
(۶۸۵۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ التَّأَوُّہَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৫৬) হযরত ইব্রাহীম (আঃ ) নামাযের সময় জোরে শ্বাস নেওয়াকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۵۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنِ ابْنِ سَالِمٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الزَّفِرَ فِی الصَّلاَۃ ، وَقَالَ : یُشَبَّہُ بِالْکَلاَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৫৭) হযরত শাবী ( রাঃ ) নামাযের সময় জোরে শ্বাস নেওয়াকে ডাকতেন এবং বলতেন এটা কথার মতই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۵۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : لاَ تَدَعْ وِتْرَک وَلَوْ بِنِصْفِ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6858) হজরত শাবি বলেন , অর্ধেক দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও বিতর ছেড়ে যাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۵۹) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، وَعَطَائٍ ، وَالْحَسَنِ ، وَطَاوُوسٍ ، وَمُجَاہِدٍ ، قَالُوا : لاَ تَدَعِ الْوِتْرَ ، وَإِنْ طَلَعَتِ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৫৯) হযরত শাবী , হযরত আতা, হযরত হাসান, হযরত তাওয়াস ও হযরত মুজাহিদ বলেন, সূর্য উঠলেও বিতর ত্যাগ করবেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۰) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، وَطَاوُوسٍ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : مَنْ لَمْ یُوتِرْ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَلْیُوتِرْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬০) হযরত আতা ও হযরত তাওস বলেন , যে ব্যক্তি বিতর পড়ে না এবং সূর্য উদিত হয়, সে যেন বিতর পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ وَبَرَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ رَجُلٍ أَصْبَحَ ، وَلَمْ یُوتِرْ ؟ قَالَ : أَرَأَیْتَ لَوْ نِمْتَ عَنِ الْفَجْرِ حَتَّی تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، أَلَیْسَ کُنْتَ تُصَلِّی ؟ ۔ کَأَنَّہُ یَقُولُ : یُوتِرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬১) হজরত ওয়াবরা বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর ( রা .) - কে জিজ্ঞেস করলাম , ফজর পর্যন্ত বিতর না পড়লে কী করবে ? তিনি বললেন , সূর্যোদয় পর্যন্ত ফজরের নামায না পড়লে কি কাযা হবে না ? যেন হজরত ইবনে উমর বলতে চেয়েছিলেন যে তিনি বিতর পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ سَعِیدَ بْنِ جُبَیْرٍ ، وَسُئِلَ عَنْ رَجُلٍ نَامَ عَنِ الْوِتْرِ حَتَّی أَصْبَحَ ؟ فَقَالَ : یُوتِرُ مِنَ الْقَابِلَۃِ وِتْرَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৬২) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির ( রা .) - কে জিজ্ঞেস করা হলো , সকাল পর্যন্ত বিতর পড়তে না পারলে কী করবে ? তিনি বললেন , পরের দিন দুই বিতর পড়বেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۳) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ مَالِکٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، قَالَ : أَوْتَرَ أَبِی وَقَدْ طَلَعَ الْفَجْرُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬৩) হজরত আবদুল রহমান ইবনে কাসিম বলেন , আমার পিতা ফজরের পর বিতর পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : الرَّجُلُ یَنَامُ فَیُصْبِحُ ، یُوتِرُ بَعْدَ مَا یُصْبِحُ بِرَکْعَۃٍ ؟ قَالَ : لاَ أَعْلَمُ بِہِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬৪) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ (সা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম , যদি কোনো ব্যক্তি ঘুমায় এবং ফজর হয়ে যায় , তাহলে সে কি ফজরের পর এক রাকাত বিতর পড়তে পারে? তিনি বলেন , এতে কোনো সমস্যা আছে বলে আমি মনে করি না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ حَمَّادًا عَنْ رَجُلٍ لَمْ یُوتِرْ حَتَّی طَلَعَتِ الشَّمْسُ ؟ فَقَالَ : أَحَبُّ إِلَیَّ أَنْ یُوتِرَ۔وَسَأَلْت الْحَکَمَ ؟ فَقَالَ : إِنْ شَائَ لَمْ یُوتِرْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬৫) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হামদকে ওই ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে সূর্যোদয় পর্যন্ত বিতর পড়েনি । তিনি বললেন , আমি বিতর পড়াই বেশি পছন্দ করি । আমি হযরত হাকামকেও একই প্রশ্ন করেছিলাম , তিনি বললেন , তিনি চাইলে বিতর পাঠ করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِی کَرِیمَۃَ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ قُرَّۃَ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إِلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إِنِّی أَصْبَحْتُ وَلَمْ أُوتِرْ ؟ فَقَالَ : إِنَّمَا الْوِتْرُ بِاللَّیْلِ ، ثُمَّ قَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إِنِّی أَصْبَحْتُ وَلَمْ أُوتِرْ ؟ فَقَالَ : إِنَّمَا الْوِتْرُ بِاللَّیْلِ ، ثُمَّ قَالَ : إِنِّی أَصْبَحْتَ وَلَمْ أُوتِرْ ؟ قَالَ فِی الثَّالِثَۃِ ، أَوِ الرَّابِعَۃِ : فَأَوْتِرْ۔ (عبدالرزاق ۴۶۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬৬) হজরত মুআবিয়া ইবনে কুরা ( রা) বলেন , এক ব্যক্তি নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর কাছে এসে বলল , হে আল্লাহর রাসূল! সকালে ঘুম থেকে উঠে বিতর পড়িনি । তিনি বলেন , রাতে বিতর হয় । তখন তিনি বললেন, আমি নাস্তা করেছি এবং বিতর করিনি । তিনি আবার বললেন , রাতে বিতর হয় । তিনি তৃতীয়বার বললেন যে আমি সকালে তিনি কোন বিতর পড়েননি । তিনি আবার বললেন , রাতে বিতর হয় । চতুর্থবার একই কথা বললে তিনি বললেন , আবার বিতর পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ (ح) وَمُغِیرَۃُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ (ح) وَعَبْدُ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، أَنَّہُمْ قَالُوا : إِنْ لَمْ تَفْعَلْ وَطَلَعَ الْفَجْرُ ، فَأَوْتِرْ ، مَا لَمْ تُصَلِّ الْغَدَاۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬৭) হজরত হাসান, হজরত ইব্রাহিম ও হজরত আতা বলেন , আপনি যদি রাতে বিতর না পড়ে থাকেন এবং ফজরের নামাজ পড়েন, তাহলে ফজরের নামাজের আগে আগে বিতর পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ الأَقْمَرِ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : یُوتِرُ وَإِنْ أَدْرَکَتْہُ صَلاَۃُ الصُّبْحِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৬৮) হযরত মাসরূক বলেন , সকালের নামায পড়লেও বিতর পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۶۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ نُعَیْمِ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ أَبِی مَرْیَمَ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إِلَی عَلِیٍّ ، فَقَالَ : إِنِّی نِمْتُ وَنَسِیتُ الْوِتْرَ حَتَّی طَلَعَتِ الشَّمْسُ ؟ فَقَالَ : إِذَا اسْتَیْقَظْتَ وَذَکَرْتَ ، فَصَلِّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৬৯ ) হজরত আবু মরিয়ম বলেন , এক ব্যক্তি হজরত আলী ( রা . ) - এর খেদমতে এসে বললেন , আমি ঘুমিয়ে আছি এবং সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত আমি বিতর পড়ি না । তিনি বলেন , এমন অবস্থায় যখন আপনি জেগে থাকেন এবং আপনি যদি আসো , সেই সময়টা পড়ো।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلاَۃُ اللَّیْلِ مَثْنَی مَثْنَی ، فَإِذَا خَشِیتَ الصُّبْحَ فَأَوْتِرْ بِرَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৭০) হজরত ইবনে ওমর ( রা .) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , রাতের নামায দুই রাকাত , যখন তুমি ফজরের পূর্বে নামায পড় , তাহলে এটা পড় রাকাত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۱) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ بْنُ سَوَّارٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یُوتِرُ بِرَکْعَۃٍ ، وَکَانَ یَتَکَلَّمُ بَیْنَ الرَّکْعَتَیْنِ وَالرَّکْعَۃِ ۔ (ابوداؤد ۱۳۳۰۔ احمد ۶/۷۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(6871) হজরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এক রাকাত বিতর পড়তেন এবং দুই রাকাত ও এক রাকাতের মধ্যে কথা বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا خَالِدٌ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ شَقِیقٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : صَلاَۃُ اللَّیْلِ مَثْنَی مَثْنَی ، وَالْوِتْرُ وَاحِدَۃٌ ، وَسَجْدَتَانِ قَبْلَ صَلاَۃِ الصُّبْحِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৭২) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , রাতের সালাত দুই রাকাত নিয়ে গঠিত । বিতরের রাকাত কি ? আর ফজরের নামাযের আগে দুটি সিজদা রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، وَابْنُ عَوْنٍ ، وَغَیْرُہُمَا ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ رَجُلاً سَأَلَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ صَلاَۃِ اللَّیْلِ ؟ قَالَ : مَثْنَی مَثْنَی ، فَإِذَا حَسِسْتَ الصُّبْحَ ، أَوْ خَشِیتَ الصُّبْحَ ، فَصَلِّ لَکَ رَکْعَۃً ، تُوتِرُ لَکَ صَلاَتَک۔ (بخاری۹۹۰۔ مسلم ۱۴۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(6873) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন যে , জনৈক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - কে তাহাজ্জুদ নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন : রাতের নামায দুই রাকাত নিয়ে গঠিত । যখন আপনি ফজর উঠার বিষয়ে চিন্তিত হন , তখন বিতর কিয়িক রাকাত পড়ুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ بَکْرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ الْمُزَنِیِّ؛ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ صَلَّی رَکْعَتَیْنِ ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ قَالَ: أَدْخِلُوا إِلَیَّ نَاقَتِی فُلاَنَۃً ، ثُمَّ قَامَ فَأَوْتَرَ بِرَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৭৪) হজরত বকর ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা . ) দুই রাকাত পড়লেন এবং সালাম দিলেন , তারপর বললেন , অমুক উটটি এখানে নিয়ে এসো। অতঃপর তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং এক রাকাত বিতর আদায় করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو بِشْرٍ ، عَنِ ابْنِ شَقِیقٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : صَلاَۃُ اللَّیْلِ مَثْنَی مَثْنَی ، وَالْوِتْرُ وَاحِدَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৭৫ ) হজরত ইবনে উমর বলেন , রাতের সালাত দুই রাকাত এবং বিতর এক রাকাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُوتِرُ بِرَکْعَۃٍ ، قَالَ : فَقِیلَ لَہُ ؟ فَقَالَ : إِنَّمَا اسْتَقْصَرْتُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৭৬) হযরত মুসআব ইবনে সাদ বলেন, তার পিতা এক রাকাত বিতর পড়তেন । কেউ তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন আমি ছোট করে দিয়েছি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّ مُعَاوِیَۃَ أَوْتَرَ بِرَکْعَۃٍ ، فَأُنْکِرَ ذَلِکَ عَلَیْہِ ، فَسُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ ؟ فَقَالَ : أَصَابَ السُّنَّۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৭৭) হজরত আতা বলেন , হজরত মুয়াবিয়া যখন এক রাকাত বিতর পড়তেন , তখন লোকেরা তার কাজ অপছন্দ করত । হজরত ইবনে আব্বাস ( রা .)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , তিনি সুন্নাহ অনুসরণ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۸) حَدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : سَمَرَ ابْنُ مَسْعُودٍ ،وَحُذَیْفَۃُ عِنْدَ الْوَلِیدِ بْنِ عُقْبَۃَ ، ثُمَّ خَرَجَا فَتَقَاوَمَا ، فَلَمَّا أَصْبَحَا رَکَعَ کُلُّ وَاحِدٍ مِنْہُمَا رَکْعَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৮৭৮ ) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , হজরত ইবনে মাসউদ ও হজরত হুজাইফা রাত্রে ওয়ালিদ ইবনে উকবার সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে এলেন , যখন সকাল হলো , তারা প্রত্যেকে এক রাকাত আদায় করল আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۷۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ جَرِیرِ بْنِ حَازِمٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَطَائً ، أُوتِرُ بِرَکْعَۃٍ ؟ فَقَالَ : نَعَمْ ، إِنْ شِئْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৭৯ ) হজরত জারীর ইবনে হাযিম বলেন , আমি হজরত আতা (রা .)-কে জিজ্ঞেস করলাম , আমি এই রাকাত বিতর পড়তে পারব কি না ? সে বলল হ্যা যদি তুমি চাও।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۸۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : کَانَ آلُ سَعْدٍ ، وَآلُ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ یُسَلِّمُونَ فِی رَکْعَتَیِ الْوِتْرِ ، وَیُوتِرُونَ بِرَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6880) হজরত শাবি বলেন , হজরত সাদ ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.)- এর পরিবারের লোকেরা বিতরের দুই রাকাত পর সালাম দিতেন এবং তারা এক রাকাত বিতর আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۸۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانَ الْحَسَنُ یُسَلِّمُ فِی رَکْعَتَیِ الْوِتْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৮১ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত হাসান দুই রাকাত বিতর পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۸۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنِ ، عَنْ سَعِیدٍ ، وَنَافِعٍ ، قَالَ : رَأَیْنَا مُعَاذًا الْقَارِیئَ یُسَلِّمُ فِی رَکْعَتَیِ الْوِتْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৮২) হজরত সাঈদ ও হজরত নাফি বলেন , আমরা হজরত মুআয আল - ক্বারিকে বিতরের দুই রাকাতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۸۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ؛ أَنَّ أَبَا بَکْرٍ أَوْتَرَ بِرَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৮৩ ) হজরত লেঃ বলেন , হজরত আবু বকর এক রাকাত বিতর আদায় করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۸۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : قَالَتْ نَائِلَۃُ ابْنَۃُ فُرَافِصَۃَ الْکَلْبِیَّۃُ : إِنْ تقْتُلُوہُ، أَوْ تَدَعُوہُ فَقَدْ کَانَ یُحْیِی اللَّیْلَ بِرَکْعَۃٍ یَجْمَعُ فِیہَا الْقُرْآنَ ، تَعْنِی یُوتِرُ بِہَا ، تَعْنِی عُثْمَانَ رَضِیَ اللَّہُ عَنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৮৪) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , হজরত নায়লা বিনতে ফারাফসা কালবিয়্যাহ বলেন , বিদ্রোহের জন্য হজরত উসমান (রা . ) শহীদ হয়ে যেতেন । তিনি সারা রাত জেগে থাকতেন এবং প্রতি রাকাতে সম্পূর্ণ কোরআন তেলাওয়াত করতেন হযরত নায়লা বিনতে ফারাফসা (রা. ) - এর বক্তব্যের অর্থ ছিল এটি ছিল বিতরের রাকাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۸۸۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عُمَارَۃَ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ الْجَزَّارِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَت : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُوتِرُ بِتِسْعٍ ، فَلَمَّا أَسَنَّ وَثَقُلَ أَوْتَرَ بِسَبْعٍ۔ (ابوداؤد ۱۳۴۳۔ احمد ۶/۳۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৮৮৫) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) নয় রাকাত বিতর পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৮৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস