
(۷۶۶۶) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَرِہَ الصَّلاَۃ بَیْنَ الْقُبُورِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৬৬) হজরত হাসান বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কবরের মধ্যে এই নামায পড়াকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۶۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الرَّجُلِ تُدْرِکُہُ الصَّلاَۃ فِی الْمَقَابِرِ ، قَالَ : یُصَلِّی ، وَقَالَ ابْنُ سِیرِینَ : یَرْجِع۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৬৭) হজরত হাসান বলেন , যদি কোনো ব্যক্তির কবরস্থানে নামায পড়ার সময় হয় তবে সে যেন নামায পড়ে এবং হজরত ইবনে সীরীন বলেন , তাকে ফিরে যেতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۶۸) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الصَّلاَۃ فِی الْمَقَابِرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৬৮) হযরত মাখুল কবরস্থানে নামাজ পড়াকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۶۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یُصَلَّی عَلَی الْجِنَازَۃِ فِی الْمَقْبَرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৬৯ ) হজরত আনাস ( রা . ) কবরস্থানে জানাজা পড়াকে জঘন্য মনে করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۰) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ شَیْبَانَ ، قَالَ : رَأَیْتُُ مُوسَی بْنَ أَنَسٍ یُصَلِّی الْعَصْرَ فِی قَبْرِ أَخِیہِ النَّضِرِ بْنِ أَنَسٍ وَقَدْ ضُرِحَ لَہُ وَسَطَ الْقَبْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৭০ ) হজরত আসওয়াদ ইবনে শিবান বলেন , আমি হজরত মুসা ইবনে আনাস ( রা . ) - কে দেখেছি যে , তিনি তার ভাই নাজর ইবনে আনাসের কবরে আসরের সালাত আদায় করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : لاَ تُصَلِّ تُجَاہَ حُشٍّ ، وَلاَ حَمَّامٍ ، وَلاَ مَقْبَرَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৭১) হযরত আলী বলেন , বায়তুল খালা , হাম্মাম ও কবরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ ہِلاَلِ بْنِ یَِسَافٍ ، عَنِ أبی الْمُثَنَّی الْحِمْصِیِّ ، عَنِ أَبِی أُبَی ابن امرَأَۃ عُبَادَۃَ بْنِ الصَّامِتِ ،عَنْ عُبَادَۃَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَنَّہَا سَتَکُونُ عَلَیْکُمْ أُمَرَائُ فَتَشْغَلُہُمْ أَشْیَائٌ عَنِ الصَّلاَۃ حَتَّی یُؤَخِّرُوہَا عَنْ وَقْتِہَا فَصَلُّوہَا لِوَقْتِہَا ، فَقَالَ رَجُلٌ : یَا رَسُولَ اللہِ إِنْ أَدْرَکْتُہَا مَعَہُمْ أُصَلِّی مَعَہُمْ ؟ قَالَ : نَعَمْ إِنْ شِئْتَ۔ (ابوداؤد ۴۳۴۔ احمد ۵/۳۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৭২) হজরত উবাদা ইবনে সামিত ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আনকারীব তোমাদের মধ্যে এমন রাজপুত্র হবেন যারা তাদের ব্যস্ততার কারণ হবে তারা তাদের সময় থেকে নামায বিলম্বিত করবে , তাদের ওয়াক্তে নামাজ আদায় করতে হবে । লোকটি বলল , ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমি যদি তাদের সময় পাই , তাহলে কি তাদের সাথে সালাত আদায় করব ? তুমি বললে হ্যাঁ , তুমি চাইলে পড়ো।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ وَعَلْقَمَۃَ ، قَالاَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إِنَّہُ سَیَکُونُ عَلَیْکُمْ أُمَرَائُ یُؤَخِّرُونَ الصَّلاَۃ عَنْ وَقْتِہَا وَیَخْنُقُونَہَا إلَی شَرَقِ الْمَوْتَی فَإِذَا رَأَیْتُمُوہُمْ قَدْ فَعَلُوا ذَلِکَ فَصَلُّوا فِی بُیُوتِکُمْ ، ثُمَّ اجْعَلُوا صَلاَتَکُمْ سُبْحَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৭৩) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , শীঘ্রই তোমাদের মধ্যে এমন গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আসবে যারা তাদের সময় থেকে নামায বিলম্বিত করবে এবং তারা মৃত মানুষের মতো ঝাড় - ফুঁক করবে । আপনি যখন তাদের এরূপ করতে দেখবেন , তখন আপনার ঘরে নামাজ পড়ুন এবং তাদের সাথে নাফিলকির নিয়তে নামাজ পড়ুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ حَدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، عَنْ أَبِی عِمْرَانَ الْجَوْنِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الصَّامِتِ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلُّوا الصَّلاَۃ لِوَقْتِہَا۔ (احمد ۵/۱۵۷۔ طیالسی ۴۴۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৭৪) হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , তোমরা তার ওয়াক্তে সালাত আদায় কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : رَأَیْتُ إبْرَاہِیمَ وَخَیْثَمَۃَ یُصَلِّیَانِ الظُّہْرَ وَالْعَصْرَ فِی بُیُوتِہِمَا ثُمَّ یَأْتِیَانِ الْحَجَّاجَ فَیُصَلِّیَانِ مَعَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৭৫) হজরত আমিশ বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিম ও হজরত খায়সামাকে দেখেছি যে , তারা যোহর ও আসরের নামায নিজ নিজ বাড়িতে আদায় করতেন এবং তারপর হাজীদের নিয়ে আসতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُسْلِمٍ قَالَ : کُنْتُ أَجْلِسُ مَعَ مَسْرُوقٍ ، وَأَبِی عُبَیْدَۃَ فِی الْمَسْجِدِ فِی زَمَنِ زِیَادٍ فَإِذَا دَخَلَ وَقْتُ الظُّہْرِ قَامَا فَصَلَّیَا ، ثُمَّ یَجْلِسَانِ حَتَّی إذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ وَخَرَجَ الإِمَام قَامَا فَصَلَّیَا وَیَفْعَلاَنِہِ فِی الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৭৬ ) হজরত মুসলিম বলেন , তিনি মীনজায়েদের সময় হজরত মাসরুক ও হজরত আবু উবাইদাহ ( রা . ) - এর সঙ্গে বসেছিলেন । যখন যোহরের সময় হল, তারা উভয়ে যোহরের সালাত আদায় করল , তারপর বসল , এবং যখন মুয়াজ্জিন আযান দিল , তখন তারাও ইমামের সাথে সালাত আদায় করল এবং তারা উভয়েই আসরের সালাত আদায় করল তারাও তাই করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی ہَاشِمٍ ، أَنَّ الْحَجَّاجَ أَخَّرَ الصَّلاَۃ فَأَوْمَأَ أَبُو وَائِلٍ وَہُوَ جَالِسٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৭৭ ) হজরত আবু হাশিম বলেন , হাজীরা একবার নামায পড়তে দেরি করলে হযরত আবু ওয়াইল উঠে দাঁড়ালেন এবং ইশারায় সালাত আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُثْمَانَ ، عَنْ عَلِیٍّ الأَزْدِیِّ ، قَالَ : أَخَّرَ الْحَجَّاجُ الصَّلاَۃ بِعَرَفَۃَ فَصَلَّی ابْنُ عُمَرَ فِی رَحْلِہِ وَثَمَّ نَاسٌ وُقُفٌ ، قَالَ : فَأَمَرَ بِہِ الْحَجَّاجَ فَنُخِسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৭৮ ) হযরত আলী আজদী বলেন , আরাফা উপলক্ষে হাজীরা তাদের নামায পড়তে বিলম্ব করলে হজরত ইবনে উমর ( রা . ) তার ঘোড়ায় চড়ে সালাত আদায় করলেন এবং লোকেরা দাঁড়িয়ে রইল । হাজ্জাজ তাদের শাস্তির নির্দেশ দেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، قَالَ : کَانَ أَبُو عُبَیْدَۃَ یَنْتَظِرُ الْمَغْرِبَ فَإِذَا أَبْطؤوا بِہَا حَلَّ حَبْوَتَہُ وَخَرَجَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৭৯) হজরত আবদুল মুলক ইবনে উমায়ের বলেন , হজরত আবু উবাইদা ( রা . ) সন্ধ্যার জন্য অপেক্ষা করতেন , যখন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা নামায পড়তে দেরি করতেন , তখন তিনি তার চাদর খুলে বের হয়ে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ شَقِیقٍ ، قَالَ : کَانَ الْحَجَّاجُ یُؤَخِّرُ الصَّلاَۃ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَکَانَ أَبُو وَائِلٍ یَأْمُرُنَا أَنْ نُصَلِّیَ فِی بُیُوتِنَا ، ثُمَّ نَأْتِیَ الْمَسْجِدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৮০ ) হজরত আমির বিন শাকীক বলেন , হাজ্জাজ জুমার নামাজ বিলম্বিত করতেন । এতে আবু ওয়াইল আমাদের ঘরে নামাজ পড়তে এবং মসজিদে আসার নির্দেশ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۱) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی عِمْرَانَ الْجَوْنِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الصَّامِتِ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، قَالَ: إنَّ خَلِیلِی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَوْصَانِی أَنْ أُصَلِّیَ الصَّلاَۃ لِوَقْتِہَا ، فَإِنْ أَدْرَکْتَ الْقَوْمَ قَدْ صَلَّوْا کُنْتَ قَدْ أَحْرَزْتَ صَلاَتَکَ وَالأَ کَانَتْ نَافِلَۃً۔ (مسلم ۴۴۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৮১ ) হজরত আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তাদের ওয়াক্তে নামায পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন । অতঃপর তুমি নামায আদায় করার পর যখন দেখবে যে , লোকেরা সালাত আদায় করেছে , তখন তোমার নামায হিফাযত হয়েছে , আর যদি তারা নামায না পড়ে থাকে , তাহলে তাদের সাথে শরীক হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی إسْمَاعِیلَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَطَائً وَسَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ وَأَخَّرَ الْوَلِیدُ الصَّلاَۃ فَأَوْمَآ فِی وَقْتِ الصَّلاَۃ ، ثُمَّ قَعَدَا حَتَّی صَلَّیَا مَعَہُ تِلْکَ الصَّلاَۃ رَأَیْتُہُمَا فَعَلاَ ذَلِکَ مِرَارًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৮২ ) হজরত মুহাম্মদ বিন আবি ইসমাইল বলেন , ওয়ালিদ নামাজে দেরি করলে হযরত আতা ও হযরত সাঈদ বিন জাবির নামাজের সময় ইশারা করেন , তারা উভয়েই ওয়ালিদের সঙ্গে বসে থাকেন । আমি এটা অনেকবার করেছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّ نَبِیَّ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَکْرَہُ الصَّلاَۃ فِی مَشَاعِرِہِنَّ۔ (ابوداؤد ۳۷۱۔ ترمذی ۶۰۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৮৩) হজরত আয়েশা (রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের পোশাক পরে নামায পড়া অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۴) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : لاَ تُصَلُّوا فِی شُعُرِ النِّسَائِ۔ قَالَ أَبُو بَکْر : یَعْنِی ثِیَابَہُنَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৮৪) হজরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেন, নারীদের পোশাক পড়ে নামাজ পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنِ الأَشْعَثِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یُصَلِّیَ الرَّجُلُ فِی مَلاَحِفِ النِّسَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৮৫) হজরত হাসান বলেন, পুরুষদের জন্য মহিলাদের পোশাক পরে নামায পড়া জায়েয ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانَ ، عَنْ حَنْظَلَۃَ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یُصَلِّیَ الرَّجُلُ فِی ثَوْبِ الْمَرْأَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৮৬) হজরত তাউস বলেন , পুরুষদের জন্য মহিলাদের পোশাক পরে নামায পড়া জায়েয ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ یَرِیمَ أَبِی ہِلاَلٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ العَبَّاسٍ یَقُولُ: لاَ یَقُولُ انْصَرَفْنَا مِنَ الصَّلاَۃ فَإِنَّ قَوْمًا انْصَرَفُوا فَصَرَفَ اللَّہُ قُلُوبَہُمْ وَلَکِنْ قُولُوا : قَدْ قُضِیَتِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৮৭) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , এটা বলা উচিত নয় যে , আমরা নামাজ থেকে বিচরণ করেছি , কারণ যারা নামাজ থেকে বিচরণ করে , মহান আল্লাহ তাদের অন্তর ফিরিয়ে দেন । তোমাদের সবাই বলা উচিত যে , নামায আদায় করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بِذَلِکَ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৮৮) হজরত ইব্রাহিম (আ . ) এ বাক্যে কোনো সমস্যা আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۸۹) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، حَدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ زَیْدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا الزُّبَیْرُ بْنُ الْخِرِّیتِ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: لاَ یُقَالُ : انْصَرَفْنَا مِنَ الصَّلاَۃ وَلَکِنْ قَدْ قُضِیَتِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৮৯) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , এটা বলা উচিত নয় যে , আমরা নামায ছেড়ে দিয়েছি , বরং বলা উচিত যে , নামায পড়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کَانَتِ امْرَأَۃٌ لِعُمَرَ تَشْہَدُ صَلاَۃَ الصُّبْحِ وَالْعِشَائِ فِی جَمَاعَۃٍ فِی الْمَسْجِدِ فَقِیلَ لَہَا : لِمَ تَخْرُجِینَ وَقَدْ تَعْلَمِینَ أَنَّ عُمَرَ یَکْرَہُ ذَلِکَ وَیَغَارُ ؟ قَالَتْ : فَمَا یَمْنَعُہُ أَنْ یَنْہَانِی ، قَالُوا : یَمْنَعُہُ قَوْلُ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَمْنَعُوا إمَائَ اللہِ مَسَاجِدَ اللہِ۔ (بخاری ۹۰۰۔ احمد ۲/۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৯০) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , হজরত ওমরের স্ত্রী ফজর ও এশার নামাজ জামাতে পড়াতেন । কেউ একজন তাকে বলল , আপনি কেন নামায পড়তে যাচ্ছেন , যদিও আপনি জানেন যে হযরত ওমর এটা অপছন্দ করেন এবং এতে রাগান্বিত হন ? এই মহিলা বললেন , তাহলে ওরা আমাকে নিষেধ করে না কেন ? লোকেরা বলল যে , রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর এ উক্তি তাদেরকে নিষেধ করে , তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , আল্লাহ বন্দীদের মসজিদে আসতে বাধা দেবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۹۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَمْنَعُوا إمَائَ اللہِ مَسَاجِدَ اللہِ وَلْیَخْرُجْنَ إذَا خَرَجْنَ تَفِلاَتٍ۔ (ابوداؤد ۵۶۶۔ احمد ۴۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7691 ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : আল্লাহর বান্দাদেরকে মসজিদে আসতে বাধা দিও না । তবে তারা যখন এসেছেন তখন আতর নিয়ে আসেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۹۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ وعَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ عَمْرَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ قَالَتْ : لَوْ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَدْرَکَ مَا أَحْدَثْنَ النِّسَائُ الیَوْم لَمَنَعَہُنَّ الْمَسَاجِدَ کَمَا مُنِعْنَہُ نِسَائُ بَنِی إسْرَائِیلَ ، قَالَتْ : قُلْتُ : وَمُنِعْنَہُ ؟ قَالَتْ : نَعَمْ۔ (مسلم ۱۴۴۔ مؤطا ۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৯২ ) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যদি আজকে নারীদের জন্ম দেয়া জিনিসগুলো দেখতেন , তাহলে বনু ইসরার নারীদের মতো তাদের মসজিদে যেতে নিষেধ করা হতো । আমাকে বাধা দেওয়া হয়েছিল . কেউ জিজ্ঞাসা করল তাদের থামানো হয়েছে কিনা হযরত আয়েশা (রাঃ) বললেন , হ্যাঁ
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۹۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَمْنَعُوا إمَائَ اللہِ مَسَاجِدَ اللہِ۔ (بخاری ۹۰۰۔ ابوداؤد ۵۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৯৩) হজরত ইবনে ওমর ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ আল্লাহর বান্দাদেরকে মসজিদে আসতে বাধা দিও না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۹۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ شبَاکٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ قَالَ : کَانَتِ امْرَأَۃُ أَبِی مَسْعُودٍ تُصَلِّی الْعِشَائَ الآخِرَۃَ فِی مَسْجِدِ الْجَمَاعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৬৯৪ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আবু মাসউদ ( রা . ) মসজিদে জামাতের সঙ্গে এশার নামাজ পড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۶۹۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا حَنْظَلَۃُ الْجُمَحِیُّ ، عَنْ سَالِمٍ بنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا اسْتَأْذَنَکُمْ نِسَاؤُکُمْ إلَی الْمَسَاجِدِ فَأْذَنُوا لَہُنَّ۔ (بخاری ۸۶۵۔ مسلم ۱۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৬৯৫) হজরত ইবনে ওমর ( রা .) থেকে বর্ণিত যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , তোমাদের মহিলারা যখন তোমাদের কাছে মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায় , তখন তারা অনুমতি দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস