
(۷۱۸۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یُصَلُّونَ شَتَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৮৬ ) হজরত হাসান বলেন , তারা একসঙ্গে নামাজ পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ ہِشام الدَّستوائی ، عَن حَمَّاد ، عَن إِبْرَاہِیم قَالَ : یُصَلُّونَ فُرَادَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7187 ) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলেন , তিনি একাই সালাত আদায় করবেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی ہِلاَلٍ ، عَنْ کَثِیرٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا دَخَلُوا الْمَسْجِدَ وَقَدْ صُلِّیَ فِیہِ صَلَّوْا فُرَادَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৮৮) হজরত হাসান বলেন, সাহাবায়ে কেরাম যখন এমন একটি মসজিদে প্রবেশ করতেন যেখানে আগে থেকেই নামায পড়া হয়ে গিয়েছিল , তখন তারা একসাথে সালাতের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَفْلَحَ ، قَالَ : دَخَلْنَا مَعَ الْقَاسِمِ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صُلِّیَ فِیہِ ، قَالَ : فَصَلَّی الْقَاسِمُ وَحْدَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৮৯) হজরত আফলাহ বলেন , আমরা হযরত কাসিম (রা.)-এর সাথে একটি মসজিদে প্রবেশ করলাম , যেখানে নামায শেষ হলে তিনি একাই সালাত আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : مَنْ أَدْرَکَ مَعَ الإِمَامِ رَکْعَتَیْنِ ، قَالَ : یَقْرَأُ فِیمَا أَدْرَکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7190) হজরত আলী বলেন , যে ব্যক্তি ইমামের সাথে দুই রাকাত আদায় করবে , সে যে রাকাত পাবে , সে সেই রাকাত পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۱) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ رَبِیعۃَ بْنِ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ وَأَبَا الدَّرْدَائِ کَانَا یَقُولاَنِ : مَا أَدْرَکْت مِنْ صَلاَۃِ الإِمَام فَاجْعَلْہُ أَوَّلَ صَلاَتِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7191) হযরত উমর বিন খাত্তাব ও হযরত আবুল দারদা বলতেন যে, তুমি তোমার নামাজের প্রথম অংশ যা তুমি ইমামের সাথে যোগ দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۲) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُہَاجِرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ یَقُولُ : اجْعَلْہُ أَوَّلَ صَلاَتِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৯২) হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ বলেন , এটাকে তোমার নামাজের প্রথম অংশ বানিয়ে নাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ، عَنْ سَعِیدٍ، عَنْ قَتَادَۃَ، عَنْ سَعِیدٍ، وَالْحَسَنِ، قَالاَ: مَا أَدْرَکْت مَعَ الإِمَامِ فَہُوَ أَوَّلُ صَلاَتِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7193) হজরত সাঈদ ও হজরত হাসান বলেন , আপনি আপনার নামাজের প্রথম অংশটি করুন যা আপনি ইমামের সাথে যোগ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۴) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৯৪) হযরত আলী থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : کَانَ سَعِیدُ بْنُ جُبَیْرٍ یَقُولُ : یَقْرَأُ فِیمَا أَدْرَکَ لأَنَّہُ کَانَ یُسِرُّ الْقِرَائَۃَ خَلْفَ الإِمَام۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7195) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , তিনি যে দোয়া পাবেন তা পাঠ করতে হবে । কেননা হযরত সাঈদ বিন জাবির ইমামের পিছনে নিচু আওয়াজে তেলাওয়াত করতে বিশ্বাসী ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ فِی الرَّجُلِ تَفُوتُہُ مَعَ الإِمَامِ الرَّکْعَۃُ ، أَوِ الرَّکْعَتَانِ ، قَالَ : یَقْرَأُ فِی سَکْتَۃِ الإِمَام۔ وَقَالَ الْحَسَنُ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7196 ) হযরত আলী সেই ব্যক্তির সম্পর্কে যার ইমাম অথবা যদি দুই রাকাত মিস হয়ে যায় , তারা বলে যে তাকে ইমামের সুক্ত পাঠ করতে হবে । হযরত হাসান রা তিনি বলেন না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : مَا أَدْرَکْت مَعَ الإِمَامِ فَہُوَ آخِرُ صَلاَتِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৯৭) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, ইমামের সঙ্গে সালাত আদায়কে সালাতের শেষ অংশ বানিয়ে নাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : اجْعَلْ آخِرَ صَلاَتِکَ أَوَّلُ صَلاَتک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৯৮) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ইমামের সঙ্গে নামায হওয়া উচিত নামাযের শেষ অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۹۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ یَجْعَلُ مَا أَدْرَکَ مَعَ الإِمَامِ آخِرَ صَلاَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7199) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা .) ইমামের সঙ্গে সালাত আদায় করতেন নামাযের শেষ অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ کَانَ إذَا أَدْرَکَ مَعَ الإِمَامِ لَمْ یَقْرَأْ فَإِذَا قَامَ یَقْضِی قَرَأَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭২০০) হজরত নাফী বলেন, হজরত ইবনে উমর ইমামের সঙ্গে নামায পড়ার সময় তা পড়তেন না এবং দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، أَنَّہُ قَالَ : اقْرَأْ فِیمَا تَقْضِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7201) হযরত ইবনে উমর (রাঃ) বলেনঃ কাযা করার সময় তেলাওয়াত কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ وَمُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَقْرَأُ فِیمَا یَقْضِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7202) হজরত ইব্রাহীম বলেন , কাযা করার সময় ক্বাআত পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ مُجَاہِدًا ، عَنْ رَجُلٍ فَاتَتْہُ رَکْعَتَانِ مَعَ الإِمَامِ فَقَرَأَ فِیہِمَا قَالَ : اجْعَلْ آخِرَ صَلاَتِکَ أَوَّلَ صَلاَتِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7203 ) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত মুজাহিদকে জিজ্ঞেস করলাম , যে ব্যক্তির ইমামতিতে দুই রাকাত বাদ পড়ে , তার কী করা উচিত ? তিনি বললেন তোমার প্রাথমিক নামাযকে তোমার নামাযের শেষ অংশ কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ فِی رَجُلٍ تَفُوتُہُ بَعْضُ الصَّلاَۃ فَیَقُومُ یَقْضِی ، قَالَ : یَجْعَلُ مَا بَقِیَ أَوَّلَ صَلاَتِہِ وَإِنْ عَلِمْت مَا الَّذِی قَرَأَہُ الإِمَام فَاقْرَأْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7204) হজরত আবু কালাবা এমন ব্যক্তির সম্পর্কে বলেন যার নামায ছুটে যায় এবং সে দাঁড়ানো অবস্থায় কাযা আদায় করে, তিনি বলেন , সে যেন বাকী নামাযটিকে তার প্রাথমিক সালাত বানিয়ে নেয় এবং যদি সে জানে যে ইমাম যা পড়েছেন , তাহলে তার উচিত হবে। এটা আবৃত্তি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ عُمَرَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ دِینَارٍ یَقُولُ : اقْضِ مَا فَاتَکَ کَمَا فَاتَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭২০৫) হজরত আমর বিন দীনার বলেন , অবশিষ্ট সালাত যেভাবে ছুটে গেছে সেভাবে শেষ করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۶) حَدَّثَنَا یَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، وَابْنِ سِیرِینَ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : فِیمَنْ سَبَقَہُ الإِمَام إذَا قَضَیْت بَعْدَہُ فَاقْضِ قِرَائَتَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭২০৬) হজরত শাবি ও হযরত ইবনে সীরীন বলেন , যে ব্যক্তি কোনো নামাযের জন্য ইমামের সাথে থাকে এবং পরে সে কাযা আদায় করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیینََۃَ، عَنْ عَمْرٍو قَالَ: فَاتَتْ عُبَیْدَ بْنَ عُمَیْرٍ رَکْعَۃٌ مِنَ الْمَغْرِبِ فَسَمِعْتُہُ یَقْرَأُ وَاللَّیْلِ إذَا یَغْشَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7207 ) হজরত আমর বলেন , হজরত উবায়দ ইবনে উমায়ের ( রা .) - এর মাগরিবের নামাযে এক রাকাত বাকি ছিল । আমি শুনেছি যে তিনি তাতে সূরা লিলিক তিলাওয়াত করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۸) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : کَانَ إبْرَاہِیمُ النَّخْعِی یَقْرَأُ فِیمَا یَقْضِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7208) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইব্রাহিম (আ . ) ইমামের কাছ থেকে মিস করা রাকাতগুলো পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۰۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یُکْرَہُ أَنْ یَرْفَعَ إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی فِی الصَّلاَۃ ، أَوْ یَسْتَنِدُ إلَی جِدَارٍ إِلاَّ مِنْ عِلَّۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭২০৯) হজরত ইব্রাহীম (আ.) এটাকে জঘন্য মনে করতেন যে , কোনো ব্যক্তি নামাজের সময় এক পা অন্যটির ওপরে রাখবে বা হাত দিয়ে সমর্থন করবে , তবে কিছু ওজরের অবকাশ আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ ہَانِیئٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَمْرَو بْنَ مَیْمُونٍ قَائِمًا یُصَلِّی وَاضِعًا إحْدَی رِجْلَیْہِ عَلَی الأُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭২১০ ) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে হানি বলেন , আমি হজরত আমর ইবনে মায়মুনকে এক পা অন্য পায়ে রেখে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۱۱) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَنَسًا ، قَالَ : سَقَطَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ فَرَسٍ فَجُحِشَ شِقُّہُ الأَیْمَنُ فَدَخَلْنَا عَلَیْہِ نَعُودُہُ فَحَضَرَتِ الصَّلاَۃ فَصَلَّی بِنَا قَاعِدًا فَصَلَّیْنَا وَرَائَہُ قُعُودًا، فَلَمَّا قَضَی الصَّلاَۃ ، قَالَ : إنَّمَا جُعِلَ الإِمَام لِیُؤْتَمَّ بِہِ فَإِذَا کَبَّرَ فَکَبِّرُوا ، وَإِذَا رَکَعَ فَارْکَعُوا ، وَإذَا قَالَ سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ فَقُولُوا رَبَّنَا وَلَک الْحَمْدُ ، وَإِذَا صَلَّی قَاعِدًا فَصَلُّوا قُعُودًا أَجْمَعُونَ۔ (بخاری ۱۱۱۴۔ مسلم ۷۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7211 ) হজরত আনাস ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন এবং তাঁর ডান পাশ আহত হন । রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে বসে সালাত আদায় করলেন এবং আমরাও তাঁর পিছনে বসে সালাত আদায় করলাম । যখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নামায শেষ করলেন , তখন তিনি বললেন , ইমামকে সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তাকে অনুসরণ করা যায় । যখন সে তাকবীর বলবে , তখন তুমিও তাকবীর বলবে যখন সে রুকু করবে । তিনি যখন বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সবাই বসে সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۱۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتِ : اشْتَکَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَدَخَلَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِہِ یَعُودُونَہُ فَصَلَّی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جَالِسًا فَصَلَّوا بِصَلاَتِہِ قِیَامًا فَأَشَارَ إلَیْہِمْ أَنِ اجْلِسُوا فَجَلَسُوا ، فَلَمَّا انْصَرَفَ ، قَالَ : إنَّمَا جُعِلَ الإِمَام لِیُؤْتَمَّ بِہِ فَإِذَا رَکَعَ فَارْکَعُوا ، وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا ، وَإِذَا صَلَّی جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا۔ (بخاری ۶۸۸۔ ابوداؤد ۶۰۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭২১২ ) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , একবার রাসূলুল্লাহ ( সা . ) অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর কয়েকজন সাহাবী তাঁকে দেখতে আসেন । তাই নামাজের সময় হলে আপনি সেখানে বসে নামাজ পড়াতেন । যখন তারা দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে লাগল , তখন তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাদেরকে বসতে বললেন । তাই তারা থেকে গেল । যখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নামায শেষ করলেন, তখন তিনি বললেন , ‘ ইমাম তৈরি করা হয়েছে যাতে তিনি রুকু করেন , তখন আপনিও রুকু করেন আপনিও রুকু থেকে মাথা উঠান এবং যখন তিনি বসে সালাত আদায় করেন তখন আপনিও বসে সালাত আদায় করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۱۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : صُرِعَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ فَرَسٍ لَہُ فَوَقَعَ عَلَی جِذْعِ نَخْلَۃٍ فَانْفَکَّتْ قَدَمُہُ فَدَخَلْنَا عَلَیْہِ نَعُودُہُ وَہُوَ یُصَلِّی فِی مَشْرُبَۃٍ لِعَائِشَۃَ جَالِسًا فَصَلَّیْنَا بِصَلاَتِہِ وَنَحْنُ قِیَامٌ ، ثُمَّ دَخَلْنَا عَلَیْہِ مَرَّۃً أُخْرَی وَہُوَ یُصَلِّی جَالِسًا فَصَلَّیْنَا بِصَلاَتِہِ وَنَحْنُ قِیَامٌ فَأَوْمَأَ إلَیْنَا أَنِ اجْلِسُوا ، فَلَمَّا صَلَّی ، قَالَ : إنَّمَا جُعِلَ الإِمَام لِیُؤْتَمَّ بِہِ فَإِذَا صَلَّی قَائِمًا فَصَلُّوا قِیَامًا ، وَإِذَا صَلَّی جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا ، وَلاَ تَقُومُوا وَہُوَ جَالِسٌ کَمَا تَفْعَلُ أَہْلُ فَارِسٍ بِعُظَمَائِہِمْ۔ (ابوداؤد ۶۰۲۔ احمد ۳/۳۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(7213) হজরত জাবির ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) একবার ঘোড়া থেকে নেমে একটি খেজুরের কাণ্ডে পা রাখলেন , এতে তাঁর পায়ে আঘাত লাগল আমরা যখন তাঁর সাথে দেখা করতে এলাম , তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) -এর একটি ঘরে বসে সালাত আদায় করছিলেন । আমরা আপনার পিছনে দাঁড়িয়ে নামাজ শুরু করেছি । অতঃপর আমরা দ্বিতীয়বার তার সাথে দেখা করতে এলাম এবং তিনি বসে নামাজ পড়ছিলেন । আমরা যখন উঠে দাঁড়ালাম এবং আপনাকে অনুসরণ করতে লাগলাম , আপনি আমাদের বসতে ইশারা করলেন । যখন তিনি নামায শেষ করলেন , তিনি বললেন , ইমামকে সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তাকে অনুসরণ করা হয় । যখন সে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় কর , আর যখন সে বসে সালাত আদায় করে , তখন তোমরাও বসে সালাত আদায় কর । যখন তিনি বসে থাকবেন , তখন দাঁড়াবেন না যেমন পারস্যরা তাদের সম্মানিত লোকদের সাথে করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ أَسْلَمَ ، عْن أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إنَّمَا جُعِلَ الإِمَام لِیُؤْتَمَّ بِہِ فَإِذَا کَبَّرَ فَکَبِّرُوا ، وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا، وَإذَا قَالَ غَیْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَیْہِمْ ، وَلاَ الضَّالِّینَ فَقُولُوا آمِین ، وَإِذَا رَکَعَ فَارْکَعُوا ، وَإذَا قَالَ سَمِعَ اللَّہُ لِمَنْ حَمِدَہُ فَقُولُوا اللَّہُمَّ رَبَّنَا لَکَ الْحَمْدُ ، وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا ، وَإِذَا صَلَّی جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7214) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , ইমামকে সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তোমরা তার অনুসরণ করতে পার , যখন সে তাকবীর বলে , তখন তোমরা তাকবীর বলবে । এছাড়াও তাকবীর বলুন , এবং যখন তিনি পাঠ করেন, তখন আপনি নীরব থাকুন, যখন তিনি তার উপর গায়রি আল - মাগযূব এবং ওয়ালা আল-জালি বলেন , তখন আপনি আমীন বলবেন । যখন সে রুকু করবে, তখন তুমিও রুকু করবে। যখন সে বলে সামি আল্লাহ যাঁর প্রশংসা হোক, তখন তুমি বল, হে আল্লাহ, আমাদের পালনকর্তা, তোমার প্রশংসা হোক। সে যখন সেজদা করে, তখন তুমি সেজদা কর, আর যখন সে বসে সালাত আদায় করে , তখন তুমিও বসে নামায পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۲۱۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَبُو الزُّبَیْرِ ، أَنَّ جَابِرًا اشْتَکَی عِنْدَہُمْ بِمَکَّۃَ ، فَلَمَّا أَنْ تَمَاثَلَ خَرَجَ وَإِنَّہُمْ خَرَجُوا مَعَہُ یَتْبَعُونَہُ حَتَّی إذَا بَلَغُوا بَعْضَ الطَّرِیقِ حَضَرَتْ صَلاَۃٌ مِنَ الصَّلَوَاتِ فَصَلَّی بِہِمْ جَالِسًا وَصَلَّوْا مَعَہُ جُلُوسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭২১৫ ) হজরত আবু জুবায়ের বলেন , হজরত জাবির একবার মক্কায় অসুস্থ হয়ে পড়েন । তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি বেরিয়ে আসেন এবং লোকজনও তার সঙ্গে বেরিয়ে আসেন । পথে এক গন্তব্যে পৌঁছলে নামাজের সময় হয়ে গেল । হজরত জাবির ( রা . ) বসেই লোকদের নামায পড়ালেন এবং লোকেরাও তাঁর পিছনে বসে সালাত আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭২১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস