
(۵۷۱۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، قَالَ : أَوَّلُ مَنْ أَذَّنَ فِی الْعِیدِ زِیَادٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭১৬ ) হজরত হুসাইন বলেন , জায়েদই প্রথম ঈদের নামাযের জন্য আহ্বান করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۱۷) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : أَخْبَرَنَا زَکَرِیَّا ، عَنْ رَجُلٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنِ الْبَرَائِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلَّی یَوْمَ الْعِیدِ بِغَیْرِ أَذَانٍ ، وَلاَ إِقَامَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5717 ) হযরত বারা ( রাঃ ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযান ব্যতীত এবং ইকামাত ছাড়াই ঈদের সালাত আদায় করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۱۸) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَمَّن حَدَّثَہُ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ أَنَّہُ صَلَّی یَوْمَ عِیدٍ بِغَیْرِ أَذَانٍ ، وَلاَ إِقَامَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5718 ) হযরত আলী আযান ব্যতীত এবং ইকামা ছাড়াই ঈদের নামাযের ইমামতি করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَیُّوبَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَطَائً ، قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ ، یَقُولُ : أَشْہَدُ عَلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لَصَلَّی قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ، ثُمَّ خَطَبَ۔ (بخار ی۱۴۴۹۔ ابوداؤد ۱۱۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭১৯) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) খুতবার আগে ঈদের নামাযের ইমামতি করেছেন , তারপর খুতবা দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : شَہِدْتُ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ عِیدٍ بَدَأَ بِالصَّلاَۃ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5720) হযরত জাবির ( রাঃ ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) এর সাথে ঈদের সালাত আদায় করেছি । খুতবার আগে তিনি নামাজের ইমামতি করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنَ سُلَیْمَانَ ، وَأَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَأَبَا بَکْرٍ ، وَعُمَرَ کَانُوا یُصَلُّونَ الْعِیدَیْنِ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ۔ (بخاری ۹۵۷۔ ترمذی ۵۳۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(5721) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সা. ) , হজরত আবু বকর ও হজরত ওমর ( রা . ) খুতবার আগে নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ صَلَّی بِہِمْ یَوْمَ عِیدٍ عِنْدَ دَارِ کَثِیرِ بْنِ الصَّلْتِ ، فَصَلَّی بِہِمْ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5722) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন যে, মহানবী (সা . ) কাশির ইবনে সালাত ( রা . ) -এর বাড়ির কাছে ঈদের নামাযের ইমামতি করেন এবং নামাযের পর খুতবা দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۳) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنِ الْبَرَائِ ، قَالَ : خَطَبَنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ النَّحْرِ بَعْدَ الصَّلاَۃ۔ (بخاری ۹۵۵۔ ترمذی ۱۵۰۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(5723) হযরত বারা (রাঃ) বলেন , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নহরের দিন নামাযের পর খুতবা দিয়েছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۴) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شُعْبَۃُ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَیْسٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ جُنْدُبَ بْنَ عَبْدِ اللہِ ، یَقُولُ : صَلَّیْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَوْمَ النَّحْرِ ، ثُمَّ خَطَبَ۔ (بخاری ۹۸۵۔ مسلم ۱۵۵۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৭২৪) হজরত জানদাব ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সাথে নহরের দিন সালাত আদায় করলাম এবং নামাযের পর তিনি খুতবা দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : شَہِدْتُ الْعِیدَ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، وَمَعَ أَبِی بَکْرٍ ، وَعُمَرَ فَبَدَؤُوا بِالصَّلاَۃ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ۔ (بخاری ۹۶۲۔ مسلم ۶۰۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৭২৫) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) , হজরত আবু বকর (রা . ) ও হজরত উমর (রা.)- এর সঙ্গে ঈদের সালাত আদায় করেছি , তারা সবাই খুতবার আগে নামাজ পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدٍ مَوْلَی ابْنِ أَزْہَرَ ، قَالَ : شَہِدْتُ الْعِیدَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَبَدَأَ بِالصَّلاَۃ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ، قَالَ : ثُمَّ شَہِدْتُ الْعِیدَ مَعَ عُثْمَانَ فَبَدَأَ بِالصَّلاَۃ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ، قَالَ : وَشَہِدْتُہُ مَعَ عَلِیٍّ فَبَدَأَ بِالصَّلاَۃ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5726) হজরত আবু উবাইদ বলেন , আমি হজরত উমর ইবনে খাত্তাবের সঙ্গে ঈদের সালাত আদায় করেছি , তিনি খুতবার আগে সালাত আদায় করেছেন , আমি হজরত উসমানের সঙ্গে সালাত আদায় করেছি , তিনি খুতবার আগে সালাত আদায় করেছেন , আমি হজরত আলী ( রা . )- এর সঙ্গে সালাত আদায় করেছি এবং তিনি খুতবার আগে সালাত আদায় করেছেন আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۷) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ مَیْسَرَۃَ أَبِی جَمِیلَۃَ ، قَالَ : شَہِدْتُ الْعِیدَ مَعَ عَلِیٍّ ، فَلَمَّا صَلَّی خَطَبَ ۔ قَالَ : وَکَانَ عُثْمَانُ یَفْعَلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5727) হজরত মাইসরা বলেন , আমি হজরত আলী (রা.) - এর সঙ্গে ঈদের নামায পড়লাম এবং তিনি সালাতের পর খুতবা দিলেন , হজরত উসমানও । তারা কিছুই করত না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۸) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّ ابْنَ الزُّبَیْرِ سَأَلَ ابْنَ عَبَّاسٍ ، قَالَ : کَیْفَ أَصْنَعُ فِی ہَذَا الْیَوْمِ ، یَوْمِ عِیدٍ ؟ وَکَانَ الَّذِی بَیْنَہُمَا حَسَنٌ ، فَقَالَ : لاَ تُؤَذِّنْ ، وَلاَ تُقِمْ ، وَصَلِّ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ۔ فَلَمَّا سَائَ الَّذِی بَیْنَہُمَا ، أَذَّنَ وَأَقَامَ ، وَخَطَبَ قَبْلَ الصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5728) হজরত আতা বলেন , হজরত ইবনে যুবাইর (রা.) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা.) - কে জিজ্ঞেস করলেন , ঈদের দিন কীভাবে সালাত আদায় করব ? (তখন তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালো ছিল ) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , তারা খুতবার আগে আযান দেবে না , ইকামাতও করবে না । তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হলে তারা আযান ও ইকামা দিয়ে নামায পড়তেন এবং নামাযের আগে খুতবা দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۲۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِ ، عَنْ حُمَیْدِ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : کَانَتِ الصَّلاَۃُ فِی الْعِیدَیْنِ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5729 ) হজরত আনাস বলেন , খুতবার আগে ঈদের নামাজ আদায় করা হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ شِبَاکٍ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ الإِمَامُ یَوْمَ الْعِیدِ یَبْدَأُ فَیُصَلِّی ، ثُمَّ یَرْکَبُ بَعِیرَہُ فَیَخْطُبُ قَدْرَ مَا یَرْجِعُ النِّسَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5730) হজরত ইব্রাহিম বলেন , ঈদের দিন ইমাম প্রথমে নামাজের ইমামতি করবেন , তারপর তিনি উটে চড়ে খুতবা দেবেন এতদূর যে মহিলারা ফিরে যাবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا الْبَخْتَرِیِّ یَوْمَ عِیدٍ ، وَسَمِعَ رَجُلاً یَقُولُ : الصَّلاَۃُ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ، فَقَالَ : السُّنَّۃُ وَرَبِّ الْکَعْبَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5731) ঈদের দিন আবু আল-বাখতারী এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেন যে , খুতবার আগে সালাত আদায় করা হয়, তখন তিনি বললেনঃ কাবার প্রতিপালকের কসম ! এটাই সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۲) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ مَوْلَی یَزِیدَ بْنِ الْمُہَلِّبِ ؛ أَنَّ مَطَرَ بْنَ نَاجِیَۃَ سَأَلَ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ عَنِ الصَّلاَۃ یَوْمَ الأَضْحَی وَیَوْمَ الْفِطْرِ ؟ فَأَمَرَہُ أَنْ یُصَلِّیَ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ، فَاسْتَنْکَرَ النَّاسُ ذَلِکَ ، فَقَالَ سَعِیدٌ : ہِیَ وَاللَّہِ مَعْرُوفَۃٌ ، ہِیَ وَاللَّہِ مَعْرُوفَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৩২ ) মাতার বিন নাজিহ হযরত সাঈদ বিন জুবায়েরকে ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের সালাত আদায়ের উপায় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন খুতবা থেকে প্রথমে সালাত আদায় করুন । এতে লোকেরা অসন্তুষ্ট হলে হযরত সা’দ ( রাঃ ) বললেনঃ আল্লাহর কসম ! এটা আমার নাম , আল্লাহর কসম ! এই যে এটা .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۳) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنْ یَزِیدَ عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی، قَالَ: صَلَّی بِنَا عَلِیٌّ الْعِیدَ، ثُمَّ خَطَبَ عَلَی رَاحِلَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৩৩ ) ইবনে আবি লায়লা বলেন যে , হযরত আলী আমাদের ঈদের নামায পড়ালেন এবং তারপর ঘোড়ায় চড়ে আমাদেরকে খুতবা দিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۴) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنَ سُلَیْمَانَ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلاَمٍ ، قَالَ : کَانَ النَّاسُ یَبْدَؤُونَ بِالصَّلاَۃ ، ثُمَّ یُثَنَّوْنَ بِالْخُطْبَۃِ ، حَتَّی إَِذَا کَانَ عُمَرُ وَکَثُرَ النَّاسُ فِی زَمَانِہِ ، فَکَانَ إِذَا ذَہَبَ لِیَخْطُبُ ذَہَبَ جُفَاۃُ النَّاسِ ، فَلَمَّا رَأَی ذَلِکَ عُمَرُ بَدَأَ بِالْخُطْبَۃِ حَتَّی خَتَمَ بِالصَّلاَۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫৭৩৪) হজরত ইউসুফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালাম বলেন , লোকেরা প্রথমে ঈদের নামায পড়ত , তারপর খুতবা দিত , যতক্ষণ না হজরত ওমর রা . তিনি যখন খুতবা দিতেন তখন আশেপাশের লোকজন সরে যেত। হজরত ওমর (রা.) এ অবস্থা দেখলে প্রথমে খুতবা দিতেন , তারপর নামাজের ইমামতি করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۵) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِسْمَاعِیلَ بْنِ رَجَائٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : أَخْرَجَ مَرْوَانُ الْمِنْبَرَ ، وَبَدَأَ بِالْخُطْبَۃِ قَبْلَ الصَّلاَۃ ، فَقَامَ إِلَیْہِ رَجُلٌ ، فَقَالَ : یَا مَرْوَانُ ، خَالَفْتَ السُّنَّۃَ ، أَخْرَجْتَ الْمِنْبَرَ وَلَمْ یَکُنْ یُخْرَجُ ، وَبَدَأْتَ بِالْخُطْبَۃِ قَبْلَ الصَّلاَۃِ ، فَقَالَ أَبُو سَعِیدٍ : مَنْ ہَذَا ؟ قَالُوا : فُلاَنٌ ، فَقَالَ : أَمَّا ہَذَا فَقَدْ قَضَی مَا عَلَیْہِ۔ (مسلم ۷۹۔ ابوداؤد ۱۱۳۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 5735) হজরত রাজা বলেন, মারওয়ান মিম্বর বের করে নামাজের আগে খুতবা দেন । লোকটি উঠে দাঁড়িয়ে বলল , হে মারওয়ান ! আপনি সুন্নাহ লঙ্ঘন করেছেন , আপনি মিম্বরটি বের করেছেন যদিও মিম্বরটি কখনও বের করা হয়নি এবং আপনি নামাজের আগে খুতবা দিয়েছেন । এ সময় আবু সাঈদ (রা) বললেন , ইনি কে ? লোকে বললো তাই তো তাই । তিনি বলেন , তিনি তার দায়িত্ব পালন করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ قَیْسِ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِہَابٍ ، قَالَ : أَوَّلُ مَنْ بَدَأَ بِالْخُطْبَۃِ یَوْمَ الْعِیدِ قَبْلَ الصَّلاَۃِ مَرْوَانُ ، فَقَامَ إِلَیْہِ رَجُلٌ ، فَقَالَ : الصَّلاَۃُ قَبْلَ الْخُطْبَۃِ ، فَقَالَ : تُرِکَ مَا ہُنَالِکَ ، فَقَالَ أَبُو سَعِیدٍ : أَمَّا ہَذَا فَقَدْ قَضَی مَا عَلَیْہِ۔ (مسلم ۷۸۔ ابوداؤد ۱۱۳۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 5736 ) তারিক বিন শাহাব বলেন যে , মারওয়ানই সর্বপ্রথম ঈদের নামাযের আগে খুতবা দেন । মারওয়ান বললেন , তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে । এ বিষয়ে হজরত আবু সাঈদ ( রা .) বলেন , এই ব্যক্তি তার দায়িত্ব পালন করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ الْکَلاَمَ وَالإِمَامُ یَخْطُبُ یَوْمَ الْعِیدَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৩৭) হযরত হাসান - ই - ইদীন সালাতের খুতবাকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5738) হযরত আতা-আদ - ই - দীন সালাতের সময় খুৎবা কথা বলাকে মাকরুহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی عَوَانَۃَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৩৯ ) হজরত ইব্রাহিম মুয়াদ্দীন নামাজের সময় খুতবা ও আড্ডাকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۴۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی الْہَیْثُمِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، قَالَ : خَرَجْتُ مَعَہُ یَوْمَ عِیدٍ ، فَلَمَّا خَطَبَ الإِمَامُ سَکَتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৪০ ) হজরত আবুল আলা ইয়াশাম বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিমের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম , ইমাম খুতবা শুরু করলে তিনি চুপ হয়ে যান ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، قَالَ: قُلْتُ لَہُ: یُکْرَہُ الْکَلاَمُ فِی الْعِیدِ وَالإِمَامُ یَخْطُبُ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৪১ ) হজরত সূফী বলেন , আমি আবু ইসহাককে জিজ্ঞেস করলাম , ঈদের খুতবায় কথা বলা মাকরুহ কি না ? সে হ্যাঁ বলেছে .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۴۲) حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : کَلَّمَنِی الْحَکَمُ بْنُ عُتَیْبَۃَ فِی یَوْمِ عِیدٍ وَالإِمَام یَخْطُبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৪২) হজরত শুবা বলেন , ঈদের খুতবার সময় হাকাম বিন আতিবা আমার সাথে কথা বলেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۴۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَعْلَی الطَّائِفِیُّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ، عَنْ جَدِّہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَبَّرَ فِی عِیدٍ ثِنْتَیْ عَشْرَۃَ تَکْبِیرَۃً ، سَبْعًا فِی الأُولَی ، وَخَمْسًا فِی الآخِرَۃِ۔ (ابوداؤد ۱۱۴۴۔ احمد ۲/۱۸۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( 5743 ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের নামাযে বারোটি তাকবে , সাতটি প্রথম রাকাত এবং পাঁচটি দ্বিতীয় রাকাত বলতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۴۴) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ حُبَابٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَوْبَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِی أَبُو عَائِشَۃَ ، وَکَانَ جَلِیسًا لأَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : شَہِدْتُ سَعِیدَ بْنَ الْعَاصِ وَدَعَا أَبَا مُوسَی الأَشْعَرِیَّ وَحُذَیْفَۃَ ، فَسَأَلَہُمَا عَنِ التَّکْبِیرِ فِی الْعِیدَیْنِ ؟ فَقَالَ أَبُو مُوسَی : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُکَبِّرُ فِی الْعِیدَیْنِ أَرْبَعًا کَمَا یُکَبِّرُ عَلَی الْجِنَازَۃِ ، قَالَ : وَصَدَّقَہُ حُذَیْفَۃُ ، قَالَ : فَقَالَ أَبُو مُوسَی : وَکَذَلِکَ کُنْتُ أُصَلِّی بِأَہْلِ الْبَصْرَۃِ وَأَنَا عَلَیْہَا ، قَالَ أبُو عَائِشَۃَ : وَأَنَا حَاضِرٌ ذَلِکَ ، فَمَا نَسِیتُ قَوْلَہُ أَرْبَعًا کَالتَّکْبِیرِ عَلَی الْجِنَازَۃِ۔ (ابوداؤد ۱۱۴۶۔ بیہقی ۲۹۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(5744) আবু আয়েশা (যিনি হজরত আবু হুরায়রার সহকর্মী ছিলেন ) বলেন যে, আমি সাঈদ বিন আসের সাথে ছিলাম । তিনি হজরত আবু মুসা আশআরী ও হজরত হুজাইফা (রা. ) - কে ডেকে ঈদের তাকবে রাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন । হজরত আবু মুসা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) ঈদুল ফিতরের রাতে চারটি তাকবে বলতেন জানাজার মতো । হযরত হুযাইফা (রা) এগুলোকে নিশ্চিত করেছেন হজরত আবু মুসা (রা.) বলেন , আমি যখন বসরার গভর্নর ছিলাম , তিনি সেখানেও ঈদের নামাযের ইমামতি করতেন । আবু আয়েশা বলেন , আমি এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলাম এবং হজরত আবু মুসার এই দোয়াটি আমার খুব ভালোভাবে মনে আছে : চার তাকবে রাত একটি জানাজার মতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷۴۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مَنْ شَہِدَ سَعِیدَ بْنَ الْعَاصِ أَرْسَلَ إِلَی أَرْبَعَۃِ نَفَرٍ مِنْ أَصْحَابِ الشَّجَرَۃِ فَسَأَلَہُمْ عَنِ التَّکْبِیرِ فِی الْعِیدِ ؟ فَقَالُوا : ثَمَانُ تَکْبِیرَاتٍ ، قَالَ : فَذَکَرْتُ ذَلِکَ لاِبْنِ سِیرِینَ ، فَقَالَ : صَدَقَ ، وَلَکِنَّہُ أَغْفَلَ تَکْبِیرَۃَ فَاتِحَۃِ الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৭৪৫ ) হজরত মাখুল বলেন , যে ব্যক্তি সাঈদ ইবনে আসকে দেখেছিল সে আমাকে বলল যে , একবার সাঈদ ইবনে আস তার চারজন সাহাবীকে ডেকেছিল , যারা রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর হাতে বাইয়াত করেছিল । গাছ সাঈদ বিন আস তাকে ঈদের তাকবীরের রাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , আটটি তাকবীর রয়েছে । বর্ণনাকারী বলেন যে , আমি ইবন সীরীনের কাছে এটি উল্লেখ করেছি , এবং তিনি বলেছেন যে তিনি সঠিক , কিন্তু তিনি তাকবীরে তাহরীমা ত্যাগ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস