
(۵۱۷۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلِمَۃَ ، قَالَ : صَلَّی بِنَا عَبْدُ اللہِ الْجُمُعَۃَ ضُحًی ، وَقَالَ : خَشِیتُ عَلَیْکُمُ الْحَرَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5176) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালামা বলেন , হজরত আবদুল্লাহ (রা) আমাদেরকে চাশতের সময় জুমার নামাজে ইমামতি করলেন এবং বললেন , আমি তোমাদের সবাইকে গরম থেকে বাঁচাতে চাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ سُوَیْد ، قَالَ : صَلَّی بِنَا مُعَاوِیَۃُ الْجُمُعَۃَ ضُحًی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5177 ) হজরত সাঈদ বিন সুওয়াইদ বলেন , হজরত মুয়াবিয়া আমাদেরকে চাশতের সময় জুমার নামাজ পড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۸) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا فُلَیْحُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ؛ أَنَّہُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِکٍ ، یَقُولُ : کُنَّا نُصَلِّی مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَۃَ إِذَا مَالَتِ الشَّمْسُ۔ (بخاری ۹۰۴۔ ابوداؤد ۱۰۷۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(5178) হযরত আনাস বিন মালিক (রাঃ) বলেন, আমরা সূর্য ডুবে গেলে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে জুমার সালাত আদায় করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَۃَ ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنُرِیحُ نَوَاضِحَنَا۔ قَالَ حَسَنٌ : فَقُلْتُ لِجَعْفَرٍ : وَأَیُّ سَاعَۃٍ تِیکَ ؟ قَالَ : زَوَالُ الشَّمْسِ۔ (مسلم ۲۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(5179) হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন , আমরা হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সাথে জুমার নামায পড়ার পর আমাদের উটগুলোকে বিশ্রাম দিতাম । হজরত হাসান বলেন , আমি হজরত জাফর (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , এটা কোন সময় হতো ? তিনি বলেন , সূর্যাস্তের সময় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ إِیَاسِ بْنِ سَلَمَۃَ بْنِ الأَکْوَعِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَۃَ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ ، ثُمَّ نَرْجِعُ نَتَّبِعُ الْفَیْئَ۔ (بخار ی۴۱۶۸۔ مسلم ۳۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(5180) হজরত সালামা ইবনে আকওয়া (রা) বলেন, সূর্য ডুবে গেলে আমরা রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে জুমার নামায পড়তাম। তারপর আমরা আমাদের ছায়া অনুসরণ করে ফিরে যেতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ أَبِی الْعَنْبَسِ عَمْرِو بْنِ مَرْوَانَ، عَنْ أَبِیہِ، قَالَ: کُنَّا نُجَمِّعُ مَعَ عَلِیٍّ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5181) হযরত আমর বিন মারওয়ানের পিতা বলেন, আমরা সূর্যাস্তের পর হযরত আলীর সাথে জুম্মা পাঠ করতাম।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِیُّ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ بْنِ سُمَیْعٍ ، عَنْ بِلاَلٍ الْعَبْسِیِّ ؛ أَنَّ عَمَّارًا صَلَّی بِالنَّاسِ الْجُمُعَۃَ ، وَالنَّاسُ فَرِیقَانِ : بَعْضُہُمْ یَقُولُ : زَالَتِ الشَّمْسُ ، وَبَعْضُہُمْ یَقُولُ : لَمْ تَزَلْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5182) হজরত বিলাল আব্বাসী বলেন , হজরত আম্মার (রা.) যখন লোকদের জুমার নামাজ পড়াতেন , তখন মানুষের মধ্যে দুটি ভিন্ন মত ছিল , কেউ বলেন সূর্য অস্ত গেছে আবার কেউ মনে করে যে সূর্য অস্ত যায় নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۳) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ مَاہَکَ ، قَالَ : قدِمَ مُعَاذٌ مَکَّۃَ وَہُمْ یُجَمِّعُونَ فِی الْحِجْرِ ، فَقَالَ : لاَ تُجَمِّعُوا حَتَّی تَفِیئَ الْکَعْبَۃُ مِنْ وَجْہِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5183) হজরত ইউসুফ বিন মাহীক বলেন , হজরত মুআয যখন মক্কায় আসেন , তখন লোকেরা শুক্রবারে হাতিমুম পাঠ করত । হজরত মুআয ( রা .) তাকে বললেন, যতক্ষণ না তার মুখ থেকে কাবার ছায়া ফিরে আসে ততক্ষণ পর্যন্ত সে যেন জুমার নামায না পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : کَانُوا یُصَلُّونَ الْجُمُعَۃَ فِی عَہْدِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ وَالْفَیْئُ ہُنَیْہَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5184) হজরত ইবনে আউন বলেন, হজরত ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রা.)-এর সময়ে লোকেরা এমন সময়ে জুমার নামাজ আদায় করত যখন জিনিসের ছায়া কিছুটা প্রসারিত হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : وَقْتُ الْجُمُعَۃِ عِنْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5185) হযরত হাসান বলেন, জুমার সময় সূর্যাস্তের সময়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۶) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ بْنِ سُمَیْعٍ ، عَنْ أَبِی رَزِینٍ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی مَعَ عَلِیٍّ الْجُمُعَۃَ ، فَأَحْیَانًا نَجِدُ فَیْئًا ، وَأَحْیَانًا لاَ نَجِدُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5186) হজরত আবু রাজিন বলেন , আমরা জুমার নামাজ হজরত আলী ( রা .) - এর সঙ্গে পড়তাম , কখনও তাঁকে আমাদের সঙ্গে দেখা যেত আবার কখনও তাঁকে দেখা যেত না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۷) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ ، عَنْ سِمَاکٍ ، قَالَ : کَانَ النُّعْمَانُ بْنُ بَشِیرٍ یُصَلِّی بِنَا الْجُمُعَۃَ بَعْدَ مَا تَزُولُ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5187) হজরত সামাক বলেন , হজরত নুমান বিন বশীর সূর্যাস্তের পর জুমার নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۸) حَدَّثَتَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِیِّ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ الْوَلِیدِ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ الْعَیْزَارِ ، قَالَ : مَا رَأَیْتُ إِمَامًا کَانَ أَحْسَنَ صَلاَۃً لِلْجُمُعَۃِ مِنْ عَمْرِو بْنِ حُرَیْثٍ ، کَانَ یُصَلِّیہَا إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫১৮৮ ) হযরত ওয়ালীদ বিন আইজার বলেন , আমি আমর বিন হুরায়ত ( রা . ) - এর চেয়ে জুমার নামাজের জন্য উত্তম ইমাম পাইনি । ইন্তেকালের পর তিনি জুমার নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۸۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : وَقْتُ الْجُمُعَۃِ ، وَقْتُ الظُّہْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5189) হজরত ইব্রাহিম বলেন , জুমার নামাজের সময় জোহরের ওয়াক্তের সমান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۰) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرُّؤَاسِیُّ ، عَنِ حَسَنٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عن مَوْلًی لآلِ الزُّبَیْرِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : الْجُمُعَۃُ وَاجِبَۃٌ عَلَی کُلِّ حَالِمٍ ، إِلاَّ أَرْبَعَۃً : الصَّبِیُّ ، وَالْعَبْدُ ، وَالْمَرْأَۃُ ، وَالْمَرِیضُ۔ (بیہقی ۱۸۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( 5190) আল - যুবায়ের একজন বর্ণনা করেন যে , হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , চার ব্যক্তি ব্যতীত প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের জন্য শুক্রবার ফরজ : শিশু , দাস , মহিলা , ধৈর্যশীল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کَعْبٍ الْقُرَظِیِّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَنْ کَانَ یُؤْمِنُ بِاللَّہِ وَالْیَوْمِ الأَخِرِ ، فَعَلَیْہِ الْجُمُعَۃُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، إِلاَّ عَلَی امْرَأَۃٍ ، أَوْ صَبِیٍّ ، أَوْ مَمْلُوکٍ ، أَوْ مَرِیضٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5191) হজরত মুহাম্মাদ বিন কাব আল-কারযী ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, মহানবী (সা . ) বলেছেন , যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে , তার ওপর জুম্মা ফরজ, কেবল নারী ছাড়া। , শিশু, ক্রীতদাস, অসুস্থ মানুষ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَی النِّسَائِ جُمُعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5192) হযরত হাসান বলেন, মহিলাদের উপর জুমআর ফরয নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۳) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ الشَّعْبِیُّ یَقُولُ : الْجُمُعَۃ حَقٌ عَلَی کُلِّ مُؤْمِنٍ ، إِلاَّ ثَلاَثَۃٌ : عَبْدٌ مَمْلُوک ، أَوْ مَرِیضٌ ، أَوْ امْرَأَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5193) হজরত শাবি বলেন , তিন ব্যক্তি ব্যতীত প্রত্যেক মুমিনের ওপর শুক্রবার ফরজ : ক্রীতদাস , অসুস্থ ও নারী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۴) حدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنِ الْوَصَّافِیِّ ، قَالَ : کُنْتُ عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِیزِ فَکَتَبَ إِلَی عَبْدِ الْحَمِیدِ : اُنْظُرْ مَنْ قِبَلَکَ مِنَ النِّسَائِ ، فَلاَ یَحْضُرْنَ جَمَاعَۃً ، وَلاَ جِنَازَۃً ، فَإِنَّہُ لاَ حَقَّ لَہُنَّ فِی جُمُعَۃٍ ، وَلاَ جِنَازَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5194) হজরত ওয়াসাফী বলেন , আমি হজরত উমর বিন আবদুল আজিজের কাছে ছিলাম , তিনি হজরত আবদুল হামিদকে একটি চিঠি লিখেছিলেন যে তিনি নারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন । তারা যেন জামাতে ও জানাজায় অংশ না নেয় সেদিকে খেয়াল রাখুন । তাদের উপর জুমা ও জানাযা ওয়াজিব নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَی الْعَبْدِ جُمُعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5195) হযরত মুজাহিদ বলেন, বান্দার জন্য জুমার নামাজ আবশ্যক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَی الْعَبْدِ جُمُعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5196) হযরত হাসান বলেন, বান্দার জন্য জুমার নামাজ আবশ্যক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ نَجِیحٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَعْدَانَ ، عَنْ جَدَّتِہِ ، قَالَتْ : قَالَ لَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ مَسْعُودٍ : إِذَا صَلَّیْتُنَّ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ مَعَ الإِمَامِ ، فَصَلِّینَ بِصَلاَتِہِ ، وَإذَا صَلَّیْتُنَّ فِی بُیُوتِکُنَّ فَصَلِّینَ أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5197) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাদানের দাদি বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা.) আমাদের নারীদের বললেন , তোমরা যদি জুমার নামাজ পড়তে আস , তাহলে তার সঙ্গে ইমামের সাথে নামায পড়ো এবং যদি ঘরে নামায পড়ো , তাহলে চার রাকাত নামায পড়ো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی امْرَأَۃٍ تَحْضُرُ الْمَسْجِدَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، أَنَّہَا تُصَلِّی بِصَلاَۃِ الإِمَام وَیُجْزِئُہَا ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫১৯৮) হযরত হাসান শুক্রবারে মসজিদে নামায পড়তে আসা মহিলা সম্পর্কে বলেছেন যে তিনি ইমামের সাথে সালাত আদায় করবেন যেভাবে তিনি সালাত আদায় করবেন এবং এটিই যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۹۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إِنْ جَمَّعَنْ مَعَ الإِمَامِ ، أَجْزَأَہُنَّ مِنْ صَلاَۃِ الإِمَام۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5199) হযরত হাসান বলেন , মহিলারা যদি ইমামের সাথে জুমার নামায পড়েন তবে ইমামের নামাযই তাদের জন্য যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۰۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کُنَّ النِّسَائُ یُجَمِّعْنَ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَکَانَ یُقَالُ : لاَ تَخْرُجْنَ إِلاَّ تَفِلاَتٍ ، لاَ یُوجَدُ مِنْکُنَّ رِیحُ طِیبٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5200 ) হজরত হাসান বলেন , মহিলারা হুজুর ( সা . ) এর সাথে জুমার নামাজের ইমামতি করতেন । তাদের সুগন্ধি ছাড়া শুক্রবারে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۰۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ فِی الْمَرْأَۃِ تَأْتِی الْجُمُعَۃَ ، قَالَ : تُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ یُجْزِئُ عَنْہَا ، وَلَکِنَّہُ لَیْسَ لَہَا أَنْ تَأْتِیَ الْجُمُعَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5201) হজরত ইব্রাহীম বলেন , কোনো মহিলা জুমার জন্য আসলে সে দুই রাকাত নামাজ পড়বে , কিন্তু জুমার নামাজে অংশ নেওয়া তার জন্য জরুরী নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۰۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کُنَّ نِسَائُ الْمُہَاجِرِینَ یُصَلِّینَ الْجُمُعَۃَ مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ یَحْتَسِبْنَ بِہَا مِنَ الظُّہْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5202 ) হজরত হাসান বলেন , মুহাজির মহিলারা হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে জুমার নামায পড়াতেন এবং দুপুরের নামায পড়তেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : إِنْ صَلَّتْ مَعَ الإِمَامِ أَجْزَأَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5203) হযরত কাতাদাহ বলেন , কোন মহিলা যদি ইমামের সাথে নামায পড়ে তবে ইমামের সালাতই তার জন্য যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۰۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : جَائَ سُلَیْکٌ الْغَطَفَانِیُّ وَالنَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَخْطُبُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَقَالَ : صَلِّ رَکْعَتَیْنِ تَجَوَّزْ فِیہِمَا۔ (بخاری ۱۱۶۶۔ ترمذی ۵۱۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(5204) হজরত জাবির (রা.) বলেন , একদা মহানবী ( সা . ) জুমার খুতবা দিচ্ছিলেন , তখন হজরত সালিক ( রা . ) উপস্থিত ছিলেন , তখন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) তিনি তাকে বললেন , দুই ছোট রাকাত পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲۰۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، وَأَبُو حُرَّۃَ ، وَیُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : جَائَ سُلَیْکٌ الْغَطَفَانِیُّ وَالنَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَخْطُبُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، وَلَمْ یَکُنْ صَلَّی الرَّکْعَتَیْنِ ، فَأَمَرَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ یُصَلِّیَ رَکْعَتَیْنِ یَتَجَوَّزُ فِیہِمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5205) হজরত হাসান বলেন , একবার হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার খুতবা দিচ্ছিলেন , যখন রাসুলুল্লাহ ( সা . ) গাতফানে উপস্থিত হলেন , তখন তিনি দুই রাকাত নামায পড়লাম নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে ছোট দুই রাকাত পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস