(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২০৪৩টি]



6916 OK

(৬৯১৬)

সহিহ হাদিস

(۶۹۱۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ سُفْیَانَ بْنِ حُسَیْنٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَزِیدَ اللَّیْثِیِّ ، عَنْ أَبِی أَیُّوبَ ، قَالَ : قَالَ لِی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَوْتِرْ بِخَمْسٍ ، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَبِثَلاَثٍ ، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَبِوَاحِدَۃٍ ، فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَأَوْمِئْ إِیمَائً۔ (احمد ۴۱۸۔ دارمی ۱۵۸۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯১৬) হজরত আবু আইয়্যাব ( রা ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , তোমরা পাঁচ রাকাত বিতর নামায পড়, যদি পাঁচ রাকাত পড়ার শক্তি না থাকে রাকাআত পড়ার শক্তি না থাকলে এক রাকাত পড়বেন আর যদি শক্তি না থাকে তাহলে ইশারা করে নামায পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6917 OK

(৬৯১৭)

সহিহ হাদিস

(۶۹۱۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ أَبِی أَیُّوبَ ؛ نَحْوَہُ ، وَلَمْ یَرْفَعْہُ۔ (نسائی ۱۴۰۲۔ طحاوی ۲۹۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(6917) এ.কে এবং সনদ থেকেও এটি বর্ণিত নয় , এটি হজরত আবু আইয়ুব ( রা .) এর নিজের বক্তব্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6918 OK

(৬৯১৮)

সহিহ হাদিস

(۶۹۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنْ عَبْدِ الْحَکِیمِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : سَنَّ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْوِتْرَ کَمَا سَنَّ الْفِطْرَ وَالأَضْحَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯১৮ ) হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যব ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাজকে সুন্নত করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6919 OK

(৬৯১৯)

সহিহ হাদিস

(۶۹۱۹) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : الْوِتْرُ لَیْسَ بِحَتْمٍ کَالصَّلاَۃ الْمَکْتُوبَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯১৯ ) হজরত আলী বলেন , বিতর নামাজের মতো ফরজ নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6920 OK

(৬৯২০)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۰) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : الْوِتْرُ سُنَّۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6920) হযরত মুজাহিদ বলেন , বিতর সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6921 OK

(৬৯২১)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۱) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُسْلِمٍ مَوْلًی لِعَبْدِ الْقَیْسِ ، قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لْاِبْنِ عُمَرَ : أَرَأَیْتَ الْوِتْرَ ، سُنَّۃٌ ہُوَ ؟ قَالَ : فَقَالَ : مَا سُنَّۃٌ ؟ أَوْتَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ،وَأَوْتَرَ الْمُسْلِمُونَ ، قَالَ : لاَ، أُسُنَّۃُ ہُوَ ؟ قَالَ : مَہْ ، أَتَغْفُلُ ، أَوْتَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَأَوْتَرَ الْمُسْلِمُونَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯২১ ) হজরত মুসলিম মওলি আবদুল কায়েস বলেন , এক ব্যক্তি হজরত ইবনে উমর (রা.) - কে বললেন , তার চিন্তা বিতর ও সুন্নাহ । অথবা অন্য কিছু ? তিনি বলেন , সুন্নত কি ? আল্লাহর রাসুল ( সা . ) ও মুসলমানগণ বিতর পড়েছেন ! লোকটি বলল না , এগুলো সুন্নত নাকি না ? হজরত ইবনে উমর (রা.) বললেন , থামো , তুমি কি বুঝতে পারছ না ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ও ইসলামের লোকেরা বিতর পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6922 OK

(৬৯২২)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : قیلَ لَہُ : الْوِتْرُ ، فَرِیضَۃٌ ہِیَ ؟ فَقَالَ : قَدْ أَوْتَرَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَثَبَتَ عَلَیْہِ الْمُسْلِمُونَ۔ (احمد ۱/۱۲۰)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯২২) হজরত আসিম বলেন , হযরত আলীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , বিতর পড়া ওয়াজিব কি না ? তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর পড়তেন এবং মুসলমানরাও বিতর পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6923 OK

(৬৯২৩)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ یَحْیَی بْنِ حَبَّانَ أَخْبَرَہُ ، عَنِ ابْنِ مُحَیْرِیزٍ الْقُرَشِیِّ ، أَنَّہُ أَخْبَرَہُ ، عَنِ الْمُخْدَجِیِّ ، رَجُلٍ مِنْ بَنِی کِنَانَۃَ ، أَنَّہُ أَخْبَرَہُ ؛ أَنَّ رَجُلاً مِنَ الأَنْصَارِ کَانَ بِالشَّامِ ، یُکَنَّی : أَبَا مُحَمَّدٍ ، وَکَانَتْ لَہُ صُحْبَۃٌ ، وَکَانَ یَقُولُ : الْوِتْرُ وَاجِبٌ ، فَذَکَرَ الْمُخْدَجِیُّ أَنَّہُ رَاحَ إِلَی عُبَادَۃَ بْنِ الصَّامِتِ فَذَکَرَ ذَلِکَ لَہُ ، فَقَالَ عُبَادَۃُ : کَذَبَ أَبُو مُحَمَّدٍ ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ، یَقُولُ : خَمْسُ صَلَوَاتٍ ، کَتَبَہُنَّ اللَّہُ عَلَی الْعِبَادِ ، مَنْ جَائَ بِہِنَّ لَمْ یُضَیِّعْ مِنْ حَقِّہِنَّ شَیْئًا ، جَائَ وَلَہُ عِنْدَ اللہِ عَہْدٌ أَنْ یُدْخِلَہُ اللَّہُ الْجَنَّۃَ ، وَمَنِ انْتَقَصَ مِنْ حَقِّہِنَّ شَیْئًا ، جَائَ وَلَیْسَ لَہُ عِنْدَ اللہِ عَہْدٌ ، إِنْ شَائَ عَذَّبَہُ ، وَإِنْ شَائَ أَدْخَلَہُ الْجَنَّۃَ۔ (ابوداؤد ۱۴۱۵۔ ابن حبان ۱۷۳۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯২৩ ) বনু কিনানার এক ব্যক্তি , যার নাম মুখাদজি , বলেন যে , সিরিয়ায় একজন আনসার সাহাবী ছিলেন , আবু মুহাম্মাদ , তিনি বলতেন যে , বিতর ফরয । মাখদাজী বলেন , এ বিষয়টি হযরত উবাদা বিন সামিতের সামনে উল্লেখ করা হলে হযরত উবাদা বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে বলতে শুনেছি যে , এ পাঁচটি সালাত আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের উপর ফরজ করেছেন । যে ব্যক্তি এই নামাজগুলো এমনভাবে আদায় করবে যাতে তার হক ক্ষুণ্ণ না হয় , তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো মহান আল্লাহর ওপর ওয়াজিব । যে ব্যক্তি এই নামাযের হক কমিয়ে দেয় তার কোন দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালার উপর বর্তায় না তুমি চাইলে তাকে শাস্তি দাও এবং তুমি চাইলে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করতে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6924 OK

(৬৯২৪)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنْ عَامِرٍ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ یَنْسَی الْوِتْرَ ؟ قَالَ : لاَ یَضُرُّہُ ، کَأَنَّمَا ہُوَ فَرِیضَۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯২৪) হজরত মুতরফ বলেন , হজরত আমীরকে ওই ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে বিতর পড়তে ভুলে যায় । তিনি বলেন , এগুলো ভুলে যাওয়ার ক্ষতি ফরজ নামাজ ভুলে যাওয়ার মতো নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6925 OK

(৬৯২৫)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۵) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی الْوِتْرَ فَرِیضَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯২৫) হযরত হাসান গর্ভফুলকে ওয়াজিব মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6926 OK

(৬৯২৬)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَلِیٍّ ، قَالاَ : الأَضْحَی وَالْوَتْرُ سُنَّۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6926) হজরত আতা ও হজরত মুহাম্মদ বিন আলী বলেন , আয় দালাযি ও বিতর সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6927 OK

(৬৯২৭)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : الْوِتْرُ لَیْسَ بِحَتْمٍ ، وَلَکِنَّہُ سَنَّہَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ۔ (نسائی ۱۳۸۵۔ احمد ۱/۸۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯২৭ ) হযরত আলী বলেন , বিতর ফরয নয় । বরং এগুলি হল সেই সুন্নত যাকে রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সুন্নাত বলে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6928 OK

(৬৯২৮)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۸) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی حَبِیبٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ رَاشِدٍ الزَّوْفِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُرَّۃَ الزَّوْفِیِّ ، عَنْ خَارِجَۃَ بْنِ حُذَافَۃَ الْعَدَوِیِّ ، قَالَ : خَرَجَ عَلَیْنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلاَۃَ الْغَدَاۃِ ، فَقَالَ : لَقَدْ أَمَدَّکُمُ اللَّہُ اللَّیْلَۃَ بِصَلاَۃٍ ، ہِیَ خَیْرٌ لَکُمْ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ ۔ قَالَ : قُلْنَا: وَمَا ہِیَ یَا رَسُولَ اللہِ ؟ قَالَ : الْوِتْرُ ، فِیمَا بَیْنَ صَلاَۃِ الْعِشَائِ إِلَی طُلُوعِ الْفَجْرِ۔(ترمذی ۴۵۲۔ ابوداؤد ۱۴۱۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯২৮ ) হজরত আল -খাজা বিন হুদাফাহ আদুয়ী বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ফজরের নামাযের জন্য তিশরীফ নিয়ে এসে বললেনঃ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমি এই সালাতকে রাতে ফরজ করেছি যা লাল রঙের চেয়েও উত্তম । উট আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! তার কি কোন নামাজ আছে ? তিনি বলেন , এগুলো হল বিতর যা ইশা ও ফজরের মধ্যে পড়া হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6929 OK

(৬৯২৯)

সহিহ হাদিস

(۶۹۲۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّ اللَّہَ زَادَکُمْ صَلاَۃً إِلَی صَلاَتِکُمْ ، وَہِیَ الْوِتْرُ۔ (احمد ۲/۲۰۶۔ دار قطنی ۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( 6929 ) নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , আল্লাহ তোমাদের নামাযের সাথে বিতরের নামায যোগ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6930 OK

(৬৯৩০)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۰) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ، عَنِ الزُّہْرِیِّ، عَنْ عَطَائِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ أَبِی أَیُّوبَ ، قَالَ: الْوِتْرُ حَقٌّ ، أَوْ وَاجِبٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯৩০ ) হজরত আবু আইয়ুব বলেন , বিতর ফরজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6931 OK

(৬৯৩১)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : ہُوَ وَاجِبٌ ، وَلَم یُکْتَبْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৯৩১ ) হযরত মুজাহিদ বলেন , বিতর ফরয । এটা কোনো কর্তব্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6932 OK

(৬৯৩২)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ خَلِیلِ بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ قُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ لَمْ یُوتِرْ فَلَیْسَ مِنَّا۔ (احمد ۲/۴۴۳۔ راھویہ ۹۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৩২) হজরত আবু হুরায়রা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি বিতর পড়ে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6933 OK

(৬৯৩৩)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مُخْبِرٌ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، قَالَ : مَا أُحِبُّ أَنِّی تَرَکْتُ الْوِتْرَ ، وَلَوْ أَنَّ لِی حُمْرَ النِّعَمِ۔ (عبدالرزاق ۴۵۷۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৩৩) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন , আমি পছন্দ করি না যে আমি লাল উট পাব এবং তাদের কারণে বাছুরগুলো ছেড়ে দেব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6934 OK

(৬৯৩৪)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۴) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو الْمُنِیبِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بُرَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْوِتْرُ حَقٌّ ، فَمَنْ لَمْ یُوتِرْ فَلَیْسَ مِنَّا۔ (ابوداؤد ۱۴۱۴۔ احمد ۵/۳۵۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৩৪) হজরত বারিদা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , বিতর সঠিক এবং যে ব্যক্তি বিতর পড়ে না সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6935 OK

(৬৯৩৫)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ہِشَامٌ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّ اللَّہَ وِتْرٌ ، یُحِبُّ الْوِتْرَ۔ (بخاری ۶۴۱۰۔ مسلم ۲۰۶۲)


থেকে বর্ণিতঃ

(6935 ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , মহান আল্লাহ বিতর ( বিজোড়) এবং বিতর পছন্দ করেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6936 OK

(৬৯৩৬)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃُ وَہِشَامٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : أَوْتَرَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَلَیْسَ عَلَیْک ، قُلْتُ : لِمَنْ ؟ قَالَ : إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَوْتِرُوا یَا أَہْلَ الْقُرْآنِ۔ (ترمذی ۴۵۳۔ ابوداؤد ۱۴۱۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৩৬) হযরত সাঈদ বিন মুসাইব ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর আদায় করেছেন এবং তা তোমাদের উপর ওয়াজিব নয় । হযরত কাতাদা বলেন , আমি বললাম কার উপর ওয়াজিব । তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে কুরআনের লোকেরা ! আরও পড়ুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6937 OK

(৬৯৩৭)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو سِنَانٍ سَعِیدُ بْنُ سِنَانٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَوْتِرُوا یَا أَہْلَ الْقُرْآنِ ، فَإِنَّ اللَّہَ وِتْرٌ یُحِبُّ الْوِتْرَ ۔ فَقَالَ أَعْرَابِیٌّ : مَا یَقُولُ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ قَالَ : إِنَّہَا لَیْسَتْ لَکَ ، وَلاَ لأَصْحَابِک۔ (عبدالرزاق ۴۵۷۱)


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৩৭) হজরত আবু উবায়দা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ হে কুরআনের লোকেরা! বিতর পড় কারণ আল্লাহ তায়ালা বিতর (বিজোড়) এবং বিতর পছন্দ করেন । মহিলাটি জিজ্ঞেস করল , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কি বলছেন ? তিনি বলেন , আপনার উপর এবং আপনার মধ্যকার লোকদের উপর বিতর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6938 OK

(৬৯৩৮)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جُوَیْبِرٌ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّ اللَّہَ وِتْرٌ ، یُحِبُّ الْوِتْرَ ، فَأَوْتِرُوا یَا أَہْلَ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৩৮) হযরত দাহহাক ( রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আল্লাহ তায়ালা বিতর ( বিজোড় ) এবং তিনি বিতর পছন্দ করেন। হে কুরআনের লোকেরা! বিতর পড়া।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6939 OK

(৬৯৩৯)

সহিহ হাদিস

(۶۹۳۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ عِمْرَانَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إِنَّمَا الْوِتْرُ عَلَی أَہْلِ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6939) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, কুরআনের লোকদের জন্য বিতর ফরজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6940 OK

(৬৯৪০)

সহিহ হাদিস

(۶۹۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ مُعَاوِیَۃَ الدَّہْنِیِّ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ، قَالَ : إِنَّمَا الْوِتْرُ عَلَی أَہْلِ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 6940 ) হযরত হুযাইফা (রাঃ ) বলেন , কুরআনের লোকদের জন্য বিতর ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6941 OK

(৬৯৪১)

সহিহ হাদিস

(۶۹۴۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، قَالَ: کَانَ یُقَالُ: إِنَّمَا الْوِتْرُ عَلَی أَہْلِ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৪১) হজরত ইব্রাহিম (রা.) বলেন, বলা হয়েছে যে , কুরআনের লোকদের ওপর বিতর ফরজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6942 OK

(৬৯৪২)

সহিহ হাদিস

(۶۹۴۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِنَّمَا الْوِتْرُ عَلَی أَہْلِ الْقُرْآنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৪২) হজরত আবু উবাইদা (রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , কুরআনের লোকদের জন্য বিতর ওয়াজিব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6943 OK

(৬৯৪৩)

সহিহ হাদিস

(۶۹۴۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِکِ ، عَنْ زُبَیْدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَی ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقْرَأُ فِی وِتْرِہِ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ{قُلْ یَا أَیُّہَا الْکَافِرُونَ} ، وَ{قُلْ ہُوَ اللَّہُ أَحَدٌ} فَإِذَا سَلَّمَ ، قَالَ : سُبْحَانَ الْمَلِکِ الْقُدُّوسِ ، ثَلاَثَ مَرَّاتٍ۔(نسائی ۱۰۵۸۰۔ احمد ۳/۴۰۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(6943) হজরত আবদ আল-রহমান বিন আবযী বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ওয়াতরাতে সূরা আল - আলিয়া , সূরা আল -কাফরুন এবং সূরা আল-ইখলাস পাঠ করতেন এবং সালাম দিতেন । এই কথাগুলো তিনবার বলার পর , পবিত্র রাজার মহিমা হোক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6944 OK

(৬৯৪৪)

সহিহ হাদিস

(۶۹۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زُبَیْدٍ ، عَنْ ذِرٍّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَی ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُوتِرُ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی} ، وَ{قُلْ یَا أَیُّہَا الْکَافِرُونَ} ، وَ{قُلْ ہُوَ اللَّہُ أَحَدٌ} وَیَقُولُ فِی آخِرِ صَلاَتِہِ إِذَا جَلَسَ : سُبْحَانَ الْمَلِکِ الْقُدُّوسِ ،ثَلاَثًا ، یَمُدُّ بِہَا صَوْتَہُ فِی الآخِرَۃِ۔ (نسائی ۱۴۳۰۔ احمد ۳/۴۰۷)


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৪৪) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আবযী বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াতরাসের সময় সূরা আল ইয়া , সূরা আল কাফরুন এবং সূরা আল ইখলাস পাঠ করতেন । সালাম এই কথাগুলো তিনবার বলার সময় তিনি কণ্ঠস্বর নিচু করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6945 OK

(৬৯৪৫)

সহিহ হাদিস

(۶۹۴۵) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ : حدَّثَنَا شُعْبَۃٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ زُرَارَۃَ بْنِ أَوْفَی ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَیْنٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُوتِرُ بِـ : {سَبِّحِ اسْمَ رَبِّکَ الأَعْلَی}۔ (نسائی ۱۷۴۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৯৪৫) হজরত ইমরান বিন হুসাইন ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) মাতৃগর্ভে সূরা আল - আল পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৯৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস