(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ২৪৯৩টি]



6466 OK

(৬৪৬৬)

সহিহ হাদিস

(۶۴۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ خُصَیْفٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ عَنْ آیَۃٍ بَعْدَ رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ ؟ فَلَمْ یُجِبْنِی ، فَلَمَّا صَلَّی ، قَالَ : إِنَّ الْکَلاَمَ یُکْرَہُ بَعْدَہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৬৬ ) হজরত খাসিফ বলেন , আমি হজরত সাঈদ বিন জুবের (রা.)- কে ফজরের দুইটি সুন্নতের পর এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম । তিনি আমাকে কোনো উত্তর দেননি । যখন তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন , তখন তিনি বললেন , এ দুটি সুন্নাতের পর কথা বলা মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6467 OK

(৬৪৬৭)

সহিহ হাদিস

(۶۴۶۷) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ تَکَلُّمَ بَعْدَ رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ وَالْفَجْرِ ، إِلاَّ أَنْ تَکُونَ لَکَ حَاجَۃً۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৬৭) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ফজরের দুই সুন্নতের পর প্রয়োজন হলেই কথা বল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6468 OK

(৬৪৬৮)

সহিহ হাদিস

(۶۴۶۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ: کَانُوا یَکْرَہُونَ الْکَلاَمَ بَعْدَ رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ۔ قَالَ : قُلْتُ لإِبْرَاہِیمَ : قَوْلُ الرَّجُلِ لأَہْلِہِ : الصَّلاَۃ ؟ قَالَ : لاَ بَأْسَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৬৮) হজরত ইব্রাহিম বলেন , বাপ -দাদারা ফজরের সুন্নতের পর কথা বলাকে জঘন্য মনে করতেন । হজরত মনসুর বলেন , আমি হজরত ইব্রাহীম (আ.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , কোনো ব্যক্তির জন্য তার পরিবারের সদস্যদের কাছে নামায পড়া কি একটি শব্দ ? তিনি বলেন , এতে কোনো সমস্যা নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6469 OK

(৬৪৬৯)

সহিহ হাদিস

(۶۴۶۹) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ (ح) وعَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُمْ کَرِہُوا الْکَلاَمَ بَعْدَ رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৬৯) হজরত ইব্রাহিম বলেন , সালাফগণ ফজরের সুন্নতের পর কথাবার্তাকে জঘন্য বলে ঘোষণা করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6470 OK

(৬৪৭০)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ قَرَظَۃَ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ: رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ صَلَّی رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ ثُمَّ احْتَبَی ، فَلَمْ یَتَکَلَّمْ حَتَّی صَلَّی الْغَدَاۃَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৭০) হজরত মুজাহিদ বলেন , আমি হজরত ইবনে উমর (রা.) - কে দেখেছি যে , তিনি ফজরের দুটি সুন্নত পাঠ করতেন , অতঃপর নামায আদায় করে বসেন , অতঃপর অর্থ আদায় করা পর্যন্ত কারো সঙ্গে কথা বলতেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6471 OK

(৬৪৭১)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ عَمْرٍو ، قَالَ : سُئِلَ جَابِرُ بْنُ زَیْدٍ : ہَلْ یُفَرَّقُ بَیْنَ صَلاَۃِ الْفَجْرِ وَبَیْنَ الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَہُمَا بِکَلاَمٍ ؟ قَالَ : لاَ ، إِلاَّ أَنْ یَتَکَلَّمَ بِحَاجَۃٍ إِنْ شَائَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৭১) হজরত আমর বলেন , হজরত জাবির ইবনে যায়েদ (রা.) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , ফজরের ফরজ ও সুন্নাতের মধ্যে এই শব্দগুলো বলা যাবে কি না ? তিনি বলেন , শুধুমাত্র প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6472 OK

(৬৪৭২)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا حُصَیْنٌ ، وَابْنُ عَوْنٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ؛ أَنَّہُ دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَالْقَوْمُ فِی صَلاَۃِ الْغَدَاۃِ ، وَلَمْ یَکُنْ صَلَّی الرَّکْعَتَیْنِ ، فَصَلاَّہُمَا فِی نَاحِیَۃٍ ، ثُمَّ دَخَلَ مَعَ الْقَوْمِ فِی صَلاَتِہِمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৭২ ) হজরত শাবি বলেন , হজরত মাসরূক ফজরের জামাতের সময় মসজিদে প্রবেশ করেন , তিনি সুন্নত পড়েননি , তাই তিনি প্রথমে এক কোণে নামাজ আদায় করেন , তারপর জামাতে যোগ দেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6473 OK

(৬৪৭৩)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ یَقُولُ : یَُصَلیہِمَا فِی نَاحِیَۃٍ ، ثُمَّ دَخَلَ مَعَ الْقَوْمِ فِی صَلاَتِہِمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৭৩) হজরত হাসান বলতেন , একজন ব্যক্তি প্রথমে ফজরের সুন্নত আদায় করে তারপর জামাতে শরীক হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6474 OK

(৬৪৭৪)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۴) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَوَّامٍ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِی أَیُّوبَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ أَنَّہُ جَائَ إِلَی الْمَسْجِدِ وَالإِمَامُ فِی صَلاَۃِ الْفَجْرِ ، فَصَلَّی الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ أَنْ یَلِجَ الْمَسْجِدَ ، عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৭৪ ) হজরত কাসিম বিন আবায়িয়ুব বলেন , হযরত সাঈদ বিন জাবায়ের মসজিদে এসে ফজরের সুন্নত পাঠ করছিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6475 OK

(৬৪৭৫)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ غِیَاثٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی أَبُو عُثْمَانَ ، قَالَ : قَدْ رَأَیْتُ الرَّجُلَ یَجِیئُ وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فِی صَلاَۃِ الْفَجْرِ ، فَیُصَلِّی الرَّکْعَتَیْنِ فِی جَانِبِ الْمَسْجِدِ ، ثُمَّ یَدْخُلُ مَعَ الْقَوْمِ فِی صَلاَتِہِمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৭৫) হজরত আবু উসমান বলেন , হজরত উমর ( রা . ) সালাতের ইমামতি করছিলেন , এক ব্যক্তি এলেন , তিনি মসজিদের কোণে ফজরের সুন্নত আদায় করলেন , তারপর জামাতে শরীক হলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6476 OK

(৬৪৭৬)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ حَارِثَۃَ بْنِ مُضَرِّبٍ ؛ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ وَأَبَا مُوسَی خَرَجَا مِنْ عِنْدِ سَعِیدِ بْنِ الْعَاصِ ، فَأُقِیمَتِ الصَّلاَۃُ ، فَرَکَعَ ابْنُ مَسْعُودٍ رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ دَخَلَ مَعَ الْقَوْمِ فِی الصَّلاَۃ ، وَأَمَّا أَبُو مُوسَی فَدَخَلَ فِی الصَّفِّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৭৬) হজরত হারিসা ইবনে মুজারাব বলেন , হজরত ইবনে মাসউদ ও হজরত আবু মূসা (রা.) সাঈদ ইবনে আসের পাশ থেকে এতটুকু উঠে দাঁড়ালেন যে , সালাত দাঁড়িয়ে গেল । হজরত ইবনে মাসউদ দুই রাকাত পড়লেন , তারপর জামাতে যোগ দিলেন । হজরত আবু মূসা ( রা.) ইতিমধ্যেই দলে প্রবেশ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6477 OK

(৬৪৭৭)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۷) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : قُلْتُ لِطَاوُوسٍ : أَرْکَعُ الرَّکْعَتَیْنِ وَالْمُقِیمُ یُقِیمُ ؟ قَالَ : ہَلْ تَسْتَطِیعُ ذَلِکَ ؟۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৭৭) হজরত দাউদ ইবনে ইব্রাহীম বলেন , আমি হজরত তাওয়াসকে বললাম যে, আমি ইকামতের সময় দুই রাকাত পড়তে পারি । তিনি বললেন , তোমার কি তার ক্ষমতা আছে ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6478 OK

(৬৪৭৮)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنِ الْحَکَمِ بْنِ أَبَانَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : اقْرَأْ ، وَلاَ تَقْرَأْ ، وَإِنْ قَرَأْتَ فَخَفِّفْ ، صَلِّہمَا وَلَوْ بِالطَّرِیقِ ، یَعْنِی رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৭৮ ) হজরত ইকরামা বলেন , আপনি ফজরের সুন্নত পড়তে পারেন বা নাও পড়তে পারেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6479 OK

(৬৪৭৯)

সহিহ হাদিস

(۶۴۷۹) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إِذَا دَخَلْتَ الْمَسْجِدَ وَالنَّاسُ فِی صَلاَۃِ الصُّبْحِ ، وَلَمْ تَرْکَعْ رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ فَارْکَعْہُمَا ، وَإِنْ ظَنَنْتَ أَنَّ الرَّکْعَۃَ الأُولَی تَفُوتُک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৭৯) হযরত মুজাহিদ বলেন , আপনি যদি জামাতের সময় মসজিদে প্রবেশ করেন এবং আপনি ফজরের সুন্নত না পড়ে থাকেন তবে প্রথমে এই সুন্নাতটি পড়বেন , যদিও আপনি প্রথম রাকাত আদায় করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৭৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6480 OK

(৬৪৮০)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ دَلْہَمِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ وَبَرَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ عُمَرَ یَفْعَلُہُ ، وَحَدَّثَنِی مَنْ رَآہُ فَعَلَہُ مَرَّتَیْنِ ؛ جَائَ مَرَّۃً وَہُمْ فِی الصَّلاَۃ ، فَصَلاَّہُمَا فِی جَانِبِ الْمَسْجِدِ ، ثُمَّ دَخَلَ مَرَّۃً أُخْرَی فَصَلَّی مَعَہُمْ ، وَلَمْ یُصَلِّہِمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৮০) হজরত ওয়াবরা বলেন , আমি হজরত ইবনে উমরকেও পাঠিয়েছিলাম । খাবেন না . একজন আমাকে বলেছেন যে , হজরত ইবনে উমর ( রা ) দুবার বলেছেন যে , তিনি একবার জামাআতের সময় মসজিদের এক কোণে এসে ফজরের সুন্নত আদায় করলেন । অতঃপর যখন তারা দ্বিতীয়বার এলো , তখন তারা ফজরের সুন্নত না পড়েও জামাতে যোগ দিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6481 OK

(৬৪৮১)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۱) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ إِذَا جَائَ وَالإِمَامُ فِی صَلاَۃِ الْفَجْرِ أَنْ یُصَلِّیَہُمَا فِی الْمَسْجِدِ ، وَقَالَ : یُصَلِّیہِمَا عَلَی بَابِ الْمَسْجِدِ ، أَوْ فِی نَاحِیَتِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৮১ ) হযরত ইব্রাহীম ( আঃ ) ফজরের সুন্নত জামাআতের সময় মসজিদে আদায় করাকে জঘন্য ঘোষণা করেছেন । কোণে বা দরজায় আদায় করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6482 OK

(৬৪৮২)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنِ الْوَلِیدِ بْنِ أَبِی مَالِکٍ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ أَبِی الدَّرْدَائِ ، قَالَ : إِنِّی لأَجِیئُ إِلَی الْقَوْمِ وَہُمْ صُفُوفٌ فِی صَلاَۃِ الْفَجْرِ ، فَأُصَلِّی الرَّکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ أَنْضَمُّ إِلَیْہِمْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৮২) হযরত আবু আল দারদা বলেন , আমি মাঝে মাঝে ফজরের নামাযের সময় মসজিদে আসি , দুইটি সুন্নত পড়ি এবং তারপর জামাতে শরীক হই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6483 OK

(৬৪৮৩)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی الرَّجُلِ إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ ، وَالْقَوْمُ یُصَلُّونَ الْغَدَاۃَ ، قَالَ : یَدْخُلُ مَعَ الْقَوْمِ فِی صَلاَتِہِمْ ، وَلاَ یُصَلِّی الرَّکْعَتَیْنِ ، فَإِنَّ مَا یَفُوتُہُ مِنَ الْمَکْتُوبَۃِ أَعْظَمُ مِنَ الرَّکْعَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৮৩) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , যদি কোনো ব্যক্তি ফজরের জামাতে মসজিদে প্রবেশ করে তবে সে জামাতে শরীক হবে এবং দুটি সুন্নত পড়বে না । কেননা যে ফরজ নামায ছুটে যায় তা সুন্নতের চেয়েও উচ্চ মর্যাদার অধিকারী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6484 OK

(৬৪৮৪)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : ذَکَرْتُہُ لإِبْرَاہِیمَ ، فَقَالَ : الْمَکْتُوبَۃُ تُقْضَی ، وَمُرَّ فِی التَّطَوُّعِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৮৪) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , ফরজ ফয়সালা করা হয় , অথচ নওয়াফের ফয়সালা করা হয় না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6485 OK

(৬৪৮৫)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۵) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ عَلْقَمَۃَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : مَا یَفُوتُہُ مِنْ صَلاَۃِ الإِمَام أَفْضَلُ مِمَّا یَطْلُبُ فِی تَیْنِکَ الرَّکْعَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৮৫) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , ইমামের সাথে নামায পড়ে যাওয়া এই দুই রাকাতের চেয়ে উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6486 OK

(৬৪৮৬)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۶) حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِیُّ ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : لاَ تَدْخُلِ الْمَسْجِدَ حَتَّی تُصَلِّیَ رَکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ ، وَلَوْ عَلَی کُنَاسَۃٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৮৬) হজরত হামদ বলেন , ফজরের দুইটি সুন্নত আদায় না করে মসজিদে প্রবেশ করা উচিত নয় , যদিও তা আবর্জনার স্তূপে আদায় করতে হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6487 OK

(৬৪৮৭)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرِ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ مَعْقِلٍ صَلَّی الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ فِی السُّدَّۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৮৭) হজরত উবাইদ ইবনে হাসান বলেন , আমি হজরত ইবনে মুয়াকালকে তার বাড়ির দরজায় ফজরের সুন্নত আদায় করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6488 OK

(৬৪৮৮)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۸) حَدَّثَنَا مُلاَزِمُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ بُشَیْرِ بْنِ فَرّوخَ ، قَالَ : حدَّثَنِی أَیُّوبُ بْنُ عُتْبَۃَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، قَالَ : مَنْ أَتَی الْمَسْجِدَ وَقَدْ أُقِیمَتِ الصَّلاَۃُ ، فَلِیُؤَخِّرِ الرَّکْعَتَیْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ حَتَّی یُصَلِّیَہُمَا ضُحًی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৮৮) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাশীর বলেন , যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের সময় মসজিদে আসে সে যেন ফজরের নামাজের আগে ফজরের সুন্নাতগুলো না পড়ে , বরং তারা চাশতের সময় আদায় করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6489 OK

(৬৪৮৯)

সহিহ হাদিস

(۶۴۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : إِنْ کَانَ فِی مَکَانٍ صَلاَّہُمَا ، وَإِنْ کَانَ فِی الْمَسْجِدِ لَمْ یُصَلِّہِمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৮৯) হজরত সাঈদ বিন জাবির বলেন , মসজিদ ছাড়া অন্য কোনো স্থান থাকলে সে স্থানে এই সুন্নাতগুলো পাঠ করতে হবে , মসজিদে নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৮৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6490 OK

(৬৪৯০)

সহিহ হাদিস

(۶۴۹۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إِنْ خَشِیَ فَوْتَ رَکْعَۃٍ دَخَلَ مَعَہُمْ ، وَلَمْ یُصَلِّہِمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৯০) হজরত আতা বলেন , কোনো ব্যক্তি যদি এক রাকাত ফরজ আদায় না হওয়ার বিষয়ে চিন্তিত থাকে , তাহলে তার উচিত এই সুন্নতগুলো ছেড়ে জামাতে শরীক হওয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6491 OK

(৬৪৯১)

সহিহ হাদিস

(۶۴۹۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : دَخَلَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ الْمَسْجِدَ وَأَخَذَ بِلاَلٌ فِی الإِقَامَۃِ ، فَقَامَ ابْنُ بُحَینۃَ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ ، فَضَرَبَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مَنْکِبَہُ ، وَقَالَ : یَا ابْنَ الْقِشْبِ ، تُصَلِّی الصُّبْحَ أَرْبَعًا۔ (بیہقی ۴۸۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৯১ ) হজরত আবু জাফর বলেন , একবার নবী ( সা . ) ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে গেলেন , তখন হযরত বিলাল ( রা . ) ইকামাত শুরু করলেন । হজরত ইবনে বাহী নাহ ( রা .) উঠে ফজরের দুইটি সুন্নত পড়তে চাইলে নবী করীম ( সা . ) তার কাঁধে হাত রেখে বললেন , হে ইবনে কাশব! ফজরের চার রাকাত পড়বেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6492 OK

(৬৪৯২)

সহিহ হাদিস

(۶۴۹۲) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن حَفْصٍ ، عَنِ ابْنُ بُحَینۃَ ، قَالَ : أُقِیمَتْ صَلاَۃُ الصُّبْحِ ، فَقَامَ رَجُلٌ یُصَلِّی الرَّکْعَتَیْنِ ، فَلَمَّا صَلَّی النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَثَ النَّاسُ حَوْلَہُ ، فَقَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لِلَّذِی صَلَّی الرَّکْعَتَیْنِ : أَتُصَلِّی الصُّبْحَ أَرْبَعًا ؟۔ (بخاری ۶۶۳۔ مسلم ۴۹۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৯২ ) হজরত ইবনে বাহী বলেন না যে , একবার ফজরের নামায পড়ার পর এক ব্যক্তি দুটি সুন্নাত পাঠ করতে দাঁড়াল ।নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যখন সালাত আদায় করলেন তখন তাঁর চারপাশে লোকজন জড়ো হয়ে গেল। যে ব্যক্তি দুটি সুন্নত পাঠ করছিল তাকে তিনি বললেন , তুমি কি ফজর ভেঙ্গেছ ? আপনি কি চার রাকাত পড়েন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6493 OK

(৬৪৯৩)

সহিহ হাদিস

(۶۴۹۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرِ الْمُزَنِیُّ صَالِحُ بْنُ رُسْتُم ، عَنِ ابْنِ أَبِی مُلَیْکَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : أُقِیمَتْ صَلاَۃُ الصُّبْحِ ، فَقَامَ رَجُلٌ یُصَلِّی الرَّکْعَتَیْنِ ، فَجَذَبَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِثَوْبِہِ ، وَقَالَ : أَتُصَلِّی الصُّبْحَ أَرْبَعًا ؟۔ (احمد ۱/۳۵۵۔ ابویعلی ۲۵۶۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৯৩ ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , একবার ফজর ফজর হলে এক ব্যক্তি দুটি সুন্নত পড়তে শুরু করে । নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাকে তার কাপড় ধরে টেনে নিয়ে বললেন , তুমি কি ফজরের চার রাকাত নামায পড় ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6494 OK

(৬৪৯৪)

সহিহ হাদিস

(۶۴۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی الْہَیْثُمِ ، قَالَ : قَالَ إِبْرَاہِیمُ : لأَنْ أُدْرِکَ مَا فَاتَنِی مِنَ الْمَکْتُوبَۃِ أَحَبُّ إِلَیَّ مِنْ أَنْ أُصَلِّیَہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৬৪৯৪) হজরত ইব্রাহিম বলেন , এসব সুন্নাত পড়ার কারণে যে ফরজ সালাত ছুটে যায় , তা আমার কাছে এগুলো পড়ার চেয়েও প্রিয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



6495 OK

(৬৪৯৫)

সহিহ হাদিস

(۶۴۹۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، قَالَ: کَانُوا یَکْرَہُونَ التَّسَانُدَ إِلَی الْقِبْلَۃِ بَعْدَ رَکْعَتَیِ الْفَجْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৬৪৯৫ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , বাপ -দাদারা ফজরের সুন্নতের পর কেবলার দিকে মুখ করে বসাকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৪৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস