
(۵۰۵۶) حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِیسَ ، عَنْ یَزِیدَ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ : ہَلْ مِنْ غُسْلٍ غَیْرَ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، یَوْمَ الأَضْحَی ، وَیَوْمَ الْفِطْرِ ، وَیَوْمَ عَرَفَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৫৬) হজরত ইয়াজিদ বলেন , আমি হজরত আবদ আল-রহমানকে জিজ্ঞেস করলাম , শুক্রবার ছাড়া অন্য কোনো দিনে গোসল করা কি দ্বীনের অংশ ? তিনি বললেন , হ্যাঁ , ঈদুল আযহা , ঈদুল ফিতর ও ইয়াম - আরাফাহ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۵۷) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، وَوَکِیعٌ ، عَنْ عُمَر بْنِ ذَرٍّ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، عَنْ أَبِیِہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَحِبُّ الْغُسْلَ فِی الْعِیدَیْنِ وَالْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5057) হযরত ইব্রাহীম মুতামির বর্ণনা করেন যে , তাঁর পিতা ঈদ ও শুক্রবারে গোসল করাকে মুস্তাহাব মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۵۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، وَابْنُ فُضَیْلٍ ، قَالاَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، عَنْ وَبَرَۃَ ، عَنْ ہَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : إِنَّ مِنَ السُّنَّۃِ الْغُسْلَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔ (عبدالرزاق ۵۳۱۶۔ طیالسی ۳۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(5058) হযরত আবদুল্লাহ বলেন, শুক্রবারে গোসল করা সুন্নত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۵۹) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ خَطَبَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، فَقَالَ : مَنْ رَاحَ إِلَی الْجُمُعَۃِ فَلْیَغْتَسِلْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5059) হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, হুজুর ( সা . ) জুমার খুতবায় বলেছেন , যে ব্যক্তি জুমার জন্য আসে সে যেন গোসল করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ عَلِیِّ بْنِ رِفَاعَۃَ ، عَنْ حَیَّانَ الأَعْرَجِ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، قَالَ : رُبَّمَا وَجَدْتُ الْبَرْدَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَلاَ أَغْتَسِلُ۔ (نسائی ۱۴۰۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৬০) হজরত জাবির ইবনে যায়েদ বলেন , কখনো কখনো জুমার দিনে ঠান্ডা লাগে , তাই গোসল করি না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِیلُ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ (ح) وَأَخْبَرَنَا عُبَیْدَۃُ ، وَمُغِیرَۃُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ (ح) وَعَبْدُ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّہُمْ قَالُوا : مَنْ تَوَضَّأَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَحَسَنٌ ، وَمَنِ اغْتَسَلَ فَالْغُسْلُ أَفْضَلُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5061) হজরত শাবি , হজরত ইব্রাহিম ও হজরত আতা বলেন , যে শুক্রবারে ওযু করল সে উত্তম এবং যে গোসল করল সে খুবই উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عُبَیْدَۃُ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، قَالَ : ذَکَرُوا غُسْلَ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ عِنْدَہُ ، فَقَالَ أَبُو وَائِلٍ : إِنَّہُ لَیْسَ بِوَاجِبٍ ، رُبَّ شَیْخٍ کَبِیرٍ لَوِ اغْتَسَلَ فِی الْبَرْدِ الشَّدِیدِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ لَمَاتَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৬২) হজরত উবাইদা (রাঃ) বলেন , হযরত আবু ওয়াইলের সামনে শুক্রবারের গোসলের কথা বলা হলে তিনি বললেন , শুক্রবারে গোসল করা ওয়াজিব নয় । অনেক বয়স্ক মানুষ বিশ্বাস করে যে তারা যদি প্রচন্ড ঠান্ডায় গোসল করে তবে তারা মারা যাবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی غُسْلاً وَاجِبًا ، إِلاَّ الْغُسْلَ مِنَ الْجَنَابَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৬৩) হযরত শাবী জানাবাতের গোসল ব্যতীত অন্য কোন গোসলকে ওয়াজিব মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۴) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہَمَّامٌ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ سَمُرَۃََ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ، قَالَ : مَنْ تَوَضَّأَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فَبِہَا وَنَعِمَتْ ، وَمَنَ اغْتَسَلَ فَذَلِکَ أَفْضَلُ۔ (ابوداؤد ۳۵۸۔ احمد ۵/۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(5064) হজরত সামরাহ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি শুক্রবারে ওযু করল তার উত্তম কাজ , আর যদি কেউ গোসল করে তবে উত্তম কাজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوئَ ، ثُمَّ أَتَی الْجُمُعَۃَ ، فَدَنَا وَأَنْصَتَ وَاسْتَمَعَ ، غُفِرَ لَہُ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ الْجُمُعَۃِ الأُخْرَی ، وَزِیَادَۃُ ثَلاَثَۃِ أَیَّامٍ ، وَمَنْ مَسَّ الْحَصَی فَقَدْ لَغَا۔ (مسلم ۲۷۔ ابوداؤد ۱۰۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(5065) হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি ভালোভাবে ওযু করে , তারপর জুমার জন্য আসে , যদি সে নীরব থাকে এবং ইমামের কথা শোনে। সাবধানে খুতবা দিলে তার এই শুক্রবার থেকে আগের জুমা পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত তিন দিনের গুনাহ মাফ হয়ে যায় । যে ব্যক্তি খুতবার সময় নুড়ি স্পর্শ করেছে সে একটি খারাপ কাজ করেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : سَأَلْتُُہُ عَنْ غُسْلِ الْجُمُعَۃِ؟ فَقَالَ: لَیْسَ غُسْلٌ وَاجِبٌ إِلاَّ مِنَ الْجَنَابَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৬৬) হজরত হাজ্জাজ বলেন , আমি হজরত আবু জাফর (রা.)-কে শুক্রবারের গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , জানাবাত ছাড়া কোনো গোসল ফরজ নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۷) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ ہَاشِمٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَطِیَّۃَ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللَّہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَنْ تَطَہَّرَ فَأَحْسَنَ الطُّہُورَ ، ثُمَّ أَتَی الْجُمُعَۃَ ، فَلَمْ یَلْہُ وَلَمْ یَجْہَلْ ، کَانَ کَفَّارَۃً لِمَا بَیْنَہَا وَبَیْنَ الْجُمُعَۃِ الأُخْرَی ، وَالصَّلَوَاتُ الْخَمْسُ کَفَّارَاتٌ لِمَا بَیْنَہُنَّ ، وَفِی الْجُمُعَۃِ سَاعَۃٌ لاَ یُوَافِقُہَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ فَیَسْأَلُ اللَّہَ خَیْرًا إِلاَّ أَعْطَاہُ۔ (عبد بن حمید ۹۰۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৬৭) হজরত আবু সাঈদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি উত্তমরূপে গোসল করল , অতঃপর জুমআর নামাযের পর এসে যদি কোনো ফালতু কাজ না করে । অজ্ঞতাপূর্ণ কাজ, তাহলে এই শুক্রবার আগের শুক্রবার পর্যন্ত সমস্ত গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে । পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে প্রতিটি নামাজই প্রথম নামাজের কাফফারা । শুক্রবার এমন একটি সময় যেখানে মানুষ আল্লাহ তায়ালার কাছে যা চায় তাই তাকে দান করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الأَعْمَش، عَنْ إِبْرَاہِیمَ، عَن عَلْقَمَۃَ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَغْتَسِلُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فِی السَّفَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5068) হযরত আল-কামাহ ভ্রমণকালে শুক্রবারে গোসল করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۶۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَر (ح) وَعَنِ الْعُمَرِیِّ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَغْتَسِلُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فِی السَّفَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5069) হযরত ইবনে উমর (রাঃ) সফরকালে শুক্রবারে গোসল করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ خَالِہِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنِ ابْنِ جُبَیْرِ بْنِ مُطْعِمٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَغْتَسِلُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فِی السَّفَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5070) হযরত জাবির ইবনে মুতআম ( রা . ) - এর ছেলে সফরে শুক্রবারে গোসল করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ؛ أَنَّ مُجَاہِدًا ، وَطَاوُوسا کَانَا لاَ یَغْتَسِلاَنِ فِی السَّفَرِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ، وَکَانَ سَعِیدُ بْنُ جُبَیْرٍ یَغْتَسِلُ حِینَ جِیئَ بِہِ أَسِیرًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5071) হযরত মুজাহিদ ও হযরত তাওয়াস শুক্রবারে সফরে গোসল করতেন না । হজরত সাঈদ বিন জাবিরও শুক্রবার গোসল করিয়েছিলেন যখন তাঁকে বন্দী করে আনা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۲) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْقَاسِمَ عَنِ الْغُسْلِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فِی السَّفَرِ ؟ فَقَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ لاَ یَغْتَسِلُ ، وَأَنَا أَرَی لَکَ أَنْ لاَ تَغْتَسِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৭২) হজরত জাবির বলেন , আমি হজরত কাসিমকে শুক্রবারের গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , হজরত ইবনে উমর শুক্রবারে গোসল করতেন না ? আমিও তোমার জন্য এই কারণেই বুঝি ভ্রমণের সময় গোসল করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۳) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ ؛ أَنَّ الأَسْوَدَ ، وَعَلْقَمَۃَ کَانَا لاَ یَغْتَسِلاَنِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فِی السَّفَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5073) হযরত আসওয়াদ ও হযরত আল কামা শুক্রবার সফরে গোসল করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۴) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُکَیْنٍ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ إِیَاسِ بْنِ مُعَاوِیَۃَ ، قَالَ : إِنَّمَا الْغُسْلُ عَلَی مَنْ حَضَرَ الْجُمُعَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5074) হযরত আয়েস ইবনে মুয়াবিয়া (রা) বলেন , জুমার নামায আদায়কারীর উপর জুমার গোসল ফরজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۵) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرُ ، عَنْ عُقْبَۃَ بْنِ أَبِی جَسْرَۃ ، قَالَ : سَأَلْتُ إِسْحَاقَ بْنَ عَبْدِ اللہِ بْنِ الْحَارِثِ عَنِ الْغُسْلِ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ ؟ فَقَالَ : کَانَ عَبْدُ اللہِ بْنُ الْحَارِثِ یَغْتَسِلُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ فِی السَّفَرِ وَالْحَضَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৭৫) হজরত উকবা ইবনে আবি জাসরা বলেন , আমি ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হারিসকে জুমার দিনে ওযু করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , ইবনে হারিস সফরে যেতেন এবং শুক্রবারে গোসল করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مَعْدَانَ ، قَالَ : سَمِعْتُ حَبِیبًا وَسَأَلَہُ رَجُلٌ : مَا تَقُولُ فِی غُسْلِ الْجُمُعَۃِ ، أَوَاجِبٌ ہُوَ ؟ فَقَالَ : قَدْ رَأَیْتُ طَلْقًا أَقْبَلَ مِنْ مَکَّۃَ إِلَی الْحَجَّاجِ أَسِیرًا ، فَمَا تَرَکَ الْغُسْلَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5076 ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাদান বলেন , আমি হজরত হাবিব (রা.)-কে জুমার দিন ওযু করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম । এটা কি ওয়াজিব? তিনি বলেন , আমি হযরত তালাককে বলেছিলাম যে , তাকে মক্কা থেকে বন্দী করে হাজীদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۷) حَدَّثَنَا عُبَیْدُاللہِ بْنُ مُوسَی، عَنْ إِسْرَائِیلَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ؛ أَنَّہُ کَانَ یَغْتَسِلُ فِی السَّفَرِ کُلَّ جُمُعَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(5077) হজরত জাবির বলেন , হজরত আবু জাফর (রা. ) সফরকালে জুমার গোসল করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ یَحْیَی ، عَنِ الْمُسَیَّبِ بْنِ رَافِعٍ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ حُدَیْرٍ ، قَالَ : سَتَرْتُ طَلْحَۃَ فِی سَفَرٍ یَوْمَ جُمُعَۃٍ فَاغْتَسَلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০৭৮ ) হযরত যায়েদ বিন হুদায়র বলেন , আমি শুক্রবার হযরত তালহার জন্য পর্দা করেছিলাম এবং তিনি গোসল করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۷۹) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : إِذَا اغْتَسَلَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ مِنَ الْجَنَابَۃِ ، أَجْزَأَہُ مِنْ غُسْلِ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৭৯) হযরত মুজাহিদ বলেন , যে ব্যক্তি জুমার দিন ফজরের পর জানাবাতের গোসল করে তাহলে তার জুমার গোসলও হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۸۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا یُونُسُ ، عَنِ الْحَسَنِ (ح) وَمُغِیرَۃُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ (ح) وَعَبْدُ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّہُمْ قَالُوا : إِذَا اغْتَسَلَ الرَّجُلُ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ أَجْزَأَہُ مِنْ غُسْلِ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৮০) হজরত হাসান, হজরত ইব্রাহিম ও হজরত আতা বলেন , কোনো ব্যক্তি জুমার দিন ফজরের পর গোসল করলে তার গোসলও জুমার দিন হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۸۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَبِیبُ بْنُ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ مِثْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৮১) হযরত মুজাহিদের কাছ থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ، قَالَ: إِذَا اغْتَسَلَ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ أَجْزَأَہُ مِنْ غُسْلِ یَوْمِ الْجُمُعَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৫০৮২) হজরত আবু জাফর বলেন , কোনো ব্যক্তি জুমআর ফজরের পর গোসল করলে তার গোসলও জুমার দিনে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۸۳) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : مَنِ اغْتَسَلَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ أَجْزَأَہُ مِنْ غُسْلِ الْجُمُعُۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 5083 ) হযরত আদেশ করেন যে, কেউ যদি শুক্রবার ফজরের পর গোসল করে তাহলে তার জুমার গোসলও হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ بشیر ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ اغْتَسَلَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ بِسَحَرٍ ؟ قَالَ : یُجْزِئُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০৮৪) হজরত শাবিকে জিজ্ঞেস করা হলো , কোনো ব্যক্তি জুমার দিনে সেহরির গোসল করলে সে কি শুক্রবারে গোসল করবে ? তিনি বললেন, হ্যাঁ হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰۸۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْعَوَّامُ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، قَالَ : کَانُوا یُحِبُّونَ لِمَنِ اغْتَسَلَ یَوْمَ الْجُمُعَۃِ أَنْ لاَ یَکُونَ بَیْنَہُ وَبَیْنَ الْجُمُعَۃِ حَدَثٌ ، قَالَ : وَکَانُوا یَقُولُونَ : إِذَا أَحْدَثَ بَعْدَ الْغُسْلِ ، عَادَ إِلَی حَالِہِ الَّتِی کَانَ عَلَیْہَا قَبْلَ أَنْ یَغْتَسِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০৮৫ ) হজরত ইব্রাহিম মুতায়মি বলেন , পূর্বসূরিরা পছন্দ করতেন যে জুমার গোসল ও জুমার নামাযের মধ্যে যেন কোনো ঘটনা না ঘটে । তারা বলতেন যে, শুক্রবারে গোসল করার পর যদি কোনো ব্যক্তির হাদিস থাকে তাহলে সে গোসলের আগে যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় ফিরে আসে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস