
(۵۱۴۶) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا رَجَائُ بْنُ أَبِی سَلَمَۃَ ، قَالَ : حَدَّثَنِی أَبُو عُبَیْدٍ مَوْلَی سُلَیْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِکِ ، قَالَ : خَرَجَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِیزِ مِنْ دَابَقَ ، وَہُوَ یَوْمئِذٍ أَمِیرُ الْمُؤْمِنِینَ ، فَمَرَّ بِحَلَبٍ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَقَالَ لأَمِیرِہَا : جَمِّعْ فَإِنَّا سَفْرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5146) হজরত আবু উবাইদ মাউলি সুলাইমান বিন আবদুল মালিক বলেন যে, হজরত উমর বিন আবদুল আজিজ তাঁর খেলাফতকালে দাবিক ত্যাগ করেন এবং শুক্রবার আলেপ্পো অতিক্রম করেন । তিনি আলেপ্পোর আমিরকে বললেন, আপনি শুক্রবার পড়ান, আমরা মুসাফির ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۴۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَیْسٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : الْجُمُعَۃُ لاَ تَمْنَعُ مِنْ سَفَرٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5147) হযরত উমর (রাঃ) বলেন, শুক্রবার সফরে বাধা দেয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۴۸) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ صَالِحِ بْنِ کَیْسَانَ ؛ أَنَّ أَبَا عُبَیْدَۃَ خَرَجَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فِی بَعْضِ أَسْفَارِہِ ، وَلَمْ یَنْتَظِرِ الْجُمُعَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5148) হজরত সালেহ ইবনে কিসান বলেন যে, হজরত আবু উবাইদা (রা . ) শুক্রবার তার সফরে রওয়ানা হন এবং জুমার নামাজের জন্য অপেক্ষা করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۴۹) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ نَافِعٍ ؛ أَنَّ ابْنًا لِسَعِیدِ بْنِ زَیْدِ بْنِ نُفَیْلٍ کَانَ بِأَرْضٍ لَہُ بِالْعَقِیقِ ، عَلَی رَأْسِ أَمْیَالٍ مِنَ الْمَدِینَۃِ ، فَلَقِیَ ابْنَ عُمَرَ غَدَاۃَ الْجُمُعَۃِ فَأَخْبَرَہُ بِشَکْوَاہُ ، فَانْطَلَقَ إِلَیْہِ وَتَرَکَ الْجُمُعَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫১৪৯ ) হজরত নাফি বলেন , হজরত সাঈদ বিন যায়েদের এক ছেলে তার জমিতে বসবাস করতেন । একদিন , যিনি মদীনা থেকে কয়েক মাইল দূরে ছিলেন , শুক্রবার সকালে তিনি হজরত ইবনে উমরের সাথে দেখা করেন এবং তার অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন । হযরত ইবনে উমর (রাঃ) তাদের সাথে গিয়ে জুমার নামায শুরু করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسَّفَرِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، مَا لَمْ یَحْضُرْ وَقْتُ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5150) হজরত হাসান বলেন, জুমার দিন জুমার সময়ের আগে সফরে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا خَالِدٌ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫১৫১ ) হযরত ইবনে সিরীন রহ তিনিও একই কথা বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۲) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِالسَّفَرِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫১৫২ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , শুক্রবারে সফরে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ کَثِیرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ کَعْبٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی ذَؤیبٍ ، قَالَ : خَرَجْتُ مَعَ الزُّبَیْرِ مَخْرَجًا یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَصَلَّی الْجُمُعَۃَ أَرْبَعًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5153) হজরত আবদ আল-রহমান ইবনে আবি জুবায়েব বলেন যে, আমি শুক্রবারে হযরত যুবায়ের (রা. ) - এর সাথে সফরে গিয়েছিলাম এবং তিনি জুমার নামাজ চার রাকাত আদায় করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۴) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ شِہَابٍ یُرِیدُ أَنْ یُسَافِرَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ضَحْوَۃً ، فَقُلْتُ لَہُ : تُسَافِرُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ؟ فَقَالَ : إِنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ سَافَرَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔ (ابوداؤد ۳۱۰۔ عبدالرزاق ۵۵۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(৫১৫৪) হজরত ইবনে আবি যায়ব বলেন , আমি ইবনে শিহাবকে দেখেছি যে, তিনি শুক্রবার বিকেলে সফর করতে চান , আমি তাকে বললাম , তুমি কি শুক্রবারে সফর করবে ? তিনি বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) জুমার দিনে সফর করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : إِذَا أَدْرَکَتْکَ الْجُمُعَۃُ ، فَلاَ تَخْرُجْ حَتَّی تُصَلِّی الْجُمُعَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5155) হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , জুমার নামাজের সময় হলে নামাজ না পড়ে সফরে যাবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۶) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُسَافِرُ لَیْلَۃَ الْجُمُعَۃِ ، فَإِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ لَمْ یُسَافِرْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5156) হযরত আবদ আল-রহমান বিন কাসিম বলেন , আমার পিতা জুমার রাতে সফর করতেন , কিন্তু ভোর হলে তিনি সফর করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ خَیْثَمَۃَ ، قَالَ : کَانُوا یَسْتَحِبُّونَ إِذَا حَضَرَتِ الْجُمُعَۃُ أَنْ لاَ یَخْرُجُوا حَتَّی یُجَمِّعُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫১৫৭ ) হযরত খায়সামা বলেন , পূর্বসূরিরা পছন্দ করতেন যখন জুমার নামাযের সময় হতো তখন জুমার নামায পর্যন্ত সফরে না যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۸) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِیَّۃَ ، قَالَ : إِذَا سَافَرَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ دُعِیَ عَلَیْہِ؛ أَنْ لاَ یُصَاحَبَ ، وَلاَ یُعَانَ عَلَی سَفَرِہِ۔ (عبدالرزاق ۵۵۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(5158) হজরত হাসান ইবনে আতিয়াহ বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি শুক্রবার সফরে যায় , তখন তার জন্য এটা অভিশপ্ত হবে যে কেউ তার সঙ্গী হবে না এবং কেউ তাকে তার যাত্রায় সাহায্য করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۵۹) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَمَّنْ سَمِعَ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ یَقُولُ : السَّفَرُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بَعْدَ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5159) হযরত সাঈদ বিন মুসায়্যিব বলেন , শুক্রবার জুমার নামাজের পর সফর করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۰) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : خَرَجَ قَوْمٌ وَقَدْ حَضَرَتِ الْجُمُعَۃُ ، فَاضْطَرَمَ عَلَیْہِمْ خِبَاؤُہُمْ نَارًا مِنْ غَیْرِ نَارٍ یَرَوْنَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫১৬০) হযরত মুজাহিদ বলেন , যারা জুমার নামাজের ওয়াক্তের পর সফরে রওয়ানা হয় , তখন তারা যে আগুন দেখছে তার সাথে সাথে তাদের উপর আগুন জ্বলবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۱) حَدَّثَنَا شَاذَانُ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ؛ أَنَّ عُرْوَۃَ کَانَ یُسَافِرُ لَیْلَۃَ الْجُمُعَۃِ ، وَلاَ یَنْتَظِرُ الْجُمُعَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5161) হজরত হিশাম বিন আরওয়া বলেন, হজরত আরওয়া শুক্রবার রাতে সফর করতেন এবং শুক্রবারের জন্য অপেক্ষা করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۲) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : کَانَ سَعْدٌ یَقِیلُ بَعْدَ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5162) হজরত মুসআব ইবনে সাদ বলেন , হজরত সাদ জুমার পর কি লুলা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۳) حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُفَضَّلٍ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ سَہْلِ بْنِ سَعْدٍ ، قَالَ : کُنَّا نَتَغَدَّی وَنَقِیلُ بَعْدَ الْجُمُعَۃِ۔ (بخاری ۹۳۹۔ مسلم ۵۸۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(5163) হযরত সাহল বিন সাদ বলেন, আমরা জুমার পর খেতাম এবং কিউ লুলা করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ الأَنْصَارِیُّ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنَّا نُجَمِّعُ مَعَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَقِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5164) হজরত সাদ আনসারী বলেন , আমরা হজরত উসমান বিন আফফানের সাথে জুমার নামাজ পড়তাম এবং ফিরে এসে কি লুলা পড়তাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : کُنَّا نُجَمِّعُ فَنَرْجِعُ فَنَقِیلُ۔ (بخاری ۹۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(5165) হজরত আনাস (রা) বলেন , আমরা জুমআর দিন পড়ার পর কি লুলা পাঠ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۶) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : حدَّثَنِی ثَابِتُ بْنُ الْحَجَّاجِ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کُنَّا نُجَمِّعُ ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَقِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5166) হজরত ইবনে উমর (রা) বলেন , আমরা জুমআর দিন পড়ার পর কি লুলা পাঠ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۷) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ بُدَیْلِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنِ امْرَأَۃٍ ، قَالَتْ : جَاوَرْتُ مَعَ عُمَرَ سَنَۃً ، فَکَانَتِ الْقَائِلَۃُ بَعْدَ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫১৬৭ ) হজরত বাদিল ইবনে মায়সারা এক মহিলা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি এক বছর হজরত ওমর (রা. ) - কে দেখেছি , তিনি জুমার পর সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنِ الزِّبْرِقَانِ ، قَالَ : کُنَّا نُجَمِّعُ مَعَ أَبِی وَائِلٍ ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَقِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5168) হজরত জুবারকান বলেন , আমরা আবু ওয়াইলের সাথে জুমআর পড়ার পর কি লুলা পাঠ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۶۹) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ عِمْرَان بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی الْجُمُعَۃَ ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَقِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5169) হজরত সুওয়ায়েদ বিন গাফলা বলেন , আমরা জুমআর দিন পড়ার পর কি লুলা পড়তাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، قَالَ : کُنَّا نُصَلِّی مَعَ عَبْدِ اللہِ الْجُمُعَۃَ ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَقِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5170) হজরত যায়েদ বিন ওয়াহিব বলেন , আমরা হজরত আবদুল্লাহ (রা.) -এর সঙ্গে কি- লুলা পাঠ করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِیُّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : حدَّثَنَا أَشْیَاخُنَا مِنْہُمْ : أَبُو سَلَمَۃَ، قَالَ : کُنَّا نَقِیلُ بَعْدَ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5171) হজরত আবু সালামা বলেন , আমরা জুমার পর কি লুলা করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۲) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ الأَجْلَحِ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَیدِ اللہِ ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ أَبِی الْہُذَیْلِ یَقُولُ : کُنَّا نُصَلِّی الْجُمُعَۃَ ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَقِیلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5172) হজরত ইবনে আবি হাযিল বলেন , আমরা জুমার দিন পড়ার পর কিউ লুলা করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۳) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : مَا کَانَ لِلنَّاسِ عِیدٌ إِلاَّ فِی أَوَّلِ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5173) হযরত মুজাহিদ বলেন , ঈদ শুধুমাত্র দিনের প্রথম ভাগে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ الْحَجَّاجِ الْکِلاَبِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سِیدَانَ السُّلَمِیِّ، قَالَ : شَہِدْتُ الْجُمُعَۃَ مَعَ أَبِی بَکْرٍ الصِّدِّیقِ ، فَکَانَتْ خُطْبَتُہُ وَصَلاَتُہُ قَبْلَ نِصْفِ النَّہَارِ ، ثُمَّ شَہِدْنَا مَعَ عُمَرَ ، فَکَانَتْ خُطْبَتُہُ وَصَلاَتُہُ إِلَی أَنْ أَقُولَ : انْتَصَفَ النَّہَارُ ، ثُمَّ شَہِدْنَا مَعَ عُثْمَانَ ، فَکَانَتْ صَلاَتُہُ وَخُطْبَتُہُ إِلَی أَنْ أَقُولَ : زَالَ النَّہَارُ ، فَمَا رَأَیْتُ أَحَدًا عَابَ ذَلِکَ ، وَلاَ أَنْکَرَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫১৭৪) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সাইদান সালাম বলেন , আমি হজরত আবু বকর (রা.) - এর সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেছি , তার নামাজ ও খুতবা হতো দুপুরের আগে। অতঃপর আমরা হজরত ওমর ( রা.) -এর সাথে জুমার নামায পড়লাম , তাঁর নামায ও খুতবা হতো যখন আমি বলতে পারতাম অর্ধেক দিন কেটে গেছে । অতঃপর আমরা হযরত উসমানের সাথে জুমার নামায পড়লাম । তার প্রার্থনা এবং খুতবা বিতরণ করা হয়েছিল যখন আমি বলতে পারি যে দিনটি শেষ হয়ে গেছে । আমি কাউকে এই প্রক্রিয়ার দোষ খুঁজে পেতে বা সমালোচনা করতে দিইনি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱۷۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : کَانَ مَنْ قَبْلَکُمْ یُصَلُّونَ الْجُمُعَۃَ ، وَإِنَّ ظِلَّ الْکَعْبَۃِ کَمَا ہُوَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5175) হযরত আতা বলেন , তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা ঐ সময় জুমার নামায আদায় করত , যখন কাবার ছায়া থাকত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস