
(۷۴۵۶) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرٍّ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَبْدَ الرَّحْمَن بْنَ عَوْفٍ وَأُبَیَّ بْنَ کَعْبٍ إذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ لِلْمَغْرِبِ قَامَا فصَلَّیَا رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৫৬) হজরত জার বলেন , আমি হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আউফ ও হজরত আবি ইবনে কাবকে দেখেছি যে, তারা মাগরিবের আযানের পর দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۵۷) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : سُئِلَ عَنِ الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ ، فَقَالَ : رَأَیْتُہُمْ إذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ ابْتَدَرُوا السَّوَارِیَ فَصَلَّوْا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৫৭ ) হজরত হামেদ বলেন , হজরত আনাসকে মাগরিবের আগে দুই রাকাত নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , আমি আমার সাহাবীদের বলেছি , তিনি মাগরিবের আযানের পর দ্রুত দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۵۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی فَزَارَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَنَسًا ، عَنِ الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ ، فَقَالَ : کُنَّا نَبْتَدِرُہُمَا عَلَی عَہْدِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (بخاری ۶۲۵۔ ابوداؤد ۱۲۷۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৫৮) হজরত আবু ফাজারা বলেন , আমি হজরত আনাস (রা.) - কে মাগরিবের আগের দুই রাকাত নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , আমরা মাগরিবের আযানের পরপরই দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ أَبِی لَیْلَی صَلَّی رَکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৫৯ ) হজরত বলেন , আমি ইবনে আবি লায়লাকে মাগরিবের আগে দুই রাকাত পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : أَدْرَکْت أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلُّونَ عِنْدَ کُلِّ تَأْذِینٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৬০) হজরত ইবনে আবী লায়লা বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাহাবীদের দেখেছি , যারা প্রত্যেক আযানের সময় নামাযের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ کَہَمْسٍ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْمُغَفَّلِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : بَیْنَ کُلِّ اَذَانَیْنِ صَلاَۃٌ بَیْنَ کُلِّ اَذَانَیْنِ صَلاَۃٌ بَیْنَ کُلِّ اَذَانَیْنِ صَلاَۃٌ لِمَنْ شَائَ۔ (بخاری ۶۲۷۔ مسلم ۳۰۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(7461) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগফিল ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , দুই আযানের মাঝখানে একটি সালাত রয়েছে এবং দুটি আযানের মাঝে একটি সালাত রয়েছে । প্রত্যেক দুই আযানের মাঝখানে একটি দোয়া আছে , যে কেউ চায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنِ الْجُرَیْرِیِّ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْمُغَفَّلِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِہِ۔ (بخاری ۶۲۴۔ ابوداؤد ۱۲۷۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৬২ ) এটি এ.কে. থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قَالَ تَمِیمُ بْنُ سَلاَّمٍ ، أَوْ سَلاَّمُ بْنُ تَمِیمٍ لِلْحَسَنِ : مَا تَقُولُ فِی الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ ، فَقَالَ : حَسَنَتَانِ جَمِیلَتَانِ لِمَنْ أَرَادَ اللَّہُ بِہِمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৬৩ ) হজরত তামিম ইবনে সালাম বা ইয়া সালাম ইবনে তামিম বলেন , আমি হযরত হাসানকে জিজ্ঞেস করলাম , তিনি মাগরিবের আগের দুই রাকাত সম্পর্কে কী বলতেন ? তিনি বলেন , এগুলো খুবই উত্তম ও সুন্দর রাকাত যার জন্য আল্লাহ ইচ্ছা করেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : مَا رَأَیْت فَقِیہًا یُصَلِّی قَبْلَ الْمَغْرِبِ إِلاَّ سَعْدَ بْنَ أَبِی وَقَّاصٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৬৪ ) হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যিব বলেন , আমি হযরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস ছাড়া আর কোনো ফকীহকে মাগরিবের আগে দুই রাকাত পড়তে শুনিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ شَیْخًا بِوَاسِطٍ یَقُولُ : سَمِعْت طَاوُوسًا یقول : سَأَلْت ابْنَ عُمَرَ، عَنِ الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ فَلَمْ یَنْہَ عَنْہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৬৫ ) হজরত তাওয়াস বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর ( রা .) - কে মাগরিবের আগের দুই রাকাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি নিষেধ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ خَارِجَۃَ بْنِ مُصْعَبٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن عَطَائِ بْنِ یَسَارٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ: لاَ تَسْتَقْبِلُ الصُّورَۃُ الصُّورَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৬৬) হজরত আতা ইবনে ইয়াসার ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , কোন ব্যক্তি যেন কোন ব্যক্তির দিকে মুখ না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ إبْرَاہِیمُ جَالِسًا مُوَلِّیًا ظَہْرَہُ إلَی الْقِبْلَۃِ وَإِنْسَانٌ قَائِمٌ یُصَلِّی مُسْتَقْبِلَہُ فَأَخَذَ إبْرَاہِیمُ یَتَّقِیہِ بِیَدِہِ مِنْ ہَذَا الْجَانِبِ وَمِنْ ہَذَا الْجَانِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7467) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত ইবরাহীম ( রা . ) কাবার দিকে পিঠ নিয়ে বসে ছিলেন এবং লোকটি কেবলার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছিল । হজরত ইব্রাহিম (আ.) হাত দিয়ে তার সামনে আসা থেকে নিজেকে রক্ষা করছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَنْظَلَۃُ الْجُمَحِیُّ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، أَنَّ رَجُلاً نَذَرَ أَنْ یَسْجُدَ عَلَی جَبْہَۃِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَتَاہُ فَجَلَسَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃِ ، ثُمَّ أَقَامَ الرَّجُلَ خَلْفَہُ ، وَقَالَ ہَکَذَا بِجَبْہَتِہِ فَسَجَدَ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৬৮) হজরত তাউস বলেন , এক ব্যক্তি মানত করেছিল যে , সে মহানবী ( সা . ) - এর সম্মানে সিজদা করবে । অতঃপর তিনি এসেছিলেন এবং নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কেবলার দিকে মুখ করে বসেছিলেন , তিনি তাঁর পিছনে দাঁড়ালেন এবং তাঁর সামনে সিজদা করলেন কি ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۶۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ مَعْدَانَ أَبُو مَعْدَانَ ، قَالَ : سَمِعْتُ طَاوُوسًا یُحَدِّثُ بِہَذَا الْحَدِیثِ وَزَادَ فِیہِ ، فَقَالَ لَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : قَدْ وَفَیْتَ بِنَذْرِکَ۔ (نسائی ۷۶۳۰۔ احمد ۲۱۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7469 ) এটি একটি ঐতিহ্য আরও বলা হয়েছে যে , মহানবী ( সা . ) বলেছেন , তোমার মানত পূর্ণ হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، أَنَّہُ کَانَ یُہَرْوِلُ إلَی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7470) হযরত আসওয়াদ নামাযের দিকে ছুটে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَبْدَ الرَّحْمَن بْنَ یَزِیدَ مُسَارِعًا إلَی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৭১ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আমি হজরত আবদ আল - রহমান বিন ইয়াজিদকে নামাজের দিকে যাওয়ার সময় দ্রুত হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا ابْنُ جُرَیْجٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَہْلِ الْمَدِینَۃِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّہُ کَانَ یُہَرْوِلُ إلَی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৭২) হযরত ইবনে উমর ( রাঃ ) নামাযের দিকে ছুটে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا مَالِکُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّہُ سَمِعَ الإِقَامَۃَ بِالْبَقِیعِ فَأَسْرَعَ الْمَشْیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৭৩ ) হজরত নাফী বলেন , হজরত ইবনে উমর জান্নাতুল বাকিতে ইকামার আওয়াজ শুনে দ্রুত নামায পড়তে গেলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُسْلِمٍ، قَالَ: رَأَیْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ یُہَرْوِلُ إلَی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৭৪ ) হজরত ইমরান বিন মুসলিম বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন জুবেরকে নামাজের দিকে দ্রুত হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۵) حَدَّثَنَا عَبِیْدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُسْلِمٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ یُہَرْوِلُ إلَی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৭৫ ) হজরত ইমরান বিন মুসলিম বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন জাবারককে নামাজের দিকে দ্রুত হাঁটতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَیْسٍ الْمُلاَئِیِّ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ عُمَیْرٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : أَحَقُّ مَا سَعَیْنَا إلَیْہِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৭৬) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , নামাযের সবচেয়ে বড় হক হলো তা আঁকড়ে ধরা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَیْدِاللہِ، قَالَ: رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ یُہَرْوِلُ إلَی الْمَسْجِدِ فِی کُسُوفٍ وَمَعَہُ نَعْلاَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৭৭ ) হজরত আসিম ইবনে উবাইদ বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর ( রা . )- কে চন্দ্রগ্রহণের নামাযের জন্য দ্রুত হাঁটতে দেখেছি এবং তিনি তার দুটি জুতা সঙ্গে নিয়েছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ رِوَایَۃً ، قَالَ : إذَا أَتَیْتُمُ الصَّلاَۃ فَلاَ تَأْتُوہَا وَأَنْتُمْ تَسْعَوْنَ وَأْتُوہَا وَعَلَیْکُمُ السَّکِینَۃُ فَمَا أَدْرَکْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَکُمْ فَاقْضُوا۔ (بخاری ۶۳۶۔ ابوداؤد ۵۷۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৭৮) হজরত আবু হুরায়রা ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা . ) বলেছেন , যখন তোমরা নামাজের জন্য আসবে তখন দৌড়ে এসো না , বরং শান্তভাবে এসো পাশাপাশি, আপনি যে সালাত খুঁজে পান তা আদায় করুন এবং বাকি থাকা কাযা আদায় করুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عُمَرَ بْنِ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا أَتَیْتُمُ الصَّلاَۃ فَأْتُوہَا بِالْوَقَارِ وَالسَّکِینَۃِ فَمَا أَدْرَکْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَکُمْ فَأَتِمُّوا۔ (بخاری ۶۳۶۔ ترمذی ۳۲۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৭৯) হজরত আবু হুরায়রা (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন : যখন তোমরা নামাযের জন্য আসবে , তখন শান্তি ও মর্যাদার সাথে এসো, যা নামাযে পাওয়া যায়। যা অবশিষ্ট আছে তা পরিশোধ করুন এবং যা অবশিষ্ট আছে তা নিষ্পত্তি করুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ أَبِی ذَرٍّ ، قَالَ : إذَا أُقِیمَتِ الصَّلاَۃ فَامْشِ إلَیْہَا کَمَا کُنْت تَمْشِی فَصَلِّ مَا أَدْرَکْت وَاقْضِ مَا سَبَقَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7480) হজরত আবু যার (রাঃ) বলেন , তুমি যখন নামাযের জন্য আসবে তখন তোমার স্বাভাবিক আচরণ অনুযায়ী এসো , যে সালাত পাও তা আদায় করো এবং যা অবশিষ্ট থাকে তার জন্য কাযা আদায় করো।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۱) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : إذَا ثُوِّبَ بِالصَّلاَۃ فَامْشُوا وَعَلَیْکُمُ السَّکِینَۃَ وَالْوَقَارَ فَصَلُّوا مَا أَدْرَکْتُمْ وَاقْضُوا مَا سَبَقَکُمْ۔ (مسلم ۱۵۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৮১) হজরত আবু হারি রাহ. বলেন , যখন নামাযের জন্য ইকামাহ বলা হয় , তখন শান্তভাবে ও মর্যাদাপূর্ণভাবে হেঁটে আসুন , যে সালাত পাবেন তা আদায় করুন এবং যা অবশিষ্ট আছে তার কাযা আদায় করুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : امْشُوا إلَی الصَّلاَۃ وَقَارِبُوا بَیْنَ الْخُطَا وَاذْکُرُوا اللَّہَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৮২) হজরত আবদুল্লাহ বলেন : নামাযের জন্য হাঁটতে এসো, পা একে অপরের কাছাকাছি রাখো এবং আল্লাহকে স্মরণ করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ الأَقْمَرِ ، عَنْ أَبِی الأَحْوَص ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ: لَقَدْ رَأَیْتُنَا وَإِنَّا لَنُقَارِبُ بَیْنَ الْخُطَا إلَی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৮৩) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা নামাজের জন্য আসার সময় ছোট ছোট পদক্ষেপ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ حَیَّانَ أَبُو الأَشْہَبِ ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِیِّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ، قَالَ : خَرَجْت مَعَ زَیْدِ بْنِ ثَابِتٍ إلَی الْمَسْجِدِ فَأَسْرَعْتُ الْمَشْیَ فَحَبَسَنِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪৮৪) হজরত আনাস ইবনে মালেক বলেন , আমি হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত ( রা.) - এর সাথে মসজিদের দিকে যাওয়ার সময় দ্রুত হাঁটতে লাগলাম , তাই তিনি আমাকে নিষেধ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۸۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ فَرَاہِیجَ ، قَالَ : حدَّثَنِی مَوْلاَیَ سُفْیَانُ بْنُ زِیَادٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَنْطَلِقُ إلَی الْمَسْجِدِ وَہُوَ یَسْتَعْجِلُ ، قَالَ : فَلَحِقَنِی الزُّبَیْرُ بْنُ الْعَوَّامِ ، فَقَالَ : اقْصِدْ فِی مَشْیِکَ فَإِنَّک فِی صَلاَۃٍ لَنْ تَخْطُوَ خُطْوَۃً إِلاَّ رَفَعَ اللَّہُ لَکَ بِہَا دَرَجَۃً ، وَحَطَّ عَنْکَ بِہَا خَطِیئَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪৮৫ ) হজরত সুফী বিন জায়েদ বলেন , আমি দ্রুত মসজিদের দিকে হাঁটছিলাম , তখন হজরত জুবায়ের বিন আওয়াম আমাকে দেখে বললেন , তুমি তাদের মাঝখানে হেঁটে যাও , কেননা তুমি তখন নামাজের অবস্থায় , যখনই তুমি পা বাড়াও । , আল্লাহ তায়ালা এর কারণে আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তিনি আপনার গুনাহ মাফ করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস