(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৪০৩টি]



6556 OK

(৬৫৫৬)

সহিহ হাদিস

(۶۵۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسَّدْلِ فِی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৫৬ ) হজরত হাসান বলেন , নামাযে ধ্যান করার কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6557 OK

(৬৫৫৭)

সহিহ হাদিস

(۶۵۵۷) حَدَّثَنَا مُعَاذٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ مُحَمَّدًا یُصَلِّی وَقَدْ سَدَلَ ثَوْبَہُ ، فَلاَ أَدْرِی عَلَی الإِزَارِ کَانَ ، أَوْ عَلَی الْقَمِیصِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৫৭ ) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাকে নামাজে ইমামতি করতে দেখেছি । আমি জানি না তারা আজারের উপর এটি করেছে কিনা পৃথিবীতে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6558 OK

(৬৫৫৮)

সহিহ হাদিস

(۶۵۵۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ سِیرِینَ یَسْدُلُ فِی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৫৮ ) হজরত ইবনে আবি আরুবা বলেন , আমি হজরত ইবনে সীরীনকে আমাকে নামাজে ইমামতি করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6559 OK

(৬৫৫৯)

সহিহ হাদিস

(۶۵۵۹) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، قَالَ : رَأَیْتُ مَکْحُولاً یَسْدُلُ طَیْلَسَانَۃً عَلَیْہِ فِی الصَّلاَۃ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৫৯ ) হজরত উজায়ি বলেন , আমি হযরত মাখুলকে নামাজের সময় চাদরে নিজেকে ঢেকে রাখতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6560 OK

(৬৫৬০)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۰) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6560) হযরত হাকাম সাদলামে কোন ক্ষতি মনে করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6561 OK

(৬৫৬১)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَہْدِیِّ بْنِ مَیْمُونٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ الْحَسَنَ یَسْدُلُ عَلَی الْقَبَائِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৬১ ) হজরত মাহদী বিন মায়মুন বলেন , আমি হযরত হাসানকে তার জামার উপর পরিহিত কাপড়ের উপর বসে থাকতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6562 OK

(৬৫৬২)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۲) حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ مُسْلِمَ بْنَ یَسَارٍ : أَیْنَ مُنْتَہَی الْبَصَرِ فِی الصَّلاَۃ ؟ فَقَالَ : إِنْ حَیْثُ تَسْجُدُ فَحَسَنٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৬২ ) হজরত আবু কালাবা বলেন , আমি হজরত মুসলিম ইবনে ইয়াসার (রা . ) -কে জিজ্ঞেস করলাম , নামাজের সময় ব্যক্তির দৃষ্টি কোথায় থাকা উচিত ? তিনি বললেন , কোথায় সেজদা কর তা দেখা ভালো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6563 OK

(৬৫৬৩)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ النَّخَعِیِّ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُحِبُّ لِلْمُصَلِّی أَنْ لاَ یُجَاوِزَ بَصَرُہُ مَوْضِعَ سُجُودِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৬৩) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলতেন , নামাজের জন্য মুস্তাহাব যে , তার দৃষ্টি যেন সেজদার স্থানের বাইরে না থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6564 OK

(৬৫৬৪)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی حُرَّۃَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُحِبُّ أَنْ یَضَعَ الرَّجُلُ بَصَرَہُ حِذَائَ مَوْضِعِ سُجُودِہِ ، فَإِنْ لَمْ یَفْعَلْ ، أَوْ کَلِمَۃً نَحْوَہَا فَلْیُغْمِضْ عَیْنَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 6564) হজরত ইবনে সীরীন বলতেন যে , ব্যক্তিকে সিজদার স্থানে দৃষ্টি রাখা বাঞ্ছনীয় । যদি সে তা না করে তবে তাকে চোখ বন্ধ রাখতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6565 OK

(৬৫৬৫)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یُصَلِّیَ الرَّجُلُ وَہُوَ مُغْمِضُ الْعَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৬৫) হজরত মুজাহিদ ঘোষণা করেছেন যে, কোনো ব্যক্তির জন্য চোখ বন্ধ করে নামাজ পড়া জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6566 OK

(৬৫৬৬)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۶) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَمِیلُ بْنُ عُبَیْدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْحَسَنَ ، وَسَأَلَہُ رَجُلٌ : أُغْمِضُ عَیْنِی إِذَا سَجَدْتُ ؟ فَقَالَ : إِنْ شِئْتَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৬৬ ) হজরত জামিল ইবনে উবাইদ বলেন , আমি হজরত হাসান ( রা .) -কে জিজ্ঞেস করলাম সেজদা করার সময় আমি চোখ বন্ধ করতে পারি কি না ? তিনি বললেন, আপনি চাইলে করতে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6567 OK

(৬৫৬৭)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۷) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، عَنْ جَمِیلٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْحَسَنَ ، وَسُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ یُغْمِضُ عَیْنَیْہِ وَہُوَ سَاجِدٌ فِی الصَّلاَۃ ؟ قَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৬৭ ) হজরত জামীল বলেন , হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , কেউ নামাজ পড়ার সময় সেজদায় চোখ বন্ধ করতে পারে কি না ? তিনি বলেন , এতে কোনো সমস্যা নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6568 OK

(৬৫৬৮)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۸) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ بُرْدِ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ أَبِی فَاخِتَۃَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : شُدَّ حَقْوَک فِی الصَّلاَۃ ، وَلَوْ بِعِقَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৬৮) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , নামাযের সময় তোমার আযারের জায়গা ভালো করে বেঁধে রাখো , যদিও তুমি দড়ি দিয়ে বেঁধে থাকো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6569 OK

(৬৫৬৯)

সহিহ হাদিস

(۶۵۶۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یُصَلَّی إِلاَّ وَہُوَ مُؤْتَزِرٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6569) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) আজর পরিধান করে নামাজের ইমামতি করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6570 OK

(৬৫৭০)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ أَیُّوبَ، قَالَ: رَأَیْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِاللہِ یُصَلِّی وَہُوَ مُؤْتَزِرٌ فَوْقَ قَمِیصِہِ، أَوْ قَالَ: جُبَّتِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৭০) হজরত আইয়ুব বলেন , আমি হজরত সালেম ইবনে আবদুল্লাহ (রা.)- কে তার জামার ওপরে একটি জার বাঁধতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6571 OK

(৬৫৭১)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ؛ أَنَّہُ کَانَ یَشُدُّ حِقْوَہُ فِی الصَّلاَۃ بِخَیْطٍ، أَوْ بِشَیْئٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 6571) হজরত হুসাইন বলেন , হজরত আবু মালিক সালাতের সময় আজরকে সুতো বা অন্য কিছু দিয়ে বেঁধে রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6572 OK

(৬৫৭২)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۲) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی الْہَیْثُمِ ، قَالَ : قُلْتُ لإِبْرَاہِیمَ : أُصَلِّی بِاللَّیْلِ فِی الْقَمِیصِ وَالْقَبَائِ ؟ قَالَ : شُدَّ حِقْوَک بِالإِزَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৭২ ) হজরত আবু হাইথাম বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিমকে জিজ্ঞেস করলাম যে, কামিস? আমি কি কাবায় তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে পারি ? তিনি বললেন , আঘাতের জায়গায় তোমার কোমর বেঁধে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6573 OK

(৬৫৭৩)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : شُدَّ حِقْوَک وَلَوْ بِعِقَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৭৩ ) হজরত শাবি বলেন , নামাযের সময় তোমার আযারের জায়গা ভালো করে বেঁধে রাখো , যদিও তোমাকে দড়ি ব্যবহার করতে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6574 OK

(৬৫৭৪)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عَطَائٍ الْبَکَّائِیِّ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ الأَصَمِّ ، قَالَ : کَانَ یُقَالُ : شُدَّ حِقْوَک وَلَوْ بِعِقَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৭৪) হযরত ইয়াযীদ বিন আসিম বলেন , নামাজে আপনার আযারের জায়গা ভালো করে বেঁধে রাখুন , যদিও আপনাকে দড়ি ব্যবহার করতে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6575 OK

(৬৫৭৫)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ وَضَّاحٍ ؛ أَنَّہُمْ سَافَرُوا مَعَ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، فَکَانَ یَؤُمُّہُمْ مُؤْتَزِرًا فَوْقَ الْقَمِیصِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6575) হজরত ওয়াদাহ বলেন , তিনি হজরত জাবির ইবনে যায়েদের সঙ্গে সফরে গিয়েছিলেন এবং তিনি জামার ওপর আযহারের স্থান বেঁধে সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6576 OK

(৬৫৭৬)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ لِلرَّجُلِ وَالْمَرْأَۃِ یُصَلِّیَانِ بِغَیْرِ إزَارٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6576) হজরত ইবনে আউন বলেন , হজরত মুহাম্মদ ( সা.) ইজার না করে নারী -পুরুষের নামাজ পড়াকে অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6577 OK

(৬৫৭৭)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۷) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ جُہَیْرِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؛ سَأَلْتُُہُ عَنِ الرَّجُلِ یُصَلِّی مُؤْتَزِرًا فَوْقَ الْقَمِیصِ ؟ فَقَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৭৭ ) জাহির বিনয়াজিদ বলেন , আমি হজরত ইবনে সিরীনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম , কোনো ব্যক্তি তার জামার ওপর জামা বেঁধে নামাজ পড়তে পারে কি না ? তিনি বলেন , এতে কোনো সমস্যা নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6578 OK

(৬৫৭৮)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَشْجَعِیِّ ، عَنِ ابْنِ مَعْقِلٍ ، قَالَ : شُدَّ حِقْوَک ، وَلَوْ بِعِقَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৭৮) হজরত ইবনে মুয়াকাল বলেন , নামাযের সময় তোমার আযারের জায়গা ভালো করে বেঁধে রাখো , যদিও তোমাকে দড়ি ব্যবহার করতে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6579 OK

(৬৫৭৯)

সহিহ হাদিস

(۶۵۷۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : شُدَّ حِقْوَک بِشَیْئٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৭৯ ) হযরত মুজাহিদ বলেন , নামাযে তোমার আযারের জায়গা ভালো করে বেঁধে রাখো , যদিও তোমাকে কিছু ব্যবহার করতে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6580 OK

(৬৫৮০)

সহিহ হাদিস

(۶۵۸۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَمَانٍ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ ثَقِیفٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : شُدَّ حِقْوَک ، وَلَوْ بِعِقَالٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৮০) হজরত হাসান বলেন , নামাযে তোমার আযারের জায়গাটা ভালো করে বেঁধে রাখ , যদিও তোমাকে দড়ি ব্যবহার করতে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6581 OK

(৬৫৮১)

সহিহ হাদিস

(۶۵۸۱) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنِ ابْنِ الأَسْوَدِ ، وَإِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا یَؤُمَّانِ بِغَیْرِ إِزَارٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৮১) হজরত আবু হুসাইন বলেন , হজরত আবু আল আসওয়াদ ও হজরত ইব্রাহীম (রা . ) বাগীর আল - আযরের নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6582 OK

(৬৫৮২)

সহিহ হাদিস

(۶۵۸۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُجَالِدٌ ؛ أَنَّ أَبَا ہُبَیْرَۃَ الأَنْصَارِیَّ سَأَلَ الشَّعْبِیَّ ، فَقَالَ : أَشُدُّ حِقْوِی إِذَا قُمْتُ أُصَلِّی ؟ فَقَالَ لَہُ الشَّعْبِیُّ : إِنَّمَا یَفْعَلُ ذَلِکَ الْمَجُوسُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৮২) হজরত মাজালিদ বলেন , আবু হাবি রহঃ আনসারী হযরত শাবি (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন , নামায পড়ার সময় আমি কি কোমর বেঁধে রাখি ? সে বলল মাগীরা এভাবেই করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6583 OK

(৬৫৮৩)

সহিহ হাদিস

(۶۵۸۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ ، قَالَ : إِذَا ضَمَمْتَ عَلَیْک الْقَبَائَ ، أَجْزَأَکَ مَجْزَأَ الإِزَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(6583) হজরত আবু মালিক বলেন , আপনি যখন জব্বা পরবেন, তখন এটি আজরের ভারপ্রাপ্ত অবস্থান হতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6584 OK

(৬৫৮৪)

সহিহ হাদিস

(۶۵۸۴) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنِ الرَّبِیعِ بْنِ حَسَّانٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا الْبَخْتَرِیَّ یُصَلِّی فِی قَبَائٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৫৮৪ ) হজরত রাবিয়া ইবনে হাসান বলেন , আমি হজরত আবু বখতারিকে প্রতিদিন নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6585 OK

(৬৫৮৫)

সহিহ হাদিস

(۶۵۸۵) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ مُہَاجِرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ سُوَیْد ، قَالَ : قدِمَ الأَسْوَدُ مِنْ سَفَرٍ ، فَصَلَّی وَعَلَیْہِ قَبَائٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৫৮৫) হজরত ইব্রাহিম বিন সুওয়াইদ বলেন , হজরত আসওয়াদ সফরে ছিলেন , তিনি কুবা পরিধান করে সালাত আদায় করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস