(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৩২৩টি]



7636 OK

(৭৬৩৬)

সহিহ হাদিস

(۷۶۳۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ قُدَامَۃَ ، عَنْ جَسْرَۃَ بِنْتِ دِجَاجَۃَ ، قَالَتْ : صَلَّیْتُ خَلْفَ أَبِی ذَرٍّ وَحْدِی مَا مَعِی امْرَأَۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৩৬ ) হজরত জাসরা বিনতে দাজাজা বলেন , আমি হজরত আবু যার (রা.)- এর পেছনে একাকী নামাজ পড়লাম , আমার সঙ্গে কোনো মহিলা ছিল না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7637 OK

(৭৬৩৭)

সহিহ হাদিস

(۷۶۳۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : الْمَرْأَۃُ صَفٌّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৩৭) হজরত আতা বলেন , একজন নারী সারি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7638 OK

(৭৬৩৮)

সহিহ হাদিস

(۷۶۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ حَدَّثَنَا الْمُغِیرَۃُ بْنُ أَبِی الْحُرِّ الْکِنْدِیِّ ، عَنْ حُجْرِ بْنِ ، عَنْبَسٍ الْحَضْرَمِیِّ ، قَالَ : خَرَجْنَا مَعَ عَلِیٍّ إلَی النَّہْرَوَانِ حَتَّی إذَا کُنَّا بِبَابِلَ حَضَرَتْ صَلاَۃُ الْعَصْرِ قُلْنَا : الصَّلاَۃ فَسَکَتَ ، ثُمَّ قُلْنَا الصَّلاَۃ فَسَکَتَ ، فَلَمَّا خَرَجَ مِنْہَا صَلَّی ، ثُمَّ قَالَ : مَا کُنْتُ أُصَلِّی بِأَرْضٍ خُسِفَ بِہَا ثَلاَثَ مَرَّاتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৩৮) হজরত হাজার ইবনে আনবুস হাজরামী বলেন , আমরা হজরত আলীর সঙ্গে নাহরওয়ানের দিকে বের হলাম , যখন আমরা ব্যাবিলনে পৌঁছলাম , তখন আসরের নামাযের সময় হয়ে গেল । আমরা বললাম নামাজের সময় হয়েছে । সে চুপ করে রইল। তখন আমরা বললাম নামাজের সময় হয়েছে । সে চুপ করে রইল। যখন তারা ব্যাবিলন ত্যাগ করেছিল, তখন তারা প্রার্থনা করেছিল । তারপর তিনি তিনবার বললেন , আমি যেখানে ডুবেছি সেখানে নামাজ পড়তে চাই না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7639 OK

(৭৬৩৯)

সহিহ হাদিস

(۷۶۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَرِیکٍ الْعَامِرِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ أَبِی الْمُحِلِّ ، عَنْ عَلِیٍّ ، أَنَّہُ کَرِہَ الصَّلاَۃ فِی الْخُسُوفِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৩৯ ) হযরত আলী দূষিত স্থানে নামাজ পড়াকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7640 OK

(৭৬৪০)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ شَرِیکٍ، عَنِ ابْنِ أَبِی الْمُحِلِّ، أَنَّ عَلِیًّا مَرَّ بِجَانِبٍ مِنْ بَابِلَ فَلَمْ یُصَلِّ بِہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৪০) হজরত ইবনে আবি মহল বলেন , হযরত আলী ব্যাবিলনের প্রান্ত দিয়ে চলে গেলেন এবং সেখানে সালাত আদায় করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7641 OK

(৭৬৪১)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۱) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ عُمَیْرِ بْنِ ہَانِیئٍ ، قَالَ : شَہِدْتُ ابْنَ عُمَرَ وَالْحَجَّاجُ مُحَاصِرٌ ابْنَ الزُّبَیْرِ ، فَکَانَ مَنْزِلُ ابْنِ عُمَرَ بَیْنَہُمَا ، فَکَانَ رُبَّمَا حَضَرَ الصَّلاَۃ مَعَ ہَؤُلاَئِ وَرُبَّمَا حَضَرَ الصَّلاَۃ مَعَ ہَؤُلاَئِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৪১) হজরত উমাইর ইবনে হানি বলেন , হাজ্জাজ ইবনে ওয়াসিফ যখন হজরত ইবনে যুবায়েরকে অবরোধ করছিলেন । তখন হজরত ইবনে উমরের বাড়ি হাজ্জাজ ও হজরত ইবনে জুবায়েরের মধ্যে ছিল । কখনো হযরত ইবনে জুবায়েরের সাথে আবার কখনো হাজীদের সাথে সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7642 OK

(৭৬৪২)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۲) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ الْحَسَنُ وَالْحُسَیْنُ یُصَلِّیَانِ خَلْفَ مَرْوَانَ، قَالَ : فَقِیلَ لَہُ : أَمَا کَانَ أَبُوک یُصَلِّی إذَا رَجَعَ إلَی الْبَیْتِ ، قَالَ : فَیَقُولُ لاَ وَاللَّہِ مَا کَانُوا یَزِیدُونَ عَلَی صَلاَۃِ الأَئِمَّۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৪২ ) হজরত জাফর তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত হাসান ও হজরত তাহসিন মারওয়ানের পেছনে নামাজ পড়তেন । কেউ একজন তাকে বলল, তোমার বাবা কি বাড়ি ফিরে নামাজ পড়েননি ? সে আল্লাহর শপথ করেনি ! তারা ইমামদের নামাজে কিছু যোগ করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7643 OK

(৭৬৪৩)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۳) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یُصَلُّونَ خَلْفَ الأُمَرَائِ مَا کَانُوا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৪৩) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পূর্বসূরিরা ইমামদের পেছনে নামাজ পড়তেন , তারা যেই হোক না কেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7644 OK

(৭৬৪৪)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی حُرَّۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ یَضُرُّ الْمُؤْمِنَ صَلاَتُہُ خَلْفَ الْمُنَافِقِ ، وَلاَ یَنْفَعُ الْمُنَافِقَ صَلاَۃُ الْمُؤْمِنِ خَلْفَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৪৪ ) হজরত হাসান বলেন , মুনাফিকের পেছনে নামাজ পড়ে মুমিনের কোনো ক্ষতি নেই এবং মুমিনের পেছনে নামাজ পড়ে মুনাফিকের কোনো উপকার নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7645 OK

(৭৬৪৫)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ جُرَیّ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرٍ ، عَنِ الصَّلاَۃ خَلْفَ الأُمَرَائِ ، فَقَالَ : صَلِّ مَعَہُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৪৫ ) হজরত হাবিব ইবনে জারি বলেন , আমি হজরত আবু জাফর (রা.)-কে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের পেছনে নামায পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , তাদের সাথে সালাত পড়ুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7646 OK

(৭৬৪৬)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۶) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ مَیْمُونًا عَنِ الصَّلاَۃ خَلْفَ الأُمَرَائِ ، فَقَالَ : صَلِّ مَعَہُمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৪৬) হজরত জাফর বিন বারকান বলেন , আমি হযরত মায়মুনকে রাজকুমারদের পেছনে নামাজ পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , তাদের সঙ্গে নামাজ পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7647 OK

(৭৬৪৭)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۷) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ مَیْمُونًا ، عَنْ رَجُلٍ فَذَکَرَ ، أَنَّہُ مِنَ الْخَوَارِجِ، فَقَالَ : أَنْتَ لاَ تُصَلِّی لَہُ إنَّمَا تُصَلِّی لِلَّہِ قَدْ کُنَّا نُصَلِّی خَلْفَ الْحَجَّاجِ وَکَانَ حَرُورِیًّا أَزْرَقِیًّا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৪৭ ) হজরত জাফর বিন বারকান বলেন , আমি হজরত মেমনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম , খারিজিদের পেছনে নামায পড়া সম্ভব কি না ? তিনি বললেন , আপনি তার জন্য দোয়া করছেন না , আপনি আল্লাহর জন্য দোয়া করছেন আমরা হাজীদের পিছনে নামাজ পড়তাম । সে ছিল বিধর্মী .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7648 OK

(৭৬৪৮)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ یُصَلِّی مَعَہُمْ إذَا أَخَّرُوا عَنِ الْوَقْتِ قَلِیلاً وَیَرَی أَنَّ مَأْثَمَ ذَلِکَ عَلَیْہِمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৪৮) হজরত ইব্রাহীম বলেন , ইমামগণ নামাযের সময় বিলম্বিত করলে হযরত আবদুল্লাহ ( রাঃ ) তাদের সাথে সালাত আদায় করতেন এবং বলতেন যে তার গুনাহ তাদের উপর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7649 OK

(৭৬৪৯)

সহিহ হাদিস

(۷۶۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانَ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی مَعَ الْحَجَّاجِ عِنْدَ أَبْوَابِ کِنْدَۃَ وَخَرَجَ عَلَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৪৯) হযরত সাঈদ বিন জাবায়ের আবুব-ই - কান্দার কাছে দাঁড়িয়ে হাজীদের পিছনে নামায পড়তেন এবং তারা চলে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7650 OK

(৭৬৫০)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ حَدَّثَنَا بِسَّام ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرٍ ، عَنِ الصَّلاَۃ مَعَ الأُمَرَائِ ، فَقَالَ : صَلِّ مَعَہُمْ فَإِنَّا نُصَلِّی مَعَہُمْ قَدْ کَانَ الْحَسَنُ وَالْحُسَیْنُ یَبْتَدِرَانِ الصَّلاَۃ خَلْفَ مَرْوَانَ ، قَالَ : قُلْتُ : إنَّ النَّاس یَزْعُمُونَ أَنَّ ذَلِکَ تَقِیَّۃٌ ، قَالَ : وَکَیْفَ إِنْ کَانَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِیٍّ لیَسُبُّ مَرْوَانَ فِی وَجْہِہِ وَہُوَ عَلَی الْمِنْبَرِ حَتَّی یُوَلّی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৫০) হজরত বাসম বলেন , আমি হজরত আবু জাফর ( রা .) -কে জিজ্ঞেস করলাম , ইমামদের পেছনে নামায পড়া হবে ? তিনি বললেন , তাদের সঙ্গে নামাজ পড় , কারণ আমরাও তাদের সঙ্গে নামাজ পড়ি । হযরত হাসান ও হযরত হোসাইন মারওয়ানের পিছনে নামাজ পড়াতেন । আমি তাদের বলেছিলাম যে লোকেরা এটাকে তাকীহ বলে মনে করে তিনি বললেন এটা কি হতে পারে ? হযরত হাসান বিন আলী মিম্বরে তার সামনে মারওয়ানকে গালি দিতেন । হ্যাঁ , যতক্ষণ না তিনি গভর্নর হন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7651 OK

(৭৬৫১)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ أَبِی حَفْصَۃَ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَلِیِّ بْنِ حُسَیْنٍ : إنَّ أَبَا حَمْزَۃَ الثُّمَالیَّ ، وَکَانَ فِیہِ غُلُوٌّ ، یَقُولُ : لاَ نُصَلِّی خَلْفَ الأَئِمَّۃِ ، وَلاَ نُنَاکِحُ إِلاَّ مَنْ یَرَی مِثْلَ رَأْینَا ، فَقَالَ عَلِیُّ بْنُ الحُسَیْنِ : بَلْ نُصَلِّی خَلْفَہُمْ وَنُنَاکِحُہُمْ بِالسُّنَّۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৫১) হজরত ইব্রাহিম ইবনে আবি হাফসা বলেন , আমি হজরত আলী ইবনে হুসাইনকে বলেছিলাম যে, আবু হামজা সামালি একজন খারাপ ব্যক্তি এবং তিনি বলেছেন যে আমরা ইমামদের অনুসরণ করি , তিনি নামায পড়বেন না এবং যার মতানুসারে নয় তাকে আমরা বিয়ে করব না আমাদের মতামতের সাথে . হজরত আলী বিন হুসাইন ( রা . ) বলেন , আমরা তার পেছনে নামাজ পড়ব এবং তাকে সুন্নত মোতাবেক বিয়েও করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7652 OK

(৭৬৫২)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : کَانُوا یُصَلُّونَ خَلْفَ الأُمَرَائِ وَیَحْتَسِبُونَ بِہَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৫২) হজরত আমিশ বলেন , পূর্বপুরুষেরা সম্ভ্রান্তদের পিছনে নামাজ পড়তেন এবং এই নামাজকে সঠিক মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7653 OK

(৭৬৫৩)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عُقْبَۃَ الأَسَدِیِّ ، عَنْ یَزِیْدَ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، أَنَّ أَبَا وَائِلٍ کَانَ یُجَمّعُ مَعَ الْمُخْتَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৫৩) হযরত আবু ওয়াইল মুখতারের সাথে জুমার দিন পড়তেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7654 OK

(৭৬৫৪)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُسْلِمٍ أَبِی فَرْوَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَبْدَ الرَّحْمَن بْنَ أَبِی لَیْلَی وَأَشَارَ إلَی مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ وَالْحَجَّاجُ یَخْطُبُ أَنِ اسْکُتْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৫৪) হজরত মুসলিম আবু ফারাহ বলেন , আমি আবদ আল - রহমান ইবনে আবি লায়লাকে দেখেছি যে, তিনি হাজ্জাজের খুতবার সময় মুহাম্মদ ইবনে সাদকে চুপ থাকার ইঙ্গিত করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7655 OK

(৭৬৫৫)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۵) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَیْمِرَۃَ ، أَنَّہُ کَانَ یُصَلِّی خَلْفَ الْحَجَّاجِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৫৫) হযরত কাসিম বিন মুখী মুররাহ হাজীদের পিছনে নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7656 OK

(৭৬৫৬)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ یَحْیَی بْنِ عُمَارَۃَ الْمَازِنِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الأَرْضُ کُلُّہَا مَسْجِدٌ إِلاَّ الْمَقْبَرَۃَ وَالْحَمَّامَ۔ (ترمذی ۳۱۷۔ ابوداؤد ۹۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৫৬ ) হজরত ইয়াহইয়া বিন আমরা মাজনী ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , গোসল ও কবরস্থান ব্যতীত সমগ্র পৃথিবীই নামাজের উপযুক্ত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7657 OK

(৭৬৫৭)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حُمَیْدٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : رَآنِی عُمَرُ وَأَنَا أُصَلِّی إلَی قَبْرٍ فَجَعَلَ یَقُولُ یَا أَنَسُ الْقَبْرَ ، فَجَعَلْتُ أَرْفَعُ رَأْسِی أَنْظُرُ إلَی الْقَمَرِ ، فَقَالُوا : إنَّمَا ہُوَ یَقُولُ الْقَبْرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৫৭ ) হজরত আনাস বলেন , হজরত ওমর (রা.) আমাকে কবরের দিকে নামায পড়তে দেখেছেন । তিনি বলতে লাগলেন, হে আনাস ! একটি কবর আছে। আমি মাথা তুলে কামার (চাঁদের) দিকে তাকাতে লাগলাম এবং লোকেরা বলল যে তারা কবরের কথা বলছে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7658 OK

(৭৬৫৮)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ حَدَّثَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : رَآنِی عُمَرُ وَأَنَا أُصَلِّی ، فَقَالَ : الْقَبْرُ أَمَامَک فَنَہَانِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৫৮) হজরত আনাস বলেন , হজরত উমর ( রা .) আমাকে কবরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তে বললেন এবং বললেন , তোমার সামনে একটি কবর আছে এবং আমাকে কবরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7659 OK

(৭৬৫৯)

সহিহ হাদিস

(۷۶۵۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی ظَبْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : لاَ تُصَلِّ إلَی الْحُشِّ ، وَلاَ إلَی حَمَّام ، وَلاَ إلَی مَقْبَرَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৫৯) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর বলেন , গোসলখানা , গোসল ও কবরের দিকে মুখ করে নামায পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7660 OK

(৭৬৬০)

সহিহ হাদিস

(۷۶۶۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِیِّ ، قَالَ : الأَرْضُ کُلُّہَا مَسَاجِدُ إِلاَّ الْحُشَّ وَالْحَمَّامَ وَالْمَقْبَرَۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৬০) হযরত হাসান আরনী বলেন , পায়খানা, গোসল ও মাযার ব্যতীত সর্বত্র নামায পড়া যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7661 OK

(৭৬৬১)

সহিহ হাদিস

(۷۶۶۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِیہِ وَخَیْثَمَۃَ ، قَالاَ : لاَ یُصَلَّیَ إلَی حَائِطِ حَمَّامٍ ، وَلاَ وَسَطَ مَقْبَرَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৬১ ) হজরত মুসয়েব ও হযরত খায়সামা বলেন , গোসলের দিকে মুখ করে এবং কবরের মাঝখানে নামায পড়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7662 OK

(৭৬৬২)

সহিহ হাদিস

(۷۶۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ حَدَّثَنَا ہَمَّامٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یُبْنَی مَسْجِدٌ بَیْنَ الْقُبُورِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৬২) হজরত আনাস মনে করতেন কবরের মাঝে একটি মসজিদ নির্মাণ করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7663 OK

(৭৬৬৩)

সহিহ হাদিস

(۷۶۶۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، أَخْبَرَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا إذَا خَرَجُوا مَعَ جِنَازَۃٍ فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃ تَنَحَّوْا ، عَنِ الْقُبُورِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৬৩) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , পূর্বপুরুষরা যখন জানাজা নিয়ে যেতেন এবং নামাজের সময় হতো, তখন তারা কবর থেকে দূরে নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7664 OK

(৭৬৬৪)

সহিহ হাদিস

(۷۶۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَکْرَہُونَ ثَلاَثَ أَبْیَاتٍ لِلْقِبْلَۃِ : الْحُشَّ وَالْمَقْبَرَۃَ وَالْحَمَّامَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭৬৬৪) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পূর্বসূরিরা কিবলা হিসেবে তিনটি কক্ষ অপছন্দ করতেন : বায়তুল খালা , কবর ও গোসল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7665 OK

(৭৬৬৫)

সহিহ হাদিস

(۷۶۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ بَکْرِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، أَنَّہُ کَرِہَ الصَّلاَۃ إلَی التَّنور ، وَقَالَ : بَیْتُ نَارٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭৬৬৫) হযরত ইবনে সীরীন বলেন , চুলার দিকে মুখ করে নামায পড়া মাকরূহ । এটা আগুনের ঘর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৬৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস