
(۶۰۷۶) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ مَیْسَرَۃَ ، عَنِ الْمِنْہَالِ ، عَنْ عَبَّاد بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إِذَا سَلَّمَ الإِمَامُ لَمْ یَتَطَوَّعْ حَتَّی یَتَحَوَّلَ مِنْ مَکَانِہِ ، أَوْ یَفْصِلَ بَیْنَہُمَا بِکَلاَمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৭৬) হযরত আলী বলেন , ইমাম যখন সালাম ফেরান , তখন তার স্থান থেকে সরে না যাওয়া পর্যন্ত নফল পাঠ করা উচিত নয় বা কর্তব্য ও নফল সম্পর্কে কথা বলা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۷۷) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ إِذَا صَلَّی الإِمَامُ أَنْ یَتَطَوَّعَ فِی مَکَانِہِ ، وَلَمْ یَرَ بِہِ لِغَیْرِ الإِمَامِ بَأْسًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৭৭) হজরত ইবনে উমর (রা.) ফরযের পরিবর্তে নফল পড়াকে ইমামের জন্য জঘন্য মনে করতেন , কিন্তু অ - ইমামদের জন্য এতে কোনো ক্ষতি আছে বলে মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۷۸) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ بْنِ مُہَاجِرٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ؛ أَنَّہُ کَرِہَ لِلإِمَامِ أَنْ یُصَلِّیَ فِی مَکَانِہِ الَّذِی صَلَّی فِیہِ الْفَرِیضَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৭৮) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) যে স্থানে ফরয নামায পড়েছেন সেখানে ইমামের নফল নামায পড়াকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۷۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَحِبُّ لِلإِمَامِ إِذَا صَلَّی أَنْ لاَ یَتَطَوَّعَ فِی مَکَانِہِ الَّذِی صَلَّی فِیہِ ۔ أَوَ قَالَ : کَانَ یَکْرَہُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৭৯) হজরত ইবনে আবি লায়লা বলতেন যে , ইমাম যে স্থানে ফরজ নামাজ পড়েছেন সেখানে নফল না পড়া বাঞ্ছনীয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۰) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، وَالْحَسَنِ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا یُعْجِبُہُمَا إِذَا سَلَّمَ الإِمَامُ أَنْ یَتَقَدَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6080) হযরত সাঈদ বিন মুসাইব ও হযরত হাসান পছন্দ করতেন যে, ইমাম সালাম ফিরলে তিনি যেন এগিয়ে যান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یُکْرَہُ لِلإِمَامِ أَنْ یَتَطَوَّعَ فِی مَکَانِہِ الَّذِی صَلَّی فِیہِ الْفَرِیضَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৮১) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) যে স্থানে ফরয সালাত আদায় করেছেন সেখানে ইমামের নফল আদায় করাকে জঘন্য মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَیْسَرَۃَ ، عَنِ الْمِنْہَالِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ: لاَ یَتَطَوَّعُ الإِمَامُ فِی الْمَکَانِ الَّذِی أَمَّ فِیہِ الْقَوْمَ حَتَّی یَتَحَوَّلَ ، أَوْ یَفْصِلَ بِکَلاَمٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৮২) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , ইমাম যে স্থানে লোকদের নামায পড়াতে পরিচালিত করেছেন সেখানে নফল নামায পড়তে পারবেন না , যদিও তিনি স্থান পরিবর্তন করেন বা শব্দের মাধ্যমে পরিবর্তন করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : الإِمَام یَتَحَوَّلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৮৩) হযরত সাঈদ বিন মুসাইব বলেন , ইমাম তার স্থান পরিবর্তন করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إِذَا صَلَّی الإِمَام الْمَکْتُوبَۃَ ، ثُمَّ أَرَادَ أَنْ یُصَلِّیَ التَّطَوُّعَ، تَنَحَّی مِنْ مَکَانِہِ الَّذِی صَلَّی فِیہِ الْفَرِیضَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৮৪) হজরত ইব্রাহীম বলেন , ইমাম যখন ফরজ সালাত আদায় করে নেবেন এবং নফল আদায় করতে চান, তখন তিনি যে স্থান থেকে ফরজ সালাত আদায় করেছেন সেখান থেকে সরে যেতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۵) حَدَّثَنَا عَبْدُالأَعْلَی، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ، قَالَ: کَانُوا یَسْتَحِبُّونَ أَنْ یَتَقَدَّمُوا فِی الصَّلاَۃ، وَلاَ یَتَأَخَّرُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬০৮৫ ) হজরত আবু কালাবা বলেন , পূর্বসূরিরা মনে করতেন যে , নামাযে এগিয়ে যাওয়া এবং পিছিয়ে না পড়াকে যুক্তিযুক্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِمُحَمَّدٍ : الرَّجُلُ یَتَقَدَّمُ إِلَی الصَّفِّ فِی الصَّلاَۃ؟ قَالَ: لاَ أَعْلَمُ بَأْسًا أَنْ یَتَقَدَّمَ خُطْوَۃً ، أَوْ خُطْوَتَیْنِ ۔ وَقَالَ فِی الَّذِی یَصِل الصَّفَّ مُعْتَرِضًا : لاَ أَدْرِی مَا ہُوَ ؟۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৮৬) হজরত ইবনে আউন বলেন , আমি মুহাম্মাদ (সা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম , একজন ব্যক্তি কি নামাজের কাতারে আমার সাথে দেখা করার জন্য এগিয়ে যেতে পারে ? তিনি বলেন , আমি মনে করি না এক বা দুই ধাপ এগোতে কোনো সমস্যা আছে ।এবং তিনি আরও বলেছিলেন যে আমি জানি না যখন আমি প্রার্থনার দিকে তার সাথে দেখা করি তখন কী হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَکُونُ مَعَہُ الشَّیئُ فَیَضَعُہُ فَیُصَلِّیَ ، ثُمَّ یَبْدُو لَہُ أَنْ یَتَقَدَّمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ أَنْ یَأْخُذَہُ ، ثُمَّ یَتَقَدَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৮৭ ) হজরত আতা (যে ব্যক্তির কাছে কিছু আছে এবং তা রেখে সালাত আদায় করার পর তার সামনে অগ্রসর হওয়ার ঘটনা ঘটে সে সম্পর্কে ) বলেন , তার এ জিনিস গ্রহণ করা এবং অগ্রসর হওয়াতে তার কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، وَسُفْیَانَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ، عَن عُرْوَۃَ، قَالَ: کَانَ یُقَالُ: تَقَدَّمُوا، تَقَدَّمُوا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৮৮) হজরত আরওয়া বলেন , এটা বলা হতো এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۸۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ بْنِ سَالِمٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الشَّعْبِیَّ عَنْ رَجُلٍ کَانَ یُصَلِّی وَبَیْنَ یَدَیْہِ قَوْمٌ یُصَلُّونَ ، فَانْصَرَفُوا ؟ قَالَ : یَتَقَدَّمُ إِلَی الْحَائِطِ بَیْنَ یَدَیْہِ ۔ قَالَ : قُلْتُ : أَفَیَقْرَأُ وَہُوَ یَمْشِی ؟ قَالَ : لاَ ، حَتَّی یَنْتَہِیَ إِلَی الْمَکَانِ الَّذِی یَقُومُ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬০৮৯) ইসমাইল বিন সালিম বলেন , আমি হযরত শাবি (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , যার সামনে কিছু লোক নামায পড়ছিল এবং তারা কি করবে ? সে বলল তার সামনের দেয়ালের দিকে যেতে হবে আমি জিজ্ঞেস করলাম সে হাঁটতে হাঁটতে তেলাওয়াত করবে কিনা । তিনি বললেনঃ না , যখন দাঁড়াতে হবে সেখানে পৌছাবে তখন তিলাওয়াত করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۰) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ ہَاشِمٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِیِّ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عن أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : صَلَّیْتُ إِلَی جَنْبِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ یُصَلِّی بِاللَّیْلِ تَطَوُّعًا ، فَمَرَّ بِآیَۃٍ ، فَقَالَ : أَعُوذُ بِاللَّہِ مِنَ النَّارِ، وَوَیْلٌ لأَہْلِ النَّارِ۔ (ابوداؤد ۸۷۷۔ احمد ۴/۳۴۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬০৯০ ) হজরত আবুল লায়লা বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . )- এর সাথে সালাত আদায় করেছি । তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) রাতে নফল সালাত আদায় করছিলেন, তিনি একটি আয়াত পাঠ করলেন এবং তারপর বললেন, “ আমি জাহান্নাম ও জাহান্নাম থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি ।” তাদের জন্য যারা
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّہَا مَرَّتْ بِہَذِہِ الأَیَۃِ : {فَمَنَّ اللَّہُ عَلَیْنَا وَوَقَانَا عَذَابَ السَّمُومِ}فَقَالَتْ : اللَّہُمَّ مُنَّ عَلَیْنَا وَقِنَا عَذَابَ السَّمُومِ ، إِنَّک أَنْتَ الْبَرُّ الرَّحِیمُ۔ فَقِیلَ لِلأَعْمَشِ : فِی الصَّلاَۃِ ؟ فَقَالَ : فِی الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৯১) হজরত মাসরূক বলেন , হজরত আয়েশা (রা ) এই আয়াতটি পাঠ করলেন {ফামান্না আল্লাহ আলা ইয়ি না ওয়াকানা জাযাব আল - সাম্মুম} এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ ! আমাদের প্রতি রহম করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন , আপনিই দয়াময় ও দয়ালু হজরত আমিশকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি এই প্রার্থনা করেছিলেন কি না , তিনি বললেন , হ্যাঁ , আমি প্রার্থনা করছিলাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الْوَہَّابِ ، عَنْ جَدِّہِ عَبَّادِ بْنِ حَمْزَۃَ ، قَالَ : دَخَلْتُ عَلَی أَسْمَائَ وَہِیَ تَقْرَأُ : {فَمَنَّ اللَّہُ عَلَیْنَا وَوَقَانَا عَذَابَ السَّمُومِ} قَالَ : فَوَقَفَتْ عَلَیْہَا ، فَجَعَلَتْ تَسْتَعِیذُ وَتَدْعُو ۔ قَالَ عَبَّادُ : فَذَہَبْتُ إِلَی السُّوقِ ، فَقَضَیْتُ حَاجَتِی ، ثُمَّ رَجَعْتُ ، وَہِیَ فِیہَا بَعْدُ تَسْتَعِیذُ وَتَدْعُو۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6092 ) হজরত ইবাদ বিন হামজাহ বলেন , আমি হজরত আসমা (রা.) -এর কাছে এলাম , তিনি এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন .কিন্তু তারা সেখানে থেকে যান এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে লাগলেন এবং প্রার্থনা করতে লাগলেন . হজরত ইবাদ বলেন , আমি বাজারে গিয়েছিলাম , আমার প্রয়োজন পূরণ করে ফিরে এসেছি , তিনি তখনও আশ্রয় প্রার্থনা করছেন এবং প্রার্থনা করছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عِیسَی ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إِذَا مَرَّ أَحَدُکُمْ فِی الصَّلاَۃ بِذِکْرِ النَّارِ ، فَلْیَسْتَعِذْ بِاللَّہِ مِنَ النَّارِ ، وَإِذَا مَرَّ بِذِکْرِ الْجَنَّۃِ ، فَلْیَسْأَلِ اللَّہَ الْجَنَّۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৯৩) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , যখন কেউ তার নামাজে জাহান্নামের কথা বলে , তখন তার উচিত জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা এবং যখন সে বেহেশতের কথা বলে, তখন তার আল্লাহর কাছে বেহেশত চাওয়া উচিত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا إِذَا مَرَّ بِآیَۃٍ أَنْ یَسْأَلَ ، وَأَنَّ ابْنَ سِیرِینَ کَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৯৪) হজরত হাসান মনে করেননি এতে কোনো ভুল আছে যে, কোনো ব্যক্তি যখন কোনো আয়াত দেখেন , তখন তাকে সে অনুযায়ী প্রশ্ন করা উচিত । হযরত ইবনে সীরীন এটাকে মাকরূহ খেয়াল বলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ الأَحْنَفِ ، عَنْ صِلَۃ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ، قَالَ : صَلَّیْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَکَانَ إِذَا مَرَّ بِآیَۃٍ فِیہَا تَسْبِیحٌ سَبَّحَ ، وَإِذَا مَرَّ بِسُؤَالٍ سَأَلَ ، وَإِذَا مَرَّ بِتَعَوُّذٍ تَعَوَّذَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬০৯৫ ) হজরত হুযায়ফা ( রা ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে সালাত আদায় করতাম , যখন তিনি কোন আয়াতটি তাসবীহ পাঠ করছিলেন , তখন তারা দু’আটির আয়াত পাঠ করতেন । দুআ চাইবে এবং আশ্রয় প্রার্থনার জন্য একটি আয়াত পাঠ করলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : قُلْتُ لإِبْرَاہِیمَ : أَسْمَعُ الرَّجُلَ وَأَنَا أُصَلِّی یَقُولُ : {إِنَّ اللَّہَ وَمَلاَئِکَتَہُ یُصَلُّونَ عَلَی النَّبِیِّ} ، أَأُصَلِّی عَلَیْہِ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، إِنْ شِئْتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৬০৯৬ ) হজরত মুগীরাহ বলেন , আমি হজরত ইব্রাহীম (আ.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , আমি যদি নামাযের সময় একজনকে { ইন্না আল্লাহ ওয়া মালাইকতাহু ইউ সালুন আলা ইয়ি আন্নাবি ই } পড়তে শুনি , তাহলে আমি কেন নামায পড়ব ? তিনি বললেন, হ্যাঁ , আপনি চাইলে পড়তে পারেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۷) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إِذَا قَالَ الرَّجُلُ فِی الصَّلاَۃ : {إِنَّ اللَّہَ وَمَلاَئِکَتَہُ یُصَلُّونَ عَلَی النَّبِیِّ ، یَا أَیُّہَا الَّذِینَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَیْہِ وَسَلِّمُوا تَسْلِیمَا} ، فَلْیُصَلِّ عَلَیْہِ۔ قَالَ: وَقَالَ ابْنُ سِیرِینَ : کَانُوا إِذَا قَرَؤُوا الْقُرْآنَ لَمْ یَخْلِطُوا بِہِ مَا لَیْسَ مِنْہُ ، وَیَمْضُونَ کَمَا ہُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6097 ) হজরত হাসান বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি সালাত আদায় করে , তখন আপনি যদি তা পাঠ করেন , তখন মহানবী ( সা . ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের সময় আমরা অন্য কোনো শব্দ এর মাঝে আনব না , বরং কোরআন তেলাওয়াত চালিয়ে যেতে হবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : الرَّجُلُ یَمُرُّ بِہَذِہِ الآیَۃِ فِی الصَّلاَۃ : {إِنَّ اللَّہَ وَمَلاَئِکَتَہُ یُصَلُّونَ عَلَی النَّبِیِّ} ، أَیُصَلِّی عَلَیْہِ ؟ قَالَ : یَمُرُّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৯৮) হজরত জাবির (রা) বলেন , আমি হজরত আমীরকে জিজ্ঞেস করলাম , যদি কোনো ব্যক্তি আমার সালাত ( ইন্না আল্লাহ ওয়া মালাইকতাহু ইউ সালোউন আলা আল - নাব্বি ই ) পাঠ করে , তাহলে সে দুরূদ পাঠ করবে ? তিনি বলেন, এটা পাস .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰۹۹) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ ، وَعَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ مَطَرٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ فِی الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ ، لاَ یَمْنَعُہَا ذَلِکَ مِنَ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬০৯৯) হজরত আয়েশা (রাঃ) বলেন , গর্ভবতী মহিলা রক্ত দেখলে নামায ত্যাগ করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ جَامِعِ بْنِ أَبِی رَاشِدٍ، عَنْ عَطَائٍ؛ فِی الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ، قَالَ: تَوَضَّأُ وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৬১০০) গর্ভাবস্থায় রক্ত দেখে যে মহিলার সম্পর্কে হজরত আতা বলেন , সে অজু করে সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۱) حَدَّثَنَا إِسْمَاعِیلُ ، عَنْ أَیُّوبَ ، قَالَ: کَتَبْتُ إِلَی نَافِعٍ أَسْأَلُہُ عَنِ الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ ؟ فَکَتَبَ إِلَیَّ : سَأَلْتُ سُلَیْمَانَ بْنَ یَسَارٍ عَنِ الْمَرْأَۃِ تَرَی الدَّمَ فِی غَیْرِ حَیْضٍ ، وَلاَ نِفَاسٍ؟ فَقَالَ: تَغْتَسِلُ ، وَتَسْتَثْفِرُ بِثَوْبٍ ، وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6101) হজরত আইয়ুব বলেন , আমি হজরত নাফিকে একটি চিঠি লিখে রক্ত দেখে গর্ভবতী মহিলার কথা জিজ্ঞেস করেছিলাম । তিনি বলেন , আমি হজরত সুলাইমান বিন নাসার ( রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , ঋতুস্রাব ও নিফাস অবস্থা ছাড়া অন্য কোনো রক্ত দেখলে কী করবেন ? তিনি বললেন , গোসল করতে হবে, কাপড় দিয়ে রক্ত বন্ধ করে নামাজ পড়তে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۲) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ، عَنْ لَیْثٍ، عَنِ الشَّعْبِیِّ، وَعَطَائٍ؛ فِی الْحُبْلَی تَرَی الدَّمَ عَبِیطًا ، تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6102) হযরত শাবি ও হযরত আতা বিশুদ্ধ রক্তদানকারী গর্ভবতী মহিলা সম্পর্কে বলেন যে, সে যেন গোসল করে নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ، عَنْ یُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ؛ فِی الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ، قَالَ: تَصْنَعُ کَمَا تَصْنَعُ الْمُسْتَحَاضَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 6103 ) হজরত হাসান রক্তদানকারী গর্ভবতী মহিলা সম্পর্কে বলেন যে , সে যা করবে মুস্তাহাযা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۴) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الْحَامِلِ تَرَی الدَّمَ ، قَالَ : إِنْ کَانَتْ تَرَاہُ کَمَا کَانَتْ تَرَاہُ قَبْلَ ذَلِکَ فِی أَقْرَائِہَا ؛ تَرَکَتِ الصَّلاَۃ ، وَإِنْ کَانَ إِنَّمَا ہُوَ فِی الْیَوْمِ وَالْیَوْمَیْنِ ، لَمْ تَدَعِ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6104) হজরত হাসান রক্তদানকারী গর্ভবতী মহিলা সম্পর্কে বলেন যে , যদি সে ঋতুস্রাবের অবস্থার মতো অনুভব করে তবে সে যেন নামায ছেড়ে দেয় এবং যদি এমন হয় । যদি সে দুই দিন অবস্থান করে তবে সে যেন নামায ছেড়ে না যায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۱۰۵) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَکَمِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إِذَا رَأَتْہُ وَہِیَ حُبْلَی فَلْتَوَضَّأْ وَلْتُصَلِّ ، فَإِنَّہُ لَیْسَ بِشَیْئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(6105) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলেন , কোনো মহিলার গর্ভবতী অবস্থায় রক্তপাত হলে তাকে ওযু করে সালাত আদায় করতে হবে । এই কিছুই না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬১০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস