَالَ : مَا أَدْرِی أُحَدِّثُکُمْ ، أَوْ أَسْکُتُ ، قَالَ : قُلْنَا یَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إِنْ کَانَ خَیْرًا فَحَدِّثْنَا ، وَإِنْ کَانَ غَیْرَ ذَلِکَ فَاللَّہُ وَرَسُولُہُ أَعْلَمُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ رَجُلٍ یَتَوَضَّأُ فَیُحْسِنُ الْوُضُوئَ ، ثُمَّ یُصَلِّی إِلاَّ غُفِرَ لَہُ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ الصَّلاَۃ الأُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৩০) হজরত হামরান বিন আবন মাওলি উসমান বলেন , আমি হজরত উসমানের জন্য গোসলের পানি রাখতাম । সামান্য পানি ব্যবহার করলেও তারা প্রতিদিন এটি দিয়ে গোসল করত । একদিন তিনি বলেন , একবার রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এই নামাযের ( আছরের ) পর আমাদেরকে বললেন , আমি জানি না যে , তোমাদেরকে কিছু বলব নাকি চুপ করে থাকব ?আমরা জমা দিলাম হে আল্লাহর রাসূল ! যদি ভালো হয় তাহলে জানাবেন ভালো না হলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন । অতঃপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যখনই কোনো ব্যক্তি ভালোভাবে ওযু করে তারপর সালাত আদায় করে, তখন তার পূর্বের সালাত পর্যন্ত সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِیُّ، عَنْ عَبْدِالْوَاحِدِ بْنِ قَیْسٍ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ قَالَ: تَکْفِیرُ کُلَّ لِحَائٍ رَکْعَتَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7731) হযরত আবু হারি রহঃ বলেন , দুই রাকাত প্রত্যেক বিবাদের কাফফারা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ کَمَثَلِ نَہْرٍ جَارٍ غَمْرٍ عَلَی بَابِ أَحَدِکُمْ یَغْتَسِلُ مِنْہُ کُلَّ یَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ، قَالَ : فَقَالَ الْحَسَنُ : فَمَا یُبْقِی ذَلِکَ مِنَ الدَّرَنِ ؟۔ (مسلم ۲۸۴۔ بیہقی ۶۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৩২ ) হজরত জাবির ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের একটি উদাহরণ হলো , যেটির মধ্যে কারো দরজায় নামাজ পড়া উচিত প্রবাহিত হয় এবং তাকে প্রতিদিন স্নান করা উচিত । এই সীমা বলার পর হজরত হাসান বললেন , তার শরীরে কি কোনো বাসনা অবশিষ্ট থাকবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّمَا مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ کَمَثَلِ نَہْرٍ جَارٍ عَلَی بَابِ أَحَدِکُمْ یَغْتَسِلُ مِنْہُ کُلَّ یَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ ، فَمَا یُبْقِی مِنْ دَرَنِہِ؟۔ (احمد ۲/۴۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7733 ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের উদাহরণ হলো : একটি গভীর নদী থাকুক এবং সে তাতে গোসল করবে । দৈনিক তার শরীরে কি কোনো অবশিষ্টাংশ অবশিষ্ট থাকবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، وَشُعْبَۃُ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی بُرْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ یَقُولُ: مَا صَلَّیْتُ صَلاَۃً إِلاَّ وَأَنَا أَرْجُو أَنْ تَکُونَ کَفَّارَۃً لِمَا أَمَامَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7734) হজরত আবু বুরদা ( রা .) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , আমি যখনই নামায পড়ি , তখনই আমি বুঝতে পারি যে, পূর্ববর্তী সালাত পর্যন্ত সকল আমল বাতিল হয়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : یَحْتَرِقُونَ فَإِذَا صَلَّوُا الظُّہْرَ غَسَلَتْ ، ثُمَّ یَحْتَرِقُونَ فَإِذَا صَلَّوُا الْعَصْرَ غَسَلَتْ ، ثُمَّ یَحْتَرِقُونَ فَإِذَا صَلَّوُا الْمَغْرِبَ غَسَلَتْ حَتَّی ذَکَرَ الصَّلَوَاتِ کُلَّہُنَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7735) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , মানুষ গুনাহ করে তারপর যোহরের নামায পড়লে তার গুনাহ ধুয়ে যায় । অতঃপর গুনাহ করার সময় আছরের নামায পড়লে তাদের গুনাহগুলো ধুয়ে যায় । অতঃপর , গুনাহ করার সময়, এবং তারপর মাগরিবের নামায পড়লে তাদের গুনাহগুলো ধুয়ে যায় । এই তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কথা উল্লেখ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ لَقِیطِ بْنِ قَبِیصَۃَ الْجَعْفَرِیِّ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللہِ قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ فَذَکَرَ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7736) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا الأَعْمَش ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ کَمَثَلِ نَہْرٍ جَارٍ عَلَی بَابِ أَحَدِکُمْ یَغْتَسِلُ مِنْہُ کُلَّ یَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ، فَمَاذَا یُبْقِینَ مِنَ الدَّرَنِ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7737) হজরত উবায়দ ইবনে উমায়র ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের উদাহরণ হল দরজার কাছে একটি গভীর নদী প্রবাহিত হবে এবং সে তাতে গোসল করবে । দৈনিক তার শরীরে কি কোনো অবশিষ্টাংশ অবশিষ্ট থাকবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا ہَانِیئُ بْنُ عُثْمَانَ یُحَدِّثُ عَنْ أُمِّہِ حُمَیْضَۃَ ابْنَۃِ یَاسِرٍ، عَنْ جَدَّتِہَا یُسَیرَۃَ، وَکَانَتْ إحْدَی الْمُہَاجِرَاتِ ، قَالَتْ : قَالَ لَہَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : عَلَیْکُنَّ بَِالتَّہْلِیلِ والتَّسْبِیحِ وَالتَّکْبِیرِ وَاعْقِدْنَ بِالأَنَامِلِ ، فَإِنَّہُنَّ یَأْتِینَ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ مَسْئُولاَتٍ مُسْتَنْطَقَاتٍ ، وَلاَ تَغْفُلْنَ فَتَنْسَیْنَ الرَّحْمَۃَ۔ (ترمذی ۳۵۸۳۔ احمد ۶/۳۷۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৩৮) হজরত ঈসা (আ. ) যিনি একজন হিজরতকারী সাহাবী , তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন , তোমরা ‘ ইলা আল্লাহ ’ বল । সুবহানাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বহুবার , এবং সেগুলো হাতের মুঠোয় গুনুন , কেননা তাদের এ জাতি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে এবং তারা তা বলবে । অসতর্ক হবেন না, নইলে রহমত থেকে বঞ্চিত হবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۳۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی تَمِیمَۃَ ، عَنِ امْرَأَۃٍ مِنْ بَنِی کُلَیْبٍ ، قَالَتْ : رَأَتْنِی عَائِشَۃُ أُسَبِّحُ بِتَسَابِیحَ مَعِی ، فَقَالَتْ : أَیْنَ الشَّوَاہِدُ ؟ تَعْنِی الأَصَابِعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৩৯ ) বনু কালবের এক মহিলা বলেন , একবার হজরত আয়েশা (রা. ) আমাকে দেখলেন যে , আমি তাঁর কাছে থাকা তাসবিহগুলো থেকে তাসবিহাত গণনা করছি । তিনি আমাকে বললেন , কেয়ামতের সাক্ষীদের আঙুলগুলো কোথায় ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ الدَّیْلَمِ ، عَنْ مَوْلاَۃٍ لِسَعْدٍ : أَنَّ سَعْدًا کَانَ یُسَبِّحُ بِالْحَصَی وَالنَّوَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৪০ ) হজরত সাদ (রা. ) নুড়ি ও দানা দিয়ে তসবিহাত গণনা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ الدَّیْلَمِ ، عَنْ مَوْلاَۃٍ لِسَعْدٍ : أَنَّ سَعْدًا کَانَ یُسَبِّحُ بِالْحَصَی وَالنَّوَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৪১ ) হজরত সাদ নুড়ি ও শিলা দিয়ে তসবিহাত গণনা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ الأَخْنَسِ ، قَالَ : حدَّثَنِی مَوْلًی لأَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ : أَنَّہُ کَانَ یَأْخُذُ ثَلاَثَ حَصَیَاتٍ فَیَضَعُہُنَّ عَلَی فَخِذِہِ فَیُسَبِّحُ وَیَضَعُ وَاحِدَۃً ، ثُمَّ یُسَبِّحُ وَیَضَعُ أُخْرَی ، ثُمَّ یُسَبِّحُ وَیَضَعُ أُخْرَی ، ثُمَّ یُرْفَعَنْ وَیَصنَعُ مِثْلَ ذَلِکَ ، وَقَالَ : لاَ تُسَبِّحُوا بِالتَّسْبِیحِ صَفِیرًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৪২ ) হজরত আবু সাঈদ তিনটি নুড়ি নিয়ে কপালে রাখতেন । অতঃপর তিনি একবার তাসবিহ বলবেন এবং একটি নুড়ি তুলবেন , তারপর তাসবিহ বলবেন এবং একটি নুড়ি তুলবেন , তারপর তাসবিহ বলবেন এবং তৃতীয় নুড়ি তুলবেন । তারপর সবাই নুড়ি পিছনে রেখে একই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করবে । আর বলতেন এমনভাবে তসবিহ বলো না যেন সিটিসির আওয়াজ আসতে থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجُرَیرِیِّ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ رَجُلٍ مِنَ الطَّفَاوَۃ ، قَالَ : نَزَلْتُ عَلَی أَبِی ہُرَیْرَۃَ وَمَعَہُ کِیسٌ فِیہِ حَصًی ، أَوْ نَوًی فَیَقُولُ سُبْحَانَ اللہِ سُبْحَانَ اللہِ حَتَّی إذَا نَفِدَ مَا فِی الْکِیسِ أَلْقَاہُ إلَی جَارِیَۃٍ سَوْدَائَ فَجَمَعَتْہُ ، ثُمَّ دَفَعَتْہُ إلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7743 ) তাফাওয়া থেকে এক ব্যক্তি বলেন যে, আমি হযরত আবু হীরা ( রাঃ) এর সাথে সফরে ছিলাম , তার কাছে একটি থলি ছিল যার মধ্যে পাথর ছিল । কার্নেল ছিল . তিনি তাদের উপর সুবহানাল্লাহ, সুবহানাল্লাহ পাঠ করতেন। যখন সেই ব্যাগটি খালি হয় , তারা এটি একটি কালো মহিলাকে দেয় এবং তারপর সে এটি সংগ্রহ করে এবং এটিতে রাখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۴) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِالرَّحْمَنِ، عَنْ حَسَنِ عن مُوسَی الْقَارِیِٔ، عَنْ طَلْحَۃَ بْنِ عَبْدِ اللہِ، عَنْ زَاذَانَ، قَالَ: أَخَذْتُ مِنْ أُمِّ یَعْفُورَ تَسَابِیحَ لَہَا ، فَلَمَّا أَتَیْتُ عَلِیًّا عَلَّمَنِی، قَالَ: یَا أَبَا عُمَرَ اُرْدُدْ عَلَی أُمِّ یَعْفُورَ تَسَابِیحَہا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৪৪ ) হজরত জাজান বলেন , আমি উমি আফুরের কাছ থেকে তার মহিমা ঘোষণার দানাগুলো নিয়েছিলাম এবং হযরত আলীর কাছে এলে তিনি বললেন : অথবা তাদের দারুগুলো তাদের ফিরিয়ে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : رَأَیْتُُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَعْقِدُہُ بِیَدِہِ ، یَعْنِی التَّسْبِیحَ۔ (ترمذی ۳۴۱۱۔ ابوداؤد ۱۴۲۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৪৫) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে নিজ হাতে তসবিহাত গণনা করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۶) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یُسَبِّحَ الرَّجُلُ وَیَعْقِدَ تَسْبِیحَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7746) হজরত মুহাম্মদ মনে করেননি যে একজন ব্যক্তি তসবিহ পাঠ করে এবং তাসবিহ গণনা করে এতে কোন সমস্যা ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۷) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ مُخْتَارِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ: رَأَیْتُُ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِیٍّ یُسَبِّحُ فِی النَّافِلَۃِ وَیَعْقِدُ بِیَدِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৪৭ ) হজরত মুখতার ইবনে সাদ বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ ইবনে আলীকে নফল নামাযে হাতে তাসবিহাত গণনা করিয়েছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۸) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ مُؤَذِّنِ بَنِی حَنِیفَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ مَاہَانَ الْحَنَفِیَّ وَأَمَرَ بِہِ الْحَجَّاجُ أَنْ یُصْلَبَ عَلَی بَابِہِ فَنَظَرْتُ إلَیْہِ وَإِنَّہُ عَلَی الْخَشَبَۃِ وَإِنَّہُ یُسَبِّحُ وَیُکَبِّرُ وَیُہَلِّلُ وَیَحْمَدُ اللَّہَ حَتَّی بَلَغَ تسْعَۃً وَعِشْرِینَ یَعْقِدُ بِیَدِہِ ، فَطُعِنَ وَہُوَ عَلَی تِلْکَ الْحَالِ ، فَلَقَدْ رَأَیْتُہُ بَعْدَ شَہْرٍ مَعْقُودًا تِسْعًا وَعِشْرِینَ بِیَدِہِ وَکَانَ یُرَی عِنْدَہُ ضَوْئٌ بِاللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7748 ) বনু হানিফার মুয়াজ্জিন হজরত ইব্রাহিম বলেন , যখন হাজীরা মাহান হানাফীকে খালাস করার নির্দেশ দেন এবং তাকে একটি গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় , তখন তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন । তারা সুবহানাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করছিল। সে এই কথাগুলো আঙুলে গুনে গুনে ঊনিশের কোঠায় পৌছলে একই অবস্থায় তাকে হত্যা করা হয় । আমি তাদের এক মাস পরে দেখলাম , এবং তারপরও তাদের হাত দেখাচ্ছে কিভাবে নব্বই গুনতে হয় রাতে , তাদের কাছে একটি আলো দেখা দেয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۴۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یَکْرَہُ الْعَدَدَ وَیَقُولُ : أَیُمَنُّ عَلَی اللہِ حَسَنَاتِہِ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৪৯) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা.) তাসবিহাত গণনা করাকে মাকরুহ মনে করতেন এবং বলতেন যে, তিনি আল্লাহর প্রতি সদয় হতে চান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۵۰) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ السَّمَّانُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ عُقْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ الرَّجُلِ یَذْکُرُ اللَّہَ وَیَعْقِدُ ؟ فَقَالَ : یُحَاسِبُونَ اللَّہَ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7750 ) হজরত উকবা বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা.) -কে সেই ব্যক্তির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম যে যিকির করে এবং তার যিকির গণনা করে । তিনি বলেছেন যে তিনি করেছেন এরা কি আল্লাহর কাছে হিসাব চায় ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۵۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ وِقَائٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : رَأَی عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَجُلاً یُسَبِّحُ بِتَسَابِیحَ مَعَہُ ، فَقَالَ عُمَرُ : إنَّمَا یُجْزِئہ مِنْ ذَلِکَ أَنْ یَقُولَ : سُبْحَانَ اللہِ مِلْئَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَمِلْئَ مَا شَائَ مِنْ شَیْئٍ بَعْدُ ، وَیَقُولَ : الْحَمْدُ لِلَّہِ مِلْئَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَمِلْئَ مَا شَائَ مِنْ شَیْئٍ بَعْدُ ، وَیَقُولَ : اللَّہُ أَکْبَرُ مِلْئَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَمِلْئَ مَا شَائَ مِنْ شَیْئٍ بَعْدُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7751 ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , হজরত ওমর ( রা . ) এক ব্যক্তিকে দেখেছিলেন যে তাসবিহ গণনার উদ্দেশ্যে তাসবিহ পাঠ করছিল । তিনি বললেন যে তার জন্য এই ( অনুবাদ) বলাই যথেষ্ট যে আল্লাহ পবিত্র , পৃথিবী ও আকাশ পূর্ণ করে এবং তাদের মধ্যে যা আছে তা পূর্ণ করে । তুমি আল্লাহর জন্য , আসমান ও যমীন এবং তাদের মধ্যবর্তী যা কিছু আছে তাকে পরিপূর্ণ করে তুলছ আল্লাহ পবিত্র , আসমান ও যমীন এবং তাদের মধ্যবর্তী সবকিছুকে পরিপূর্ণ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۵۲) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ الْمُہَاجِرِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ : أَنَّہُ کَانَ یَنْہَی ابْنَتَہُ أَنْ تُعِینَ النِّسَائَ عَلَی فَتْلِ خُیُوطِ التَّسْبِیحِ الَّتِی یُسَبَّحُ بِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৫২ ) হজরত মাহাজির বলেন , হজরত ইবরাহীম ( আ . ) তার নবীকে তাসবিহের সুতো তৈরিতে নারীদের সাহায্য করতে নিষেধ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللہِ بْنُ یُونُسَ ، قَالَ : حدَّثَنَا بَقِیُّ بْنُ مَخْلَدٍ رحمہ اللہ قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ قَالَ : (۷۷۵۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ الْقَطَّانُ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ یُوسُفَ ، أَنَّ السَّائِبَ أَخْبَرَہُ : أَنَّ عُمَرَ جَمَعَ النَّاسَ عَلَی أُبَیٍّ وَتَمِیمٍ فَکَانَا یُصَلِّیَانِ إحْدَی عَشْرَۃَ رَکْعَۃً ، یَقْرَآنِ بِالْمِئِینَ ، یَعْنِی فِی رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৭৫৩) হজরত সায়েব বলেন, হজরত উমর (রা.) রমজানে হজরত আবি ও হজরত তামিম (রা . ) - এর কাছে সমবেত হতেন এবং উভয়েই প্রধান সূরায় দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۵۴) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : دَعَا عُمَرُ الْقُرَّائَ فِی رَمَضَانَ فَأَمَرَ أَسْرَعَہُمْ قِرَائَۃً أَنْ یَقْرَأَ ثَلاَثِینَ آیَۃً وَالْوَسَطَ خَمْسۃ وَعِشْرِینَ آیَۃً وَالْبَطِیئَ عِشْرِینَ آیَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৫৪ ) হজরত আবু উসমান বলেন , হজরত উমর ( রা . ) রমজানে তেলাওয়াতকারীদেরকে একত্র করলেন এবং তাদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত তিলাওয়াতকারীকে তিন আয়াত পড়তে বললেন , তিনি দ্রুত তেলাওয়াতকারীকে পাঁচটি আয়াত এবং ধীর তিলাওয়াতকারীকে বিশটি আয়াত পড়তে বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۷۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ الأَقْمَرِ : أَنَّ مَسْرُوقًا قَرَأَ فِی رَکْعَۃٍ مِنَ الْقِیَامِ بِالْعَنْکَبُوتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৭৫৫ ) হজরত আলী ইবনে আকমার বলেন , হজরত মাসরূক তারাবীহের এক রাকাতে সূরা আল - আনকাবুত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৭৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস