
(۷۳۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامٌ الدَّسْتَوَائِیُّ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : إذَا کَانَ مَعَہُ مَنْ یَقْرَأُ رَدَّدُوہُ ، وَلَمْ یَؤُمَّ فِی الْمُصْحَفِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7306) হজরত সাঈদ বিন মুসায়্যিব বলেন , যখন কেউ তার সাথে ভাষা তিলাওয়াত করছে, তখন সে যেন তাকে সুযোগ দেয় এবং মুসহাফ থেকে তেলাওয়াত করার সময় ইমামতি না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا ہِشَامٌ الدَّسْتَوَائِیُّ، عَنْ قَتَادَۃَ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّہُ کَرِہَہُ، وَقَالَ: ہَکَذَا تَفْعَلُ النَّصَارَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩০৭ ) হযরত হাসান মুসহাফ থেকে তেলাওয়াত করতে গিয়ে ইমামতি করাকে জঘন্য কাজ বলেছেন এবং বলেছেন যে ঈসা ( আঃ ) ও তাই করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۰۸) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ وَقَتَادَۃَ فِی رَجُلٍ یَؤُمُّ الْقَوْمَ فِی رَمَضَانَ فِی الْمُصْحَفِ فَکَرِہَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7308 ) হজরত হাম্মাদ ও হজরত কাতাদা (রা. ) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, রমজানে কোনো ব্যক্তি যদি মুসহাফ থেকে তেলাওয়াত করে , তাহলে সে কে ? তিনি এটাকে জঘন্য বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۰۹) حَدَّثَنَا إسْرَائِیلُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : لاَ یَؤُمُّ فِی الْمُصْحَفِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩০৯ ) হযরত আমীর বলেন , মুসহাফ থেকে তেলাওয়াত করার সময় ইমামতি করা যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنِ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا دَخَلَ وَقْتُ صَلاَۃٍ عَلَی الْمَرْأَۃِ فَلَمْ تُصَلِّ حَتَّی حَاضَتْ وَہِیَ فِی وَقْتِ صَلاَۃٍ قَضَتْہَا إذَا طَہُرَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7310 ) হজরত শাবি বলেন , যদি কোনো মহিলার নামাযের সময় ঋতুস্রাব হয় এবং সে নামায আদায় না করে , তাহলে সে পবিত্র হওয়ার পর তার বিচার করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۱) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إذَا دَخَلَ وَقْتُ الصَّلاَۃ فَحَاضَتِ الْمَرْأَۃُ قَبْلَ أَنْ تُصَلِّیَ فَلْتُصَلِّہَا حِین تَطْہُرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7311 ) হজরত শাবি বলেন , যদি কোনো মহিলার নামাযের সময় ঋতুস্রাব হয় এবং সে নামায আদায় না করে , তাহলে সে পবিত্র হওয়ার পর তার বিচার করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ إیَاسٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ ، عَنِ امْرَأَۃٍ دَخَلَتْ فِی وَقْتِ صَلاَۃٍ فَأَخَّرَتْہَا حَتَّی حَاضَتْ ، قَالَ : تَبْدَأُ بِہَا إذَا طَہُرَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7312 ) হজরত আবদুল মালিক বিন আই বলেন , আমি হজরত ইব্রাহীম ( রা . )-কে জিজ্ঞেস করলাম , যদি কোনো মহিলাকে নামাজের সময় দেওয়া হয় , তাহলে সে কি নামাজে দেরি করবে , এখন পবিত্র হওয়ার পর সে তার বিচার করবে ? নাকি না ? তিনি বলেন , পবিত্র হওয়ার পর সর্বপ্রথম যে কাজটি করা উচিত তা হলো নামায।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ وَمُحَمَّدٍ ، قَالاَ : إذَا حَاضَتْ فِی وَقْتِ صَلاَۃٍ فَلَیْسَ عَلَیْہَا قَضَائُ تِلْکَ الصَّلاَۃ إِلاَّ أَنْ یَکُونَ الْوَقْتُ قَدْ ذَہَبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩১৩ ) হজরত হাসান ও হজরত মুহাম্মদ বলেন , কোনো মহিলার ঋতুস্রাব হলে তার সময় না হওয়া পর্যন্ত সে নামাজের কাযা আদায় করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ لَیْسَ عَلَیْہَا قَضَاؤُہَا لأَنَّہَا فِی وَقْتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৩১৪) হজরত হামদ বলেন, তার ওপর এ নামাজের কাযা ওয়াজিব নয় । কারণ সে নামাজের সময় ঘুমাচ্ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۵) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ مُعَاذَۃَ الْعَدَوِیَّۃِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّ الْمَرْأَۃَ سَأَلَتْہَا تَقْضِی الْحَائِضُ الصَّلاَۃ ، فَقَالَتْ لَہَا عَائِشَۃُ : أَحَرُورِیَّۃٌ أَنْتِ قَدْ کُنَّا نَحِیضُ عَلَی عَہْدِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ نَطْہُرُ فَلاَ یَأْمُرُنَا بِقَضَائِ الصَّلاَۃ۔ (بخاری ۳۲۱۔ ابوداؤد ۲۶۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩১৫ ) হজরত মুআয আদুয়েহ বলেন , এক মহিলা হজরত আয়েশা (রা.)- কে জিজ্ঞেস করলেন , ঋতুমতী অবস্থায় একজন মহিলা নামাজের কাযা আদায় করবে কি না । সে বললো তুমি একদম ঠিক ! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর যুগে আমরা ঋতুস্রাবের সমস্যায় ভুগতাম , কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋতুবতী হতেন না এর দিনগুলিতে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ شُعْبَۃَ، عَنْ یَزِیدَ الرِّشْکِ، عَنْ مُعَاذَۃَ الْعَدَوِیَّۃِ، قَالَتْ: سُئلَتْ عَائِشَۃَ أَتَجْزِی الْحَائِضَ الصَّلاَۃ ، قَالَتْ : قَدْ کُنَّ نِسَائُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَحِضْنَ أَفَکُنَّ یَجْزِینَ ، تَعْنِی لاَ یَقْضِینَ۔ (مسلم ۲۶۵۔ احمد ۶/۱۸۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7316 ) হজরত মুআয আদু ইয়াহিব বলেন , হজরত আয়েশা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , একজন মহিলা ঋতুমতী অবস্থায় তার নামাজের জন্য কাযা আদায় করবে কি না ? তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর স্ত্রীগণ ঋতুস্রাবের সমস্যায় ভুগতেন এবং সে দিনগুলোতে সালাত আদায় করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۷) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کُنَّا بَنَاتُ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَأَزْوَاجُہُ یَحِضْنَ فَیَأْمُرُہُنَّ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِقَضَائِ الصِّیَامِ ، وَلاَ یَأْمُرُہُنَّ بِقَضَائِ الصَّلاَۃ۔ (عبدالرزاق ۱۲۷۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7317 ) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর কন্যাগণ এবং তাঁর সতী - পত্নীগণ ঋতুবতী হতেন , তিনি রোজার কাযার নির্দেশ দিতেন , কিন্তু নির্দিষ্ট কিছুর কাযা আদায় করতেন না প্রার্থনা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۸) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ وَالشَّعْبِیِّ ، قَالاَ : لاَ تَقْضِی الْحَائِضُ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7318 ) হজরত ইব্রাহিম ও হজরত শাবি বলেন , ঋতুস্রাব নামাযের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لاَ تَقْضِی الْحَائِضُ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩১৯ ) হযরত মুজাহিদ বলেন , ঋতুস্রাব নামাযের উপর কোন প্রভাব ফেলবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ قَالَ : حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ کَثِیرٍ النَّوَّائِ ، قَالَ : سَأَلْتُ فَاطِمَۃَ بِنْتَ عَلِیٍّ أَتَقْضِینَ الصَّلاَۃ فِی أَیَّامِ حَیْضَتِکَ ، قَالَتْ لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২০ ) হজরত কাশির নাওয়া বলেন , আমি হযরত ফাতিমা বিনতে আলী ( রা . ) -কে জিজ্ঞেস করলাম , তিনি ঋতুবতী অবস্থায় নামাজের কাযা আদায় করেন কি না ? সে বলল না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ فِی الْحَائِضِ تَسْمَعُ السَّجْدَۃَ ، قَالَ : لاَ تَقْضِی لأَنَّہَا لاَ تَقْضِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৩২১) হজরত ইব্রাহীম বলেন , ঋতুমতী মহিলা পবিত্র হওয়ার পরও যদি সেজদা শোনেন , তাহলে তার ওপর সেজদা ওয়াজিব হবে না এবং নামাযের কাযা আদায় করা উচিত নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۲) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ الزُّبَیْرِ إذَا قَامَ فِی الصَّلاَۃ کَأَنَّہُ عُودٌ مِنَ الْخُشُوعِ ، قَالَ مُجَاہِدٌ : وَحُدِّثْت ، أَنَّ أَبَا بَکْرٍ کَانَ کَذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২২) হজরত মুজাহিদ বলেন , হজরত ইবনে যুবায়ের যখন নামাজে দাঁড়াতেন , তখন নম্রতার কারণে তাকে কাঠের লাঠির মতো মনে হতো । আমি জানতে পেরেছি যে হযরত আবু বকর রা তারা নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : قَارُّوا الصَّلاَۃ ، یَعْنِی اُسْکُنُوا فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২৩ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , নামাজে শান্তি বেছে নাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ رَجُلٍ قَدْ سَمَّاہُ حَسَنٌ ، أَوْ سُفْیَانُ ، عَنْ زُبَیْدٍ، قَالَ: رَأَیْتُ زَاذَانَ یُصَلِّی کَأَنَّہُ خَشَبَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২৪ ) হজরত জুবায়েদ বলেন , আমি হযরত জাযানকে দেখেছি যে তিনি লাঠির মতো নামায পড়তেন !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۵) حَدَّثَنَا مُعَاذٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ مُسْلِمَ بْنَ یَسَارٍ یُصَلِّی کَأَنَّہُ وَدٌّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২৫ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হযরত মুসলিম বনী সারকে দেখেছি যে , তিনি লাঠির মতো নামায পড়তেন !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ إذَا قَامَ إلَی الصَّلاَۃ کَأَنَّہُ ثَوْبٌ مُلْقًی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7326) হজরত আমিশ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ যখন সালাত আদায় করতেন, তখন তিনি মনে করতেন যেন একটি কাপড় তার চারপাশে আবৃত ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : قَارُّوا الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২৭ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , নামাজে শান্তি বেছে নাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۸) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ: قَارُّوا الصَّلاَۃ۔ قَالَ زَائِدَۃُ : فَقُلْت لِمَنْصُورٍ : مَا یَعْنِی بِذَلِکَ ؟ قَالَ : فَقَالَ : التَّمَکُّنَ فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২৮ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , নামাজে শান্তি বেছে নাও । হজরত জায়েদা বলেন , আমি হজরত মনসুরকে জিজ্ঞেস করলাম , নামাযে শান্তি বেছে নেওয়ার অর্থ কী ? নামাজের সময় কোনো নড়াচড়া না করতে বললেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۲۹) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی ہَاشِمٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَقُولَ الرَّجُلُ لَمْ أُصَلِّ وَیَقُولُ نُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩২৯ ) হজরত ইব্রাহীম (আ . ) এক ব্যক্তিকে অপছন্দ করতেন তিনি বললেন , আমি নামাজ পড়িনি , কিন্তু তারা বলত , আমাদের নামাজ পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۳۰) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : التَّسْبِیحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِیقُ لِلنِّسَائِ۔ (بخاری ۱۲۰۳۔ ابوداؤد ۹۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩৩০ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , পুরুষরা তাসবিহ পাঠ করবে এবং নারীরা হাততালি দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۳۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ الْجُرَیْرِیِّ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : صَلَّی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِالنَّاسِ ذَاتَ یَوْمٍ ، فَلَمَّا قَامَ لِیُکَبِّرَ ، قَالَ : إِنْ أَنْسَانِی الشَّیْطَانُ شَیْئًا مِنْ صَلاَتِی فَالتَّسْبِیحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِیقُ لِلنِّسَائِ۔ (ترمذی ۲۷۸۷۔ نسائی ۹۴۰۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(7331) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সালাতের ইমামতি করছিলেন , যখন তিনি তাকবীর বলতে দাঁড়ালেন, তখন তিনি ( সা . ) আল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , শয়তান যদি আমাকে আমার সালাত ভুলিয়ে দেয় , তাহলে পুরুষরা তাসবিহ বলবে এবং মহিলারা হাততালি দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۳۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِیدِ الْمَدَنِیِّ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ سَہْلِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : التَّسْبِیحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِیقُ لِلنِّسَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭৩৩২) হজরত সাহল ইবনে সাদ ( রা ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , পুরুষরা তাসবিহ পাঠ করবে এবং মহিলারা হাততালি দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۳۳) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی الزُّبَیْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: التَّسْبِیحُ فِی الصَّلاَۃ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِیقُ لِلنِّسَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩৩৩ ) হজরত জাবির বলেন , নামাযে পুরুষরা তাসবিহ বলবে এবং মহিলারা হাততালি দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۳۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، قَالَ : اسْتَأْذَنْت عَلَی ابْنِ أَبِی لَیْلَی وَہُوَ یُصَلِّی فَسَبَّحَ بِالْغُلاَمِ فَفَتَحَ لِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭৩৩৪ ) হজরত ইয়াজিদ বলেন , আমি হজরত ইবনে আবি লায়লার কাছে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি চাইলাম , তিনি তার গোলামকে তাসবিহের মাধ্যমে নির্দেশ দিলেন । এবং তিনি আমার জন্য দরজা খুলে দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۳۳۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ عَلَی جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ فَسَبَّحَ فَدَخَلَ فَجَلَسَ حَتَّی انْصَرَفَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7335) হজরত হাসান বলেন , এক ব্যক্তি হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.)- এর কাছে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি চাইলেন ( তিনি নামায পড়ছিলেন ) , তিনি তাসবিহ বললেন , অতঃপর তিনি ভেতরে এলেন এবং নামায শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি বসলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭৩৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস