(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ১৯৫৩টি]



7006 OK

(৭০০৬)

সহিহ হাদিস

(۷۰۰۶) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ بِنَحْوِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7006) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7007 OK

(৭০০৭)

সহিহ হাদিস

(۷۰۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِیٍّ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقْنُتُ فِی النِّصْفِ مِنْ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭০০৭) হযরত আলী রামাযানের অর্ধেক পরে কুনুত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7008 OK

(৭০০৮)

সহিহ হাদিস

(۷۰۰۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّ أُبَیًّا أَمَّ النَّاسَ فِی خِلاَفَۃِ عُمَرَ، فَصَلَّی بِہِمُ النِّصْفَ مِنْ رَمَضَانَ لاَ یَقْنُتُ ، فَلَمَّا مَضَی النِّصْفُ قَنَتَ بَعْدَ الرُّکُوعِ ، فَلَمَّا دَخَلَتِ الْعَشْرُ أَبَقَ وَخَلاَ عَنْہُمْ ، فَصَلَّی بِہِمُ الْعَشْرَ مُعَاذٌ الْقَارِیئُ فِی خِلاَفَۃِ عُمَرَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭০০৮) হজরত হাসান বলেন , হজরত আবি হজরত ওমর (রা.)-এর খিলাফতকালে লোকদের নামাজে ইমামতি করেছিলেন । তিনি রমজানের অর্ধেক পর্যন্ত নামাযে কুনুত দো‘আ পাঠ করেননি , যখন অর্ধেক রমজান চলে যায় , তখন তিনি রুকু করার পর কুনুত দু‘আ পাঠ করেন । গত দশ বছরে প্রবেশ করলে তিনি চলে যান এবং জনগণের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত নেন । এরপর হজরত ওমরের খেলাফতকালে হজরত মুয়াজ - উল - ক্বারি সেখানে নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7009 OK

(৭০০৯)

সহিহ হাদিস

(۷۰۰۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَطَائٍ : الْقُنُوتُ فِی شَہْرِ رَمَضَانَ ؟ قَالَ : عُمَرُ أَوَّلُ مَنْ قَنَتَ ، قُلْتُ : النِّصْفُ الآخَرُ أَجْمَعُ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৭০০৯ ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হযরত আতাকে রমজানে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , অর্ধেক রমজানের পর হজরত উমর সর্বপ্রথম কুনুত পাঠ করেন আমি বললাম , রমজানের শেষার্ধে বেশি আয়োজন করা হতো । সে হ্যাঁ বলেছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7010 OK

(৭০১০)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ رَاشِدٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقْنُتُ فِی النِّصْفِ مِنْ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7010) হজরত ইবাদ বিন রশিদ বলেন, হজরত হাসান রমজানের অর্ধেক পরে কুনুত পড়তেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7011 OK

(৭০১১)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۱) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ الْمُہَلَّبِ بْنِ أَبِی حَبِیبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْت سَعِیدَ بْنَ أَبِی الْحَسَنِ عَنِ الْقُنُوتِ ؟ فَقَالَ : فِی النِّصْفِ مِنْ رَمَضَانَ ، کَذَلِکَ عُلِّمْنَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7011 ) হজরত মাহলাব ইবনে আবি হাবিবা বলেন , আমি হজরত সাঈদ ইবনে আবি আল হাসানকে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন : রমজানের অর্ধেক পরে কুনুত পাঠ করা হবে এবং আমরা এটাই শেখানো হয়েছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7012 OK

(৭০১২)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ یَحْیَی ، قَالَ : کَانَ یُصَلِّی وَلاَ یَقْنُتُ فِی الْوِتْرِ حَتَّی النِّصْفِ ۔ یَعْنِی مِنْ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7012) হজরত আমিশ বলেন , হজরত ইয়াহিয়া রামাযানের অর্ধেক পরে কুনুত নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7013 OK

(৭০১৩)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۳) حَدَّثَنَا أَزْہَرُ السَّمَّانُ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : الْقُنُوتُ فِی السَّنَۃِ کُلِّہَا ۔ قَالَ : وَکَانَ ابْنُ سِیرِینَ لاَ یَرَاہُ إِلاَّ فِی النِّصْفِ مِنْ رَمَضَانَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7013) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলতেন যে , গর্ভে সারা বছর কুনুত পড়া সুন্নত । হযরত ইবনে সীরীন রমজানের অর্ধেক পরেই কুনুত নামায পড়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7014 OK

(৭০১৪)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۴) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ الْحَسَنِ؛ أَنَّ عُمَرَ حَیْثُ أَمَرَ أُبَیًّا أَنْ یُصَلِّیَ بِالنَّاسِ فِی رَمَضَانَ، وَأَمَرَہُ أَنْ یَقْنُتَ بِہِمْ فِی النِّصْفِ الْبَاقِی لَیْلَۃَ سِتَّ عَشْرَۃَ ۔ قَالَ : وَکَانَ الْحَسَنُ یَقُولُ : إِذَا کَانَ إِمَامًا قَنَتَ فِی النِّصْفِ ، وَإِذَا لَمْ یَکُنْ إِمَامًا قَنَتَ الشَّہْرَ کُلَّہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7014) হজরত হাসান বলেন , হজরত উমর ( রা . ) যখন হজরত আবিকে রমজানে লোকদেরকে তারাবীহ পড়াতে নির্দেশ দেন , তখন তিনি তাকে বলেন , রমজানের অর্ধেক পর রমজানের ষোল তারিখ রাত থেকে মানুষকে দুআ কুনুত পড়ান । হজরত হাসান বলতেন , ইমাম হলে অর্ধেক রমজানের পর দুআ কুনুত পড়তে হবে। ইমাম না থাকলে সারা রমজানে কুনূত দুআ পাঠ করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7015 OK

(৭০১৫)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ لاَ یَقْنُتُ السَّنَۃَ کُلَّہَا فِی الْفَجْرِ ، وَیَقْنُتُ فِی الْوِتْرِ کُلَّ لَیْلَۃٍ قَبْلَ الرُّکُوعِ ۔ قَالَ أَبُو بَکْرٍ : ہَذَا الْقَوْلُ عِنْدَنَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7015) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আবদুল্লাহ সারা বছর ফজরে কুনুত নামাজ পড়তেন না এবং রুকু করার আগে পুরো এক বছর কুনুত নামাজ পড়তেন । আবু বকর বলেন , যা আমাদের নিকটবর্তী যেমন জিনিস আছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7016 OK

(৭০১৬)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ ہِشَامٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إِنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقُولُ فِی آخِرِ وِتْرِہِ : اللَّہُمَّ إِنِّی أَعُوذُ بِرِضَاکَ مِنْ سَخَطِکَ، وَأَعُوذُ بِمُعَافَاتِکَ مِنْ عُقُوبَتِکَ ، وَأَعُوذُ بِکَ مِنْکَ ، لاَ أُحْصِی ثَنَائً عَلَیْکَ ، أَنْتَ کَمَا أَثْنَیْتَ عَلَی نَفْسِکَ۔ (ترمذی ۳۵۶۶۔ ابوداؤد ۱۴۲۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(7016) হযরত আলী ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের শেষে ইন্তেকাল করেন । তারা এই কথাগুলো বলতেন (অনুবাদ) হে আল্লাহ ! আমি তোমার সন্তুষ্টির বিনিময়ে তোমার অসন্তুষ্টি থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কাছ থেকে ক্ষমার পরিবর্তে , আমি আপনার কাছ থেকে অবতীর্ণ শাস্তি থেকে আপনার আশ্রয় চাই । আমি আপনার কাছে জিজ্ঞাসা করি , আমি আপনার প্রশংসা গণনা করতে পারি না , আমি কেবল আপনার প্রশংসা করি যতটা আপনি আমাকে দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7017 OK

(৭০১৭)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ أَبِی الْمُہَزِّمِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : نَزَلْتُ عَلَیْہِ عَشْرَ سِنِینَ ، فَمَا رَأَیْتُہُ قَنَتَ فِی وِتْرِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7017 ) হজরত আবু মাহযম বলেন , আমি বিশ বছর যাবত হজরত আবু হারি রাহ.- এর কাছে হাজির হয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7018 OK

(৭০১৮)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَقْنُتُ فِی الْفَجْرِ، وَلاَ فِی الْوِتْرِ ، وَکَانَ إِذَا سُئِلَ عَنِ الْقُنُوتِ ، قَالَ : مَا نَعْلَمُ الْقُنُوتَ إِلاَّ طُولَ الْقِیَامِ ، وَقِرَائَۃَ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7018) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর ফজর ও বিতরে কুনুত পড়তেন না । তাকে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন যে, আমরা কুনুতকে কিয়াম ও ক্বিরাতকে দীর্ঘ করা বলে মনে করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7019 OK

(৭০১৯)

সহিহ হাদিস

(۷۰۱۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّمَا الْوِتْرُ عَلَی أَہْلِ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7019) হজরত আবু উবাইদা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যারা কুরআন তিলাওয়াত করে তাদের উপর বিতর ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7020 OK

(৭০২০)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : إِذَا سَہَا قَبْلَ أَنْ یَقْنُتَ ، فَلْیَسْجُدْ سَجْدَتَیِ السَّہْوِ ۔ یَعْنِی فِی الْوِتْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7020) হজরত হামদ (রা.) থেকে বর্ণিত যে , কোনো ব্যক্তি কুনুতের আগে সেজদায় পড়ে গেলে তাকে দুটি সেজদা করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7021 OK

(৭০২১)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ عَبْدَ اللہِ بْنَ مَسْعُودٍ کَانَ إِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَائَۃِ کَبَّرَ ثُمَّ قَنَتَ ، فَإِذَا فَرَغَ مِنَ الْقُنُوتِ کَبَّرَ ثُمَّ رَکَعَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7021) হজরত আসওয়াদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ যখন তিলাওয়াত শেষ করতেন, তখন তিনি তাকবীর বলতেন , তারপর কুনূত নামায পড়তেন এবং যখন তিনি কুনূত শেষ করতেন, তখন তাকবীর বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7022 OK

(৭০২২)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَقْنُتَ ، فَکَبِّرْ لِلْقُنُوتِ ، وَکَبِّرْ إِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَرْکَعَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭০২২) হজরত ইব্রাহীম (আঃ) বলেন , যখন তুমি কুনুত পাঠের নিয়ত করবে তখন কুনুতের জন্য তাকবীর বলবে এবং যখন রুকু করার ইচ্ছা করবে তখন তাকবীর বলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7023 OK

(৭০২৩)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُکَبِّرُ إِذَا قَنَتَ ، وَیُکَبِّرُ إِذَا فَرَغَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7023) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) যখন কুনুত বলতেন তখন তাকবীর বলতেন এবং শেষ হলে আবার তাকবীর বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7024 OK

(৭০২৪)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، قَالَ: إِذَا فَرَغْتَ مِنَ الْقِرَائَۃِ فَکَبِّرْ، ثُمَّ إِذَا فَرَغْتَ فَکَبِّرْ وَارْکَعْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7024) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যখন তুমি তেলাওয়াত শেষ করবে তখন তাকবীর বলবে এবং যখন কুনুত শেষ করবে তখন তাকবীর বলবে এবং রুকু করবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7025 OK

(৭০২৫)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْحَکَمَ ، وَحَمَّادًا ، وَأَبَا إِسْحَاقَ ، یَقُولُونَ فِی قُنُوتِ الْوِتْرِ : إِذَا فَرَغَ کَبَّرَ ، ثُمَّ قَنَتَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৭০২৫) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হাকাম , হজরত হামাদ ও হজরত আবু ইসহাককে বলতে শুনেছি যে , যখন তুমি তিলাওয়াত শেষ করবে, তখন তাকবীর বলবে এবং তারপর কোরআন পাঠ করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7026 OK

(৭০২৬)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۶) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : ارْفَعْ یَدَیْک لِلْقُنُوتِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7026) হজরত ইব্রাহীম বলেন , গর্ভের কুনুতের জন্য হাত উঠাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7027 OK

(৭০২৭)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۷) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ فِی قُنُوتِ الْوِتْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7027) হজরত আসওয়াদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ গর্ভের কুনূতে হাত উঠাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7028 OK

(৭০২৮)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِیُّ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ ابْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَرْفَعُ یَدَیْہِ إِذَا قَنَتَ فِی الْوِتْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7028) হজরত আসওয়াদ বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা.) যখন কুরআন তিলাওয়াত করতেন তখন হাত উঠাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7029 OK

(৭০২৯)

সহিহ হাদিস

(۷۰۲۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : دَخَلْتُ عَلَی الأَسْوَدِ ذَاتَ لَیْلَۃٍ وَہُوَ مَرِیضٌ ، فَصَلَّی الْوِتْرَ وَرَجُلٌ مُسْنِدٌ إِلَیْہِ ۔ قَالَ : فَقَنَتَ فَأَطَالَ الْقُنُوتَ ، حَتَّی ظَنَنْتُ أَنَّہُ قَدْ زَادَ عَلَی مَا کَانَ یَصْنَعُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7029 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , তিনি রাতে হাজরে আসওয়াদের খেদমতে উপস্থিত হওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন । তিনি বিতর পড়ার সময় একজন লোককে স্পর্শ করছিলেন দুআ কুনুত পাঠ করার সময় তিনি তার স্বাভাবিক পরিমাণের চেয়ে বেশি পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7030 OK

(৭০৩০)

সহিহ হাদিস

(۷۰۳۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُومُ بِنَا فِی الْوِتْرِ قَدْرَ مَا یَقْرَأُ مِئَۃَ آیَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7030 ) হজরত ইসমাইল ইবনে আবদুল মুলক বলেন , হজরত সাঈদ ইবনে জুবায়ের আমাদের বিতর পড়াতে গিয়ে আয়াত সংখ্যা পর্যন্ত কিয়াম করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7031 OK

(৭০৩১)

সহিহ হাদিস

(۷۰۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یُقَامُ فِی قُنُوتِ الْوِتْرِ قَدْرَ : {إِذَا السَّمَائُ انْشَقَّتْ}۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7031 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , বিতরকে সূরা আল আনশাককের সমান করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7032 OK

(৭০৩২)

সহিহ হাদিস

(۷۰۳۲) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ قُنُوتِ عُمَرَ فِی الْفَجْرِ ؟ فَقَالَ : کَانَ یَقْنُتُ بِقَدْرِ مَا یَقْرَأُ الرَّجُلُ مِئَۃَ آیَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7032) হজরত আসিম বলেন , হজরত আবু উসমানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , হজরত উমর (রা . ) ফজরের কুনুতে কত সময় কাটাতেন ? তিনি বলেন , একজন ব্যক্তির উচিত যতক্ষণ সম্ভব আয়াত তিলাওয়াত করা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7033 OK

(৭০৩৩)

সহিহ হাদিস

(۷۰۳۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ وِتْرَ إِلاَّ بِقُنُوتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 7033 ) হজরত ইবরাহীম বলেন , কুনুত ছাড়া বিতর হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7034 OK

(৭০৩৪)

সহিহ হাদিস

(۷۰۳۴) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ الأَشْجَعِیِّ ، قَالَ : قُلْتُ لأَبِی : یَا أَبَتِ ، صَلَّیْتَ خَلْفَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَخَلْفَ أَبِی بَکْرٍ ، وَعُمَرَ ، وَعُثْمَانَ ، فَہَلْ رَأَیْتَ أَحَدًا مِنْہُمْ یَقْنُتُ ؟ فَقَالَ : یَا بُنَیَّ ، ہِیَ مُحْدَثَۃٌ۔ (ترمذی ۴۰۳۔ احمد ۳/۴۷۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( 7034) হজরত আবু মালিক আশজাজি বলেন , আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম , হে পিতা! আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে নামায পড়েছেন , হযরত আবু বকর , হযরত উমর ও হযরত উসমান ( রাঃ ) এর পিছনে সালাত পড়েছেন , আপনি কি তাদের অনুসরণ করেছেন আমি কার কাছ থেকে নামায পড়ি ? তিনি বললেন , হে বৎস ! এই নতুন জিনিস .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



7035 OK

(৭০৩৫)

সহিহ হাদিস

(۷۰۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ غَسَّانَ الْمُرَادِیِّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ لَمْ یَقْنُتْ فِی الْفَجْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(7035) হজরত আমর ইবনে মায়মুন বলেন , হজরত উমর (রা . ) ফজরের কুনুত পড়তেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৭০৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস