
(۷۱۲۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا نَسِیَ الْقُنُوتَ فِی الْفَجْرِ فَعَلَیْہِ سَجْدَتَا السَّہْوِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7126) হজরত হাসান বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি ফজরের নামাযে কুনূত দোআ ভুলে যায়, তখন তার উপর দুটি সাহু সিজদা আবশ্যক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۲۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ سَہَا فَقَنَتَ ، فَقَالَ : ہَذَا سَہَا فَأَصَابَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7127 ) হজরত ইবনে আবি লায়লাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , কুনুত নামায পড়ে খারাপ লাগলে কী করবে ? তিনি বলেছিলেন যে তিনি কষ্ট পেয়েছিলেন এবং এখন তিনি তা সংশোধন করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۲۸) حَدَّثَنَا الْوَلِیدُ بْنُ عُقْبَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ مَنْ رَأَی الْقُنُوتَ فَلَمْ یَقْنُتْ فَعَلَیْہِ سَجْدَتَا السَّہْوِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7128) হযরত আতা বলেন , যে কুনুতের মত পোষণ করেছে এবং কুনুত পড়েনি তার উপর সাহুর দুটি সেজদা ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۲۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ووَکِیعٌ وَغُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنِ الْبَرَائِ بْنِ عَازِبٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَنَتَ فِی الصُّبْحِ وَالْمَغْرِبِ۔ قَالَ : فَقَالَ : إبْرَاہِیمُ أَہُوَ کَأَصْحَابِ عَبْدِ اللہِ إنَّمَا ہُوَ کَانَ صَاحِبَ أُمَرَائَ ، وَلَمْ یَذْکُرْ وَکِیعٌ قَوْلَ إبْرَاہِیمَ۔ (ترمذی ۴۰۱۔ ابوداؤد ۱۴۳۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(7129) হজরত বারা ইবনে আযিব (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ফজর ও মাগরিবের নামায কুনুতের মাঝখানে পড়তেন । এই রেওয়ায়েত শুনে হজরত ইবরাহীম বললেন , তারা হজরত আবদুল্লাহর সাহাবীদের মতো তারা উচ্চপদস্থদের সাথে থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۰) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعقِلٍ ، قَالَ صَلَّیْت خَلْفَ عَلِیٍّ الْمَغْرِبَ ، فَقَنَتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7130) হজরত আবদ আল - রহমান বিন মুআকাল বলেন , আমি হযরত আলী (রা.) - এর পিছনে মাগরিবের নামায পড়লাম এবং তিনি আমার জন্য কুনুত পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ صَلاَتَانِ کَانَ یُقْنَتُ فِیہِمَا الْمَغْرِبُ وَالْفَجْرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৩১ ) হজরত আনাস ( রা ) বলেন , দু’টি নামায রয়েছে যাতে কুনুত নামায পড়া হবে : মাগরিব ও ফজর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ خَالِدٍ ، عَنِ ابْنِ مَعقِلٍ ، قَالَ قَنَتَ عَلِیٌّ فِی الْمَغْرِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7132) হজরত ইবনে মুআকাল বলেন যে , হযরত আলী মাগরিবের নামাযে কুনুত দোআ পাঠ করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۳) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ ثَابِتٍ الثُّمَالِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا جَعْفَرٍ ، عَنِ الْقُنُوتِ ، فَقَالَ : کُلُّ صَلاَۃٍ یُجْہَرُ فِیہَا فَفِیہَا الْقُنُوتُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৩৩ ) হজরত সাবিত সামালী বলেন , আমি হজরত আবু জাফর ( রা .) - কে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , যে নামাজে জাহরি পাঠ করা হয় তারও একটি কুনূত রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۴) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمِنْہَالِ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ رَأَی عَبْدُ اللہِ رَجُلاً یُصَلِّی صَافًّا بَیْنَ قَدَمَیْہِ ، فَقَالَ : لَوْ رَاوَحَ ہَذَا بَیْنَ قَدَمَیْہِ کَانَ أَفْضَلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7134) হজরত আবদুল্লাহ (রা.) এই লোকটিকে বললেন যে, সে যেন নামাজে দাঁড়ানোর সময় উভয় পা খোলা রাখে । হজরত আবদুল্লাহ বললেন , দুই পায়ের মাঝখানে এই নড়াচড়া করলে ভালো হয় । এবং বাম পায়ের ওপর ওজন রাখবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَیْسَرَۃَ النَّہْدِیِّ ، عَنِ الْمِنْہَالِ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : خَرَجَ عَبْدُ اللہِ مِنْ دَارِہِ إلَی الْمَسْجِدِ ، فَإِذَا رَجُلٌ یُصَلِّی صَافًّا بَیْنَ قَدَمَیْہِ ، فَقَالَ عَبْدُ اللہِ أَمَّا ہَذَا فَقَدْ أَخْطَأَ السُّنَّۃَ وَلَوْ رَاوَحَ بَیْنَ قَدَمَیْہِ کَانَ أَحَبَّ إلَیَّ۔ (نسائی ۹۶۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( 7135) হজরত আবু উবাইদাহ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ তাঁর বাড়ি থেকে মসজিদে গেলেন এবং এক ব্যক্তিকে পা খুলে নামাজ পড়তে দেখলেন । হজরত আবদুল্লাহ বলেন , তিনি সুন্নাতের বিরোধীতা করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عُیَیْنَۃَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ أَبِی فِی الْمَسْجِدِ فَرَأَی رَجُلاً صَافًّا بَیْنَ قَدَمَیْہِ ، فَقَالَ : أَلْزِقْ إحْدَاہُمَا بِالأُخْرَی لَقَدْ رَأَیْت فِی ہَذَا الْمَسْجِدِ ، ثَمَانیَۃَ عَشَرَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَا رَأَیْت أَحَدًا مِنْہُمْ فَعَلَ ہَذَا قَطُّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7136) হযরত আয় নাহ বিন আব্দুল রহমান বলেন , আমি আমার পিতার সাথে মসজিদে ছিলাম । তিনি একজন লোককে দেখালেন যে তিনি প্রার্থনায় তার উভয় পা খুলেছিলেন । বাবা তাকে বললেন এক পা অন্য পা মেলাতে হবে ! আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর আঠারোজন সাহাবীকে এই মসজিদে সালাত আদায় করতে দেখেছি , কিন্তু তাদের কেউই তা করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَمْرَو بْنَ مَیْمُونٍ یُرَاوِحُ بَیْنَ قَدَمَیْہِ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 7137) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আমি হজরত আমর বিন মায়মুনকে নামাজের সময় দুই পায়ের মাঝখানে নড়াচড়া করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بن أَبِی خَالِدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَمْرَو بْنَ مَیْمُونٍ یُرَاوِحُ بَیْنَ قَدَمَیْہِ یَضَعُ ہَذِہِ عَلَی ہَذِہِ وَہَذِہِ عَلَی ہَذِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৩৮) হজরত ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ বলেন , আমি হজরত আমর ইবনে মেমন ( রা . ) - কে তার দুই পায়ের মাঝখানে এবং কখনো কখনো অন্যদের ওপর পা ঘষতে বলেছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۳۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ عَبْدَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ سِیرِینَ یُصَلِّی وَہُوَ ہَکَذَا ، یَعْنِی یُقَدِّمُ رِجْلاً وَیُؤَخِّرُ أُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7139) হজরত ইউসুফ ইবনে আবদাহ বলেন , আমি হজরত ইবনে সীরীনকে দোয়া করতে দেখেছি যে , তিনি এক পা সামনের দিকে এবং অন্যটি পেছনে রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ سِیرِینَ یُرَاوِحُ بَیْنَ قَدَمَیْہِ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৪০) হজরত হিশাম বলেন , হজরত ইবনে সীরীন নামাজের সময় দুই পায়ের মধ্যে এই নড়াচড়া করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۱) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ رَاشِدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ مَکْحُولاً یَتَّکیئُ عَلَی قَدَمَیْہِ عَلَی ہَذِہِ مَرَّۃً وَعَلَی ہَذِہِ مَرَّۃً فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৪১) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে রশিদ বলেন, হজরত মাখুল সালাত আদায়ের সময় এক পা অন্য পাকে সমর্থন করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۲) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ سَالِمًا لاَ یَصُفُّ قَدَمَیْہِ فِی الصَّلاَۃ وَیُحَرِّکُہَا وَہُوَ یُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৪২ ) হজরত খালিদ ইবনে আবি বকর বলেন , আমি হজরত সেলিমকে দেখেছি যে , তিনি নামাযের সময় পা সোজা রাখতেন না বা নড়াতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ رَجُلٍ ، أَنَّ ابْنَ الزُّبَیْرِ کَانَ یَصُفُّ بَیْنَ قَدَمَیْہِ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7143) হজরত হিশাম ইবনে আরওয়া বলেন , এক ব্যক্তি আমাকে বলল যে, হজরত ইবনে যুবাইর ( রা . ) নামাজে তার উভয় পা সোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مَنْ رَأَی ابْنَ الزُّبَیْرِ یُصَلِّی قَدْ صَفَّ بَیْنَ قَدَمَیْہِ وَأَلْزَقَ إحْدَاہُمَا بِالأُخْرَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৪৪) হজরত হিশাম ইবনে আরওয়া বলেন , এক ব্যক্তি আমাকে বলল যে, তিনি হজরত ইবনে যুবাইর (রা.)- কে নামাযে তাঁর উভয় পা সোজা রাখতে দেখেছেন এবং তারা একে অপরকে আঁকড়ে ধরে থাকতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ مَعقِلٍ یُصَلِّی صَافًّا بَیْنَ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৪৫ ) হজরত হুসাইন বলেন , আমি হজরত ইবনে মুয়াকালকে দুই পা সোজা করে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۶) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ مُسْلِمَ بْنَ یَسَارٍ یُصَلِّی کَأَنَّہُ وِدٌّ لاَ یَتَرَوَّحُ عَلَی رِجْلٍ مَرَّۃً وَعَلَی رِجْلٍ مَرَّۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৪৬) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হযরত মুসলিম বনী সারকে এভাবে নামায পড়তে দেখেছি , তিনি মনে করতেন যেন তিনি তাদের একজন , তিনি তাদের পা একে অপরের উপরে রেখে বিশ্রাম নেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ یُصَلِّی صَافًّا بَیْنَ قَدَمَیْہِ فِیمَا نَعْلَمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7147) হজরত সাদ ইবনে ইব্রাহীম বলেন , আমাদের জানা মতে হজরত ইবনে উমর (রা. ) নামাজের সময় উভয় পা সোজা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ دِینَارٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عِکْرِمَۃَ یُصَلِّی صَافًّا بَیْنَ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৪৮ ) হযরত মালিক বিন দিনার বলেন , আমি হযরত ইকরামাকে পা সোজা রেখে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۴۹) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ قُرَیْشِ بْنِ حَیَّانَ ، قَالَ : رَأَیْتُ الْحَسَنَ یُصَلِّی صَافًّا بَیْنَ قَدَمَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৭১৪৯ ) হজরত কুরাইশ বিন হাইয়ীন বলেন , আমি হযরত হাসানকে পা সোজা করে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۰) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ مُخْتَارِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ یَصُفُّ رِجْلَیْہِ فِی الصَّلاَۃ ، وَلاَ یُرَاوِحُ بَیْنَہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7150) হজরত মুখতার বিন সাদ বলেন , আমি হযরত কাসিম বিন মুহাম্মদকে পা সোজা করে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : مَنْ دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَقَدْ سُبِقَ بِالصَّلاَۃ ، قَالَ یَبْدَأُ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7151) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , যে ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করবে এবং জামাত সমবেত হয়েছে, সে যেন প্রথমে ফরজ সালাত আদায় করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃ۔ وَحَفص ، عن الأَعمَش ، عَن إِبْرَاہِیم قَالَ : یَبْدَأُ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৫২) হজরত ইব্রাহিম বলেন , আগে ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ یَبْدَأُ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7153) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , তাকে প্রথমে ফরজ সালাত আদায় করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ووَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ ابْدَأْ بِالَّذِی جِئْت لَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(7154) হজরত শাবি বলেন , তিনি যে দোয়ার জন্য গেছেন তা আগে পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۷۱۵۵) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : ابْدَأْ بِالْمَکْتُوبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৭১৫৫) হজরত শাবি বলেন , আগে ফরজ নামাজ আদায় কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭১৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস