
(۷۱۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَدِیٍّ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ ابْدَأْ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৫৬) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আগে ফরজ সালাত আদায় কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَفْلَحَ ، قَالَ جِئْت أَنَا وَالْقَاسِمُ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّوْا فَصَلَّی لِنَفْسِہِ ، یَعْنِی بَدَأَ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7157) হজরত আফলাহ বলেন , আমি ও হযরত কাসিম যখন মসজিদে আসি, তখন লোকেরা নামাজ পড়েছিল । তিনি প্রথমে ফরয সালাত আদায় করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : کَانُوا یَبْدَؤُونَ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৫৮) হযরত হুকুম করেন যে, পূর্ববর্তীগণ ফরয নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : قَالَ الْحَکَمُ : کَانُوا یَبْدَؤُونَ بِالْفَرِیضَۃِ۔ وَقَالَ أبو إِسْحَاقَ : کَانُوا یَبْدَؤُونَ بِالْفَرِیضَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৫৯) হযরত বলেন , পূর্ববর্তীগণ ফরয নামায পড়তেন । হজরত আবু ইসহাক বলেন , বাপ -দাদারা ফরজ নামাজ আদায় করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ ذَرِیحٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : مَثَلُ الَّذِی یَدْخُلُ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صُلِّی فِیہِ فَیَتَطَوَّعُ مَثَلُ الَّذِی یَعْتَمِرُ قَبْلَ أَنْ یَحُجَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৬০) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মসজিদে এসে জামাতে জড়ো হয়েছে এবং সে নফল নামাজে লিপ্ত হয়েছে তার উদাহরণ হচ্ছে হজ করার আগে ওমরাহ পালনকারী ব্যক্তির মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ ابْدَأْ بِالَّذِی جِئْت لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৬১) হজরত আবদ আল-রহমান বিন আবিল লায়লা বলেন , আপনি যে নামাজের জন্য এসেছেন তা আগে আদায় করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۲) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ ذَرِیحٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِی رَجُلٍ دَخَلَ مَسْجِدًا وَقَدْ صَلَّی أَہْلُہُ أَیَتَطَوَّعُ ، قَالَ ہُوَ کَرَجُلٍ یَتَطَوَّعُ قَبْلَ أَنْ یَحُجَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7162) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, যদি কোনো ব্যক্তি মসজিদে আসে এবং জামাত জড়ো হয়ে যায় , তাহলে সে কি প্রথমে নফল পাঠ করতে পারবে ? তিনি বলেন এটা হবে সেই ব্যক্তির মত যে হজ্জের আগে ওমরাহ পালন শুরু করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، وَیُونُس ، عَنِ الْحَسَنِ أَنَّہ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَتَطَوَّعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৬৩) হযরত হাসান ফরজের পূর্বে নফল পাঠে কোন ক্ষতি আছে বলে মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ زِرٍّ ، قَالَ یَتَطَوَّعُ إِنْ شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7164) হযরত জার বলেন , তিনি চাইলে নফল পড়তে পারেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ الْعَوَّامِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی الْہُذَیْلِ ، أَنَّہُ کَانَ یَتَطَوَّعُ إذَا سُبِقَ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৬৫ ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবি হাযায়েল ফরয নামায না পড়লেও প্রথমে নফল পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : سُئِلَ الْحَسَنُ ، عَنِ الرَّجُلِ یَدْخُلُ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّی أَہْلُہُ ، قَالَ: فَقَالَ : أَمَّا أَنَا فَکُنْت أُصَلِّی کَمَا کُنْت أُصَلِّی قَبْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7166) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, যদি কোনো ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে এবং লোকেরা ইতিমধ্যে সালাত আদায় করে ফেলে তাহলে তার কী করা উচিত ? তিনি বললেন , আমার সাথে যদি এমন হয় তাহলে আমি যেভাবে নামাজ পড়ি সেভাবেই নামাজ পড়ব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ إذَا کَانَ فِی وَقْتِ صَلاَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৬৭) হজরত হামদ বলেন , নামাজের সময় হলে নফল পড়তে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ ، قَالَ : قَالَ حَمَّادٌ : یَتَطَوَّعُ إِنْ شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৬৮) হজরত হামদ বলেন , তিনি চাইলে নফল পড়তে পারেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۶۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ بْنُ عُبَیْدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی أَبُو عُثْمَانَ الْیَشْکُرِیُّ ، قَالَ : مَرَّ بِنَا أَنَسُ بْنُ مَالِکٍ وَقَدْ صَلَّیْنَا صَلاَۃَ الْغَدَاۃِ وَمَعَہُ رَہْطٌ فَأَمَرَ رَجُلاً مِنْہُمْ فَأَذَّنَ ، ثُمَّ صَلَّوْا رَکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ۔ قَالَ ، ثُمَّ أَمَرَہُ فَأَقَامَ ، ثُمَّ تَقَدَّمَ فَصَلَّی بِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৬৯) হজরত আবু উসমান ইয়া শুকরি বলেন , হজরত আনাস ইবনে মালিক ( রা.) আমাদের কাছে এলেন, এমন সময় আমরা ফজরের নামায পড়লাম । তার সাথে কিছু লোক ছিল , তিনি একজন লোককে নামাযের আযান দিতে বললেন , তারপর ফজরের আগে দুই রাকাত পড়লেন । অতঃপর তিনি এক ব্যক্তিকে ইকামতের নির্দেশ দিলেন এবং নিজে এগিয়ে গিয়ে সালাতের ইমামতি করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۰) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجَعْدِ أَبِی عُثْمَانَ ، عَنْ أَنَسٍ بِمِثْلِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7170) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۱) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِی حُرَّۃَ ، قَالَ دَخَلْت أَنَا، وَعَبْدُ اللہِ بْنُ حُمَیْدٍ مَسْجِدًا وَقَدْ صُلِّیَ فِیہِ ، فقَالَ : أَلاَ تَجِیئُ حَتَّی نُصَلِّیَ فِی جَمَاعَۃٍ قُلْتُ : إنَّ بَعْضَہُمْ قَدْ کَرِہَ ذَلِکَ ، قَالَ : کَانَ أَبِی لاَ یَرَی بِذَلِکَ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7171) হজরত আবু হুরা বলেন , আমি ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হামেদ মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং সেখানে সালাত আদায় করা হলো । তিনি আমাকে এসে একটি পার্টি করতে বললেন । আমি বললাম যে কিছু লোক এটিকে ঘৃণ্য বলে মনে করে । তারা বলতে শুরু করে যে আমার বাবা মনে করেন না এতে কোন ভুল আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ النَّاجِی ، عَنْ أَبِی الْمُتَوَکِّلِ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ وَقَدْ صَلَّی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : أَیُّکُمْ یَتَّجِرُ عَلَی ہَذَا ، قَالَ فَقَامَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ فَصَلَّی مَعَہُ۔ (ترمذی ۲۲۰۔ احمد ۳/۶۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(7172) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা . ) বলেন , একবার রাসূলুল্লাহ ( সা . ) লোকদের নামায শিক্ষা দিয়ে বললেন , হে মানব , হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ কে তার সাথে সওয়াবের বিনিময়ে ব্যবসা করবে ? এর উপর এক ব্যক্তি দাঁড়ালেন এবং তিনি দর্শনার্থীর সাত জামাতের নামায পড়লেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ أَخْبَرَنَا سُلَیْمَانُ التَّیْمِیُّ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : دَخَلَ رَجُلٌ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : أَلا رَجُلٌ یَتَصَدَّقُ عَلَی ہَذَا فَیَقُومُ فَیُصَلِّی مَعَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7173) হজরত আবু উসমান (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সালাত আদায় করার পর এক ব্যক্তি এসে বললেন , কে তাকে দান করবে এবং তার সাথে সালাত আদায় করবে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ دَخَلْت مَعَ إبْرَاہِیمَ مَسْجِدَ مُحَارِبٍ وَقَدْ صَلَّوْا فَأَمَّنِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৭৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ বলেন , আমি হজরত ইবরাহীম (আ.) - এর সঙ্গে মোহারেবের মসজিদে প্রবেশ করলাম , লোকেরা আগেই নামাজ পড়েছিল , তিনি মরিয়মকে ইমামতি করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ زِیَادٍ مَوْلَی قُرَیْشٍ ، قَالَ دَخَلْت مَعَ الْحَسَنِ مَسْجِدَ الْبَصْرَۃِ فَوَجَدْنَاہُمْ قَدْ صَلَّوْا فَصَلَّی بِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7175 ) হযরত যায়েদ মৌলি কুরাইশ বলেন , আমি হযরত হাসান (রা.) - এর সাথে বসরার মসজিদে প্রবেশ করলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ تُصَلَّی الْجَمَاعَۃُ بَعْدَ الْجَمَاعَۃِ فِی مَسْجِدِ الْکلاّئِ بِالْبَصْرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৭৬) হযরত হাসান বসরার মসজিদ আল কালামায় এক জামাতের পর অন্য জামাত করাতে কোন সমস্যা আছে বলে মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: إنَّمَا کَانُوا یکْرَہُونَ أَنْ یَجْمَعُوا مَخَافَۃَ السُّلْطَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৭৭) হযরত হাসান বলেন , পূর্বপুরুষরা সুলতানের ভয়ে দ্বিতীয় দলটিকে অবাঞ্ছিত মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُسَافِرٍ الْجَصَّاصِ ، عَنْ فُضَیْلِ بْنِ عَمْرٍو ، أَنَّ عَدِیَّ بْنَ ثَابِتٍ وَأَصْحَابًا لَہُ رَجَعُوا مِنْ جِنَازَۃٍ فَدَخَلُوا مَسْجِدًا قَدْ صُلِّیَ فِیہِ فَجَمَعُوا فَکَرِہَ ذَلِکَ إبْرَاہِیمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৭৮ ) হজরত ফাযিল ইবনে আমর বলেন , হজরত উদয় ইবনে সাবিত ( রা . ) ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গী একটি জানাজা থেকে ফেরার সময় মসজিদে গিয়ে জামাতের আয়োজন করেন । হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এই প্রথা অপছন্দ করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ رَبِّہِ بْنِ أَبِی رَاشِدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا الحیُّ ، قَالَ جَائَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِکٍ وَقَدْ صَلَّیْنَا الْغَدَاۃَ فَأَقَامَ الصَّلاَۃ ، ثُمَّ صَلَّی بِہِم فَقَامَ وَسَطَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৭৯) হজরত হাই বলেন , ফজরের নামাজের সময় হজরত আনাস বিন মালিক ( রা . ) আমাদের কাছে এলেন , আমরা নামায পড়া শেষ করলাম , তিনি লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়লেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، أَنَّہُ صَلَّی ہُوَ وَسَلْم بْنُ عَطِیَّۃَ فِی الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ فِی جَمَاعَۃٍ بَعْدَ مَا صَلَّی أَہْلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7180) হজরত আমর ইবনে মুহাম্মদ বলেন , হজরত আতা ও হজরত সালাম ইবনে আতিয়াহ মসজিদে হারামে জামাতের পর জামাতে নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، أَنَّہُ قَالَ : یُصَلُّونَ جَمِیعًا فِی صَفٍّ وَاحِدٍ إمَامُہُمْ وَسَطُہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7181) হযরত কাতাদাহ বলেন , যারা দ্বিতীয় জামাত গঠন করবে তারা সবাই এক কাতারে দাঁড়াবে এবং তাদের ইমাম তাদের মধ্যে থাকবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۲) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّوْا فَجَمَّعَ بِعَلْقَمَۃَ وَمَسْرُوقٍ وَالأَسْوَدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7182) হজরত সালামা ইবনে কাহেল বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ যখন মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন লোকেরা নামাজ পড়েছিল । তিনি আলকামাহ, মাসরূক ও আসওয়াদের নামাজ পড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : یُصَلُّونَ فُرَادَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৮৩ ) হজরত হাসান বলেন , তিনি একাই সালাত আদায় করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخبَرَنا خَالِد ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : یُصَلُّونَ فُرَادَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7184) হজরত আবু কালাবা বলেন , তারা একসঙ্গে সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۸۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : یُصَلُّونَ فُرَادَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7185 ) হজরত আবু কালাবা বলেন , তারা একসঙ্গে সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস