
(۶۶۱۶) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالتَّرَوُّحِ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬১৬ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , নামাজের সময় পাখা দোলানোর কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ مُبَارَکٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَرِہَہُ عَبَثًا ، وَلَمْ یَرَ بِہِ فِی شِدَّۃِ الْحَرِّ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬১৭ ) হজরত হাসান এ কাজকে অপ্রয়োজনীয় বলতেন , তবে তিনি এর যৌক্তিকতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۸) حَدَّثَنَا عَبْدُاللہِ بْنُ مُبَارَکٍ، وَوَکِیعٌ، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ یَسَارٍ، عَنْ أَبِیہِ؛ أَنَّہُ کَرِہَ التَّرَوُّحَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6618) হযরত মুসলিম বনী সার নামাজের সময় পাখা দোলানোকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ أَبِی أُمَیَّۃَ ، عَنْ عُمَیْرٍ ، قَالَ : تَرَوَّحْتُ بَیْنَ أَبِی الْعَالِیَۃِ وَمُسْلِمِ بْنِ یَسَارٍ ، فَنَہَیَانِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬১৯) হজরত উমাইর বলেন , আমি হজরত আবুল আলিয়া ও হযরত মুসলিম বনী সারকে নামাযের সময় পাখা দিয়ে পাখা মেরেছিলাম , কিন্তু তারা আমাকে নিষেধ করেছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ التَّرَوُّحَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6620) হযরত ইব্রাহীম (আঃ ) নামাযের সময় পাখা ফুঁকানোকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، وَسُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِیِّ؛ أَنَّہُ کَرِہَ التَّرَوُّحَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6621) হযরত আবু আবদ আল-রহমান সালমী (রা ) নামাজের সময় পাখা দোলানোকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کُنَّا نَغْزُو مَعَ جُنَادَۃَ بْنِ أَبِی أُمَیَّۃَ الْبَحْرَ ، فَکُنَّا نُصَلِّی فِی السَّفِینَۃِ قُعُودًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬২২ ) হজরত মুজাহিদ বলেন , আমরা হজরত জানাদা ইবনে উমাইয়ার সঙ্গে সামুদ্রিক জিহাদে অংশ নিয়েছিলাম , নৌকায় বসে নামাজ পড়তাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، أَنَّ ابْنَ سِیرِینَ ، قَالَ : خَرَجْتُ مَعَ أَنَسٍ إِلَی بَنِی سِیرِینَ فِی سَفِینَۃٍ عَظِیمَۃٍ۔ قَالَ : فَأَمَّنَا ، فَصَلَّی بِنَا فِیہَا جُلُوسًا رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ صَلَّی بِنَا رَکْعَتَیْنِ أُخْرَاوَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬২৩ ) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , আমি হজরত আনাস (রা.) - এর সঙ্গে একটি বড় নৌকায় বনুস সিরিনে গিয়েছিলাম । হযরত আনাস বসে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেন । তারপর আমরা আরো দুই রাকাত পড়ি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا بِالصَّلاَۃ فِی السَّفِینَۃِ جَالِسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬২৪ ) হজরত আবু কালাবা নৌকায় বসে নামাজ পড়তে কোনো সমস্যা মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی خُزَیْمَۃَ ، عن َطَاوُوسٍ ، قَالَ : صَلِّ فِیہَا قَاعِدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬২৫ ) হযরত তাওস বলেন , নৌকায় বসে নামাজ পড়ুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۶) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، قَالَ : سُئِلَ أَنَسٌ عَنِ الصَّلاَۃ فِی السَّفِینَۃِ ؟ فَقَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ أَبِی عُتْبَۃَ مَوْلَی أَنَسٍ ، وَہُوَ مَعَنَا جَالِسٌ : سَافَرْتُ مَعَ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، وَأَبِی الدَّرْدَائِ ، وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ حُمَیْدُ : وَأُنَاسٍ قَدْ سَمَّاہُمْ ، فَکَانَ إِمَامُنَا یُصَلِّی بِنَا فِی السَّفِینَۃِ قَائِمًا ، وَنُصَلِّی خَلْفَہُ قِیَامًا ، وَلَوْ شِئْنَا لأَرْفَأنَا وَخَرَجْنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬২৬) হজরত হামেদ বলেন , হজরত আনাস ইবনে মালিককে নৌকায় নামায পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলো , তখন হযরত আনাসের ওস্তাদ আবদুল্লাহ ইবনে আবি উতবা , যিনি আমাদের একত্রে বসেছিলেন , তিনি বলেন , আমি হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা . ) এর সঙ্গে সফরে গিয়েছিলাম । আবু দারদা ও হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (হযরত হামেদ বলেন যে , তিনি ( অন্য কয়েকজনকেও উল্লেখ করেছেন ) আমাদের ইমাম নৌকায় দাঁড়িয়ে আমাদের নামায পড়াতেন এবং আমরা তার পিছনে দাঁড়িয়ে নামায পড়তাম , মাঝে মাঝে নৌকাটি তীরের কাছাকাছি হলে । যদি এটা হয়ে থাকে , আমরা সমুদ্র সৈকতে গিয়ে প্রার্থনা করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُسْلِمٍ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ أَبَاہُ کَانَ یَنْصِبُ عَلَمًا فِی السَّفِینَۃِ ، یُصَلِّی قَائِمًا ، وَإِنَّہَا لَمَرْفُوعَۃٌ شِرَاعُہَا تَجْرِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬২৭) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে ইয়াসার বলেন , তার পিতা একটি নৌকায় পতাকা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তেন , নৌকা তার পাল নিয়ে চলত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، وَالْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ ، قَالُوا : صَلِّ فِی السَّفِینَۃِ قَائِمًا ۔ وَقَالَ الْحَسَنُ : لاَ تَشُقَّ عَلَی أَصْحَابِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬২৮) হযরত শাবী , হযরত ইবনে সীরীন ও হযরত হাসান বলেন , নৌকায় দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করুন । হযরত হাসান বলেন , তোমার সাথীদের কষ্ট দিও না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۲۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، أَنَّہُ قَالَ فِی الصَّلاَۃ فِی السَّفِینَۃِ : إِنْ شِئْتَ قَائِمًا ، وَإِنْ شِئْتَ قَاعِدًا ، وَالْقِیَامُ أَفْضَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬২৯ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , যদি নৌকায় দাঁড়িয়ে নামায পড়তে চান এবং বসে সালাত আদায় করতে চান তবে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، أَنَّہُ قَالَ : یُصَلِّی فِی السَّفِینَۃِ قَائِمًا ، فَإِنْ لَمْ یَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا ، وَاسْجُدْ عَلَی قَرَارٍ مِنْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৩০) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়িব বলেন , নৌকায় দাঁড়িয়ে নামায পড় , যদি শক্তি না থাকে তাহলে নৌকায় বসে সেজদা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ مِغْوَلٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : صَلِّ فِیہَا قَائِمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৩১ ) হযরত শাবি বলেন , নৌকায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : صَلِّ فِی السَّفِینَۃِ قَائِمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৩২ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , নৌকায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۳) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ إِبْرَاہِیمَ عَنِ الصَّلاَۃ فِی السَّفِینَۃِ ؟ فَقَالَ : إِنِ اسْتَطَاعَ أَنْ یَخْرُجَ فَلْیَخْرُجْ ، وَإِلاَّ فَلَیُصَلِّ قَائِمًا ، فَإِنِ اسْتَطَاعَ ، وَإِلاَّ فَلْیُصَلِّ قَاعِدًا وَیَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَۃَ کُلَّمَا تَحَرَّفَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৩৩ ) হজরত মুগীরাহ বলেন , আমি হজরত ইবরাহীম (আ.) - কে নৌকায় নামায পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , যদি নৌকার বাইরে নামায পড়েন , শক্তি থাকলে বাইরে নামায পড়বেন , অন্যথায় নৌকায় দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবেন । দাঁড়িয়ে পড়তে না পারলে বসে পড়ুন । তবে যখনই কিবলা থেকে নৌকার দিক পরিবর্তন করা হবে তখন তার দিকও পরিবর্তন করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۴) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : یُصَلِّی فِیہَا قَائِمًا ، فَإِنْ لَمْ یَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا ، وَإِنِ اسْتَطَاعَ أَنْ یَخْرُجَ إِلَی الْجُدِّ فَلْیَخْرُجْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৩৪) হযরত হুকুম করেন যে, নৌকায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে হবে , দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে না পারলে বসে নামাজ পড়তে হবে । তীরে গিয়ে নামাজ পড়ার শক্তি থাকলে বাইরে গিয়ে নামাজ পড়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ صَالِحٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : یَنْصِبُ عَلَمًا فِی السَّفِینَۃِ ثُمَّ یَتَّبِعْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6635) হজরত আমীর বলেন , তিনি একটি নৌকায় একটি পতাকা তুলে তার দিকে দোয়া করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الْعَلاَئُ بْنُ قَیْسٍ الْکَاہِلِیُّ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَطَائً عَنِ الصَّلاَۃ فِی السَّفِینَۃِ ؟ فَقَالَ : لاَ تُصَلُّوا فِیہَا مَا وَجَدْتُمْ جُدًّا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৩৬ ) হজরত কায়েস কাহলী বলেন , আমি হযরত আতা (রা.) - কে নৌকায় নামাযের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , যতক্ষণ না তুমি তীরে না পৌঁছাবে ততক্ষণ নামায পড়বে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَسْتَقْبِلُ الْقِبْلَۃَ کُلَّمَا تَحَرَّفَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৩৭ ) হযরত ইব্রাহীম ( আঃ ) বলেন , নামাযের সময় নৌকা ঘুরলে কিবলার দিকে ঘুরবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَدُورُونَ مَعَ الْقِبْلَۃِ حَیْثُ دَارَتِ السَّفِینَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৩৮ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , নামাযের সময় নৌকা ঘুরলে নৌকার মাঝিরা কিবলার দিকে মুখ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۳۹) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی غَنِیَّۃَ، عَنْ أَبِیہِ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : تَیَمَّمِ الْقِبْلَۃَ حَیْثُ دَارَتِ السَّفِینَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৩৯) হযরত নির্দেশ দেন যে , নামাযের সময় নৌকা ঘুরলেই যেন কেবলার দিকে মুখ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الرَّبِیعُ بْنُ صَبِیحٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ ، قَالاَ : یُصَلُّونَ فِیہَا قِیَامًا جَمَاعَۃً ، وَیَدُورُونَ مَعَ الْقِبْلَۃِ حَیْثُ دَارَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৪০ ) হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সিরীন বলেন , নামাযের সময় নৌকা ঘুরলে কিবলার দিকে ঘুরতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَیُّوبَ أَبِی الْعَلاَئِ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَطَائً ، وَسُئِلَ عَنْ مَلاَّحٍ یَکُونُ فِی سَفِینَۃٍ ، وَمَعَہُ فِیہَا أَہْلُہُ ، وَہِیَ مَنْزِلُہُ ، یُسَافِرُ فِیہَا ؟ قَالَ : یُصَلِّی فِیہَا أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৪১) হযরত আতা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, যদি কোন নাবিক নৌকায় থাকে এবং তার স্ত্রী - সন্তান তার সাথে থাকে এবং নৌকাটি তার বাড়ি হয় , তাহলে তিনি কত রাকাত পড়বেন ? তিনি বললেন চার রাকাত পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ ، قَالَ : سُئِلَ الْحَسَنُ عَنِ الْمَلاَّحِینَ یَکُونُونَ فِی السَّفِینَۃِ فِی أَہَالِیہمْ ، یُتِمُّونَ الصَّلاَۃ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، ہِیَ مَنَازِلُہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৪২ ) হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করা হলো , কিছু লোক তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে নৌকায় বসবাস করলে তারা কি পূর্ণ সালাত আদায় করবে ? তারা বলল , হ্যাঁ , এই নৌকাগুলো তাদের বাড়ি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا إِیَاسُ بْنُ دَغْفَلٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَطَائً عَنِ الصَّلاَۃ فِی السَّفِینَۃِ ؟ فَقَالَ : ہُمْ مُطْمَئِنُّونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬৪৩ ) হজরত আইস বিন দাগফল বলেন , আমি হযরত আতা ( রা . ) - কে নৌকার মাঝিদের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , তারা রুটি নিয়ে বেঁচে থাকে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَوْشَبِ بْنِ عَقِیلٍ الْعَبْدِیِّ ، قَالَ : سُئِلَ الْحَسَنُ عَنِ الْمَلاَّحِ الْمَجُوسِیِّ یَکُونُ بَیْنَ یَدَیِ الْقَوْمِ فِی السَّفِینَۃِ وَہُمْ یُصَلُّونَ ، وَہُوَ قَائِمٌ ؟ قَالَ : یُصَلَّی خَلْفَہُ ، وَإِنْ کَانَ قَائِمًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬৪৪) হজরত আকিল আবদি বলেন , হযরত হাসানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , তিনি যদি একজন নাবিক জাদুকর হন এবং যখন তারা প্রার্থনা করছিলেন তখন তিনি কী করতেন ? তিনি বললেন , দাঁড়িয়ে থাকলেও তার পিছনে সালাত আদায় করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مَطَرٍ ، عَنْ عَطَائِ ؛ فِی الْمَلاَّحِینَ الْمَجُوسِیِّینَ یَکُونُونَ بَیْنَ یَدَیِ الْقَوْمِ فِی السَّفِینَۃِ وَہُمْ یُصَلُّونَ ؟ قَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6645) হজরত আতাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে একজন নাবিক যদি জাদুকর হয় এবং যখন তারা নামাযরত অবস্থায় লোকদের সামনে দাঁড়ায় তবে তার কী করা উচিত ? সে বলল আমার কোন দোষ নেই ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস