
(۶۳۱۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : الْقَوْسُ لاَ یُجْزِئُ مَکَانَ الرِّدَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6316) হজরত হামদ বলেন , একটি ধনুক একটি চাদর প্রতিস্থাপন করতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۱۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عُبَیْدَۃُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : الْقَوْسُ بِمَنْزِلَۃِ الرِّدَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6317) হজরত ইব্রাহিম (আ . ) বলেন , ধনুক একটি চাদরের মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۱۸) حَدَّثَنَا عُقْبَۃُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ مُوسَی بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَبِی ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ الأَکْوَعِ ؛ أَنَّہُ سَأَلَ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنِ الصَّلاَۃ فِی الْقَوْسِ وَالْقَرْنِ ؟ فَقَالَ : صَلِّ فِی الْقَوْسِ ، وَاطْرَحِ الْقَرْنَ۔ (ابویعلی ۳۷۹ )
থেকে বর্ণিতঃ
( 6318 ) হজরত সালামা ইবনে আকওয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন , তীর - ধনুক নিয়ে নামায পড়া ঠিক কি না ? তিনি বললেন, আমাকে প্রার্থনা করতে দাও , তবে তীরের থলি খুলে ফেলো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۱۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کَانَ إِذَا کَانَ لَیْلَۃٌ مَطِیرَۃٌ ، أَوْ شَدِیدَۃُ الرِّیحِ ، أَمَرَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُنَادِیًا فَنَادَی : أَنْ صَلُّوا فِی رِحَالِکُمْ۔ (بخاری ۶۶۶۔ مسلم ۴۸۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩১৯) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , যখনই বৃষ্টি বা ঝড় হতো , তখন রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ঘোষণাকারীকে নির্দেশ দিতেন যে , তোমরা তোমাদের জায়গায় নামায পড়ো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی الْمَلِیحِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَامَ الْحُدَیْبِیَۃِ ، أَوْ حُنَیْنٍ فَأَصَابَنَا مَطَرٌ لَمْ یَبُلَّ أَسَافِلَ نِعَالِنَا ، فَنَادَی مُنَادِی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَنْ صَلُّوا فِی رِحَالِکُمْ۔ (ابوداؤد ۱۰۵۰۔ احمد ۵/۷۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৩২০) হজরত আবু মালিহ (রা. ) এর পিতা বলেন , সীমা হলো বিয়াহ গত এক বছরে আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে ছিলাম । এদিকে একদিন এমন বৃষ্টি হলো যে আমাদের জুতার তলায় ভিজেনি । আপনি একজন ঘোষণাকারীকে আদেশ করলেন এবং তিনি ঘোষণা করলেন যে আপনার জায়গায় নামাজ পড়ুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَوْفٌ ، عَنْ أَبِی رَجَائٍ ، قَالَ : أَصَابَنَا مَطَرٌ فِی یَوْمِ جُمُعَۃٍ فِی عَہْدِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، فَأَمَرَ مُنَادِیًا فَنَادَی : أَنْ صَلُّوا فِی رِحَالِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩২১) হজরত আবু রাজা বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) - এর যুগে একদিন জুমার দিনে বৃষ্টি হলে তিনি ঘোষণাকারীকে নামায পড়ার ঘোষণা দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَنْ أَبِی الْمَلِیحِ ، قَالَ : خَرَجْتُ ذَاتَ لَیْلَۃٍ مَطِیرَۃٍ إِلَی الْمَسْجِدِ ، فَلَمَّا رَجَعْتُ اسْتَفْتَحْتُ ، قَالَ أَبِی : مَنْ ہَذَا ؟ قَالُوا : أَبُو الْمَلِیحِ ، قَالَ : لَقَدْ رَأَیْتُنَا مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ الْحُدَیْبِیَۃِ ، وَأَصَابَتْنَا سَمَائٌ لَمْ تَبُلَّ أَسَافِلَ نِعَالِنَا ، فَنَادَی مُنَادِی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَنْ صَلُّوا فِی رِحَالِکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৩২২ ) হজরত আবু মালিহ বলেন , একবার বৃষ্টির রাতে আমি নামাজ পড়তে মসজিদে গিয়েছিলাম , ফিরে এসে দরজায় টোকা দিলে বাবা জিজ্ঞেস করলেন কে ? পরিবারের সদস্যরা জানান , এটি আবু মালিহ । তিনি বলেন , হাদাইবিয়ার যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে গাযওয়াহ ছিলেন । এত বৃষ্টি যে আমাদের জুতার তলায় ভিজেনি কিন্তু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর একজন রসূল ঘোষণা করলেন যে , তোমরা তোমাদের স্থানে নামায পড়ো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۳) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ: حدَّثَنَا ہَمَّامٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ سَمُرَۃَ ؛ أَنَّ یَوْمَ حَنِینٍ کَانَ یَوْمًا مَطِیرًا، فَأَمَرَ النَّبِیُّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُنَادِیَہُ : إِنَّ الصَّلاَۃَ فِی الرِّحَالِ۔ (بخاری ۶۱۵۔ احمد ۵/۷۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৩২৩ ) হজরত সামরা বলেন , হুনাইনের দিন বৃষ্টি হলো , তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দূতকে নির্দেশ দিলেন যে , নামায পড়া হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : کَانَ أُمَرَاؤُنَا إِذَا کَانَتْ لَیْلَۃٌ مَطِیرَۃٌ أَبْطَؤُوا بِالْمَغْرِبِ ، وَعَجَّلُوا الْعِشَائَ قَبْلَ أَنْ یَغِیبَ الشَّفَقُ ، فَکَانَ ابْنُ عُمَرَ یُصَلِّی مَعَہُمْ لاَ یَرَی بِذَلِکَ بَأْسًا ۔ قَالَ عُبَیْدُ اللہِ : وَرَأَیْتُ الْقَاسِمَ وَسَالِمًا یُصَلِّیَانِ مَعَہُمْ فِی مِثْلِ تِلْکَ اللَّیْلَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩২৪) হজরত নাফি বলেন , বৃষ্টির রাতে আমাদের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মাগরিবের দেরীতে এবং এশার আগে গোধূলি অদৃশ্য হওয়ার আগে পড়তেন । হজরত ইবনে উমর (রা. ) ও তার সঙ্গে সালাত আদায় করতেন এবং এতে কোনো ক্ষতির কথা মনে করতেন না । হযরত উবায়দ আল্লাহ বলেন , আমি হযরত কাসিম ও হযরত সেলিমকেও তাদের সাথে একইভাবে নামাজ পড়তে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۵) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِیلَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ یُصَلِّی مَعَ الأَئِمَّۃِ حِینَ یَجْمَعُونَ بَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ فِی اللَّیْلَۃِ الْمَطِیرَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৩২৫ ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন হারমালা বলেন , আমি হযরত সাঈদ বিন মুসায়্যিবকে দেখেছি যে , তিনি বর্ষার রাতেও ইমামদের সাথে মাগরিব ও এশার সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عَرُوَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ أَبَانَ بْنَ عُثْمَانَ یَجْمَعُ بَیْنَ الصَّلاَتَیْنِ فِی اللَّیْلَۃِ الْمَطِیرَۃِ ؛ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ ، فَیُصَلِّیہِمَا مَعہ عُرْوَۃُ بْنُ الزُّبَیْرِ وَسَعِیدُ بْنُ الْمُسَیَّبِ ، وَأَبُو بَکْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، وَأَبُو سَلَمَۃَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، لاَ یُنْکِرُونَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩২৬) হজরত হিশাম ইবনে আরওয়া বলেন , হজরত আবান ইবনে উসমান বৃষ্টির রাতে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করতেন এবং আমি তার সঙ্গে হজরত আরওয়া ইবনে যুবায়ের , সাঈদ ইবনে মুসাইব , আবু বকর ইবনে আবদ আল-রহমান ও আবু সালামা ইবনে রা.-এর কাছে যেতাম আবদ আল-রহমান নামাজ পড়ছিলেন । এই সব ভদ্রলোক এই প্রক্রিয়া মনোযোগ দিতে না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۷) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی مَوْدُودٍ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ أَبِی سُلَیْمَانَ ، قَالَ : صَلَّیْتُ مَعَ أَبِی بَکْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَائَ ، فَجَمَعَ بَیْنَہُمَا فِی لَیْلَۃٍ مَطِیرَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩২৭) হজরত আবু মওদুদ আবদুল আজিজ ইবনে আবি সুলাইমান বলেন , আমি আবু বকর ইবনে মুহাম্মাদ (রা . ) - এর সঙ্গে মাগরিব ও এশার নামায পড়লাম এবং তিনি একটি বৃষ্টির রাতে উভয় সালাত আদায় করলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ یُصَلِّی مَعَ مَرْوَانَ ، وَکَانَ مَرْوَانُ إِذَا کَانَتْ لَیْلَۃٌ مَطِیرَۃٌ جَمَعَ بَیْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ ، وَکَانَ ابْنُ عُمَرَ یُصَلِّیہِمَا مَعَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩২৮) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে উমর মারওয়ানের সঙ্গে সালাত আদায় করতেন, এমনকি মারওয়ান বৃষ্টির রাতে মাগরিব ও এশার একত্রিত হলেও তার সঙ্গে সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۲۹) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مَالِکُ بْنُ أَنَسٍ ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ حُصَیْنٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مُخْبِرٌ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ فِی قَوْلِہِ تَبَارَکَ وَتَعَالَی : {لِدُلُوکِ الشَّمْسِ} قَالَ : إِذَا فَائَ الْفَیئُ۔ {وَاللَّیْلِ وَمَا وَسَقَ} قَالَ : وَمَا جَمَعَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6329) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , মহান আল্লাহর হুকুম { আকিম আল - সালালা লিদুলুক আল - শামস } অর্থ ছায়ার বাঁকানো, এবং পরমেশ্বরের হুকুম { ওয়ালাল্লাহ ই লি ওয়ামা ওয়াসাক } ওয়ামা ওয়াসাককে বোঝায়। ওয়ামা এর বহুবচন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : {دُلُوکُ الشَّمْسِ} مَیْلُہَا بَعْدَ نِصْفِ النَّہَارِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6330) হজরত ইবনে উমর বলেন, দালুক শামস বলতে মধ্যাহ্নের পর সূর্যের পশ্চিম দিকে হেলে পড়াকে বোঝায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : {أَقِمِ الصَّلاَۃ لِدُلُوکِ الشَّمْسِ إِلَی غَسَقِ اللَّیْلِ} قَالَ : دُلُوکُہَا غُرُوبُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6331) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , পরম উম্মতের হুকুম { আকিম আল - সালাত লিদুলুক - আল -শামস} মানে সূর্যাস্ত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إِبْرَاہِیمُ بْنُ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوسٍ ، عَنْ أَبِیہِ : {أَقِمِ الصَّلاَۃ لِدُلُوکِ الشَّمْسِ} قَالَ : دُلُوکُہَا قَبْلَ أَنْ تَغِیبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৩২) হজরত তাউস বলেন , মহান আল্লাহ তায়ালার হুকুম {আকীম আল-সালাত লিদুলুক আল-শামস} মানে সূর্যাস্তের আগে সূর্য অস্ত যাওয়া ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۳) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِکِ ، قَالَ : حَدَّثَنِی یُونُسُ بْنُ خَبَّابٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : کُنْتُ أَقُودُ مَوْلاَیَ السَّائِبَ ، وَہُوَ أَعْمَی ، فَیَقُولُ لِی : یَا مُجَاہِدُ ، أَدَلَکَتِ الشَّمْسُ ؟ فَإِذَا قُلْتُ نَعَمْ ، قَامَ فَصَلَّی الظُّہْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৩৩) হযরত মুজাহিদ বলেন , আমি আমার হুজুর হযরত সায়েব (রাঃ )-এর সাথে চলাফেরা করতাম , তিনি ছিলেন অন্ধ । একদিন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন , সূর্য কি? সূর্য কি ডুবে যাবে ? আমি বললাম হ্যাঁ . এতে তিনি দুপুরের নামাজ আদায় করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۴) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کُنْتُ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللہِ فِی بَیْتِہِ ، فَوَجَبَتِ الشَّمْسُ ، فَقَالَ عَبْدُ اللہِ : {أَقِمِ الصَّلاَۃ لِدُلُوکِ الشَّمْسِ إِلَی غَسَقِ اللَّیْلِ} ثُمَّ قَالَ : ہَذَا وَاللَّہِ الَّذِی لاَ إِلَہَ غَیْرُہُ حِینَ أَفْطَرَ الصَّائِمُ ، وَبَلَغَ وَقْتُ ہَذِہِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৩৪) হজরত আসওয়াদ বলেন , আমি হজরত আবদুল্লাহর সঙ্গে তাঁর ঘরে বসেছিলাম । তখন সূর্য ডুবে গেলে হযরত আবদুল্লাহ (রা) এই আয়াতটি পাঠ করলেন { আকীম আল - সালাত লিদুলুক আল - শামস ইল - ই গাসক -আল্লাহ - ই -লি } অতঃপর তিনি বললেনঃ সেই সত্তার কসম , যাঁকে ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই . এর অর্থ হল যে সময় রোজাদার তার রোজা ভাঙ্গে এবং এই নামাজের সময় হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۵) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِیدِ بْنِ جَعْفَرٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : دُلُوکُہَا مَیْلُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6335) হজরত ইবনে ওমর বলেন, দালুক শামস বলতে সূর্যের পশ্চিম দিকে হেলে পড়াকে বোঝায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۶) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ یَعْقُوبَ الْقُمِّیِّ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِی الْمُغِیرَۃِ ، قَالَ : دُلُوکُہَا زَوَالُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6336) হজরত জাফর ইবনে আবু মুগী বলেন , দালুক শামস অর্থ সূর্যের পতন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۷) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ أَبِی کُدَیْنَۃَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : دُلُوکُہَا زَوَالُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৩৭) হজরত শাবি বলেন , দুলুক শামস মানে সূর্যের পতন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۸) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، عَنْ وَرْقَائَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : دُلُوکُ الشَّمْسِ حَتَّی تَزِیغَ ، وَغَسَقُ اللَّیْلِ غُرُوبُ الشَّمْسِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৩৮) হযরত মুজাহিদ বলেন , দালুক শামস অর্থ সূর্য অস্ত যাওয়া এবং গাসক্বুল লিল অর্থ সূর্য অস্ত যাওয়া।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۳۹) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبو العُمَیْس ، قَالَ : حَدَّثَنِی وَبَرَۃ ، عَنْ سَعِیدِ بن جُبَیرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، وَابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالاَ : دُلُوکُہَا حِینَ تَغْرُبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6339) হজরত আবদুল্লাহ ও হজরত ইবনে আব্বাস বলেন, দালুক শামস বলতে সূর্যাস্তের সময় সূর্যের নমনকে বোঝায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۴۰) حدَّثَنَا إِسْحَاقُ بن سُلَیْمَان ، عَنْ أَبِی سِنَانٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : دُلُوکُہَا غُرُوبُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6340) হযরত আলী বলেন , দুলুক শামস অর্থ সূর্য অস্ত যাওয়া।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ أَبِی الْعُمَیْسِ ، عَنِ الْقَاسِمِ ؛ قَالَ : ذَہَبَ بَصَرُ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُتْبَۃَ فَأَتَی الطَّبِیبُ ، فَقَالَ : أُدَاوِیَکَ عَلَی أَنْ تَسْتَلْقِیَ سَبْعَۃَ أَیَّامٍ ، وَلاَ تُصَلِّی إِلاَّ مُضْطَجِعًا ، فَأَبَی وَکَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6341 ) হজরত কাসিম বলেন , হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে উতবার চিকিৎসা শেষ হলে একজন চিকিৎসক এসে বললেন , আমি তোমার চিকিৎসা করব । তারপর তোমাকে সাত দিন সোজা হয়ে শুয়ে থাকতে হবে এবং শুয়ে সালাত আদায় করতে হবে । . তিনি তা অস্বীকার করেন এবং এই প্রক্রিয়ায় তার অসন্তোষ প্রকাশ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۴۲) حَدَّثَنَا ابن مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ؛ أَنَّہُ وَقَع فِی عَیْنَیْہِ الْمَائُ، فَقِیلَ لَہُ: تَسْتَلْقِی سَبْعًا ، فَکَرِہَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৪২) হজরত আসিম বলেন , হজরত আবু ওয়াইলের চোখে জল এসে গেল এবং তাঁকে বলা হলো , চিকিৎসা হিসেবে তোমাকে সাত দিন শুয়ে থাকতে হবে । এ নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ الْمُسَیَّبِ بْنِ رَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَمَّا کُفَّ بَصَرُہُ أَتَاہُ رَجُلٌ ، فَقَالَ لَہُ : إِنْ صَبَرْتَ لِی سَبْعًا لاَ تُصَلِّی إِلاَّ مُسْتَلْقِیًا دَاوَیْتُک ، وَرَجَوْتُ أَنْ تَبْرَأَ عَیْنُک ۔ قَالَ: فَأَرْسَلَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِلَی عَائِشَۃَ ، وَأَبِی ہُرَیْرَۃَ ، وَغَیْرِہِمَا مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَکُلُّہُمْ یَقُولُونَ: أَرَأَیْتَ إِنْ مِتَّ فِی ہَذِہِ السَّبْعِ، کَیْفَ تَصْنَعُ بِالصَّلاَۃ؟ قَالَ: فَتَرَکَ عَیْنَیْہِ، فَلَمْ یُدَاوِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৪৩) হজরত মুসাইব ইবনে রাফি বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা . ) যখন নামাজ শেষ করলেন , তখন একজন লোক তার কাছে এসে বলল , তুমি যদি সাতদিন নামায পড়ে থাক , আমি তোমাকে সুস্থ করে দেব , আশা করি তোমার চোখ ভালো হয়ে যাবে . এতে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রা.) হজরত আয়েশা, হজরত আবু হারি রাহ. ও অন্যান্য সাহাবীদের কাছে লোক পাঠান এবং তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন । সবাই বলল এই সাত দিনে মরে গেলে তোমার নামাজের কি হবে ? তার চোখের চিকিৎসা করানো হয়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۴۴) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ؛ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ أُوقِعَ فِی عَیْنَیْہِ الْمَائُ ، فَقِیلَ لَہُ : أَتَسْتَلْقِی سَبْعًا ، وَلاَ تُصَلِّی إِلاَّ مُسْتَلْقِیًا ؟ فَبَعَثَ إِلَی عَائِشَۃَ ، وَأَمِّ سَلَمَۃَ ، فَسَأَلَہُمَا ، فَنَہَتَاہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬৩৪৪ ) হজরত আবু দাহী বলেন , হজরত ইবনে আব্বাসের চোখ জলে ভরে গেল । তিনি উম্মুল মুমিনীন হজরত আয়েশা ও উম্মুল মুমিনীন হজরত উম্মে সালমা (রা.) - এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা উভয়েই তাকে নিষেধ করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۳۴۵) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ : إِذَا کَانَ یَوْمُ الْغَیْمِ ، فَعَجِّلُوا الْعَصْرَ وَأَخِّرُوا الظُّہْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬৩৪৫) হযরত উমর (রাঃ) বলেন, যেদিন মেঘ থাকবে সেদিন যোহর তাড়াতাড়ি পড়বেন এবং আসর দেরিতে পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬৩৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস