
(۶۷۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِیدِ بْنُ بَہْرَامَ ، عْن شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : النَّوْمُ عَلَی وِتْرٍ خَیْرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৬৬) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , বিতর পড়ে ঘুমানো উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۶۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنِ الْعَوَّامِ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : أَوْصَانِی خَلِیلِی صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَنْ لاَ أَنَامَ إِلاَّ عَلَی وِتْرٍ۔ (مسلم ۸۶۔ ابوداؤد ۱۴۲۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৬৭ ) হজরত আবু হারি রহঃ বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে অসিয়ত করেছেন যে , আমি যেন বিতর পড়ে ঘুমাতে পারি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۶۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مُسْہِرٍ، عَنْ لَیْثٍ، عَنْ مُجَاہِدٍ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ، قَالَ: أَوْصَانِی خَلِیلِی أَنْ لاَ أَنَامَ إِلاَّ عَلَی وِتْرٍ۔ (احمد ۴۹۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৬৮) হজরত আবু হারি রাহ. বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাকে অসিয়ত করেছেন যে , আমি যেন বিতর পড়ে ঘুমাতে পারি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۶۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ، قَالَ: أَمَّا أَنَا فَإِنِّی أُوتِرُ قَبْلَ أَنْ أَنَامَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৬৯ ) হযরত সাঈদ বিন মুসাইব বলেন , আমি ঘুমানোর আগে বিতর পড়ি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : کَانَ أَبُو بَکْرٍ یُوتِرُ أَوَّلَ اللَّیْلِ ، وَکَانَ عُمَرُ یُوتِرُ آخِرَ اللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৭০) হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইব বলেন , হজরত আবু বকর রা : রাতের প্রথমভাগে এবং হজরত উমর রা: রাতের শেষভাগে বিতর পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، وَحَفْصٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ: مَنْ خَافَ أَنْ لاَ یَقُومَ آخِرَ اللَّیْلِ فَلْیُوتِرْ أَوَّلہ، وَمَنْ طَمِعَ أَنْ یَقُومَ آخِرَ اللَّیْلِ فَلْیُوتِرْ آخِرَ اللَّیْلِ ، فَإِنَّ صَلاَۃَ آخِرِ اللَّیْلِ مَشْہُودَۃٌ ۔ وَقَالَ أَبُو مُعَاوِیَۃَ : مَحْضُورَۃٌ ، وَذَلِکَ أَفْضَلُ۔(مسلم ۱۶۲۔ احمد ۳/۳۰۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৭১) হজরত জাবির ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি রাতের শেষভাগে জাগ্রত না হওয়ার আশঙ্কা করে । তাকে রাতের প্রথম দিকে বিতর পড়তে হবে । যে ব্যক্তি নিশ্চিত যে সে রাতের শেষ ভাগে জাগ্রত হবে সে যেন রাতের শেষভাগে বিতর পাঠ করে । কারণ এটি নবীর সালাতের সময় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۲) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لأَبِی بَکْرٍ : مَتَی تُوتِرُ ؟ قَالَ : مِنْ أَوَّلِ اللَّیْلِ بَعْدَ الْعَتَمَۃِ ، قَبْلَ أَنْ أَنَامَ، وَقَالَ لِعُمَرَ: مَتَی تُوتِرُ ؟ قَالَ : مِنْ آخِرِ اللَّیْلِ ، قَالَ لأَبِی بَکْرٍ : أَخَذْتَ بِالْحَزْمِ ، وَقَالَ لِعُمَرَ: أَخَذْتَ بِالْقُوَّۃِ۔ (احمد ۳/۳۳۰۔ ابو یعلی ۱۸۱۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(6772) হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হজরত আবু বকর (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কখন বিতর পড়েন ? তিনি বলেন , এশার পর রাতের প্রথম দিকে ঘুমাতে যান । অতঃপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত উমর (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কখন বিতর পাঠ করেন ? রাতের শেষ ভাগে তিনি এ কথা বলেন । তিনি হজরত আবু বকরকে বললেন , তুমি হাজমের অনুশীলন করো এবং তিনি হজরত ওমরকে বললেন , তুমি শক্তির অনুশীলন করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : صَلاَۃُ الْمَغْرِبِ وِتْرُ النَّہَارِ۔ (نسائی ۱۳۸۲۔ احمد ۲/۸۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৭৩) হজরত ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , দিনের বিতর হল মাগরিবের সালাত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ دَاوُدَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : أَوَّلُ مَا فُرِضَتِ الصَّلاَۃ رَکْعَتَیْنِ ، إِلاَّ الْمَغْرِبَ فَإِنَّہَا وِتْرُ النَّہَارِ۔ (احمد ۶/۲۴۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৭৪ ) হজরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , মাগরিব ছাড়া সকল নামাযের প্রথম দুই রাকাত ফরজ ছিল , যা দিনের বিতর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۵) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : صَلاَۃُ اللَّیْلِ عَلَیْہَا وِتْرٌ ، وَصَلاَۃُ النَّہَارِ عَلَیْہَا وِتْرٌ ۔ یَعْنِی الْمَغْرِبَ آخِرَ الصَّلَوَاتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৭৫ ) হজরত ইবনে উমর ( রা ) বলেন , রাতের নামাযের শেষেও বিতর হয় এবং দিনের নামাযের শেষেও বিতর হয় । দিনের নামাজ শেষে বিতর হল মাগরিবের নামাজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : لاَ أَعْلَمُہُمْ یَخْتَلِفُونَ أَنَّ الْمَغْرِبَ وِتْرُ صَلاَۃِ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6776) হজরত মুহাম্মদ বলেন যে, আমি আমার পূর্বসূরিদের মধ্যে এমন কাউকে জানি না যে তারা আমার সাথে দিনের বেলার বিতর মাগরিবের নামায হওয়ার বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : الْمَغْرِبُ وِتْرُ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৭৭) হযরত মুজাহিদ বলেন , মাগরিবের নামায হল দিনের বেলার বিতর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ خَالِدٍ النِّیلِیِّ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : قَالَ : رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلاَۃُ الْمَغْرِبِ وِتْرُ صَلاَۃِ النَّہَارِ ، فَأَوْتِرُوا صَلاَۃَ اللَّیْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৭৮ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , মাগরিবের নামাজ দিনের নামাজের মতো । সুতরাং তোমরাও রাতের বিতর পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۷۹) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : الْوِتْرُ ثَلاَثٌ ، کَصَلاَۃِ الْمَغْرِبِ وِتْرُ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6779 ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , তিনটি বিতর আছে , তাই মাগরিবের নামাযের দিনের বিতর তিন রাকাত নিয়ে গঠিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَیْرٍ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یُصَلِّی بَعْدَ الْوِتْرِ، إِلاَّ رَکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৮০) হযরত আবু মাজাল বিতরের পর মাত্র দুই রাকাত পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۱) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ الرَّکْعَتَیْنِ بَعْدَ الْوِتْرِ ؟ فَحَلَفَ بِاللَّہِ إِنَّہُمَا لَبِدْعَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6781) হযরত কাসিমকে বিতরের পর দুই রাকাত নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি শপথ করলেন যে এটা বিদআত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۲) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : سَأَلَ رَجُلٌ مِنْ أَہْلِ الْیَمَنِ عَنْہُمَا عَطَائً ؟ فَقَالَ : أَنْتُمْ تَفْعَلُونَہُمَا ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6782 ) এ.কে ইয়েমেনের এক ব্যক্তি হজরত আতাকে বিতরের পরের দুই রাকাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , আপনি কি তা করেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی جَمْرَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ لاَ تُصَلِّی صَلاَۃً إِلاَّ سَجَدْتَ بَعْدَہَا سَجْدَتَیْنِ ، فَافْعَلْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৮৩) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , যে কোনো ফরজ সালাত আদায় করার পর যদি দুটি সেজদা করতে পারেন তবে অবশ্যই করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ الْبَرَائِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : رَأَیْتُہُ یَسْجُدُ بَعْدَ وِتْرِہِ سَجْدَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৮৪) হজরত আবুল আল -ইয়াহ বারা বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাসকে বিতরের পর দুটি সিজদা করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَوْنُ بْنُ صَالِحٍ الْبَارِقِیُّ ، عَنْ عَطِیَّۃَ الْعَوْفِی ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ الصَّلاَۃ بَعْدَ الْوِتْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৮৫) হজরত আতিয়্যা আওফী বলেন , হজরত আবু সাঈদ খুদরি বিতিরের পরের সালাতকে মাকরূহ বলে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۶) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ عُبَادٍ ، قَالَ : لأَنْ أَقْعُدَ بَعْدَ الْوِتْرِ فَأَقْرَأُ ، أَحَبُّ إِلَیَّ مِنْ صَلاَۃٍ بَعْدَ الْوِتْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৮৬) হজরত কায়স ইবনে উবাদ বলেন , বিতরের পর বসে নামায পড়া বিতরের পরে নামায পড়ার চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ سُلَیْمَانَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ عُبَادٍ ، قَالَ : إِذَا أَوْتَرْتَ ثُمَّ قُمْتَ ، فَاقْرَأْ وَأَنْتَ جَالِسٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৮৭) হযরত কায়েস বিন উবাদ (রা) বলেন , আপনি যখন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিতর পড়বেন, তারপর রাতে আবার জেগে উঠলে বসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۸) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ السَّجْدَتَیْنِ بَعْدَ الْوِتْرِ ؟ فَقَالَ : ہَذَا شَیْئٌ قَدْ تُرِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৮৮ ) হজরত মুজাহিদকে বিতরের পর দুটি সিজদা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , এগুলো পরিত্যাগ করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۸۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا سُلَیْمَانُ التَّیْمِیُّ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إِذَا أَوْتَرَ الرَّجُلُ مِنْ أَوَّلِ اللَّیْلِ ثُمَّ قَامَ مِنْ آخِرِ اللَّیْلِ ، فَلْیَشْفَعْ وَتْرَہُ بِرَکْعَۃٍ ، ثُمَّ لِیُصَلِّ ، ثُمَّ لِیُوتِرْ آخِرَ صَلاَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৮৯) হজরত ইবনে আব্বাস (রাঃ ) বলতেন , যখন কোন ব্যক্তি রাতের শুরুতে বিতর পড়ে অতঃপর রাতের শেষভাগে জেগে থাকে , তখন সে বিতরের সাথে এক রাকাত যোগ করে তারপর বিতর পড়বে নামাজ শেষে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۹۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَفْعَلُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6790) হজরত শাবি বলেন , হজরত ইবনে উমর ( রা .) এটা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۹۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّیْبَانِیُّ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَیْمُونٍ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ ذَلِکَ أَیْضًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৯১ ) হযরত আমর বিন মি মুনও রহ তারাও তাই করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ؛ أَنَّ أُسَامَۃَ بْنَ زَیْدٍ ، وَابْنَ عَبَّاسٍ ، قَالاَ: إِذَا أَوْتَرْتَ مِنْ أَوَّلِ اللَّیْلِ ثُمَّ قُمْتَ تُصَلِّی ، فَصَلِّ مَا بَدَا لَکَ وَاشْفَعْ ، ثُمَّ أَوْتِرْ بِرَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৯২) হজরত ওসামা ইবনে যায়েদ ও হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) বলতেন , যখন তুমি রাতের প্রথম দিকে ঘুম থেকে উঠে সালাত আদায় করো, তখন যত খুশি সালাত আদায় করো এবং সমসংখ্যক নামায আদায় করো । অতঃপর তোমরা এই রাকাত ও বিতরে শরীক হও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۹۳) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُوتِرُ أَوَّلَ اللَّیْلِ ، فَإِذَا قَامَ شَفَعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৭৯৩) হজরত হিশাম বলেন , হজরত উরওয়া ( রা .) রাতের প্রথম দিকে বিতর পড়তেন , অতঃপর রাতে উঠলে দুই রাকাত পড়তেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا سُفْیَانُ، وَشُعْبَۃُ، عَنْ عَبْدِالْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ، عَنْ مُوسَی بْنِ طَلْحَۃَ، عَنْ عُثْمَانَ؛ أَنَّہُ کَانَ یَشْفَعُ بِرَکْعَۃٍ ، وَیَقُولُ : مَا أُشَبِّہُہَا إِلاَّ بِالْغَرِیبَۃِ مِنَ الإِبِلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৭৯৪) হজরত মূসা ইবনে তালহা বলেন , হজরত উসমান এক রাকাতের সঙ্গে এক রাকাত মিলিয়ে দিতেন এবং বলতেন যে , আমি তাদের অদ্ভুত উটের সঙ্গে তুলনা করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۷۹۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ الأَوْدِیِّ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَرَوَانِ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَمْرَو بْنَ مَیْمُونٍ عَنِ الرَّجُلِ یُوتِرُ ، ثُمَّ یَسْتَیْقِظُ ؟ قَالَ : یَشْفَعُ بِرَکْعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6795 ) হজরত আবু কায়েস আওদি আবদ আল - রহমান ইবনে তরওয়ান বলেন , আমি হজরত আমর ইবনে মায়মূন (রা.)-কে সেই ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে রাতে বিতর পড়ে অতঃপর ধনী হলে তার কী করা উচিত ? তিনি বললেন , এই রাকাতে একসঙ্গে শামিল হতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৭৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস