
(۷۴۸۶) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، عَنْ بُہَیَّۃَ حَاضِنَۃِ بَنِی عَبْدِ اللہِ ، قَالَتْ : سَمِعْتُ الإِقَامَۃَ فَأَسْرَعْت فَمَرَرْتُ بِعَلِیِّ بْنِ حُسَیْنٍ وَأَنَا مُسْرِعَۃٌ فَجَذَبَ ثَوْبِی ، وَقَالَ : امْشی عَلَی رِسْلِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৮৬ ) হযরত বাহিয়া বলেন , আমি ইকামার আওয়াজ শুনে দ্রুত হাঁটতে লাগলেন । আমি যখন হযরত আলী বিন হুসাইনের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম , তখন তিনি আমার কাপড় টেনে ধরে বললেন , আমার স্বাভাবিক আচরণ মেনে নামায পড়তে যাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَعْلَی ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : عُدْنَا مُجَاہِدًا أَنَا وَصَاحِبٌ لِی فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃ، فَقَالَ : انْطَلِقُوا فَصَلُّوا وَامْشُوا عَلَی ہَیْنَتِکُمْ فَمَا أَدْرَکْتُمْ مَعَ الإِمَامِ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَکُمْ فَأَتِمُّوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৮৭ ) হজরত ইয়াহইয়া বিনয়া আলী বলেন , আমি ও আমার এক সঙ্গী যখন জিহাদ থেকে ফিরে এলাম তখন নামাজের সময় হয়ে গেল । তখন হজরত উসমান বিন আসওয়াদ (রাঃ) বললেন, যাও , নামায পড়, তোমার স্বাভাবিক নিয়মে এসো, ইমামের সাথে মিলিত নামায আদায় করো এবং যেটুকু অবশিষ্ট থাকে তার জন্য কাযা আদায় করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۸) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ أَبِی سِنَانٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَیْدِ بْنِ خُلَیْدَۃَ ، قَالَ : کُنْتُ أَمْشِی مَعَ ابْنِ عُمَرَ إلَی الصَّلاَۃ فَلَوْ مَشَتْ مَعَہُ نَمْلَۃٌ لَرَأَیْتُ أَنْ لاَ یَسْبِقَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৮৮ ) হজরত মুহাম্মদ ইবনে যায়েদ ইবনে খালিদাহ বলেন , আমি হজরত ইবনে ওমর (রা.)- এর সঙ্গে সালাত আদায় করতে যাচ্ছিলাম , তিনি এত ধীর গতিতে হাঁটছিলেন যে , তাদের সঙ্গে কিছু গেলে তা তাদের সামনে দিয়ে যাবে কিনা বলতে পারছিলাম না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۹) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُمَیْدٌ الطَّوِیلُ ، عَنْ ثَابِتٍ ، قَالَ : أَخَذَ بِیَدِی أَنَسٌ فَجَعَلَ یَمْشِی رُوَیْدًا إلَی الصَّلاَۃ ، ثُمَّ الْتَفَتَ إلَیَّ ، فَقَالَ : ہَکَذَا کَانَ یَصْنَعُ زَیْدُ بْنُ ثَابِتٍ لِتَکْثُرَ خُطَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৮৯) হযরত প্রমাণ করেন যে, হযরত আনাস (রাঃ) আমার হাত ধরে ধীরে ধীরে নামাজের জন্য যেতে লাগলেন । অতঃপর তিনি বলেন , হযরত যায়েদ বিন সাবিত রা তারা ধাপ সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কাজ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَیْدٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ لِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: نَاوِلِینِی الْخُمْرَۃَ مِنَ الْمَسْجِدِ فَقُلْتُ: إنِّی حَائِضٌ، فَقَالَ إنَّ حَیْضَتَکِ لَیْسَتْ فِی یَدِک۔ (مسلم ۲۴۴۔ ترمذی ۱۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৯০) হজরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , একবার রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে বললেন , আমাকে মসজিদ থেকে সেজদার জন্য একটি রুমাল দাও । আমি জমা দিয়েছি যে আমি গর্ভবতী সে বলল তোমার ঋতুস্রাব তোমার হাতে নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : سُئِلَ ابْنُ عُمَرَ ، عَنِ الْحَائِضِ تُنَاوِلُ الرَّجُل الطَّہُورَ، أَوِ الشَّیْئَ مِنَ الْمَسْجِدِ ، فَقَالَ : إنَّ حَیْضَتَہَا لَیْسَتْ فِی یَدِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7491) হজরত হাসান বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) -কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , একজন মহিলা তার স্বামীকে মসজিদ থেকে ওযু করার জন্য পানি দেবেন কি না ? তুমি কি আমাকে আর কিছু দিতে পারবে ? তিনি বলেছিলেন যে তার ঋতুস্রাব তার হাতে নেই .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۲) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ تَضَعَ الْحَائِضُ فِی الْمَسْجِدِ الشَّیْئَ وَتَأْخُذَہُ مِنْہُ ، وَلاَ تَدْخُلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৯২ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ঋতুমতী নারীদের মসজিদে কোনো কিছু বহন বা না রেখে প্রবেশ করায় কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ تَضَعَ الْحَائِضُ فِی الْمَسْجِدِ مَا شَائَتْ وَتَأْخُذَہُ مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৯৩ ) হজরত জাহরি বলেন , ঋতুমতী মহিলার মসজিদে কোনো কিছু বহন করা বা ধারণ করায় কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : الْحَائِضُ تَأْخُذُ مِنَ الْمَسْجِدِ ، وَلاَ تَضَعُ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৯৪) হযরত কাতাদা বলেন , ঋতুমতী মহিলা মসজিদ থেকে কিছু নিতে পারে , কিন্তু কিছু রাখতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۵) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ جَدَّتِہِ الرَّبَابِ ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ حُنَیْفٍ ، قَالَ : یَا جَارِیَۃُ نَاوِلِینِی الْخُمْرَۃَ ، قَالَتْ : لَسْتُ أُصَلِّی ، قَالَ : إنَّ حَیْضَتَکِ لَیْسَتْ فِی یَدِکِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৯৫) হজরত উসমান বিন হানিফ (রা ) তার ক্রীতদাসকে বললেন , হে মেয়ে ! আমাকে এই প্রণাম করা রুমাল দাও । তিনি বলেন , আমি আজকাল নামাজ পড়ি না । সে বলল তোমার ঋতুস্রাব তোমার হাতে নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۶) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ لِجَارِیَتِہِ : نَاوِلِینِی الْخُمْرَۃَ مِنَ الْمَسْجِدِ ، فَتَقُولُ : إنِّی حَائِضٌ ، فَیَقُولُ : إنَّ حَیْضَتَکِ لَیْسَتْ بِیَدِکِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৯৬) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) তাঁর দাসকে বললেন , আমাকে এই সিজদার রুমালটি দাও । তিনি বলেন , আমি আজকাল নামাজ পড়ি না । সে বলল তোমার ঋতুস্রাব তোমার হাতে নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : تَأْخُذُ الْحَائِضُ مِنَ الْمَسْجِدِ وَتَضَعُ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৯৭ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ঋতুমতী মহিলা মসজিদে যা কিছু রাখতে পারে এবং তুলতেও পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۸) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ : فِی الْحَائِضِ تُنَاوِلُ مِنَ الْمَسْجِدِ الشَّیْئَ ، قَالَ : نَعَمْ إِلاَّ الْمُصْحَفَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৯৮) হযরত আতা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে ঋতুমতী মহিলা মসজিদ থেকে কিছু নিতে পারবে কি না ? তিনি বললেন , হ্যাঁ , কিন্তু মুসাফ স্পর্শ করতে পারেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۹۹) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ تَأْخُذَ الْحَائِضُ الشَّیْئَ مِنَ الْمَسْجِدِ وَتَضَعَہُ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৯৯ ) ঋতুমতী মহিলার মসজিদে কোন কিছু বহন বা বহনে কোন সমস্যা আছে বলে হযরত হাসান মনে করেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : کَانَ أَبُو وَائِلٍ یُرْسِلُ خَادِمہُ وَہِیَ حَائِضٌ إلَی أَبِی رَزِینٍ فَتَأْتِیہِ بِالْمُصْحَفِ مِنْ عِنْدِہِ فَتُمْسِکُ بِعِلاَقَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৫০০) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত আবু ওয়াইল তার দাসীকে হজরত আবু রাজিনের কাছে পাঠাতেন , তিনি তার কাছ থেকে মুসহাফ তুলে নিয়ে লাথি মেরে তার আবরণে ধরে রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: لاَ بَأْسَ أَنْ یَتَنَاوَلَ الرَّجُلُ الْمُصْحَفَ إذَا کَانَ فِی وِعَائِہِ، أَوْ بِعِلاَقَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7501 ) হজরত হাসান বলেন , কোনো ব্যক্তি পবিত্র কোরআন কাঁধে নিয়ে গেলে তাতে কোনো দোষ নেই । কভার দিয়ে ধরে রাখুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ أَبِی خَالِدٍ الدَّالانِیِّ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، یَعْنِی الأَعْرَجَ ، قَالَ : رَأَیْتُُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ قَرَأَ فِی الْمُصْحَفِ ، ثُمَّ نَاوَلَ غُلاَمًا لَہُ مَجُوسِیًّا بِعِلاَقَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৫০২ ) হজরত কাসিম আরজ বলেন , আমি হযরত সাঈদ বিন জুবেরকে মুসহাফ থেকে পড়তে দেখেছি , তখন তিনি তার এক জাদুকর দাসকে এই আবরণে ধরেছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَیْمَنَ بْنِ نَابِلٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَطَائً یَقُولُ : لاَ بَأْسَ أَنْ تَأْخُذَ الْحَائِضُ بِعِلاَقَۃِ الْمُصْحَفِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7503) হজরত আতা বলেন, ঋতুস্রাব তার আবরণে মুসাফ ধরে রাখতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، أَنَّہُ لَمْ یَکُنْ یَرَی بَأْسًا أَنْ یُحَوِّل الرَّجُلُ الْمُصْحَفَ وَہُوَ غَیْرُ طَاہِرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7504 ) হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) ওযু অবস্থায় কুরআন স্পর্শ করায় কোনো সমস্যা আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ غَالِبٍ أَبِی الْہُذَیْلِ ، قَالَ : أَمَرَنِی أَبُو رَزِینٍ أَنْ أَفْتَحَ الْمُصْحَفَ عَلَی غَیْرِ وُضُوئٍ فَسَأَلْت إبْرَاہِیمَ فَکَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৫০৫ ) হযরত গালিব আবি হাযিল বলেন , আবু রাজিন আমাকে ওযু অবস্থায় কুরআন মাজিদ খুলতে নির্দেশ দেন । আমি হজরত ইব্রাহিমকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা অস্বীকার করেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۶) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَمَسُّ الْمُصْحَفَ إِلاَّ وَہُوَ طَاہِرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7506) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) অযু ছাড়া পবিত্র কোরআন স্পর্শ করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7507) হযরত হাসান বিনা অযুতে পবিত্র কুরআন স্পর্শ করাকে কোন ক্ষতি মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَامِرًا عَنْ مَسِّ الْمُصْحَفِ عَلَی غَیْرِ وُضُوئٍ ، فَقَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔ وَکَرِہَہُ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِیٍّ ، وَعَبْدُ الرَّحْمَن بْنُ الأَسْوَدِ وَالْقَاسِمُ وَسَالِمٌ وَطَاوُوس۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৫০৮ ) হজরত জাবির বলেন , আমি হজরত আমীরকে অজু ছাড়া কোরআন মাজিদ স্পর্শ করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , এতে কোনো সমস্যা নেই মুহাম্মদ বিন আলী , আব্দুল রহমান বিন আসওয়াদ, কাসিম, সেলিম ও তাওয়াস একে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۰۹) أَخْبَرَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ: مَا بَیْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7509) হযরত উমর (রাঃ) বলেন, কেবলা পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۱۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : مَا بَیْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَۃٌ مَا اسْتُقْبِلَتِ الْقِبْلَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7510) হজরত উমর (রা.) বলেন , কিবলা পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানে , যদি কেবলার দিকে মুখ করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۱۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مَالِکُ بْنُ مِغْوَلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : مَا بَیْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7511) হজরত ইবনে ওমর বলেন , কিবলা হল পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۱۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : إذَا جَعَلْت الْمَغْرِبَ عَنْ یَمِینِکَ وَالْمَشْرِقَ عَنْ یَسَارِکَ فَمَا بَیْنَہُمَا قِبْلَۃٌ لأَہْلِ الشَّمَالِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7512) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , পশ্চিম যদি তোমার ডানে এবং পূর্ব তোমার বাম দিকে থাকে , তাহলে তাদের মধ্যবর্তী পুরো এলাকাটিই পূর্বের লোকদের জন্য কেবলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۱۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی بن عَامِرٍ الثَّعْلَبِی ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِیِّ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : مَا بَیْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7513) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী পুরো অংশটিই কেবলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : مَا بَیْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7514) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী পুরো অংশটিই কেবলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۵۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیانُ ، عَنْ حَکِیمِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیم۔ وسُفْیان ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ قَالا : مَا بَیْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7515) হজরত ইব্রাহিম ও হজরত সাঈদ বিন জুবের বলেন , পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী পুরো অংশটিই কেবলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৫১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস