
(۷۳۹۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ تُصَلِّیَ الْمَرْأَۃُ مُتَنَقِّبۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7396) হযরত তাওয়াস ঘোষণা করেছেন যে , একজন মহিলা নেকাব পরিধান করে নামায পড়াকে জঘন্য কাজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۹۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ یَکْرَہُ أَنْ تُصَلِّیَ الْمَرْأَۃُ مُتَنَقِّبۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7397) হজরত হাসান বলতেন, নারীর জন্য নেকাব পরিধান করে নামায পড়া জঘন্য।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۹۸) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ ضَمْرَۃَ بْنِ سَعِیدٍ ، سَمِعَ أَبَا سَعِیدٍ یَقُولُ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی الْغُرُوبِ وَبَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّی الطُّلُوعِ۔ (بخاری ۱۱۹۷۔ مسلم ۵۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৩৯৮) হজরত আবু সাঈদ (রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর মাগরিব পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত নামায পড়তে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۹۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن نَصْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ جَدِّہِ مُعَاذٍ الْقُرَشِیِّ ، أَنَّہُ طَافَ بِالْبَیْتِ مَعَ مُعَاذِ بْنِ عَفْرَائَ بَعْدَ الْعَصْرِ ، وَبَعْدَ الصُّبْحِ فَلَمْ یُصَلِّ فَسَأَلْتُہُ ، فَقَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ صَلاَۃَ بَعْدَ صَلاَتَیْنِ بَعْدَ الْغَدَاۃِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، وَبَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔ (طبرانی ۳۷۸۔ احمد ۴/۲۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(7399) হজরত মুআয কুরেশী বলেন , আমি আছরের পর ও ফজরের পর হযরত মুয়াযবিন আফরার সাথে বাইত আল্লাহ প্রদক্ষিণ করলাম । নামাজ পড়নি কেন ? আমি তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম , তিনি বললেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন যে , সে যেন দুই সালাত নামায না পড়ে : ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং আছরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۰) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عُبَیدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ خُبَیب بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ صَلاَتَیْنِ ، عَنِ الصَّلاَۃ بَعْدِ طُلُوعِ الْفَجْرِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔ (بخاری ۵۸۴۔ احمد ۲/۴۹۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০০) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন , একটি ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং অন্যটি আসরের পর শামস পর্যন্ত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سَعدِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ أَخْبَرَتْنِی عَمْرَۃُ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ صَلاَتَیْنِ ، عَنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَتَرْتَفِعَ فَإِنَّہَا تَطْلُعُ بَیْنَ قَرْنَیِ الشَّیْطَانِ وتَغِیبُ بَیْنَ قَرْنَیِ الشَّیْطَانِ ، وَعَنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغِیبَ الشَّمْسُ۔ (طحاوی ۳۰۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪০১ ) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ (সা . ) দুই নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন , অর্থাৎ ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত । কেননা সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে উদিত হয় এবং অস্ত যায় আর আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۲) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ ہِلاَلِ بْنِ یَِسَافٍ ، عَنْ وَہْبِ بْنِ الأَجْدَعِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ صَلاَۃَ بَعْدَ الْعَصْرِ إِلاَّ أَنْ تَکُونَ الشَّمْسُ بَیْضَائَ نَقِیَّۃً۔(ابوداؤد ۱۲۶۸۔ احمد ۱/۸۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪০২) হজরত আলী ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , সূর্য সাদা ও পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আসরের পর সালাত আদায় করা বৈধ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۳) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سِمَاکٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْمُہَلَّبَ بْنَ أَبِی صُفْرَۃَ یُحَدِّثُ ، عَنْ سَمُرَۃََ بْنِ جُنْدُبٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : لاَ تُصَلُّوا ، أَوَ قَالَ : نَہَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُصَلِّیَ بَعْدَ صَلاَۃِ الصُّبْحِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَإِنَّہَا تَطْلُعُ عَلَی قَرْنٍ ، أَوْ بَیْنَ قَرْنَیْ شَیْطَانٍ۔ (طحاوی ۱۵۲۔ احمد ۵/۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০৩) হজরত সামুরা বিন জুনদাব (রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত ফজরের নামাজ পড়বে না , কারণ এটি শয়তানের দুই দিক থেকে উদিত হয় নিগাস
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۴) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی التَّیَّاحِ ، قَالَ : سَمِعْتُ حُمْرَانَ بْنَ أَبَانَ یُحَدِّثُ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ ، أَنَّہُ نَظَرَ إلَی أُنَاسٍ یُصَلُّونَ بَعْدَ الْعَصْرِ ، فَقَالَ : إنَّکُمْ تُصَلُّونَ صَلاَۃً قَدْ صَحِبْنَا رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَمَا رَأَیْنَاہُ یُصَلِّیہَا وَقَدْ نَہَی عَنْہَا۔ (احمد ۴/۹۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০৪) হজরত হামরান বিন আবান বলেন, হজরত মুয়াবিয়া কিছু লোককে আসরের পর সালাত আদায় করতে দেখেছেন । তিনি বলেন , আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে ছিলাম কিন্তু রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে এ সালাত আদায় করিনি আপনি এটা নিষেধ করেছেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حُسَیْنٍ الْمُعَلِّمِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی عَنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ ، وَعَنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০৫) হজরত আমর ইবনে শুআইব ( রা .)-এর পিতামহ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা. ) আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত নামায পড়তে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۶) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ مُوسَی بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی عَنْ صَلاَتَیْنِ ، عَنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، وَعَنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔ (بخاری ۵۸۵۔ مسلم ۲۸۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০৬) হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত নামায পড়তে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۷) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہَمَّامٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : حَدَّثَنی رِجَالٌ مَرْضِیُّونَ فِیہِمْ عُمَرُ وَأَرْضَاہُمْ ، عِنْدِی عُمَرُ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : لاَ صَلاَۃَ بَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، وَلاَ صَلاَۃَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔ (بخاری ۵۸۱۔ ابوداؤد ۱۲۷۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০৭) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো সালাত নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۸) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنِ الْمُہَاجِرِ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : لاَ تَصلُح الصَّلاَۃ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغِیبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، قَالَ وَکَانَ عُمَرَ یَضْرِبُ عَلَی ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০৮) হজরত আবুল আলিয়া বলেন , ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো সালাত নেই । আর হযরত ওমর (রা.) তাকে প্রহার করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۰۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ شَدَّادٍ ، عَنْ عبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنِ الأَشْتَرِ ، قَالَ : کَانَ خَالِدُ بْنُ الْوَلِیدِ یَضْرِبُ النَّاسَ عَلَی الصَّلاَۃ بَعْدَ الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪০৯) হযরত ইশতার বলেন , হযরত খালিদ বিন ওয়ালীদ আসরের পর নামায পড়ার জন্য লোকদের প্রহার করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ووَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، أَنَّ عُمَرَ کَرِہَ الصَّلاَۃ بَعْدَ الْعَصْرِ وَإِنِّی أَکْرَہُ مَا کَرِہَ عُمَرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪১০) হযরত আবদুল্লাহ (রা ) আসরের পর সালাত আদায় করাকে মাকরূহ বলেছেন এবং তিনি বলতেন যে, হযরত ওমর (রা . ) যে কাজটিকে মাকরূহ মনে করতেন আমি তাকে মাকরূহ মনে করি।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَقِیقٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عُمَرَ أَبْصَرَ رَجُلاً یُصَلِّی بَعْدَ الْعَصْرِ فَضَرَبَہُ حَتَّی سَقَطَ رِدَاؤُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7411) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে শাকীক বলেন , হজরত উমর (রা.) এক ব্যক্তিকে এত প্রহার করলেন যে, আসরের পর এক ব্যক্তিকে সালাত আদায় করতে দেখে তার চাদর পড়ে গেল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۲) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی سَارَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَالِمًا ، عَنِ الصَّلاَۃ بَعْدَ الْعَصْرِ ، فَقَالَ : مَا أُحِبُّ أَنْ أَبْتَدِئُ بِصَلاَۃٍ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪১২) হজরত মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , আমি হজরত সেলিম (রা . )-কে আসরের পরের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত নামায শুরু করা ঠিক হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : کَانَ یَکْرَہُ الصَّلاَۃ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪১৩) হযরত ইবনে সীরীন বলতেন, আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামায পড়া মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی جَمْرَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عُمَرَ یَضْرِبُ عَلَی الرَّکْعَتَیْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪১৪) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , আসরের পর দুই রাকাত পড়ার জন্য হযরত ওমর (রা.) তাকে প্রহার করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُبَیْدَ اللہِ بْنَ رَافِعِ بْنِ خَدِیجٍ یُحَدِّثُ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : رَآنِی عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ یَوْمًا وَأَنَا أُصَلِّی بَعْدَ الْعَصْرِ فَانْتَظَرَنِی حَتَّی صَلَّیْت ، فَقَالَ : مَا ہَذِہِ الصَّلاَۃ؟ فَقُلْت: سَبَقْتنِی بِشَیْئٍ مِنَ الصَّلاَۃ، فَقَالَ عُمَرُ: لَوْ عَلِمْت أَنَّک تُصَلِّی بَعْدَ الْعَصْرِ لَفَعَلْت وَفَعَلْت۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪১৫) হজরত রাফে ইবনে খাদিজ বলেন , হজরত উমর (রা.) আমাকে আসরের পর সালাত আদায় করালেন , তাই তিনি আমার সালাত শেষ করার জন্য অপেক্ষা করলেন । আমি নামায শেষ করলে তিনি বললেন , তুমি কোন সালাত পড়ছিলে ? আমি বলেছিলাম যে আমি আপনার পিছনে কিছু প্রার্থনা মিস করেছি এবং সেগুলি পূরণ করছি . তিনি বললেন , আমি যদি জানতে পারতাম যে, তুমি আসরের পর সালাত আদায় করছ, তাহলে আমি তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করতাম না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ثَابِتُ بن عُمَارَۃَ ، عَنْ أَبِی تَمِیمَۃَ الْہُجَیْمِیِّ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : صَلَّیْت مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَمَعَ أَبِی بَکْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَلاَ صَلاَۃَ بَعْدَ الْغَدَاۃِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ۔ (ابوداؤد ۱۴۱۰۔ احمد ۲/۱۰۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪১৬) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) , হজরত আবু বকর, হজরত ওমর ও হজরত উসমান (রা.)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করেছি , তারা সবাই বলেছেন, ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো সালাত নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی عَلَی إِثْرِ کُلِّ صَلاَۃٍ مَکْتُوبَۃٍ رَکْعَتَیْنِ إِلاَّ الْفَجْرَ وَالْعَصْرَ۔ (ابوداؤد ۱۲۶۹۔ احمد ۱/۱۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(7417) হযরত আলী (রাঃ) বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ ) ফজর ও আসর ব্যতীত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর দুই রাকাত নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنِ السَّائِبِ ، قَالَ : رَأَیْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ یَضْرِبُ الْمُنْکَدِرَ عَلَی السَّجْدَتَیْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ ، یَعْنِی الرَّکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪১৮) হজরত সায়েব বলেন , আমি দেখেছি যে, হজরত ওমর আসরের পর দুই রাকাত পড়ার জন্য মানকদরকে মারধর করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۱۹) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عِمْرَانَ ، عَنْ سُوَیْد ، وَعَنْ أَبِی حُصَیْنٍ ، عَنْ قَبِیصَۃَ بْنِ جَابِرٍ ، قَالاَ : کَانَ عُمَرُ یَضْرِبُ عَلَی الرَّکْعَتَیْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7419) হজরত সুওয়ায়েদ ও হজরত কুবাইসা ইবনে জাবের বলেন , আসরের পর দুই রাকাত পড়ার জন্য হযরত ওমর (রা.) তাকে প্রহার করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْمُخْتَارِ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ ، عَنِ الصَّلاَۃ بَعْدَ الْعَصْرِ ، فَقَالَ : کَانَ عُمَرُ یَضْرِبُ الأَیْدِی عَلَی الصَّلاَۃ بَعْدَ الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪২০) হজরত মুখতার বলেন , আমি হজরত আনাস ইবনে মালিককে আসরের পর নামায পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , হজরত উমর (রা.) আসরের পর হাতের ওপর হাত রেখে নামায পড়তেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو ہِلاَلٍ ، عَنِ ابن بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، قَالَ تَمْرَتَانِ بِزُبْدٍ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الْعَصْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪২১ ) হজরত আবু সাঈদ (রাঃ) বলেন , আমি আসরের পর সালাত আদায়ের চেয়ে মাখনসহ দুটি খেজুর বেশি পছন্দ করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۲۲) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ عَطَائٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ طَلْقٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَیْلَمَانِیِّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَۃَ ، قَالَ : قُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ہَلْ مِنْ سَاعَۃٍ أَقْرَبُ إلَی اللہِ مِنْ سَاعَۃٍ ، فَقَالَ : نَعَمْ جَوْفُ اللَّیْلِ فَصَلِّ مَا بَدَا لَکَ حَتَّی تُصَلِّیَ الصُّبْحَ ، ثُمَّ أَنْہِہْ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَمَا دَامَتْ : کأَنَّہَا حجفَۃٌ حَتَّی تَنْتَشِرَ ، ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَکَ حَتَّی یَقُومَ الْعَمُودُ عَلَی ظِلِّہِ ، ثُمَّ أَنْہِہْ حَتَّی تَزُولَ الشَّمْسُ فَإِنَّ جَہَنَّمَ تُسجَرُ نِصْفَ النَّہَارِ ، ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَکَ حَتَّی تُصَلِّیَ الْعَصْرَ ، ثُمَّ أَنْہِہْ حَتَّی تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِنَّہَا تَطْلُعُ بَیْنَ قَرْنَیْ شَیْطَانٍ وَتَغْرُبُ بَیْنَ قَرْنَیْ شَیْطَانٍ۔ (نسائی ۱۵۶۰۔ احمد ۴/۱۱۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪২২) হজরত আমর ইবনে আবসা (রা ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে জিজ্ঞেস করেছিলাম কোন ঘড়িটি আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ? তুমি বলেছিলে রাতের শেষ ভাগে । এই সময় থেকে ফজরের নামায পর্যন্ত যত খুশি নামাজ পড়তে পারেন । তারপর, সূর্য ওঠার পর, সূর্য একটি ছোট ধনুকের মতো না হওয়া পর্যন্ত প্রার্থনা করা বন্ধ করুন। এটি সম্পন্ন হলে, প্রার্থনা করুন। তারপর সূর্যের ছায়া সম্পূর্ণ সোজা না হওয়া পর্যন্ত নামাজ পড়তে পারেন । এ সময় থেকে শামসের পতন পর্যন্ত নামাজ পড়া বন্ধ করুন। কারণ জাহান্নাম প্রজ্বলিত হয় মধ্যাহ্নে । অতঃপর আছর পর্যন্ত যত খুশি নামায পড়তে থাকুন এবং আছরের পর মাগরিব পর্যন্ত নামায পড়া বন্ধ করুন , কারণ সূর্য শয়তানের দুই শিং এর মাঝখানে উদিত হয় এবং অস্ত যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : مَا تَرَکَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَکْعَتَیْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ فِی بَیْتِی قَطُّ۔ (بخاری ۵۹۱۔ مسلم ۲۹۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪২৩ ) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) আমার ঘরে আসরের পরের দুই রাকাত কখনোই বাদ দেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۲۴) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : دَخَلْت مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَلَی مُعَاوِیَۃَ فَأَجْلَسَہُ مُعَاوِیَۃُ عَلَی السَّرِیرِ ، ثُمَّ قَالَ لَہُ : مَا رَکْعَتَانِ یُصَلِّیہِمَا النَّاسُ بَعْدَ الْعَصْرِ لَمْ نَرَ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلاَّہُمَا وَلاَ أَمَرَ بِہِمَا قَالَ : ذَلِکَ مَا یُفْتِی بِہِ النَّاسَ ابْنُ الزُّبَیْرِ ، فَأَرْسَلَ إلَی ابْنِ الزُّبَیْرِ فَسَأَلَہُ ، فَقَالَ: أَخْبَرَتْنِی ذَلِکَ عَائِشَۃُ ، فَأَرْسَلَ إلَی عَائِشَۃَ ، فَقَالَتْ : أَخْبَرَتْنِی ذَلِکَ أُمُّ سَلَمَۃَ ، فَأَرْسَلَ إلَی أُمِّ سَلَمَۃَ فَانْطَلَقَتْ مَعَ الرَّسُولِ فَسَأَلَ أُمَّ سَلَمَۃَ ، فَقَالَتْ یَرْحَمُہَا اللَّہُ مَا أَرَادَتْ إلَی ہَذَا فَقَدْ أَخْبَرْتہُا ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی عَنْہُمَا۔ إنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَیْنَمَا ہُوَ فِی بَیْتِی یَتَوَضَّأُ للظُّہْر وَکَانَ قَدْ بَعَثَ سَاعِیًا وَکَثُرَ عِنْدَہُ الْمُہَاجِرُونَ وَکَانَ قَدْ أَہَمَّہُ شَأْنُہُمْ إذْ ضَرَبَ الْبَابَ فَخَرَجَ إلَیْہِ فَصَلَّی الظُّہْرَ ، ثُمَّ جَلَسَ یُقسِمُ مَا جَائَ بِہِ فَلَمْ یَزَلْ کَذَلِکَ حَتَّی صَلَّی الْعَصْرَ ، فَلَمَّا فَرَغَ رَآہ بِلاَلٌ فَأَقَامَ الصَّلاَۃ فَصَلَّی الْعَصْرَ ثُمَّ دَخَلَ مَنْزِلِی فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ ، فَلَمَّا فَرَغَ قُلْتُ : مَا رَکْعَتَانِ رَأَیْتُک تُصَلِّیہِمَا بَعْدَ الْعَصْرِ لَمْ أَرَک تُصَلِّیہِمَا ، فَقَالَ : شَغَلَنِی أَمْرُ السَّاعِی لَمْ أَکُنْ صَلَّیْتُہُمَا بَعْدَ الظُّہْرِ فَصَلَّیْتہمَا۔ فَقَالَ ابْنُ الزُّبَیْرِ : قَدْ صَلاَّہُمَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَنَا أُصَلِّیہِمَا۔(ابوداؤد ۲۱۶۷۔ احمد ۶/۳۱۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৪২৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হারিস বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাসসহ হজরত মুয়াবিয়ার খেদমতে উপস্থিত হয়েছিলাম । হযরত মুয়াবিয়া ( রাঃ ) তাকে সিংহাসনে বসিয়ে দিলেন , তারপর বললেন , এই দুই রাকাত যা মানুষ আছরের পর পাঠ করে , তা তাদের হক এই নামায পড়ার সময় তিনি এর আদেশও করেননি । হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , হজরত ইবনে যুবাইর (রা . ) লোকদের এ নামাজ পড়ার নির্দেশ দিতেন । হজরত মুয়াবিয়া হজরত ইবনে জুবায়েরকে ডেকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , হজরত আয়েশা (রা . ) আমাকে এ সম্পর্কে বলেছেন । হজরত মুয়াবিয়া হজরত আয়েশার কাছে বার্তা পাঠান এবং তিনি বলেন যে , উম্মে সালমা আমাকে এ সম্পর্কে বলেছেন । হজরত মুয়াবিয়া আদমকে হজরত উম্মে সালমার কাছে পাঠান , তাই আমিও তার সঙ্গে গেলাম তিনি হজরত উম্মে সালমাকে জিজ্ঞেস করলেন, আর হজরত উম্মে সালমা বললেন, আল্লাহ হজরত আয়েশা (রা.)- এর প্রতি রহম করুন , তিনি এ কথা বলতে কাকে বুঝিয়েছেন ? আমি তাদেরকে বললাম যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুই রাকাত ফরজ করেছেন । ঘটনা হল একদা নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমার ঘরে ছিলেন এবং যোহরের জন্য উযূ করলেন ।আপনি একজন লোককে জাকাত আদায়ের জন্য পাঠালেন এবং সে ফিরে এল এবং তার চারপাশে অনেক মুহাজির জড়ো হল তিনি দরজায় টোকা দিলেন , আপনাকে বাইরে নিয়ে গেলেন এবং দুপুরের নামাজ আদায় করলেন । অতঃপর তারা বসলেন এবং এই সম্পদ লোকদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন যতক্ষণ না আসরের সালাতের সময় হয়ে গেল যখন তিনি শেষ করলেন, তখন হযরত বিলাল (রাঃ) তাকে দেখে আসরের ইকামত বললেন এবং তিনি সালাত আদায় করলেন । তারপর তুমি আমার রুমে এসে দুই রাকাত নামায পড়ো আপনি যখন নামায পড়া শেষ করলেন , তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম , আপনি এইমাত্র যে দুই রাকাত পড়েছেন তা কোনটি ? আমি তোমাকে আগে এই নামাজ পড়তে দেইনি তিনি বলেন , যাকাত গ্রহীতার ব্যস্ততা আমাকে যোহরের পর দুই রাকাত পড়তে বাধা দেয় , এখন আমি সেগুলো আদায় করেছি । হজরত ইবনে যুবাইর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) যখন সেগুলো পাঠ করতেন , আমি অবশ্যই সেগুলো পাঠ করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۴۲۵) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا بُرْدَۃَ بْنَ أَبِی مُوسَی یُصَلِّی بَعْدَ الْعَصْرِ رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৪২৫ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত আবু বারদা ইবনে আবি মুসা (রা.)-কে আসরের পর দুই রাকাত পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৪২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস