
(۶۱۰۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ فِی الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ ، قَالَ : لَیْسَ بِشَیْئٍ۔ وَقَالَ حَمَّادٌ : ہِیَ بِمَنْزِلَۃِ الْمُسْتَحَاضَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6106 ) হজরত হাকাম গর্ভবতী মহিলার রক্তদানের বিষয়ে বলেন যে এটি কিছুই নয় , হজরত হামদ বলেন , এটি মুস্তাহাদের স্তরের ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۷) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ ہَرِمٍ ، قَالَ : سُئِلَ جَابِرُ بْنُ زَیْدٍ عَنِ الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ ، أَیَمْنَعُہَا ذَلِکَ مِنَ الصَّلاَۃ ؟ فَقَالَ : إِنَّمَا یَمْنَعُ مِنَ الصَّلاَۃ وَالصَّوْمِ ؛ الْحَیْضُ ، وَہَذَا الْغَیْضُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6107) হজরত আমর ইবনে হারাম বলেন , হজরত জাবির ইবনে যায়েদ ( রা .) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল , গর্ভবতী অবস্থায় যদি কোনো মহিলার রক্তপাত হয় , তাহলে সে কি নামায ছেড়ে দেবে ? তিনি বলেন , শুধুমাত্র নামায ও রোযার মাধ্যমেই ঋতুস্রাব রোধ করা যায় , আর তা হল ঘীজ ( ঘাটতি ) ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۸) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الزُّہْرِیَّ عَنِ الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ ؟ قَالَ : تَکُفُّ عَنِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬১০৮ ) হজরত মালিক ইবনে আনাস বলেন , আমি হজরত জাহরি (রা .)-কে এই গর্ভবতী মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে সে নামায ছেড়ে দেবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۹) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ مِنْدَلٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، وَالْحَکَمِ ، وَحَمَّادٍ ؛ قَالُوا : لاَ یَجْتَمِعُ حَبَلٌ وَحَیْضٌ ، فَإِذَا رَأَتِ الْحَامِلُ الدَّمَ فَلْتُصَلِّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6109) হজরত ইকরামা, হজরত হাকাম ও হজরত হামাদ বলেন, গর্ভাবস্থা ও ঋতুস্রাব একত্রিত হতে পারে না , তাই গর্ভবতী মহিলার রক্ত দিলে তার সালাত আদায় করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ؛ أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ: إِذَا رَأَتِ الدَّمَ عَلَی الْوَلَدِ ،أَمْسَکَتْ عَنِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6110) হযরত হাসান (রাঃ) বলতেন , যখন কোন মহিলা তার সন্তানের গায়ে রক্ত দেখে, তখন সে যেন নামায পড়া বন্ধ করে দেয়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۱) حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَکٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الْمَرْأَۃِ تَرَی الدَّمَ وَہِیَ تُطْلَقُ ، قَالَ : تَصْنَعُ مَا تَصْنَعُ الْمُسْتَحَاضَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬১১১১ ) হযরত আতা ( রাঃ ) যে মহিলার প্রসবকালীন রক্ত দেখতে পান সে সম্পর্কে বলেন যে সে যা চাইবে তাই করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَکَمِ، عَنِ الْحَکَمِ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ؛ فِی الْمَرْأَۃِ تَرَی الدَّمَ وَہِیَ تَمْخُضُ، قَالَ : ہُوَ حَیْضٌ لاَ تُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6112 ) হজরত ইব্রাহিম (আ . ) যে নারী তার গর্ভে রক্ত দেখে তার সম্পর্কে বলেন যে সে ঋতুবতী । তাই নামাজ পড়বেন না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۳) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ ہَمَّامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إِذَا رَأَتِ الدَّمَ عَلَی رَأْسِ الْوَلَدِ ، أَمْسَکَتْ عَنِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6113) হজরত হাসান বলেন , যখন কোনো মহিলা সন্তান প্রসবের আগে রক্ত দেখে, তখন সে যেন নামায পড়া বন্ধ করে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُجَالِدٌ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : خَرَجَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إِلَی بَدْرٍ ، فَاسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَکْتُومٍ عَلَی الْمَدِینَۃِ ، فَکَانَ یَؤُمُّہُمْ وَہُوَ أَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬১১৪ ) হজরত শাবি বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বদর সফরে গেলেন , তখন তিনি হজরত ইবনে উম্মে মাকতুমকে তাঁর সহকারী বানিয়েছিলেন । অন্ধ না হয়েও নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ اسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَکْتُومٍ ، فَکَانَ یَؤُمُّ النَّاسَ وَہُوَ أَعْمَی۔ (ابوداؤد ۵۹۵۔ احمد ۳/۱۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬১১৫ ) হজরত শাবি বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে উম্মে মাকতুমকে তাঁর সহকারী বানিয়েছিলেন , তাই তিনি অন্ধ না হয়েও লোকদের নেতৃত্ব দিতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ؛ أَنَّ أُنَاسًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانُوا یَؤُمُّونَ وَہُمْ عُمْیَانٌ مِنْہُمْ ؛ عِتْبَانُ بْنُ مَالِکٍ ، وَمُعَاذُ بْنُ عَفْرَائَ ، وَابْنُ أُمِّ مَکْتُومٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬১১৬) হজরত জাহরি (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কিছু সাহাবী অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও লোকদের নামাজে ইমামতি করতেন । হযরত উতবান বিন মালিক, হযরত মুয়াজ বিন আফরা এবং হযরত ইবনে উম্মে মাকতুম তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : کَانَ نَاسٌ مِنْ أَہْلِ بَدْرٍ یَؤُمُّونَ فِی مَسَاجِدِہِمْ ، بَعْدَ مَا ذَہَبَتْ أَبْصَارُہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6117 ) হজরত জাহরি বলেন , বদরির কিছু সাহাবী নিখোঁজ হওয়া সত্ত্বেও তাদের মসজিদে নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۸) حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِیلَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : دَخَلْنَا عَلَی جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللہِ وَہُوَ أَعْمَی ، فَجَائَ وَقْتُ الصَّلاَۃ ، فَقَامَ فِی نِسَاجَۃٍ مُلْتَحِفًا بِہَا ، کُلَّمَا وَضَعَہَا عَلَی مَنْکِبَیْہِ رَجَعَ طَرَفَاہَا إِلَیْہِ مِنْ صِغَرِہَا ، وَرِدَاؤُہُ إِلَی جَنْبِہِ عَلَی الْمِشْجَبِ ، فَصَلَّی بِنَا۔ (مسلم ۱۴۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৬১১১৮) হজরত আবু জাফর বলেন , আমরা হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা. ) - এর মৃত্যুর পর তাঁর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম । নামাজের সময় হলে কাপড় দিয়ে ঢেকে উঠে দাঁড়ালেন । যখন তিনি এটি কাঁধে নিয়ে গেলেন, ছোট হওয়ায় এর প্রান্তগুলি মাটিতে পড়ে গেল । তার পাশের খুঁটিতে তার চাদরটি ঝুলছিল । এমতাবস্থায় তিনি আমাদের দোয়া শিখিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۱۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی عَامِرٍ ؛ أَنَّ رَجُلاً سَأَلَ الْحَسَنَ ، أَؤُمُّ قَوْمِی وَأَنَا أَعْمَی ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6119) হজরত আবু আমির বলেন , এক ব্যক্তি হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করল যে , তিনি অন্ধ না হয়েও তার লোকদের নামাজে ইমামতি করতে পারবেন কি না ? তাই তিনি হ্যাঁ বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۰) حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ؛ سُئِلَ عَنِ الأَعْمَی یَؤُمُّ؟ قَالَ: فَقَالَ: إِذَا کَانَ أَفْقَہَہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6120) হযরত আতা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে একজন অন্ধ ব্যক্তি ইমামতি করতে পারবে কি না ? তিনি বলেন, হ্যাঁ যদি তার সবচেয়ে বেশি জ্ঞান থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَؤُمَّ الأَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6121 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , অন্ধের ইমামতিতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مُہَاجِرٍ ، قَالَ : کَانَ الْبَرَائُ یُصَلِّی بِنَا وَہُوَ أَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6122) হজরত মাহাজির বলেন , হজরত বারা অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের নামাজে ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : أَمَّنَا ابْنُ عَبَّاسٍ وَہُوَ أَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6123 ) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) অন্ধ না থাকা অবস্থায় আমাদের নামাজে ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۴) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنِ ابْنٍ لَعُمَیرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ رَجُلاً أَعْمَی کَانَ یَؤُمُّ بَنِی خَطْمَۃَ فِی زَمَنِ عُمَرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6124) হজরত ইবনে উমায়েরের পিতা বলেন , হজরত উমর (রা . ) - এর সময় একজন অন্ধ ব্যক্তি মীন বনী খাতমার দিকে নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ رَبِیعٍ ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِکٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَؤُمُّ قَوْمَہُ وَہُوَ أَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6125) হযরত উতবান বিন মালিক অন্ধ অবস্থায় লোকদের নামাজে ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۶) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مَالِکُ بْنُ أَنَسٍ ، عَنِ ابْنِ شِہَابٍ ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِیعِ ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِکٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَؤُمُّ قَوْمَہُ وَہُوَ أَعْمَی۔ (بخاری ۶۶۷۔ نسائی ۸۶۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 6126) হযরত উতবান বিন মালিক ( রাঃ ) অন্ধ না হয়ে লোকদের নামায পড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : کَانَ إِمَامُ بَنِی خَطْمَۃَ أَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6127) হযরত উরওয়া বলেন , বনু খাতমার ইমাম নবী ছিলেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَیْدٍ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ، قَالَ: أَمَّنَا جَابِرٌ بَعْدَ مَا ذَہَبَ بَصَرُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬১২৮ ) হজরত আবু জাফর বলেন , হজরত জাবির তার মৃত্যুর পর নামাজের ইমামতি করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۲۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : سَأَلَ الْحَکَمُ بْنُ عُتَیْبَۃَ الْقَاسِمَ عَنِ الأَعْمَی یَؤُمُّ ، وَتَجُوزُ شَہَادَتُہُ ؟ فَقَالَ : مَا یَمْنَعُہُ أَنْ یَؤُمَّ وَتَجُوزُ شَہَادَتُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6129) হজরত কাসিম হযরত কাসিমকে অন্ধের নেতৃত্ব ও সাক্ষ্যদান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , তাকে নেতৃত্ব দেওয়া ও সাক্ষ্য দেওয়া থেকে কী বাধা দেবে ? শক্তি আছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیّ ، عَنْ عُمَر بْنِ عَطِیَّۃَ ، قَالَ : أَمَّنَا الْمُسَیَّبُ وَہُوَ أَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬১৩০ ) হজরত উমর বিন আতিয়াহ বলেন , হযরত মুসাইব অন্ধ থাকা অবস্থায় আমাদের নামাজে ইমামতি করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۳۱) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ شَیْخٍ یُکَنَّی أَبَا عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّ ابْنَ أَبِی أَوْفَی أَمَّہُمْ وَہُوَ أَعْمَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6131 ) আবু আবদুল্লাহ , বুজুর্গ বলেন , হজরত ইবনে আবিউফ অন্ধ থাকা অবস্থায় আমাদের নামায পড়াতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : کَیْفَ أَؤُمُّہُمْ وَہُمْ یَعْدِلُونِی إِلَی الْقِبْلَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6132 ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , আমি তাদের সঙ্গে সালাত আদায় করব যদিও তারা কেবলা থেকে আমার দিকে মুখ করে থাকে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۳۳) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ أَبِی الْحَسْنَائِ ، عَنْ زِیَادِ النُّمَیْرِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَنَسًا عَنِ الأَعْمَی ، یَؤُمُّ ؟ فَقَالَ : مَا أَفْقَرَکُمْ إِلَی ذَلِکَ ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬১৩৩ ) যায়েদ নিমিরী বলেন , আমি হজরত আনাস ( রা . ) - কে অন্ধের নেতৃত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন , তার প্রয়োজন কী ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۳۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ وَاصِلٍ الأَحْدَبِ ، عَنْ قَبِیصَۃَ بْنِ بُرْمَۃَ الأَسَدِیِّ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : مَا أُحِبُّ أَنْ یَکُونَ مُؤَذِّنِیکُمْ عُمْیَانُکُمْ ۔ قَالَ : أَحْسِبُہُ ، قَالَ : وَلاَ قُرَّائَکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬১৩৪) হজরত আবদুল্লাহ (রা.) বললেন , তোমাদের মুয়াজ্জিন শুদ্ধ না হওয়াটা আমি পছন্দ করি না । একজন কথক বলেছেন যে আমি পাঠকদের কথা ভাবছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۳۵) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ مَرْزُوقٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، أَنَّہُ قَالَ : الأَعْمَی لاَ یَؤُمُّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6135) হজরত সাঈদ বিন জাবির বলেন , অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস