
(۶۶۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنِ السُّدِّیِّ ، عَنْ رَجُلٍ ، یُقَالُ لَہُ : یَزِیدُ ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ یَاسِرٍ ؛ أَنَّہُ أُغْمِیَ عَلَیْہِ الظُّہْرَ ، وَالْعَصْرَ ، وَالْمَغْرِبَ ، وَالْعِشَائَ ، فَأَفَاقَ فِی بَعْضِ اللَّیْلِ فَقَضَاہُنَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৪৬ ) হজরত আম্মার বিন আস যোহর , আছর , মাগরিব ও এশার নামাজের সময় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۷) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، قَالَ : قیلَ لِعِمْرَانَ بْنِ حُصَیْنٍ : إِنَّ سَمُرَۃَ بْنَ جُنْدُبٍ یَقُولُ فِی الْمُغْمَی عَلَیْہِ : یَقْضِی مَعَ کُلِّ صَلاَۃٍ مِثْلَہَا ، فَقَالَ عِمْرَانُ : لَیْسَ کَمَا قَالَ ، یَقْضِیہِنَّ جَمِیعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৪৭) হজরত আবু মাজালজ বলেন, হজরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রা.) - কে কেউ বললেন যে , হজরত সামরা ইবনে জুনদাব বলেন , নামাজের সময় কোনো ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়লে তিনি যেন তার সঙ্গে নামাজ আদায় করেন । হজরত ইমরান বিন হুসাইন বলেন , তিনি সব নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، وَأَشْعَثَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ أُغْمِیَ عَلَیْہِ أَیَّامًا ، فَأَعَادَ صَلاَۃَ یَوْمِہِ الَّذِی أَفَاقَ فِیہِ ، وَلَمْ یُعِدْ شَیْئًا مِمَّا مَضَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৪৮) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর কিছু দিন অজ্ঞান ছিলেন। যখন সে জ্ঞান ফিরে পেল , তখন সে যেদিন চেতনা ফিরে পেল সেই দিনের নামাযই আদায় করল , বাকি দিনগুলোর নামায পড়ল না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ أُغْمِیَ عَلَیْہِ ، قَالَ وَکِیعٌ : أُرَاہُ قَالَ : شَہْرًا ، فَصَلَّی صَلاَۃَ یَوْمِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৪৯) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) কয়েকদিন অজ্ঞান ছিলেন ( হজরত ওয়াকিয়ার মতে , তিনি যেদিন জ্ঞান ফিরেছিলেন , সেদিন তিনি বেশিক্ষণ অজ্ঞান ছিলেন না )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۰) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، وَطَاوُوسٍ ، وَمُجَاہِدٍ ، أَنَّہُمْ قَالُوا فِی الْمُغْمَی عَلَیْہِ : یَقْضِی صَلاَتَہُ کَمَا یَقْضِی رَمَضَانَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৫০) হজরত আতা, হযরত তাওয়াস ও হযরত মুজাহিদ বলেন, অজ্ঞান ব্যক্তি যেভাবে রমজানের রোযার কাযা আদায় করে সেভাবে নামাযের কাযা আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۱) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَقْضِی صَلاَۃَ یَوْمِہِ الَّذِی أَفَاقَ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৫১) হজরত ইব্রাহীম বলেন , অজ্ঞান হয়ে পড়া ব্যক্তি যেদিন চেতনা ফিরে পাবে সেদিনই কাযা নামাজ পড়বে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَأَلْتُُہُ عَنِ الْمُغْمَی عَلَیْہِ إِذَا أَفَاقَ ؟ قَالَ : یَقْضِی صَلاَۃَ یَوْمِہِ الَّذِی أَفَاقَ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৫২ ) হজরত মুগীরাহ বলেন , আমি হজরত ইবরাহীম (রা. ) - কে অজ্ঞান হয়ে পড়া ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , যেদিন তিনি জ্ঞান ফিরে পাবেন , সেদিনই তিনি এ সালাত আদায় করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إِذَا أُغْمِیَ عَلَی الرَّجُلِ صَلاَتَیْنِ لَمْ یُعِدْ ، وَإِذَا أُغْمِیَ عَلَیْہِ صَلاَۃٌ وَاحِدَۃٌ أَعَادَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৫৩) হজরত হাসান বলতেন , যখন কোনো ব্যক্তি দুই নামাজের সময় অজ্ঞান থাকে , তখন তার কাযা হবে না । নামাযের সময় কেউ অজ্ঞান হলে কাযা আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمِ ، قَالَ : کَانَ یَقُولُ فِی الْمُغْمَی عَلَیْہِ : إِذَا أُغْمِیَ عَلَیْہِ یَوْمٌ وَلَیْلَۃٌ أَعَادَ ، وَإِذَا کَانَ أَکْثَرَ مِنْ ذَلِکَ لَمْ یُعِدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৫৪ ) হজরত ইবরাহীম বলেন , অচেতন অবস্থায় একদিন ও এক রাত অজ্ঞান থাকলে তার নামাজের কাযা হবে ;
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۵) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : إِذَا أُغْمِیَ عَلَی الرَّجُلِ أَیَّامًا ثُمَّ أَفَاقَ ، قَضَی صَلاَۃَ یَوْمِہِ وَلَیْلَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৫৫ ) হযরত হুকুম করেন যে , কয়েকদিন অজ্ঞান থাকার পর যদি কোন ব্যক্তি জ্ঞান ফিরে পায় তবে সে একদিনের নামাজই আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۶) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ مِجْشَرٍ ؛ أَنَّ مَیْمُونًا کَانَ یَرَی أَنْ یَقْضِیَ الرَّجُلُ الْمُغْمَی عَلَیْہِ الصَّلاَۃ کَمَا یَقْضِی الصَّوْمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৫৬) হজরত মেমনের অভিমত ছিল যে , অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ব্যক্তি রোজার কাযা যেভাবে আদায় করে সেভাবে নামাজের কাযা আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : أُغْمِیَ علَیْہِ أَیَّامًا فَلَمْ یُعِدْ شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৫৭ ) হজরত ইউনুস ইবনে উবাইদ বলেন , হজরত ইবনে সীরীন কিছু দিন অজ্ঞান ছিলেন , জ্ঞান ফেরার পর তিনি নামাজ শেষ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا جُوَیْبِرٌ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : أُغْمِیَ عَلَیْہِ صَلَوَاتٌ ، فَقِیلَ لَہُ : إِنَّہُ قَدْ ذَہَبَ مُنْذُ کَذَا وَکَذَا صَلاَۃٌ ، قَالَ : فَقَالَ : لَمْ یَذْہَبْ مِنِّی شَیْئٌ ، وَلَمْ یُعِدْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৫৮ ) হযরত জু ইয়াবার বলেন , হযরত দাহহাক কিছু নামাযের সময় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন । যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন , তাকে বলা হয়েছিল যে তার প্রার্থনা মারা গেছে । তিনি বলেছিলেন যে মরিয়মের কোনও প্রার্থনা মিস হয়নি আর তুমি নামাজের কাযা আদায় করনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۵۹) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : الْمُغْمَی عَلَیْہِ یَقْضِی الصِّیَامَ ، وَلاَ یَقْضِی الصَّلاَۃ ، کَمَا أَنَّ الْحَائِضَ تَقْضِی الصِّیَامَ وَلاَ تَقْضِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৫৯ ) হজরত হাসান বলেন , অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ব্যক্তি রোজার কাযা আদায় করবে কিন্তু কিছু নামাযের কাযা আদায় করবে না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : الْمُغْمَی عَلَیْہِ لاَ یَقْضِی ، اسْتَنَّ بِأُمَّہَاتِ الْمُؤْمِنِینَ ، لَمْ یَکُنْ یَقْضِینَ فِی حَیْضَتِہِنَّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৬০ ) হজরত আমীর বলেন , অজ্ঞান হয়ে পড়া ব্যক্তির নামাজের কাযা হবে না । কেননা মুমিনদের মায়েরা ঋতুস্রাবের দিনে কাযা আদায় করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : الْمُغْمَی عَلَیْہِ لاَ یَقْضِی ۔ قَالَ : وَأُغْمِیَ عَلَی ابْنِ سِیرِینَ أَیَّامًا فَلَمْ یَقْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬১) হজরত হাসান বলেন , অজ্ঞান হয়ে পড়া ব্যক্তির নামাজের কাযা হবে না । হজরত ইবনে সীরীন কিছু দিন অজ্ঞান থাকলেন , কিন্তু তিনি ওই দিনের কাযা আদায় করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْعُمَرِیُّ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ أُغْمِیَ عَلَیْہِ یَوْمَیْنِ فَلَمْ یَقْضِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬২) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) দুই দিন অজ্ঞান ছিলেন, কিন্তু তিনি ওই দিনের কাযা আদায় করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ؛ فِی الْمُغْمَی عَلَیْہِ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَیْہِ إِعَادَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬৩) হজরত জাহরি বলেন , অজ্ঞান হয়ে পড়া ব্যক্তির নামাজের কাযা হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، وَالَّذِی یَأْخُذُ بِہِ النَّاسُ : الَّذِی یُغْمَی عَلَیْہِ أَیَّامًا ، لاَ یَقْضِی إِلاَّ صَلاَۃَ یَوْمِہِ الَّذِی أَفَاقَ فِیہِ مِثْلُ الْحَائِضِ ، وَالَّذِی یُغْمَی عَلَیْہِ یَوْمًا وَاحِدًا یَقْضِی صَلاَۃَ ذَلِکَ الْیَوْمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬৪) হজরত ওয়াকিয়া বলেন , যে ব্যক্তি কয়েকদিন অজ্ঞান হয়ে পড়ে, সে যেদিন চেতনা ফিরে পায় সে দিনের জন্যই কাযা করবে , ঠিক একজন ঋতুমতী নারীর মতো । এক দিনের কম অজ্ঞান থাকলে সে দিনের নামাজ কাযা হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : نُـبِّئْتُ أَنَّ مَسْرُوقًا کَانَ یَحْمِلُ مَعَہُ لَبِنَۃً فِی السَّفِینَۃِ ، یَعْنِی یَسْجُدُ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৬৫ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , হজরত মাসরূক আমার কাছে একটি কাশ্তীমা নিয়ে যেতেন যার ওপর তিনি সিজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّ مَسْرُوقًا کَانَ إِذَا سَافَرَ حَمَلَ مَعَہُ فِی السَّفِینَۃِ لَبِنَۃً یَسْجُدُ عَلَیْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬৬) হজরত মুহাম্মদ বলেন , হজরত মাসরূক একটি নৌকায় একটি বিড়াল নিয়ে যেতেন , যে নৌকায় তিনি সিজদা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۷) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَسْجُدَ عَلَی الْخَشَبَتَیْنِ الْمَقْرُونَتَیْنِ فِی السَّفِینَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬৭) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ ( সা . ) একটি নৌকায় সিজদায় দুটি লাঠি যুক্ত হওয়াকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ الْمُزَنِیُّ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلُّوا مِنَ اللَّیْلِ أَرْبَعًا ، صَلُّوا وَلَوْ رَکْعَتَیْنِ ، مَا مِنْ أَہْلِ بَیْتٍ یُعْرَفُ لَہُمْ صَلاَۃٌ مِنَ اللَّیْلِ إِلاَّ نَادَاہُمْ مُنَادٍ: یَا أَہْلَ الْبَیْتِ : قُومُوا لِصَلاَتِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬৮) হজরত হাসান ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাতে চার রাকাত নামায পড়, যদিও তুমি দুই রাকাত নামায পড়ো । ঘরের লোকেরা যারা তাহাজ্জুদ নামাজকে তাদের রুটিন করে তোলে , ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন : হে গৃহ এবং স্বাগতম ! তোমার প্রার্থনার জন্য উঠো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۶۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : رَحِمَ اللَّہُ رَجُلاً قَامَ مِنَ اللَّیْلِ فَصَلَّی ، ثُمَّ أَیْقَظَ أَہْلَہُ فَصَلَّوْا ، رَحِمَ اللَّہُ امْرَأَۃً قَامَتْ مِنَ اللَّیْلِ فَصَلَّتْ ، ثُمَّ أَیْقَظَتْ زَوْجَہَا فَصَلَّی۔ (ابوداؤد ۱۴۴۵۔ احمد ۲/۲۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৬৯) হযরত হাসান ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ পড়ে তার উপর আল্লাহ রহম করুন এবং তার স্ত্রীকে জাগিয়ে দিন এবং সে যেন তাহাজ্জুদ নামায পড়ে প্রার্থনা আল্লাহ সেই মহিলার প্রতি রহম করুন যে তাহজুদের সালাত পড়ে এবং তারপর তার স্বামীকে জাগিয়ে দেয় এবং সে তাহজুদের সালাত আদায় করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۷۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو الأَشْہَبِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : صَلُّوا مِنَ اللَّیْلِ وَلَوْ قَدْرَ حَلْبِ شَاۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6670) হযরত হাসান বলেন , তাহাজ্জুদ নামায আদায় কর যদিও তা ছাগলের দুধ খাওয়ার পরিমাণ না হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۷۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَحِبُّ أَنْ لاَ یَتْرُکَ الرَّجُلُ قِیَامَ اللَّیْلِ ، وَلَوْ قَدْرَ حَلْبِ شَاۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6671) হজরত মুহাম্মদ সুপারিশ করতেন যে একজন ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত মিস করবেন না , যদিও তা একটি ছাগলের দুধ খাওয়ানোর পরিমাণের সমান না হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۷۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ زُبَیْدٍ ، عَنْ مُرَّۃَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : فَضْلُ صَلاَۃِ اللَّیْلِ عَلَی صَلاَۃِ النَّہَارِ ، کَفَضْلِ صَدَقَۃِ السِّرِّ عَلَی صَدَقَۃِ الْعَلاَنِیَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৭২) হজরত আবদুল্লাহ (রা) বলেন , রাতের নামাজের সওয়াব দিনের নামাজের চেয়েও বেশি , যেমন গোপন দান - সদকা প্রকাশ্য দান - খয়রাতের চেয়েও বেশি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۷۳) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بن خَالِدٍ ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ رُہَیْمَۃَ ، عَنْ جَدَّتِہِ ، قَالَتْ : کَانَ عُثْمَانُ یَصُومُ الدَّہْرَ ، وَیَقُومُ اللَّیْلَ إِلاَّ ہَجْعَۃً مِنْ أَوَّلِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৭৩) হজরত জুবায়ের ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাহিম বলেন , হজরত উসমান ( রা . ) সারাক্ষণ রোজা রাখতেন এবং রাতে উঠে দাঁড়াতেন । তবে রাতের প্রথম দিকে একটু দেরি করেই উঠতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۷۴) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : ذُکِرَ عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ ، فَقِیلَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إِنَّ فُلاَنًا نَامَ اللَّیْلَ حَتَّی أَصْبَحَ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : ذَاکَ رَجُلٌ بَالَ الشَّیْطَانُ فِی أُذُنِہِ ، أَوْ أُذُنَیْہِ۔ (بخار ی۱۱۴۴۔ مسلم ۵۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৭৪) হজরত আবদুল্লাহ (রা.) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর সামনে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে যে , তিনি রাতে এমনভাবে ঘুমাতেন যে তিনি সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকতেন । নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , শয়তান তার কানে ফিসফিস করে বললো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۷۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ الأَقْمَرِ ، عَنِ الأَغَرِّ أَبِی مُسْلِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، وَأَبِی سَعِیدٍ ، قَالاَ : إِذَا أَیْقَظَ الرَّجُلُ امْرَأَتَہُ مِنَ اللَّیْلِ فَصَلَّیَا ، کُتِبَا مِنَ الذَّاکِرِینَ اللَّہَ کَثِیرًا وَالذَّاکِرَاتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6675) হজরত আবু হুরায়রা ও হজরত আবু সাঈদ বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে রাতে ঘুম থেকে জাগায় এবং তারা উভয়েই তাহাজ্জুদ পাঠ করে , তখন তাদের উভয়েই পুরুষ যারা অনেক বেশি স্মরণ করে এবং যারা ওয়ালী নারীকে স্মরণ করে তাদের লেখা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস