
(۶۵۸۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن ہَمَّامٍ ، قَالَ : صَلَّی حُذَیْفَۃُ عَلَی دُکَّانٍ وَہُمْ أَسْفَلُ مِنْہُ ، قَالَ : فَجَذَبَہُ سَلْمَانُ حَتَّی أَنْزَلَہُ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ ، قَالَ لَہُ : أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ أَصْحَابَک کَانُوا یَکْرَہُونَ أَنْ یُصَلِّیَ الإِمَامُ عَلَی الشَّیْئِ ، وَہُمْ أَسْفَلُ مِنْہُ ؟ قَالَ : فَقَالَ حُذَیْفَۃُ : بَلَی ، قَدْ ذَکَرْتُ حِینَ مَدَدْتَنِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৮৬) হজরত হাম্মাম বলেন , হজরত হুযিফা (রা. ) একটি উঁচু স্থানে নামাজ পড়তে লাগলেন , তখন বাকি লোকেরা নিচু হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন । হযরত সালমান তাদেরকে টেনে নামিয়ে আনলেন যখন তিনি নামায শেষ করলেন, তখন হযরত সালমান (রাঃ) বললেন, “ তুমি কি জানো না যে , তোমার সাথীরা মনে করত যে , ইমামের জন্য কোন কিছুর উপরে দাঁড়ানোকে জঘন্য কাজ এবং লোকেরা তুমি কি ? হজরত হুজাইফা ( রা .) বললেন , এটা একেবারেই ঠিক , আপনি যখন আমাকে টেনে নিয়েছিলেন তখন আমার এই কথা মনে পড়েছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : صَلَّی حُذَیْفَۃُ عَلَی دُکَّانٍ بِالْمَدَائِنِ ، أَرْفَعَ مِنْ أَصْحَابِہِ ، فَمَدَّہُ أَبُو مَسْعُودٍ ، فَقَالَ لَہُ : أَمَّا عَلِمْتَ أَنْ ہَذَا یُکْرَہُ ؟ قَالَ : أَلَمْ تَرَ أَنَّک لَمَّا ذَکَّرْتَنِی ذَکَرْتُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৮৭) হজরত ইবরাহীম বলেন , হজরত হুযায়ফা ( রা.) চেয়েছিলেন মাদাইনের একটি উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে তার অনুসারীদের চেয়ে উঁচু নামাজের ইমামতি করতে , তাই হযরত আবু মাসউদ ( রা . ) তাকে বললেন , তুমি কি তা জানো না ? এটা করা জঘন্য ? সে বলল তুমি আমাকে মনে করিয়ে দিলে আমার মনে পড়ে !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی قَیْسٍ ، عَنْ ہُزَیْلٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَرْتَفِعَ الإِمَامُ عَلَی أَصْحَابِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৮৮) হজরত আবদুল্লাহ ইমামের পক্ষে তাঁর অনুসারীদের চেয়ে উঁচুতে দাঁড়ানোকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْمَسْعُودِیِّ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، قَالَ : کَانَ شَاذَرْوَانُ الْقَصْرِ یَقُومُ عَلَیْہِ الإِمَامُ ۔ قَالَ : فَکَرِہَہُ عَبْدُ اللہِ ، وَأَمَرَ بِہِ فَکُسِرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৮৯) হযরত কাসিম বলেন , ইমামের জন্য একটি উঁচু স্থান ছিল যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তেন । হজরত আবদুল্লাহ তা ভাঙ্গা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۰) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَکُونَ مَکَانُ الإِمَامِ أَرْفَعَ مِنْ مَکَانِ الْقَوْمِ ، وَکَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَرْفَعَ الرَّجُلُ فِی مُصَلاَّہُ شَیْئًا یَسْجُدُ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৯০) হজরত ইব্রাহিম (আ. ) বলতেন , ইমামের স্থান মানুষের স্থানের চেয়ে উঁচু । তিনি এই বিষয়টিকেও অপছন্দ করতেন যে একজন ব্যক্তি নামাজের পরিবর্তে উচ্চ কিছুর কাছে মাথা নত করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۱) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ بْنِ سُمَیْعٍ ، عَنْ بِلاَلٍ الْعَبْسِیِّ ، قَالَ : رَأَی عَمَّارٌ رَجُلاً یُصَلِّی عَلَی رَابِیَۃٍ ، فَأَخَذَ بِقَفَاہُ ، فَحَطَّہُ إِلَی الأَرْضِ ، فَقَالَ : صَلِّ ہَاہُنَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৯১) হজরত বিলাল আব্বাসী বলেন , হজরত আম্মার ( রা . ) এক ব্যক্তিকে উঁচু স্থানে নামাজ পড়তে দেখলেন , তিনি তাকে ঘাড় ধরে নামিয়ে আনলেন এবং বললেন : হ্যাঁ , নামাজ পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنِ أَبِی ہِنْدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِیزِ یُصَلِّی فَوْقَ کَنِیسَۃٍ بِالشَّامِ ، وَالنَّاسُ أَسْفَلَ مِنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৯২) হজরত উসমান ইবনে আবি হিন্দ বলেন , আমি হজরত উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রা.) - কে দেখেছি যে , তিনি সিরিয়ার একটি উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছেন যখন লোকেরা শুয়ে ছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۳) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یُصَلِّیَ الإِمَامُ عَلَی مَکَان أَرْفَعَ مِنْ أَصْحَابِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৯৩) ইমাম মুক্তাদা একটি উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করার মধ্যে কোন দোষ আছে বলে হযরত হাসান মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۴) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إِمَامُ الْقَوْمِ ضَامِنٌ ، فَلاَ یَخُصُّ نَفْسَہُ بِشَیْئٍ مِنَ الدُّعَائِ دُونَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৯৪) হযরত মুজাহিদ বলেন , ইমাম হচ্ছেন জনগণের জামিনদার , তাই মানুষকে ছেড়ে নিজের জন্য দোয়া করবেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّائِ ، قَالَ : قَالَ أَبُو قِلاَبَۃَ : تَدْرِی لِمَ کُرِہَتِ الإِمَامۃُ ؟ قَالَ : لاَ ، وَلَکِنَّہَا کُرِہَتْ أَنَّہُ لَیْسَ لإِمَامٍ أَنْ یَخُصَّ نَفْسَہُ بِدُعَائٍ مِنْ دُونِ مَنْ وَرَائَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৯৫) হযরত আবু কালাবা একবার খালিদ আল - খোশাকে জিজ্ঞেস করলেন যে , ইমামতি কেন অপছন্দ করা হয় জানেন ? তিনি বললেন না , তবে ইমামের জন্য এতটুকু নিশ্চিত ইমামের লোকদের ছেড়ে নিজের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یُکْرَہُ أَنْ یَخُصَّ الإِمَام نَفْسَہُ بِشَیْئٍ مِنْ دُونِ أصْحَابِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৯৬ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , মুক্তাদাসকে বাদ দিয়ে ইমামের জন্য শুধু নিজের জন্য দোয়া করা জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۷) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ ، عَنْ ہَارُونَ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قُلْتُ لاِبْنِ سِیرِینَ : لِلإِمَامِ أَنْ یَخُصَّ بِشَیْئٍ مِنَ الدُّعَائِ ؟ قَالَ : لاَ ، فَلْیَدْعُ لَہُمْ کَمَا یَدْعُو لِنَفْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৯৭ ) হজরত হারুন ইবনে ইব্রাহীম বলেন , আমি হজরত ইবনে সিরীনকে বললাম , ইমাম কি শুধু নিজের জন্য দোয়া করতে পারে ? তিনি বলেননি , সে তাদের জন্য প্রার্থনা করুক যেমন সে নিজের জন্য প্রার্থনা করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، ومُجَاہِدٍ ، قَالَ : لاَ یَنْبَغِینَّ لِلإِمَامِ أَنْ یَخُصَّ نَفْسَہُ بِدُعَائٍ مِنْ دُونِ الْقَوْمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৯৮ ) হযরত তাওয়াস ও হযরত মুজাহিদ বলেন , ইমামের পক্ষে লোকদের ছেড়ে নিজের জন্য দুআ করা ঠিক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ کُرْدُوسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ إِذَا کَانَ الرَّجُلُ فِی الْقَوْمِ أَنْ یَخُصَّ نَفْسَہُ بِشَیْئٍ مِنَ الدُّعَائِ دُونَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৯৯ ) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, মুক্তাদাসকে বাদ দিয়ে ইমামের জন্য শুধু নিজের জন্য নামায পড়া জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : مَا أُبَالِی نَفَخْتُ ، أَوْ تَکَلَّمْتُ ۔ وَقَالَ : النَّفْخُ فِی الصَّلاَۃ کَلاَمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬০০ ) হজরত সাঈদ বিন জাবির বলেন , নামাযে কোনো কিছুতে ফুঁ দেওয়া এবং কথা বলা আমার সমান । তিনি বলেন , নামাজে ফুঁ দিয়ে কিছু বের করা কথা বলার মতো
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ النَّفْخَ فِی الصَّلاَۃ ، وَقَالَ: نَحِّہِ بِثَوْبِکَ، أَوْ بِکُمِّ قَمِیصِکَ ۔ وَکُرِہَ النَّفْخُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬০১ ) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) বলতেন , নামাজের সময় কোনো কিছুতে ফুঁ দেওয়া মাকরূহ । তিনি বলতেন , কারো কাপড় বা হাতা থেকে ফুঁ দিয়ে মুখ থেকে কিছু বের করা মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنِ ابْنِ أَبِی الْہُذَیْلِ ، قَالَ : لأَنْ أَسْجُدَ عَلَی الرَّضْفِ أَحَبُّ إِلَیَّ أَنْ أَنْفُخَ فِی صَلاَتِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6602 ) হজরত ইবনে আবি হাযায়েল বলেন , আমার নিকটবর্তী গরম পাথরের ওপর সেজদা করা নামাজের সময় কোনো কিছু ফুঁক দেওয়ার চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی الْہُذَیْلِ ، قَالَ : لأَنْ أَضَعَ جَبْہَتِی عَلَی جَمْرَۃٍ حَتَّی تُطْفَأَ ، أَحَبُّ إِلَیَّ مِنْ أَنْ أَنْفُخَ فِی صَلاَتِی ، ثُمَّ أَسْجُدَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6603 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবি হাযিল বলেন , আমি আমার কপালকে একটি অঙ্গারে রেখে ঠাণ্ডা করব । আমি নামাজে ফুঁ দিয়ে রুকু করব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّہُ قَالَ : النَّفْخُ فِی الصَّلاَۃ کَلاَمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬০৪) হযরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , নামাযে ফুঁ দিয়ে মুখ থেকে কিছু বের করা কথা বলার সমতুল্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : النَّفْخُ فِی الصَّلاَۃِ یَقْطَعُ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬০৫ ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , নামাজের সময় মুখ থেকে কোনো কিছু বের করলে নামাজ ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ النَّفْخَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬০৬ ) হযরত আতা ( রাঃ ) নামাযের সময় কোন কিছু ফুঁক দেওয়াকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ النَّفْخَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6607 ) হযরত মাখুল বলতেন যে , নামাযের সময় কোন কিছু ফুঁক দেওয়া মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ؛ أَنَّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ کَرِہَ النَّفْخَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬০৮ ) হজরত আবু আবদ আল - রহমান নামাজের সময় কোনো কিছুতে ফুঁ দেওয়াকে মাকরূহ ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ کَہَمْسٍ ، عَنِ ابْنِ بُرَیْدَۃَ ، قَالَ : کَانَ یُقَالُ : مِنَ الْجَفَائِ أَنْ یَنْفُخَ الرَّجُلُ فِی صَلاَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6609 ) হজরত ইবনে বুরিদাহ বলেন , এটা বলা হতো যে , নামাযের সময় কোনো ব্যক্তির জন্য ফুঁ দেওয়া খারাপ ঈমানের অংশ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ سُفْیَانَ الْعُصْفُرِیِّ ، قَالَ : صَلَّیْتُ فِی حُجْرَۃِ الشَّعْبِیِّ فَنَفَخْتُ ، فَنَہَانِی ، وَقَالَ : إِنْ رَأَیْتَ أَذًی فَامْسَحْہُ بِیَدِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6610 ) হযরত সূফী আসফারীতে বলেন যে আমি হযরত শাবির ঘরে নামায পড়লাম , আমি আমার মুখ থেকে কিছু ফুঁক দিলাম এবং তিনি আমাকে নিষেধ করলেন . আর তিনি বললেন যদি কিছু অনুভব করেন তবে হাত দিয়ে পরিষ্কার করবেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ؛ أَنَّ قَرِیبًا لأُمِّ سَلَمَۃَ صَلَّی فَنَفَخَ ، فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَۃَ: لاَ تَفْعَلْ ، فَإِنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ لِغُلاَمٍ لَنَا أَسْوَدَ ، یُقَالُ لَہُ : رَبَاحٌ : تَرِّبْ یَا رَبَاحُ وَجْہَک۔ (ترمذی ۳۸۲۔ احمد ۶/۳۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬১১) হজরত আবু সালেহ বলেন , হজরত উম্মে সালামা (রা.)-এর এক আত্মীয় সালাতের সময় তাঁর মুখ থেকে কিছু ফুঁক দিয়েছিলেন , তখন হজরত উম্মে সালামা ( রা . ) বললেন , তিনি যেন তা না করেন আমাদের এক কালো দাস যার নাম ছিল রাবাহঃ হে রাবাহ! আপনার মুখে এই কাদা পেতে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ النَّفْخَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬১২ ) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাশির নামাযে ফুঁ দিয়ে কোনো কিছু বের করে দেওয়াকে মাকরূহ বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۳) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ لَیْثٍ ؛ أَنَّہُ رَأَی مُجَاہِدًا یَتَرَوَّحُ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬১৩ ) হযরত লাইছ বলেন , আমি হযরত মুজাহিদকে নামাজ পড়ার সময় একটি পাখা দিয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ یُونُسَ بْنِ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِی السَّفَرِ، قَالَ: أَدْرَکْنَا أَشْیَاخَ الْحَیِّ وَالشَّبَابَ یُرَوِّحُونَہُمْ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৬১৪) হজরত আবু আল-সাফর বলেন , আমরা আমাদের এলাকার কিছু বুযুর্গকে দেখেছি যে , যুবকরা নামাজের সময় এই পাখাগুলো দিয়ে পাখা মেখে দিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۶۱۵) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ عُبَیْدَۃَ ابْنَۃِ نَابِلٍ ، مَوْلاَۃِ عَائِشَۃَ ابْنَۃِ سَعْدٍ ، قَالَتْ : رَأَیْتُ عَائِشَۃَ ابْنَۃَ سَعْدٍ تَنْفُضُ دِرْعَہَا فِی الصَّلاَۃ ۔ أَیْ تُرَوِّحُ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৬১৫ ) হজরত উবাইদাহ বিনতে নাবল বলেন , আমি হযরত আয়েশা বিনতে সাদ (রা.) - কে নামাযের সময় কাপড় দিয়ে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৬১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস