
(۶۴۹۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِیُّ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ؛ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَرَأَی أُنَاسًا قَدْ تَسَانَدُوا إِلَی الْقِبْلَۃِ ۔ قَالَ : فَقَالَ لَہُم عَبْدُ اللہِ : ہَکَذَا ، عَنْ وُجُوہِ الْمَلاَئِکَۃِ ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৪৯৬) হজরত কাসিম বিন আবদ আল-রহমান বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ একবার মসজিদে তিশরীফে গেলেন এবং কিছু লোককে কেবলার দিকে টিক চিহ্ন দিতে দেখে বললেন , তুমি কেন ফেরেশতাদের মুখ পাশ ফিরে দাঁড়িয়ে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۴۹۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حُصَیْنٌ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ صَلَّی رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ یَحْتَبِی وَنَحْنُ حَوْلَہُ ، فَإِنْ رَأَی أَحَدًا مِنَّا نَعَسَ حَرَّکَہُ ، قَالَ: وَکَانَ یَنْعَسُ وَہُوَ مُحْتَبٍ ، ثُمَّ تُقَامُ الصَّلاَۃُ فَیَنْہَضُ وَیُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৪৯৭) হজরত মুজাহিদ বলেন , ফজরের পর হজরত ইবনে উমর (রা.) ফজরের সুন্নত পড়তেন এবং হাবওয়া করতেন এবং বসতেন , আমরা তাঁর চারপাশে বসতাম । আমাদের একজনকে ঘুমিয়ে পড়তে দেখলে তাকে নাড়াতেন , হাবোবার অবস্থাতেই সে ঘুমিয়ে পড়েছিল । তারপর নামাজ শুরু হলো প্রয়োজনে তারা উঠে দলে যোগ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۴۹۸) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : دَخَلَ عَبْدُ اللہِ الْمَسْجِدَ لِصَلاَۃِ الْفَجْرِ، فَإِذَا قَوْمٌ قَدْ أَسْنَدُوا ظُہُورَہُمْ إِلَی الْقِبْلَۃِ ، فَقَالَ : تَنَحَّوْا عَنِ الْقِبْلَۃِ ، لاَ تَحُولُوا بَیْنَ الْمَلاَئِکَۃِ وَبَیْنَ صَلاَتِہَا، وَإِنَّ ہَاتَیْنِ الرَّکْعَتَیْنِ صَلاَۃُ الْمَلاَئِکَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৪৯৮) হজরত কাসিমের পিতা বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা. ) একবার মসজিদে তিশরীফ পরিদর্শনে গেলেন এবং কিছু লোককে কেবলার দিকে ইশারা করতে দেখে বললেন , কিবলা থেকে সরে যাও । বসো , ফেরেশতাদের ও তাদের নামাজে বাধা দিও না । , এটি দুই রাকাতে ফেরেশতাদের নামায ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۴۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ بْنِ جَابِرٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَنْ مَشَی فِی ظُلْمَۃِ اللَّیْلِ إِلَی الْمَسْجِدِ ، لَقِیَ اللَّہَ بِنُورٍ یَوْمَ الْقِیَامَۃِ۔ (دارمی ۱۴۲۲۔ ابن حبان ۲۰۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৪৯৯) হজরত আবু দারদা ( রা ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যে ব্যক্তি মধ্যরাতে মসজিদের দিকে যায় সে উম্মতের অভিভাবক । দিনটি আল্লাহর পক্ষ থেকে পূর্ণ আলোর সাথে মিলিত হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۰) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانُوا یَرَوْنَ الْمَشْیَ فِی اللَّیْلَۃِ الْمُظْلِمَۃِ مُوجِبَۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫০০ ) হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) বলেন , পূর্বপুরুষদের চিন্তাধারা এটা ছিল যে রাতে মসজিদে যাওয়া ক্ষমার কারণ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۱) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سَعدِ بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاہِیمَ ، عَن قَیْسِ بْنِ عَمرو ، قَالَ : رَأَی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ رَجُلاً یُصَلِّی بَعْدَ صَلاَۃِ الصُّبْحِ رَکْعَتَیْنِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَصَلاَۃُ الصُّبْحِ مَرَّتَیْنِ ؟ فَقَالَ الرَّجُلُ : إِنِّی لَمْ أَکُنْ صَلَّیْتُ الرَّکْعَتَیْنِ اللَّتَیْنِ قَبْلَہُمَا ، فَصَلَّیْتُہُمَا الأَنَ ، فَسَکَتَ۔ (ترمذی ۴۲۲۔ ابوداؤد ۱۲۶۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 6501 ) হজরত কায়স বিন আমর ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) এক ব্যক্তিকে ফজরের পর দুই রাকাত পড়তে বললেন ?লোকটি বলল , আমি ফজরের আগে সুন্নত পড়িনি , তাই এখন আদায় করছি । তার একথা শুনে নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নীরবতা অবলম্বন করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّ رَجُلاً صَلَّی مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلاَۃَ الصُّبْحِ ، فَلَمَّا قَضَی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الصَّلاَۃَ ، قَامَ الرَّجُلُ فَصَلَّی رَکْعَتَیْنِ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا ہَاتَانِ الرَّکْعَتَانِ ؟ فَقَالَ : یَا رَسُولَ اللہِ ، جِئْتُ وَأَنْتَ فِی الصَّلاَۃ ، وَلَمْ أَکُنْ صَلَّیْتُ الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ ، فَکَرِہْتُ أَنْ أُصَلِّیَہُمَا وَأَنْتَ تُصَلِّی ، فَلَمَّا قَضَیْتَ الصَّلاَۃَ ، قُمْتُ فَصَلَّیْتُ الصَّلاَۃَ ، فَضَحِکَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَلَمْ یَأْمُرْہُ ، وَلَمْ یَنْہَہُ۔ (طبرانی ۹۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫০২) হযরত আতা (রাঃ) বলেন যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ফজরের নামায পড়লেন এবং নামাযের পর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন । আপনি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে এগুলো কার রাকাত তিনি বললেন, আমি যখন মসজিদে আসি , তখন তুমি নামাজ পড়ছিলে। আমি ফজরের আগে দুইটি সুন্নত পড়িনি , আপনার নামাযে পড়তে পছন্দ করিনি । আপনি যখন নামাজ শেষ করলেন , তখন আমি তাদের নামাজ পড়লাম নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এটা দেখে হাসলেন এবং কোন কিছু নিষেধও করলেন না বা আদেশও করলেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شَیْخٌ ، یُقَالُ لَہُ : مِسْمَعُ بْنُ ثَابِتٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَطَائً فَعَلَ مِثْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫০৩) হযরত মুসামী বিন সাবিত বলেন যে, আমিও হযরত আতা (রাঃ) কে পাঠালাম সে খায় না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : إِذَا فَاتَتْہُ رَکْعَتَا الْفَجْرِ صَلاَّہُمَا بَعْدَ صَلاَۃِ الْفَجْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫০৪ ) হজরত শাবি বলেন , ফজরের আগে দুটি সুন্নত ছুটে গেলে নামাযের পর পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۵) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْقَاسِمَ ، یَقُولُ : لَوْ لَمْ أُصَلِّہِمَا حَتَّی أُصَلِّیَ الْفَجْرَ ، صَلَّیْتُہُمَا بَعْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6505) হযরত কাসিম বলেন , আমি যদি ফজরের আগে এই সুন্নতগুলো না পড়ি তাহলে সূর্যোদয়ের পর পড়ব ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ فُضَیْلِ بْنِ غَزْوَانَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ جَائَ إِلَی الْقَوْمِ وَہُمْ فِی الصَّلاَۃ ، وَلَمْ یَکُنْ صَلَّی الرَّکْعَتَیْنِ فَدَخَلَ مَعَہُمْ ، ثُمَّ جَلَسَ فِی مُصَلاَّہُ ، فَلَمَّا أَضْحَی قَامَ فَقَضَاہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6506) একবার হজরত ইবনে উমর ( রা . ) ফজরের নামাজের সময় আসলেন এবং লোকেরা নামাজ পড়ছিল , তিনি এখন পর্যন্ত ফজরের সুন্নত পড়েননি । তিনি জামাতে যোগদান করেন, তারপর নামাযের স্থানে বসেন এবং চাশতের সময় ঐ রাকাতের কাযা আদায় করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یَزِیدَ ، وَرَبِیعٌ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ صَلاَّہُمَا بَعْدَ مَا أَضْحَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫০৭ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , হজরত ইবনে উমর চাশতের পর ফজরের সুন্নতের বিচার করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : لاَ تُقْضَی رَکْعَتَا الْفَجْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫০৮ ) হযরত আমীর বলেন , ফজরের সুন্নতের বিচার হবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۰۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ فُضَیْلِ بْنِ مَرْزُوقٍ ، عَنْ عَطِیَّۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ قَضَاہُمَا حِینَ سَلَّمَ الإِمَامُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫০৯ ) হজরত আতিয়া বলেন , আমি হযরত ইবনে উমরকে ইমামের সালাম দেওয়ার পর সুন্নত আদায় করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُہَنِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : صَلُّوا فِی بُیُوتِکُمْ ، وَلاَ تَتَّخِذُوہَا قُبُورًا۔ (عبد بن حمید ۲۷۵۔ بزار ۷۰۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫১০) হযরত যায়েদ বিন খালিদ জাহানী ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের ঘরে নামায পড় এবং তাদেরকে কবরস্থান বানাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إِذَا قَضَی أَحَدُکُمُ الصَّلاَۃ فِی مَسْجِدِہِ ، فَلْیَجْعَلْ لِبَیْتِہِ نَصِیبًا مِنْ صَلاَتِہِ ، فَإِنَّ اللَّہَ جَاعِلٌ فِی بَیْتِہِ مِنْ صَلاَتِہِ خَیْرًا۔ (مسلم ۵۳۹۔ احمد ۳/۳۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(6511) হজরত জাবির ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , তোমাদের কেউ যখন মসজিদে নামায পড়ে , তখন তোমাদের নামাযের কিছু অংশ ঘরে রেখে দাও । এবং আপনার প্রার্থনার কারণে মহান আল্লাহ আপনার ঘরে কল্যাণ ঢেলে দেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۲) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ؛ عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، بِمِثْلِ حَدِیثِ أَبِی مُعَاوِیَۃَ۔ (احمد ۳/۵۹۔ عبدالرزاق ۴۸۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(6512) এটি আইক ও সনদ থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۳) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَنَّہُ قَالَ : صَلُّوا فِی بُیُوتِکُمْ ، وَلاَ تَتَّخِذُوہَا قُبُورًا۔ (بخاری ۱۱۸۷۔ مسلم ۵۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫১৩) হজরত ইবনে ওমর (রা) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের ঘরে নামায পড় এবং তাদেরকে কবরস্থান বানাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ سَالِمٍ أَبِی النَّضْرِ ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ ثَابِتٍ ، قَالَ : قَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَفْضَلُ الصَّلاَۃِ صَلاَۃُ الْمَرْئِ فِی بَیْتِہِ ، إِلاَّ الْمَکْتُوبَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫১৪) হজরত যায়েদ বিন সাবিত ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , কর্তব্য ব্যতীত ব্যক্তির সর্বোত্তম নামায হল যা তার ঘরে আদায় করা হয় পড়া
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، قَالَ : کَانَتْ أَفْضَلُ صَلاَۃِ عَبْدِ اللہِ فِی بَیْتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫১৫) হজরত কাসিম বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ( রা ) বাড়িতে নফল নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ ہِلاَلِ بْنِ یَِسَافٍ ، عَنْ ضَمْرَۃَ بْنِ حَبِیبٍ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : تَطَوُّعُ الرَّجُلِ فِی بَیْتِہِ یَزِیدُ عَلَی تَطَوُّعِہِ عِنْدَ النَّاسِ ، کَفَضْلِ صَلاَۃِ الرَّجُلِ فِی الْجَمَاعَۃِ عَلَی صَلاَتِہِ وَحْدَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫১৬ ) আয়েক সাহাবী বলেন , ঘরে বসে নফল নামায পড়ার সওয়াব মানুষের সামনে পড়ার চেয়েও বেশি , একাকী নামায পড়ার তুলনায় জামাতের নামাযের সওয়াব বেশি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : کَانَ شُرَیْحٌ ، وَمَسْرُوقٌ کِلاَہُمَا لَہُ بَیْتٌ یُطِیلُ فِیہِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6517) হজরত শাবি বলেন , হজরত শরীয়াহ ও হজরত মাসরূক উভয়েরই একটি ঘর ছিল যেখানে তারা দীর্ঘ নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۸) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِیَّۃَ، قَالَ: صَلاَۃُ الرَّجُلِ عِنْدَ أَہْلِہِ مِنَ السِّرِّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6518) হজরত হাসান বিন আতিয়াহ বলেন , একজন ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের সাথে সালাত আদায় করা একটি বড় রহস্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۱۹) حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَی ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ سُہَیْلٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ : رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تَجْعَلُوا بُیُوتَکُمْ مَقَابِرَ۔ (مسلم ۵۳۹۔ ترمذی ۲۸۷۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫১৯) হজরত আবু হারি রাহ. থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , তোমরা তোমাদের ঘরকে কবরস্থান বানাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۰) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ صَالِحٍ مَوْلَی التَّوْأَمَۃِ ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ خَبَّابٍ ، قَالَ : کُنْتُ لاَ أُصَلِّی إِلاَّ فِی الْمَسْجِدِ ، فَقَالَ لِی زَیْدُ بْنُ ثَابِتٍ : صَلاَۃُ الرَّجُلِ فِی بَیْتِہِ أَفْضَلُ مِنْ صَلاَتہٍ فِی الْمَسْجِدِ إِلاَّ الْمَکْتُوبَۃَ ، وَصَلاَۃُ الرَّجُلِ فِی بَیْتِہِ نُورٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫২০) হজরত সায়েব বিন খাবাব বলেন , আমি শুধু মসজিদে নামাজ পড়তাম । হজরত যায়েদ বিন সাবিত ( রা ) আমাকে বলেন , ফরজ নামাজ ব্যতীত বাকি নামাজগুলো মসজিদে পড়ার চেয়ে ঘরে আদায় করা উত্তম । মানুষের নামাজ ঘরে আলো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۱) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ طَارِقٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عَمْرٍو ؛ أَنَّ نَفَرًا مِنْ أَہْلِ الْعِرَاقِ قَدِمُوا عَلَی عُمَرَ ، فَسَأَلُوہُ عَنْ صَلاَۃِ الرَّجُلِ فِی بَیْتِہِ ؟ فَقَالَ عُمَرُ : مَا سَأَلَنِی عَنْہَا أَحَدٌ مُذْ سَأَلْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْہَا ، فَقَالَ : صَلاَۃُ الرَّجُلِ فِی بَیْتِہِ نُورٌ ، فَنَوِّرُوا بُیُوتَکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫২১) হজরত আসিম ইবনে আমর বলেন , ইরাক থেকে কিছু লোক হজরত ওমরের কাছে এসেছিল। তিনি আমাকে বাড়িতে সালাত আদায়ের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে হযরত উমর ( রাঃ ) বলেন , আমি যখন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছি , তখন থেকে কেউ আমাকে প্রশ্ন করেনি ? যে ঘরে নামাজ পড়া তার জন্য আলো । (হযরত উমর (রাঃ) বলেন ) তোমাদের ঘরগুলোকে আলোকিত কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ الْجَزَّارِ ، قَالَ : کَانَ أصْحَابُ عَبْدِ اللہِ یَقُولُونَ : الصَّفُّ الْمُقَدَّمُ الَّذِی یَلِی الْمَقْصُورَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫২২ ) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে জাযর বলেন , হজরত আবদুল্লাহর শিষ্যরা বলতেন যে , পরের কাতারটি হলো মাকসুরা ( মসজিদে ইমাম বা খতিবের জন্য নির্মিত একটি কক্ষ )
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْمَسْعُودِیِّ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَیْدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا عُبَیْدَۃَ یَقُولُ : الصَّفُّ الأَوَّلُ الَّذِی یَلِی الْمَقْصُورَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫২৩ ) হযরত আবু উবাইদাহ ( রাঃ ) বলেন , পরবর্তী সারিটি মাকসুরা ( মসজিদে ইমাম বা খতিবের জন্য নির্মিত একটি কক্ষ ) এর সাথে সংযুক্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، وَزِرَّ بْنَ حُبَیْشٍ ، وَعَمْرَو بْنَ مَیْمُونٍ یُصَلُّونَ عَنْ یَمِینِ الْمَقْصُورَۃِ ، وَقَالَ حَفْصٌ مَرَّۃً : مَا بَیْنَ الأُسْطُوَانَۃِ إِلَی الْحَائِطِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৫২৪) হজরত শিবানী বলেন, আমি হযরত আবু আবদুল রহমান , হযরত জার ইবনে হাবিশ ও হযরত আমর ইবনে মায়মুনকে মাকসুরার ডান দিকে নামাজ পড়তে দেখেছি । হযরত হাফস ( রাঃ ) এর মতে , তিনি স্তম্ভ ও দেয়ালের মাঝখানে সালাত আদায় করতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۵۲۵) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِیَادٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِلْحَسَنِ : إِنَّہُمْ یَقُولُونَ : الصَّفُّ الأَوَّلُ الَّذِی یَلِی الْمَقْصُورَۃَ ، فَقَالَ : ہُوَ الَّذِی یَلِی الْحَائِطَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৫২৫ ) হজরত আবদুল ওয়াহিদ ইবনে যায়েদ বলেন , আমি হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করলাম যে , পূর্বসূরিরা বলতেন যে , পরের কাতারটি হলো মুকসুরা ( মসজিদে ইমাম ইয়া খতিব ) এর সাথে একত্রিত আপনি কি বলেন ? তিনি বলেন , প্রথম সারিটি দেয়ালের সাথে মিলিত হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৫২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস