(৪) ( ৮৯৫৮ ) আল হাসান বিন সালেহ , আশআতের সূত্রে , উসমান বিন আবি আল আস এর সূত্রে , তিনি বলেন: ْإُ السُّفْرَةَ فِي اَ يَّ عم غَيْ رِ حَيْ إِتِها , قَالِ : আপনি যদি বেড়েছে হে আল্লাহর মা [হাদিসের সীমা (৫০২৬-৮৯৫৮), সর্বমোট হাদিসঃ ৩৯৩৩টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৩১২৩টি]



5836 OK

(৫৮৩৬)

সহিহ হাদিস

(۵۸۳۶) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : حقٌّ عَلَی کُلِّ ذَاتِ نِطَاقٍ أَنْ تَخْرُجَ إِلَی الْعِیدَیْنِ ، وَلَمْ یَکُنْ یُرَخِّصُ لَہُنَّ فِی شَیْئٍ مِنَ الْخُرُوجِ إِلاَّ إِلَی الْعِیدَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5836) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের জন্য আদীর জন্য বের হওয়া ওয়াজিব । হযরত আলী মহিলাদেরকে শুধুমাত্র ঈদের নামাজের জন্য বের হতে দিতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5837 OK

(৫৮৩৭)

সহিহ হাদিস

(۵۸۳۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ یُخْرِجُ إِلَی الْعِیدَیْنِ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْ أَہْلِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৩৭ ) হজরত নাফি বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা . ) তার পরিবার থেকে যাকে খুশি ঈদের জন্য পাঠাতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5838 OK

(৫৮৩৮)

সহিহ হাদিস

(۵۸۳۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، قَالَ : قالَتْ عَائِشَۃُ : قَدْ کَانَتِ الْکِعَابُ تَخْرُجُ لِرَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مِنْ خِدْرِہَا فِی الْفِطْرِ وَالأَضْحَی۔ (احمد ۶/۱۸۴۔ ابن راھویہ ۱۳۵۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(৫৮৩৮) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর সাথে সালাত আদায়ের জন্য যুবতী মেয়েরা পর্দা থেকে বের হয়ে আসে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5839 OK

(৫৮৩৯)

সহিহ হাদিস

(۵۸۳۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سُلَیْمِ ، عن ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ فِی قَوْلِہِ : (کَوَاعِبُ) قَالَ : نَوَاہِدُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5839 ) হযরত মুজাহিদ আব শব্দের ব্যাখ্যায় বলেন , এর অর্থ হল সেই সব মেয়ে যাদের স্তন বেরোচ্ছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5840 OK

(৫৮৪০)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۰) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ؛ أَنَّ عَلْقَمَۃَ ، وَالأَسْوَدَ کَانَا یُخْرِجَانِ نِسَائَہُمَا فِی الْعِیدَیْنِ ، وَیَمْنَعُونَہُنَّ مِنَ الْجُمُعَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৪০ ) হজরত আবদ আল - রহমান বিন আসওয়াদ বলেন , হজরত আলকামা ও হাজরে আসওয়াদ মহিলাদের ঈদের জন্য পাঠাতেন এবং শুক্রবার থেকে তাদের নিষেধ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5841 OK

(৫৮৪১)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۱) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ : إِنْ کَانَتِ امْرَأَۃُ أَبِی مَیْسَرَۃَ لَتَخْرُجَ إِلَی الْعِیدِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৪১ ) হজরত আবু ইসহাক বলেন , আবু মিসরাহ ( রা . ) - এর পরিবার ঈদের নামায পড়তে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5842 OK

(৫৮৪২)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۲) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، قَالَ: کَانَ لِعَلْقَمَۃَ امْرَأَۃٌ قَدْ خَلَتْ فِی السِّنِّ تَخْرُجُ إِلَی الْعِیدَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৪২ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত আলকামাহ জীবনের অর্ধেক ঈদের নামাজ পড়তে যেতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5843 OK

(৫৮৪৩)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ حَفْصَۃَ ، عَنْ أُمِّ عَطِیَّۃَ ، قَالَتْ : أَمَرَنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَنْ نُخْرِجَہُنَّ یَوْمَ الْفِطْرِ وَیَوْمَ النَّحْرِ ، قَالَتْ أُمُّ عَطِیَّۃَ : فَقُلْنَا : أَرَأَیْتَ إِحْدَاہُنَّ لاَ یَکُونُ لَہَا جِلْبَابٌ ؟ قَالَ: فَتُلْبِسُہَا أُخْتُہَا مِنْ جِلْبَابِہَا۔ (بخاری ۳۲۴۔ ابوداؤد ۱۱۳۱)


থেকে বর্ণিতঃ

( 5843 ) হযরত উম্মে আতিয়া ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন হজরত উম্মতিয়া (রা. ) বলেন , আমরা জিজ্ঞেস করলাম , কোনো নারীর বড় চাদর না থাকলে তার কী করা উচিত ? তিনি বললেন যে তার বোন তাকে তার চাদর দিয়ে ঢেকে রাখবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5844 OK

(৫৮৪৪)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یُکْرَہُ خُرُوجُ النِّسَائِ فِی الْعِیدَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৪৪ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ঈদে নারীদের উপস্থিতিকে জঘন্য ঘোষণা করা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5845 OK

(৫৮৪৫)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ جَابِرٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یُخْرِجُ نِسَائَہُ فِی الْعِیدَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৪৫ ) হজরত ইবনে উমর ( রা .) তার নারীদেরকে ঈদের জন্য পাঠাননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5846 OK

(৫৮৪৬)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۶) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَدَعُ امْرَأَۃً مِنْ أَہْلِہِ تَخْرُجُ إِلَی فِطْرٍ ، وَلاَ إِلَی أَضْحَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5846 ) হযরত উরওয়া তার মহিলাদের ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরে যেতে দেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5847 OK

(৫৮৪৭)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۷) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ قُرَّۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ ، قَالَ : کَانَ الْقَاسِمُ أَشَدَّ شَیْئٍ عَلَی الْعَوَاتِقِ ، لاَ یَدَعُہُنَّ یَخْرُجْنَ فِی الْفِطْرِ وَالأَضْحَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5847 ) হযরত কাসিম কুমারী মেয়েদের ব্যাপারে খুবই কঠোর হতেন এবং তাদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় যেতে দিতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5848 OK

(৫৮৪৮)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، قَالَ: کُرِہَ لِلشَّابَّۃِ أَنْ تَخْرُجَ إلَی الْعِیدَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৪৮ ) হজরত ইব্রাহীম বলেন , যুবতীর ঈদে যাওয়া মাকরূহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5849 OK

(৫৮৪৯)

সহিহ হাদিস

(۵۸۴۹) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ مُطَرِّفٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : یُصَلِّی أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5849) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, তাকে চার রাকাত পড়তে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5850 OK

(৫৮৫০)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، وَحَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ مُسْلِمٍ ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : مَنْ فَاتَہُ الْعِیدُ فَلْیُصَلِّ أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5850) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , যে ঈদের নামায ছুটে যায় সে যেন চার রাকাত নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5851 OK

(৫৮৫১)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : یُصَلِّی أَرْبَعًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5851) হযরত শাবি বলেন , তাকে চার রাকাত পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5852 OK

(৫৮৫২)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ وَیُکَبِّرُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5852) হযরত আতা বলেন , তিনি দুই রাকাত পড়বেন এবং তাকবীর বলতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5853 OK

(৫৮৫৩)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ یُونُسَ ، قَالَ : حدَّثَنِی بَعْضُ آلِ أَنَسٍ ؛ أَنَّ أَنَسًا کَانَ رُبَّمَا جَمَعَ أَہْلَہُ وَحَشَمَہُ یَوْمَ الْعِیدِ ، فَصَلَّی بِہِمْ عَبْدُ اللہِ بْنُ أَبِی عُتْبَۃَ رَکْعَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5853) ঈদের দিন হযরত আনাস (রাঃ) তাঁর বাড়ির মহিলা ও দাসীদের একত্র করতেন এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবী উতবাহ তাদের ঈদের নামাযে ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5854 OK

(৫৮৫৪)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : کَانَ أَبُو عِیَاضٍ مُسْتَخْفِیًا ، قَالَ : فَجَائَہُ مُجَاہِدٌ یَوْمَ عِیدٍ ، فَصَلَّی بِہِ رَکْعَتَیْنِ ، وَدَعَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৫৮৫৪) হজরত হুকাম বলেন , আবু আইয়াজ লুকিয়ে ছিলেন , ঈদের দিন হযরত মুজাহিদ তাঁর কাছে আসেন এবং তিনি দুই রাকাত নামাজ পড়েন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5855 OK

(৫৮৫৫)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۵) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ ہَاشِمٍ ، عَنْ جُوَیْبِرٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ، قَالَ : مَنْ کَانَ لَہُ عُذْرٌ یُعْذَرُ بِہِ فِی یَوْمِ فِطْرٍ ، أَوْ جُمُعَۃٍ ، أَوْ أَضْحَی ، فَصَلاَتُہُ أَرْبَعُ رَکَعَاتٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৫৫ ) হযরত দাহহাক বলেন , যে ব্যক্তি কোন ওজরের কারণে জুমআর নামায পড়তে না পারলে চার রাকাত পড়তে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5856 OK

(৫৮৫৬)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ ، عَنْ أَبِی عُمَرَ ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِیَّۃِ ، قَالَ : یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5856) হযরত ইবনুল হানাফী বলেন , তিনি দুই রাকাত পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5857 OK

(৫৮৫৭)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ رَبِیعٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یُصَلِّی مِثْلَ صَلاَۃِ الإِمَام۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৫৭) হযরত হাসান বলেন , তিনি ইমামের নামায পড়বেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5858 OK

(৫৮৫৮)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إِذَا فَاتَتْک الصَّلاَۃُ مَعَ الإِمَامِ فَصَلِّ مِثْلَ صَلاَتِہِ ۔ وَقَالَ إِبْرَاہِیمُ : وَإِذَا اسْتَقْبَلَ النَّاسَ رَاجِعِینَ فَلْیَدْخُلْ أَدْنَی مَسْجِدٍ ، ثُمَّ لِیُصَلِّ صَلاَۃَ الإِمَامِ ، وَمَنْ لاَ یَخْرُجُ إِلَی الْعِیدِ ، فَلْیُصَلِّ مِثْلَ صَلاَۃِ الإِمَام۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৫৮ ) হজরত ইব্রাহিম (আ. ) বলেন , যে ব্যক্তি ঈদের নামায মিস করেছে , সে যেন ইমামের নামায পড়ে । হজরত ইব্রাহীম বলেন , লোকেরা যখন নামায পড়ে ফিরবে তখন তোমরা মসজিদে এসে ইমামের নামায পড়ো , যে ঈদের নামায আদায় করতে পারবে না সেও যেন ইমামের নামায আদায় করে নেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5859 OK

(৫৮৫৯)

সহিহ হাদিস

(۵۸۵۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ؛ فِیمَنْ لَمْ یُدْرِکِ الصَّلاَۃَ یَوْمَ الْعِیدِ ، قَالَ : یُصَلِّی مِثْلَ صَلاَتِہِ ، وَیُکَبِّرُ مِثْلَ تَکْبِیرِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5859) হযরত হামদ বলেন , যে ব্যক্তি ঈদের দিন ইমামের সাথে সালাত আদায় করতে পারে না সে যেন ইমামের মত সালাত আদায় করে এবং তার তাকবী রাতের মত তাকবী রাআত বলে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5860 OK

(৫৮৬০)

সহিহ হাদিস

(۵۸۶۰) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، قَالَ : سَأَلْتُ أَبَا إِسْحَاقَ عَنِ الرَّجُلِ یَجِیئُ یَوْمَ الْعِیدِ وَقَدْ فَرَغَ الإِمَامُ ؟ قَالَ : یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5860) হযরত শিরেক বলেন , আমি আবু ইসহাক (রাঃ)-কে ঐ ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে ঈদের দিন ইমামের নামায শেষ করার পর এসেছিলেন , তিনি বললেনঃ সে দুই রাকাত পড়ল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5861 OK

(৫৮৬১)

সহিহ হাদিস

(۵۸۶۱) حَدَّثَنَا حسن بن عَبْدُ الرَّحْمَان الْحَارِثِیُّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ ؛ فِی الَّذِی یَفُوتُہُ الْعِیدُ ، قَالَ : کَانَ یُسْتَحَبُّ أَنْ یُصَلِّیَ مِثْلَ صَلاَۃِ الإِمَامِ ، وَإِنْ عَلِمَ مَا قَرَأَ بِہِ الإِمَام قَرَأَ بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5861) হজরত মুহাম্মদ বলেন, যে ব্যক্তির ঈদের নামায মারা যায় তার জন্য এটা সুপারিশ করা হয় যে সে ইমামের নামায পড়বে এবং ইমামের তিলাওয়াত জানতে পারলে সে তা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5862 OK

(৫৮৬২)

সহিহ হাদিস

(۵۸۶۲) حَدَّثَنَا جَرِیرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِیدِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : إِذَا فَاتَتْک مِنْ صَلاَۃِ الْعِیدِ رَکْعَۃٌ فَاقْضِہَا، وَاصْنَعْ فِیہَا مِثْلَ مَا یَصْنَعُ الإِمَامُ فِی الرَّکْعَۃِ الأُولَی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 5862) হজরত হামদ বলেন , যে ব্যক্তি এক রাকাতে মারা যায় তার কাযা আদায় করতে হবে এবং ইমাম প্রথম রাকআতে যে আমল করে থাকে সেভাবেই আমল করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5863 OK

(৫৮৬৩)

সহিহ হাদিস

(۵۸۶۳) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : یُکَبِّرُ مَعَہُ فِی ہَذِہِ مَا أَدْرَکَ مِنْہَا ، وَیَقْضِی الَّتِی فَاتَتْہُ وَیُکَبِّرُ فِیہَا مِثْلَ تَکْبِیرِ الإِمَامِ فِی الرَّکْعَۃِ الثَّانِیَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(৫৮৬৩) হজরত হাসান বলেন , ঈদের নামাযে যে রাকআত পাওয়া যায় , সে যেন রাতে তাকবি বলে , আর যে মারা যায় সে যেন দ্বিতীয় রাকাত আদায় করে ইমামের তাকবী রাতের মত .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5864 OK

(৫৮৬৪)

সহিহ হাদিস

(۵۸۶۴) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ حَنَشٍ ، قَالَ : قیلَ لِعَلِیِّ بْنِ أَبِی طَالِبٍ : إِنَّ ضَعَفَۃً مِنْ ضَعَفَۃِ النَّاسِ لاَ یَسْتَطِیعُونَ الْخُرُوجَ إِلَی الْجَبَّانَۃِ ، فَأَمَرَ رَجُلاً یُصَلِّی بِالنَّاسِ أَرْبَعَ رَکَعَاتٍ ؛ رَکْعَتَیْنِ لِلْعِیدِ ، وَرَکْعَتَیْنِ لِمَکَانِ خُرُوجِہِمْ إِلَی الْجَبَّانَۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ৫৮৬৪) হযরত আলী ইবনে আবি তালিবকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , কিছু দুর্বল লোক ঈদের স্থানে গিয়ে সালাত আদায় করতে পারবে না । হযরত আলী এক ব্যক্তিকে এই লোকদেরকে চার রাকাত , ঈদের নামাযের জন্য দুই রাকাত এবং ঈদের সালাতে না যাওয়ার জন্য দুই রাকাত নামায পড়ার নির্দেশ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



5865 OK

(৫৮৬৫)

সহিহ হাদিস

(۵۸۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ؛ أَنَّ عَلِیًّا أَمَرَ رَجُلاً یُصَلِّی بِضَعَفَۃِ النَّاسَ فِی الْمَسْجِدِ رَکْعَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(5865) হজরত আবু ইসহাক বলেন , হজরত আলী ( রা . ) এক ব্যক্তিকে মসজিদে দুর্বল লোকদের দুই রাকাত পড়াতে নির্দেশ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস