
(۶۵۲۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ وَرْدَانَ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَنَسًا یُصَلِّی عِنْدَ الْحَجَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫২৬) হজরত সালামা বিন ওয়ারদান বলেন , আমি হজরত আনাসকে হাতেমের কাছে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۷) حَدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، یَرْفَعُہُ ، قَالَ : لاَ تَأْتَمُّ بِنَائِمٍ ، وَلاَ مُتَحَدِّثٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫২৭) হযরত মুজাহিদ ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ ঘুমন্ত বা কথা বলার পিছনে নামায পড়ো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ أَبِی أُمَیَّۃَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی أَنْ یُصَلِّیَ خَلْفَ النُّوَّامِ وَالْمُتَحَدِّثِینَ۔ (طبرانی۵۲۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(6528) হজরত মুজাহিদ বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমন্ত লোক এবং যারা কথা বলছে তাদের পিছনে নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا یُوسُفَ بْنُ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : کُنْتُ جَالِسًا إِلَی جَنْبِ حُمَیْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، فَالْتَفَتَ ، فَإِذَا رَجُلٌ یُصَلِّی خَلْفَہُ ، فَقَالَ لَہُ : إِمَّا أَنْ تَحَوَّلَ عَنِّی ، وَإِمَّا أَنْ أَقُومَ عَنک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫২৯) হজরত ওয়াসিফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হারিস বলেন , আমি হজরত হামিদ ইবনে আবদুল রহমানের কাছে বসা ছিলাম । তারা যখন পিছন ফিরল , তখন একজন লোক তাদের পেছন পেছন হাঁটছিল । তিনি তাকে বললেন , তাহলে তুমি তোমার স্থান পরিবর্তন করেছ ? হ্যাঁ , আমি উঠি।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۰) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّائِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعِیدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَأْتَمَّ بِقَوْمٍ یَتَحَدَّثُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৩০) যারা কথা বলছে তাদের অনুসরণ করাকে হজরত ইবনে মাসউদ (রা) জঘন্য কাজ বলে বর্ণনা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ مَعْدِی کَرِبَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : لاَ تَأْتَمْ بِقَوْمٍ یَمْتَرُونَ ، أَوْ یَلْغُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৩১) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, যারা অনর্থক কথা বলছে বা কথা বলছে তাদের পেছনে নামাজ পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۲) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ مَیْمُونٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ لاَ یُصَلِّی خَلْفَ رَجُلٍ لاَ یُصَلِّی ، إِلاَّ یَوْمَ جُمُعَۃٍِ ۔ قَالَ : فَذَکَرْتُ ذَلِکَ لِعَبْدِ الْکَرِیمِ ، فَقَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ لاَ یُصَلِّی خَلْفَ رَجُلٍ یَتَکَلَّمُ إِلاَّ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6532) হজরত মায়মুন বলেন , হজরত ইবনে উমর এমন ব্যক্তির পিছনে নামাজ পড়তেন না যে জুমআর দিন ছাড়া নামাজ পড়ে না । আমি হযরত আবদুল করিম ( রাঃ ) -এর কাছে এ কথা উল্লেখ করলাম এবং তিনি বললেন যে , হযরত ইবনে উমর ( রাঃ ) জুমার দিন ব্যতীত অন্য কারো পিছনে নামায পড়তেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : إِذا کَانُوا یَتَحَدَّثُونَ بِذِکْرِ اللہِ فَلاَ بَأْسَ أَنْ یَأْتَمَّ بِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৩৩ ) হজরত সাঈদ বিন জুবের বলেন , মানুষ যখন আল্লাহর স্মরণে ব্যস্ত থাকে , তখন তাদের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۴) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : أُصَلِّی وَرَائَ قاعِدٍ أَحَبُّ إِلَیَّ مِنْ أَنْ أُصَلِّیَ وَرَائَ نَائِمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৩৪ ) হযরত মুজাহিদ বলেন , বসে থাকা ব্যক্তির পিছনে নামায পড়া আমার কাছে ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে নামায পড়ার চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الرَّبِیعُ بْنُ صَبِیحٍ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَأْتَمَّ بِنَائِمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6535) হযরত তাওয়াস ঘুমন্ত ব্যক্তির পিছনে নামায পড়াকে মাকরূহ ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِکٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَأَی رَجُلاً یُصَلِّی وَعَلَیْہِ قَلَنْسُوَۃٌ ، بِطَانَتُہَا مِنْ جُلُودِ الثَّعَالِبِ ، قَالَ : فَأَلْقَاہَا عَنْ رَأْسِہِ ، وَقَالَ : مَا یُدْرِیَک لَعَلَّہُ لَیْسَ بِذَکِیٍّ ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৩৬) হজরত আনাস ইবনে মালিক বলেন , হজরত উমর ইবনে খাত্তাব ( রা . ) একবার এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে শেয়ালের চামড়ার টুপি পরে নামাজ পড়ছে । আপনি তার মাথা থেকে এই টুপি সরিয়ে দিয়ে বললেন , আপনি কি জানেন যে তাকে জবাই করা হয়নি ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَلِیٍّ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الصَّلاَۃ فِی جُلُودِ الثَّعَالِبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6537 ) হযরত আলী শেয়ালের চামড়ায় নামায পড়াকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ (ح) وَعَنْ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُمَا قَالاَ : اِلْبَسْ جُلُودَ الثَّعَالِبِ ، وَلاَ تُصَلِّ فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৩৮ ) হজরত সাঈদ বিন জাবির ও হজরত হাসান বলেন , শিয়ালের চামড়ার কাপড় পরলে তাতে নামাজ পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۳۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بِذَلِکَ بَأْسًا إِذَا دُبِغَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6539) হজরত হাসান শেয়ালের চামড়া দিয়ে তৈরি পোশাকে দোষের কিছু আছে বলে মনে করতেন না , যদি তা ট্যান করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا یُونُسُ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا الْعَالِیَۃَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّی فِیہِ ، وَعَلَیْہِ قَلَنْسُوَۃٌ بِطَانَتُہَا جُلُودُ ثَعَالِبَ ، فَأَخَذَہَا مِنْ رَأْسِہِ وَوَضَعَہَا فِی کُمِّہِ ، فَلَمَّا قَضَی صَلاَتَہُ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : رَأَیْتُک أَخَذْتَ قَلَنْسُوَتَکَ مِنْ رَأْسِکَ فَوَضَعْتَہَا فِی کُمِّکَ ؟ فَقَالَ : إِنِّی کَرِہْتُ أَنْ أُصَلِّیَ فِیہَا ، وَکَرِہْتُ أَنْ أَضَعَہَا فَتُسْرَقَ ، فَلِذَلِکَ جَعَلْتُہَا فِی کُمِّ قَمِیصِی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৪০ ) হযরত আমর বিন সাঈদ বলেন , হযরত আবু আলী হায়া একবার মাথায় শেয়ালের চামড়ার টুপি পরে মসজিদে প্রবেশ করেন । যখন তিনি নামায পড়া শুরু করলেন , তখন তিনি এই টুপিটি খুলে ফেললেন এবং হাতার নিচে রাখলেন । যখন সে নামায শেষ করল , তখন আমি বললাম , তুমি তোমার টুপি খুলে হাতা আমার গায়ে দিলে কেন ? তিনি বলেন , আমি এতে নামায পড়তে পছন্দ করি না এবং চুরি না হয় সেজন্য রাখতেও পছন্দ করি না । তাই আমি এটা আমার হাতা উপরেরাখা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سَدِیرٍ الصَّیْرَفِیِّ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : کَانَ لِعَلِیِّ بْنِ الْحُسَیْنِ سَبَنجُونَ ثَعَالِبَ یَلْبَسُہُ ، فَإِذَا صَلَّی نَزَعَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৪১) হজরত আবু জাফর বলেন , হজরত আলী ইবনে হুসাইনের একটি আকাশী রঙের পোশাক ছিল যা শিয়ালের চামড়া দিয়ে তৈরি । তারা নামাজ পড়তে শুরু করলে তা খুলে ফেলত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۲) حَدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن خَالِدٍ الْحَذَّائِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعِیدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ عَلِیًّا رَأَی قَوْمًا یُصَلُّونَ وَقَدْ سَدَلُوا ، فَقَالَ : کَأَنَّہُمُ الْیَہُودُ خَرَجُوا مِنْ فِہْرِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৪২) হজরত সাঈদ বিন ওয়াহিব বলেন , হযরত আলী (রা.) কিছু লোককে তাদের কাপড় ঝুলিয়ে নামাজ পড়তে দেখলেন । তুমি বলেছিলে এটা এই মত দেখায় আমি আমার ঈদ উদযাপন করতে আসছি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبیْدِ اللہِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَسْدُلَ الرَّجُلُ ثَوْبَہُ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6543 ) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) নামাযে সিদ্দালকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন । তাকে এমনভাবে ঢেকে রাখতে হবে যেন সে তার ভেতরের অংশে হাত ঢুকিয়ে রুকু ও সিজদা করে । এবং এর প্রান্তগুলি কাঁধে রাখার পরিবর্তে ডান থেকে বাম দিকে ঝুলিয়ে দিন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۴) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کُرِہَ السَّدْلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৪৪) হযরত মুজাহিদ বলেন , নামায পড়া মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا فُضَیْلُ بْنُ غَزْوَانَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ السَّدْلَ فِی الصَّلاَۃ ، مُخَالَفَۃً لِلْیَہُودِ ، وَقَالَ : إِنَّہُمْ یَسْدُلُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৪৫) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর (রা.) সালাত আদায় করেন হুদিদের বিরোধিতার কারণে সিদ্ধরকে জঘন্য ঘোষণা করে বলা হয়েছে যে , হুদিরা পূজার সময় তাদের কাপড় ঝুলিয়ে রাখে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، وَہُشَیْمٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ السَّدْلَ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৪৬) হযরত মুজাহিদ সিদ্ধারকে নামাযকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ (ح) وَعَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُمَا کَرِہَا السَّدْلَ فِی الصَّلاَۃ ۔ قَالَ وَکِیعٌ : وَنَحْنُ نَکْرَہُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6547) হজরত ইব্রাহিম ও হজরত মুজাহিদ নামাজে সিদ্ধারকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন । হযরত ওয়াকী বলেন , আমরাও এটাকে জঘন্য মনে করি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ آدَمَ ، قَالَ : حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ عِسْلِ بْنِ سُفْیَانَ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَہَی عَنِ السَّدْلِ فِی الصَّلاَۃ۔ (ترمذی ۳۷۸۔ احمد ۲/۲۹۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৪৮ ) হজরত আবু হারি রাহ . বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদলে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۴۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّہُ لَمْ یَکُنْ یَرَی بِالسَّدْلِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫৪৯) হযরত আতা (রাঃ ) সিদ্দালকে নামাযে নিষেধ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۵۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : أَکْثَرُ مَا رَأَیْتُ عَطَائً یَسْدُلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৫০ ) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি প্রায়ই হজরত আতাকে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۵۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بِہِ بَأْسًا ، إِذَا کَانَ عَلَیْہِ قَمِیصٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৫১ ) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) এর মতে , কোনো ব্যক্তি জামা পরিধান করলে তা পরিধানে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۵۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ مُحَارِبٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ یَسْدُلُ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৫২ ) হজরত মোহারেব বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা.) কে আমাকে নামায পড়াতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ: حدَّثَنَا أَبُو شِہَابٍ مُوسَی بْنُ ثَابِتٍ ، قَالَ: رَأَیْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ یَسْدُلُ فِی التَّطَوُّعِ، وَعَلَیْہِ مُسْتُقَۃٌ مُکَفَّفَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৫৩ ) হজরত মূসা ইবনে সাবিত ( রা.) বলেন , আমি হজরত সাঈদ ইবনে জুবের ( রা .) - কে খোলা হাতাওয়ালা জামা পড়ে কাপড় ঝুলিয়ে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْدُلُ فِی الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6554) আবু ইসহাক বলেন , হযরত আবদুল রহমান বিন আসওয়াদ সালাতে রোযা রাখতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۵۵) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ، عَنْ حُمَیْدٍ، قَالَ: رَأَیْتُ الْحَسَنَ مَا لاَ أُحْصِی فِی الصَّلاَۃ یَسْدُلُ، وَأَنَا أَرَی ظَہْرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫৫৫ ) হজরত হামেদ বলেন , আমি হযরত হাসানকে অসংখ্যবার কাপড় ঝুলিয়ে নামাজ পড়তে দেখেছি এবং তার কোমর স্পর্শ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস